ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাংবাদিক পুলকের শেষ চিরকুট: শেষ আস্থার নাম এস এম জাকির


সাংবাদিক পুলকের শেষ চিরকুট: শেষ আস্থার নাম এস এম জাকির

মৃত্যুর আগে রেখে যাওয়া চিরকুটে সহকর্মীর প্রতি আস্থা; সাংবাদিক নেতৃত্বের মানবিকতা নিয়ে সামনে এলো কঠিন প্রশ্ন

বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে নেতৃত্ব, সহকর্মীদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে সাংবাদিক পুলক দার মৃত্যুর আগে রেখে যাওয়া একটি চিরকুট। মৃত্যুর আগে তাঁর রেখে যাওয়া কথাগুলো শুধু একটি ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতি নয়, বরং সহকর্মীর প্রতি আস্থা ও দায়িত্ববোধের বিষয়টিও সামনে এনেছে।

জানা গেছে, পুলক দা মৃত্যুর আগে পাঁচটি চিরকুট রেখে যান। সেগুলো পুলিশের জব্দ তালিকায় রয়েছে বলে জানা যায়। এর মধ্যে একটি চিরকুট বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনকে উদ্দেশ্য করে লেখা।

আরও পড়ুন: সংবাদমাধ্যমের সংকটের নেপথ্যে সহকর্মীরাই, পেশাগত ঐক্য ভাঙলে দুর্বল হয় সাংবাদিকতা

চিরকুটে পুলক দা জাকির হোসেনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তাঁর মৃত্যুর পর মরদেহ যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় এবং পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর রাখার জন্য জাকির হোসেনের প্রতি অনুরোধ জানান।

এই একটি চিরকুটই এখন সামনে আনছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—একজন সাংবাদিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে কাকে নিজের আস্থার জায়গা হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন?

বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে এস এম জাকির হোসেনকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা মত, আলোচনা ও সমালোচনা রয়েছে। তাঁর নেতৃত্ব ও পেশাগত ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। আবার সহকর্মীদের একটি অংশ তাঁর পাশে থাকার কথাও বলে থাকেন। মতপার্থক্য ও সমালোচনা থাকতেই পারে; কিন্তু পুলকের শেষ চিরকুট সেই বিতর্কের বাইরে একটি ব্যক্তিগত ও মানবিক বাস্তবতা সামনে এনেছে।

কারণ, বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে বহু পরিচিত, প্রতিষ্ঠিত ও প্রভাবশালী সহকর্মী থাকা সত্ত্বেও পুলক দা তাঁর পরিবারের বিষয়ে শেষ অনুরোধটি করেছেন এস এম জাকির হোসেনকে উদ্দেশ্য করে।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক সহিদুলকে প্রাণনাশের হুমকি, আদালতে মামলা

এখানেই সামনে আসে নেতৃত্বের প্রকৃত অর্থ নিয়ে প্রশ্ন।

নেতৃত্ব কি শুধুই একটি পদ?
নাকি একজন সহকর্মীর দুঃসময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতাই নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় পরিচয়?

সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যেখানে পেশাগত ঝুঁকি, চাপ, মামলা-মোকদ্দমা, আর্থিক সংকট কিংবা ব্যক্তিগত প্রতিকূলতা অনেক সময় সহকর্মীদের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করে। সেই সময়ে পাশে দাঁড়ানোর মতো একজন মানুষ থাকা একজন সাংবাদিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেউ সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্বে থাকতে পারেন, কেউ নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতে পারেন, আবার কেউ নিজেকে সহকর্মীবান্ধব হিসেবেও তুলে ধরতে পারেন। কিন্তু বাস্তব পরীক্ষা আসে তখনই, যখন কোনো সহকর্মী বিপদে পড়েন।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়াফেরত প্রবাসী অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে: সর্বস্ব হারিয়ে রাস্তায় পড়ে থাকার খবর

তখন প্রশ্ন থাকে—কে পাশে দাঁড়ান? কে কথা শোনেন? কে প্রয়োজনের সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন? আর কে একজন অসহায় সহকর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব নেন?

