ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিএমপির ৫ অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে বদলি


ডিএমপির ৫ অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে বদলি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার ৫ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। রবিবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্‌ উদ্দিন আহমদের সই করা কার্যালয় আদেশে তাদের বদলির বিষয়টি জানানো হয়েছে।

কার্যালয় আদেশে ডিএমপির গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. সোনাহর আলীকে গোয়েন্দা গুলশানে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিএমপির ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (কোয়ার্টার মাস্টার) মো. সাজ্জাদ হোসেনকে গুলশান বিভাগের (ক্যান্টনমেন্ট জোন) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার এবং ডিএমপির গুলশান বিভাগে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ক্যান্টনমেন্ট জোন) মোহাম্মদ আবির হাসানকে ডিএমপি কমিশনারের দপ্তরে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (স্টাফ অফিসার টু কমিশনার) হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়াও একই প্রজ্ঞাপনে ডিএমপির গোয়েন্দা রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা-রমনা প্রশাসন) মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরীকে ডিএমপি পিওএম-পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ডিএমপির পিওএম-পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. নজরুল ইসলামকে গোয়েন্দা রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (রমনা জোনাল টিম) হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৃহবধূর মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা, হাতেনাতে ধরা অ্যাম্বুলেন্সচালক!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


গৃহবধূর মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা, হাতেনাতে ধরা অ্যাম্বুলেন্সচালক!

নড়াইলের লোহাগড়ায় এক গৃহবধূর মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সাগর শেখ (২৮) নামের এক অ্যাম্বুলেন্সচালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে সাগর শেখকে আটক করে লোহাগড়া থানার পুলিশ। সাগর শেখ লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা তেলপাম্প এলাকার মৃত কামরুল শেখের ছেলে।

মৃত গৃহবধূর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার সকালে উপজেলার লোহাগড়া ইউনিয়নের ছাগলছেঁড়া গ্রামে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সাদিয়া আক্তার লামিয়া নামের এক গৃহবধূ। পরে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। রাতে থানায় নেওয়ার জন্য মরদেহটি একটি অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, ওই দিন গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে ছিলেন চালক সাগর শেখ। এ সময় তিনি মরদেহটির সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করেন। তখন সাদিয়ার মা সেখানে গিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

সাদিয়ার মা বলেন, অ্যাম্বুলেন্সচালক সাগর শেখ তার মেয়ের শরীরের কাপড় খুলে অনৈতিক কাজ করার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি যাতে বাইরে থেকে দেখা না যায়, সে জন্য অ্যাম্বুলেন্সের জানালা গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 

লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, অভিযুক্ত সাগর শেখকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গড়িয়ারপার-কাউখালী সড়কে গলার কাঁটা পরিত্যক্ত ভবন, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


গড়িয়ারপার-কাউখালী সড়কে গলার কাঁটা পরিত্যক্ত ভবন, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

 

পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠী-গড়িয়ার পার বরিশাল আঞ্চলিক সড়কের কচুয়াকাঠী এলাকায় ৪০ বছর পুরনো একটি জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত ভবন বর্তমানে সড়কের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের মাঝখানে অবস্থিত ভবনটির মালিক আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে এর সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে কচুয়াকাটি খালের উপর একটি সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের উচ্ছেদের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলেও, ক্ষতিপূরণের আশায় তারা স্থাপনাগুলো অপসারণ করছে না। ফলে রাস্তা সম্প্রসারণ ও সেতু নির্মাণের কাজ থমকে রয়েছে।

সরোজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, সিএন্ডবি নামে পরিচিত সড়কের পিচ ঢালাইয়ের পাশের জায়গা দখল করে একাধিক ব্যক্তি বাড়ি ও দোকান নির্মাণ করছেন। সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদাসীনতার কারণে এই দখলের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে, যা সড়ক সম্প্রসারণ ও যানবাহনের নিরাপত্তাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

এছাড়া, সড়কের উপরে অবস্থিত পুরানো ও পরিত্যক্ত ভবনটি পথচারী ও যানবাহনের চালকদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবনটি অপসারণ না হওয়ায় সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং কচুয়াকাঠী বেইলি ব্রিজের স্থলে নতুন সেতু নির্মাণের কাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সরু ও দৃষ্টি বাধাগ্রস্ত অংশটিতে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ মন্তব্য করেন, "সড়ক ও জনপদ বিভাগের সড়কের পাশে অবৈধ ঘরবাড়ি দোকানপাট দ্রুত সময়ের মধ্যে উচ্ছেদ করা প্রয়োজন।" তিনি আরও বলেন, "সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা চিহ্নিত করণ পিলার না থাকায় অনেকেই দখল করে ঘর বাড়ি তৈরি করেছেন।" তিনি উল্লেখ করেন, সড়ক সম্প্রসারণের জন্য সড়কের জায়গা চিহ্নিত করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা জরুরি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৮০-এর দশকে সড়ক নির্মাণের সময় ওই এলাকার বিভিন্ন জমির মালিককে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটির মালিক মাওলানা আব্দুল হক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও রেকর্ড যথাযথ না থাকায় সে সময় ক্ষতিপূরণ দাবি বা গ্রহণ করতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে সড়ক বিভাগ ভবনটি অপসারণের উদ্যোগ নিলে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।

