সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৪ এম
যশোরের মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সম্রাট হোসেন -এর হস্তক্ষেপে অষ্টম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার ইউএনও'র এই মহৎ উদ্যোগের জন্য এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গায়েহলুদে বসা ওই ছাত্রী অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কোমল চন্দ্র বিশ্বাস জানিয়েছেন, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সম্রাট হোসেন স্যারের নির্দেশনায় খাটুয়াডাংগা গ্রামে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, খাটুয়াডাংগা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রীর গায়েহলুদ অনুষ্ঠানের কার্যক্রম চলছে। বিষয়টি নিয়ে ছাত্রীর অভিভাবক, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে ইউএনও স্যারের নির্দেশনা ও বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। এক পর্যায়ে গায়েহলুদ দেওয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক ওই ছাত্রীর বাবা-মা সাদা কাগজে লিখিত অঙ্গীকারবদ্ধ হন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, মেয়েকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত না করে এবং আঠারো বছর বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দিবেন না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হযরত আলী জানিয়েছেন, সকালে বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় মোবাইলে তাকে জানান, আপনার প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন গ্রামে এক ছাত্রীর বিবাহ হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ঘটনাটি সঠিক। এ সময় নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী ইউপি সচিব কোমল চন্দ্র বিশ্বাসকে নিয়ে ছাত্রীর বাবা-মায়ের সাথে কথা বলে গায়েহলুদ অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রধান শিক্ষক আরও জানান, মেয়েটি তার বিদ্যালয় থেকে এবার অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে এবং সে খুব মেধাবী ছাত্রী। খাটুয়াডাংগা গ্রামের মাওলানা আজিজুর রহমান, আবু সাইদ, রুস্তম আলী, রমজান আলী, জিয়াউর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজ একজন মেধাবী ছাত্রীর ভবিষ্যৎ জীবন রক্ষা করেছেন। বর্তমান ইউএনও'র এমন বাল্যবিবাহ রোধের জন্য এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সম্রাট হোসেন বলেছেন, এলাকাবাসীর খবর পেয়ে মেধাবী ছাত্রীর বাল্যবিবাহটি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এসব নিয়ে একাধিকবার উপজেলার পৌরসভা এবং পাড়া-মহল্লায় সচেতনতামূলক সেমিনার করা হয়েছে। তবে, শতভাগ নির্মূল করতে হলে সকলকে আরও বেশি আন্তরিক ও সচেতন হতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার একেএম জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন, পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে শৃঙ্খলা, আন্তরিকতা ও জনবান্ধব আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, সুযোগ-সুবিধা এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয় এবং তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ২০২৩ ও ২০২৬ সালের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগস্ট ২০২৬ মাসে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এর মধ্যে অধিকতর চোরাচালান বিরোধী অভিযানে সাহসিকতা ও সফল নেতৃত্ব প্রদর্শনের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই (নিরস্ত্র) মাহমুদুল হাসানকে শ্রেষ্ঠ চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরে প্রধান অতিথি সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এবং জেলা পুলিশ সুপার একেএম জাকির হোসেন তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
এ বিষয়ে এসআই মাহমুদুল হাসান জানান,এই স্বীকৃতি কেবল আমার একার নয়, এটি আমাদের পুরো জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের দলগত প্রচেষ্টার ফসল। বিশেষ করে আমাদের পুলিশ সুপার স্যারের দিকনির্দেশনা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত উৎসাহ আমাদের কাজের স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। চোরাচালান ও যেকোনো অপরাধ দমনে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জনসেবা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আমি সবসময় আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চ সততা, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে যেতে বদ্ধপরিকর।
এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি ও কল্যাণে নেওয়া পদক্ষেপগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের চৌগাছায় সন্ত্রাস দমন আইনের আওতায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নুর ইসলাম (৬৭) নামে এক নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতাকে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে উপজেলার খড়িঞ্চা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ তাকে আটক করে। আটককৃত নুর ইসলাম মৃত নাসির উদ্দীন ভাটায়ের পুত্র এবং স্বরুপদাহ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সন্ত্রাস দমন আইনে দায়েরকৃত মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ এই বিষয়ে বলেন, "আটক আসামীকে রবিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনিতে মাসব্যাপী দাওয়াতী গণসংযোগের অংশ হিসেবে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সমাবেশটি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেয়ারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সহ-সভাপতি ও শোভনালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওঃ আবু বক্কর সিদ্দীক।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সভাপতি প্রফেসর শাহজাহান হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি বোরহান উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওঃ আব্দুল গফ্ফার, জেলা উপদেষ্টা এড. আব্দুস সোবহান মুকুল এবং উপজেলা উপদেষ্টা আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন মাওঃ রুহুল কুদ্দুস, মাওঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ইসলাম ধর্মে শ্রমিকের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, "শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই তাদের পাওনা পরিশোধ করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, দাওয়াতী গণসংযোগ উপলক্ষে পেশাভিত্তিক উপজেলার প্রত্যেক শ্রমিকের কাছে ইসলামের দাওয়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। সমাবেশে শোভনালী, আশাশুনি সদর, বড়দল ও শ্রীউলা ইউনিয়নের কর্মীগণ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ মজলিসুল মুফাসসিরীন-এর আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মাওঃ খলিলুর রহমান আজাদী এবং সেক্রেটারী হিসেবে হাফেজ মাওঃ আবু হুসাইন বুলবুলকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
অনুমোদিত কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, সহ-সভাপতি হিসেবে মাওঃ মোফাজ্জেল হোসেন হেলালী, মাওঃ গোলাম মোস্তফা ও হাফেজ শাহিদুল ইসলাম, সহ-সেক্রেটারী হিসেবে মাওঃ হাবিবুল্লাহ বাহার হাবিবী, অর্থ সম্পাদক এম আনোয়ার হোসাঈন সাঈফী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ জাহিদুল ইসলাম আনছারী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওঃ আমানুল্লাহ আমান, মিডিয়া সম্পাদক মাওঃ আবু ঈসা আজাদী, অফিস সম্পাদক হাফেজ ক্বারী আঃ হাসান জামিল, ফতোয়া বিষয়ক সম্পাদক মুফতী নজরুল ইসলাম কাছেমী, প্রচার সম্পাদক হাফেজ নাসির উদ্দিন, শিল্পী ও সাহিত্যিক সম্পাদক মুফতী গাজী তরিকুল ইসলাম এবং সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওঃ তরিকুল ইসলাম বেলালী।
এছাড়া, সদস্য হিসেবে মাওঃ গাজীঃ শফিকুল ইসলাম, হাফেজ মাওঃ মনিরুল ইসলাম, মাওঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ, হাফেজ মেহেদী হাসান, হাফেজ ফরিদউজ্জামান ফরিদ, ক্বারী মাওঃ ইয়াছিন আরাফাত, মাওঃ নাসিরুল ইসলাম এবং হাফেজ ইয়াছিন আরাফাত অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এর পাশাপাশি, উপদেষ্টা হিসেবে মাওঃ শামসুল আরেফিন, মাওঃ আব্দুল আলিম এবং মাওঃ ফরিদউদ্দীন আরারীকে মনোনীত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