পুলকের শেষ চিরকুট সেই প্রশ্নগুলোই যেন আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

তবে তাঁর মৃত্যুর ঘটনাকে কোনোভাবেই মহিমান্বিত বা আত্মহননকে সমর্থন করার উপাদান হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং এই মর্মান্তিক ঘটনা থেকে সাংবাদিক সমাজসহ পুরো সমাজের জন্য যে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

একজন সহকর্মী যেন সংকটের মুহূর্তে নিজেকে একা মনে না করেন—সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার জায়গাটি আরও শক্তিশালী হোক—এটাই হওয়া উচিত প্রত্যাশা।

আরও পড়ুন: সাংবাদিক শরীফ উদ্দিনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার অভিযোগ, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত

পুলক দার শেষ চিরকুটে এস এম জাকির হোসেনের প্রতি যে ব্যক্তিগত আস্থার প্রকাশ ঘটেছে, তা বরিশালের সাংবাদিক সমাজে নেতৃত্ব ও মানবিকতার সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করেছে।

সমালোচনা থাকুক, মতপার্থক্য থাকুক, নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক থাকুক—কিন্তু একজন সহকর্মী বিপদে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জায়গায় যেন কোনো সংকীর্ণতা না থাকে।

কারণ নেতৃত্বের আসল পরিচয় পদ-পদবিতে নয়; একজন সহকর্মীর দুঃসময়ে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই নেতৃত্বের প্রকৃত পরীক্ষা।

পুলক দার শেষ চিরকুট হয়তো তাঁর ব্যক্তিগত শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি সাংবাদিক সমাজের সামনে একটি কঠিন আত্মজিজ্ঞাসাও রেখে গেছে—

আরও পড়ুন: তরুণ সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করতে ‘বাংলাদেশ তরুণ সাংবাদিক ইউনিয়ন’-এর আত্মপ্রকাশ: নেতৃত্বে কাশেদুর, শাহিন ও ওলিউল্লাহ

আমরা কি এমন একটি সাংবাদিক সমাজ গড়ে তুলতে পেরেছি, যেখানে বিপন্ন একজন সাংবাদিক শেষ মুহূর্তেও কোনো সহকর্মীকে নিজের আস্থার জায়গা হিসেবে ভাবতে পারেন?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাল্লায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান: ৫ লিটার মদ ও বিপুল পরিমাণ ওয়াশ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


শাল্লায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান: ৫ লিটার মদ ও বিপুল পরিমাণ ওয়াশ জব্দ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫ লিটার চোলাইমদ ও চোলাইমদ তৈরির ৬০০ লিটার উপকরণ (ওয়াশ) উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় জিয়াউর রহমান (৪৪) নামে এক ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নারকিলা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভাগীয় সহকারী উপ-পরিদর্শক মনিতা সিনহার নেতৃত্বে একটি রেইডিং টিম সরকারি গাড়ি ও ভাড়াকৃত নৌকাযোগে নারকিলা গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানে জিয়াউর রহমানের বসতঘরের সামনে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব পাশের একটি কক্ষের মেঝে থেকে একটি প্লাস্টিকের বোতলে রাখা ৫ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বসতঘরসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের আঙিনা থেকে তিনটি প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা চোলাইমদ তৈরির উপকরণ ওয়াশ উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি ড্রামে ২০০ লিটার করে মোট ৬০০ লিটার ওয়াশ ছিল।

অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের আনুমানিক মূল্য ৫ হাজার টাকা বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত চোলাইমদ ও ওয়াশ থেকে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে সিলগালা করা হয়েছে। পচনশীল, দুর্গন্ধযুক্ত ও বহনের অনুপযোগী হওয়ায় অবশিষ্ট ওয়াশের একটি অংশ ঘটনাস্থলেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিনষ্ট করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের উপ-পরিদর্শক মো. আতাউর রহমান সঙ্গীব বাদী হয়ে শাল্লা থানায় জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ২৪(ক) ও ৩৭ ধারায় মামলা দায়েরের আবেদন করেন।

শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযানে উদ্ধার করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংরক্ষিত নমুনা বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডার্বি দেখতে এসে ম্যানইউ মালিকের বিরুদ্ধে সমর্থকদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২২ এম


ডার্বি দেখতে এসে ম্যানইউ মালিকের বিরুদ্ধে সমর্থকদের বিক্ষোভ

ম্যানচেস্টার ডার্বির প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। তবে, ম্যাচ শুরুর পূর্বে টিকিট সংক্রান্ত ‘বিতর্কিত’ তদন্তের ফলস্বরূপ ৬৮৫টি সিজন টিকিট বাতিলের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকরা ওল্ড ট্রাফোর্ডের বাইরে ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।