আঞ্চলিক এই মহাসড়কটির কচুয়াকাঠী বেইলি ব্রিজের স্থানে আধুনিক পাকা সেতু নির্মাণের টেন্ডার হওয়ায় সম্প্রতি পিরোজপুর দুই আসনের সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর নতুন সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

উক্ত এলাকার বাসিন্দা ও বিএনপির নেতা গিয়াসউদ্দিন অলি জানান, "ভবনটি অপসারণ না হওয়ায় নতুন ব্রিজ নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।" তিনি বলেন, "সেতু নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সমাধানের জন্য উক্ত পরিত্যক্ত ভবনের মালিকপক্ষের সাথে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, পিরোজপুর সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল।" তবে ভবন মালিক তাতে সম্মত না হয়ে আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহনের চালকদের অভিযোগ, বেইলি ব্রিজের উত্তর পাশে অ্যাপ্রোচ সড়কের একটি অংশজুড়ে ভবনটি অবস্থান করায় বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন আগে থেকে দেখা যায় না। ফলে মুখোমুখি সংঘর্ষসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই ব্যস্ত সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। তাই দ্রুত ভবনটির বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

ভবনের মালিক মাওলানা আব্দুল হকের ছেলে পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ মামুন তালুকদার জানান, "এই সড়কটির বহু আগেই আমাদের জায়গার উপরে বিল্ডিং নির্মিত হয়। সরকার নীতিমালা অনুযায়ী ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিলে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি হয়।" তিনি অভিযোগ করেন, "সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি করছে।"

পিরোজপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রাসেল জানান, "সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী মহোদয় এখানে ব্রিজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন। পরিত্যক্ত ভবনের মালিকের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। ব্রিজে নির্মাণে কোন বাধা নেই, তবে অ্যাপ্রস করতে হলে ভবনটি অপসারণ করা প্রয়োজন।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, "ওই পরিত্যক্ত ভবন মালিক জনদুর্ভোগের বিষয়টি বুঝতে পারবেন এবং ভবনটি অপসারণ করতে সহযোগিতা করবেন।" কাউখালী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবির বলেন, "মানুষের জীবন ও সড়ক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনটি অপসারণের জন্য সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, "দ্রুত সমস্যাটির সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বের বৃহৎ স্টেডিয়াম হচ্ছে ভারতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


বিশ্বের বৃহৎ স্টেডিয়াম হচ্ছে ভারতে

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ভারতে অবস্থিত। দেশটির আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম রেকর্ড সংখ্যাক দর্শক খেলা দেখার সুযোগ পান। তবে এরই মধ্যে হায়দরাবাদে আরও একটি বৃহত্তম স্টেডিয়াম হতে যাচ্ছে।

রাজ্যটির ফিউচার সিটিতে প্রস্তাবিত এই স্টেডিয়ামে ১ লাখ ৩২ হাজারেরও বেশি দর্শকের বসার ব্যবস্থা থাকবে। যা নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামকে ছাড়িয়ে যাবে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে নতুন এই স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। এর মধ্য দিয়ে এমন একটি প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে যা ক্রিকেট প্রশাসক এবং রাজ্য সরকারের বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, তেলেঙ্গানা সরকার এই প্রকল্পের জন্য জমি বরাদ্দ করবে এবং বিসিসিআই নির্মাণকাজের অর্থায়ন ও দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

স্টেডিয়ামটি ‘ফিউচার সিটি’-র অন্তর্গত একটি বৃহত্তর ‘স্পোর্টস সিটি’ প্রকল্পের অংশ হবে। উল্লেখ্য, এই ‘ফিউচার সিটি' এলাকাটি তেলেঙ্গানার ‘নেট-জিরো সিটি’ (কার্বন নিঃসরণমুক্ত শহর) ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এই অবস্থানের কারণে স্টেডিয়ামটি কেবল একটি প্রথাগত ক্রিকেট মাঠের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং এটি একটি বৃহৎ পরিসরের নগর পরিকল্পনা ও পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামটির নকশা ইংল্যান্ডের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত স্টেডিয়ামগুলোর আদলে তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই আদর্শগুলোর ওপর ভিত্তি করে এমন একটি স্থাপনা তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যশৈলীর সাথে আধুনিক অবকাঠামোগত মানের সমন্বয় ঘটবে। যা চূড়ান্ত স্টেডিয়ামটির জন্য একটি উচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করবে।