ডার্বির আগে, ওল্ড ট্রাফোর্ডের কাছে বিশপস ব্লেইজ পাবের সামনে সমর্থকরা গ্লেজার পরিবার ও স্যার জিম র‍্যাটক্লিফের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে জড়ো হন।

টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে দীর্ঘ তদন্তের পর ইউনাইটেড সম্প্রতি ৬৮৫ জন সমর্থকের সিজন টিকিট বাতিলের ঘোষণা দেয়। তবে, তদন্তের পদ্ধতি নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

এছাড়া, আরও ৪৬৪ জনকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা অথবা কম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ক্লাব মোট ১ হাজার ৬১৭টি অ্যাকাউন্টকে আরও তদন্ত এবং ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিহ্নিত করেছে।

ইউনাইটেড টিকিট বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, ‘আর্থিক লাভের জন্য টিকিট ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য অপব্যবহার’ যেখানে পাওয়া গেছে, সেখানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এতে ‘সংগঠিত টিকিট নেটওয়ার্ক পরিচালনা’ অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে শত শত অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট নিয়ন্ত্রণ, বিক্রি ও বিতরণ করা হতো।

ক্লাবের ব্যাখ্যার পরও সমর্থকদের ক্ষোভ কমেনি। মূলত তদন্তের পদ্ধতি নিয়েই তাদের আপত্তি। অনেক সমর্থক মনে করেন, তাদের অন্যায্যভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই ক্ষোভই এবার ডার্বির আগে রাস্তায় প্রতিবাদের রূপ নিয়েছে।

গ্লেজার পরিবার ২০০৫ সালে ক্লাবের মালিকানা নেওয়ার পর থেকেই ইউনাইটেড সমর্থকদের প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তবে, এবার প্রকাশ্যে র‍্যাটক্লিফ ও নতুন আইএনইওএস মালিকানাও সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধে এতটা প্রকাশ্য প্রতিবাদে র‍্যাটক্লিফকে লক্ষ্য করা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

শুধু বিশপস ব্লেইজের সামনেই নয়, স্ট্রেটফোর্ড এন্ডেও প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিয়েছে আরেক সমর্থকগোষ্ঠী দ্য রেড আর্মি। ম্যাচ শুরুর আগে তারা নিয়মিত পতাকা প্রদর্শন না করে সেখানে একটি ব্যানার টাঙানোর ঘোষণা দিয়েছে। ব্যানারে লেখা থাকবে, ‘আপনারা আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করেন, তা লজ্জাজনক।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংগীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’ গাইলেন বুমরাহরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


জাতীয় সংগীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’ গাইলেন বুমরাহরা

ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক নজির দেখা গেল। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সংগীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’ গাইলেন বুমরাহ এবং আইয়ার। এই দৃশ্যটি দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দেখা যায়।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে প্রথমে পুরো ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়। এরপর ভারত ও আফগানিস্তানের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতীয় দলের কোনো ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের ঘটনা এটি প্রথমবারের মতো ঘটল।

এ বিষয়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত অনেক দর্শক বিস্মিত হন। কারণ, পূর্বে ভারতীয় দলের ম্যাচগুলোতে সাধারণত শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতই পরিবেশন করা হতো।

এ বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং জুনে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সিরিজেও ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়নি।

সম্প্রতি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনার ফলে এই পরিবর্তনটি এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রথম ছয়টি স্তবক পরিবেশন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

একই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ শেষ হওয়ার পর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করতে হবে। পুরো ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করতে প্রায় ১৯০ সেকেন্ড সময় লাগে।

‘বন্দে মাতরম’ ১৮৮২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাংলা উপন্যাস ‘আনন্দমঠ’-এ প্রথম প্রকাশিত হয়। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে গানটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন অধনিায়ক জয় হে’-এর রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাল্যান্ডের গোলে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে দুর্দান্ত জয় ১০ জনের ম্যানসিটির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


হাল্যান্ডের গোলে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে দুর্দান্ত জয় ১০ জনের ম্যানসিটির

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ মুখোমুখি হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই ম্যাচে ১০ জনের একটি দল নিয়ে রেড ডেভিলসদের পরাজিত করেছে সিটিজেনরা। ম্যাচের জয় সূচক গোলটি করেছেন আলিং হাল্যান্ড।

বিস্তারিত আসছে.....

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%