এই পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান বা নকশা পরামর্শক চূড়ান্ত করা হয়নি। প্রকল্পের বিশাল পরিসর এবং পরিকল্পিত শহরের কাঠামোর সাথে এর সমন্বয় করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের বিস্তারিত নকশার কাজ এখনও চলছে। চূড়ান্ত রূপ পাওয়ার পর, এই ভেন্যুটি সর্বোচ্চ মানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে; যেখানে আধুনিক ও বিশেষায়িত পরিবেশে ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি দর্শকের ধারণক্ষমতা থাকবে। রেকর্ড-গড়া দর্শক ধারণক্ষমতা এবং স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনার সমন্বয় করে মাঠটিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ও বিখ্যাত ক্রিকেট ভেন্যুর কাতারে নিয়ে যেতে চায় ভারত।

‘ফিউচার সিটি’-র স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্টেডিয়ামটি ‘আউটার রিং রোড’ এবং ‘রিজিওনাল রিং রোড’ উভয়ের সাথেই সরাসরি সংযুক্ত থাকবে। যার ফলে হায়দারাবাদ ও এর পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শকরা সহজেই মাঠে পৌঁছাতে পারবেন।

স্টেডিয়াম এলাকার পরিবহন নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছে রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বা টুর্নামেন্ট উপলক্ষে হায়দ্রাবাদে আসা বিদেশি দল ও দর্শকদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত সুবিধাজনক বিষয়। এছাড়া পরিকল্পিত মেট্রো রেল সম্প্রসারণের আওতায় এই এলাকাটিও যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা ম্যাচের দিন বিপুল সংখ্যক দর্শকের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও অধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৬ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগে সাজু মিয়া আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎ ‎স্টাফ রিপোর্টার:: মোহাম্মদ নূর

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


১৬ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগে সাজু মিয়া আটক

‎

পুলিশের একটি অভিযানে সাজু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে, যিনি ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে এক মিষ্টি কারিগরের কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশ জানায়, সাজু মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। আটক করার সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের একাধিক সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

‎

ভুক্তভোগী মামুন আহমদ সুনামগঞ্জের দক্ষিণ বাদাঘাটের মুকশেদপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় একটি মিষ্টির দোকানে কারিগর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে সাজু মিয়া তার সহকারী হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

‎

মামুনের অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের কথা বলে সাজু মিয়া তাকে লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ধাপে ধাপে ১৬ লাখ টাকা নেন। টাকা সংগ্রহ করতে মামুন বিভিন্ন জায়গা থেকে ধারদেনা করেন। পরে যখন তিনি টাকা ফেরত চান, সাজু নানা অজুহাত তৈরি করতে থাকেন এবং একপর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে মামুন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেনের কাছে প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে যান। পুলিশ সুপার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

‎

পুলিশ জানায়, সাজু মিয়া বিভিন্ন অপারেটরের সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করতেন। পরে ব্যবসা কিংবা বিভিন্ন সুযোগের কথা বলে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আটক করার সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের একাধিক সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।

‎

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওসি রতন শেখের তত্ত্বাবধানে সুনামগঞ্জ শহর ফাঁড়ির ইনচার্জ অভিজিৎ ভৌমিকের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তের পর ৩০ আগস্ট রবিবার ভোররাতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের তাজউদ্দিনের বসতবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাজু মিয়াকে আটক করা হয়।

পুলিশের কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাজু মিয়ার ঠিকানা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর এলাকার মুসলিমপুর।

‎

‎

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজু মিয়া মামুন আহমদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে পুলিশকে তিনি জানান, "মামুনের কাছ থেকে আমি ধাপে ধাপে ১৬ লাখ টাকা নিয়েছি।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ বলেন, “একজন মিষ্টি কারিগর ১৬ লাখ টাকা প্রতারণার শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়ে পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন স্যারের কাছে আসেন। স্যার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়ে আমাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। তাঁর নির্দেশনায় আমার তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে শহর ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ অভিজিৎ ভৌমিকের নেতৃত্বে বৃষ্টিভেজা ভোররাতে অভিযান চালিয়ে সাজু মিয়াকে আটক করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “আটকের সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের একাধিক সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। এসব সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণা মামলার তথ্যও পাওয়া গেছে। বর্তমানে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক সাজু মিয়ার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তার ব্যবহৃত সিমকার্ড ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারণার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%