সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৪ এম
সুনামগঞ্জের শাল্লায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫ লিটার চোলাইমদ ও চোলাইমদ তৈরির ৬০০ লিটার উপকরণ (ওয়াশ) উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় জিয়াউর রহমান (৪৪) নামে এক ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নারকিলা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভাগীয় সহকারী উপ-পরিদর্শক মনিতা সিনহার নেতৃত্বে একটি রেইডিং টিম সরকারি গাড়ি ও ভাড়াকৃত নৌকাযোগে নারকিলা গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানে জিয়াউর রহমানের বসতঘরের সামনে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব পাশের একটি কক্ষের মেঝে থেকে একটি প্লাস্টিকের বোতলে রাখা ৫ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বসতঘরসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের আঙিনা থেকে তিনটি প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা চোলাইমদ তৈরির উপকরণ ওয়াশ উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি ড্রামে ২০০ লিটার করে মোট ৬০০ লিটার ওয়াশ ছিল।
অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের আনুমানিক মূল্য ৫ হাজার টাকা বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত চোলাইমদ ও ওয়াশ থেকে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে সিলগালা করা হয়েছে। পচনশীল, দুর্গন্ধযুক্ত ও বহনের অনুপযোগী হওয়ায় অবশিষ্ট ওয়াশের একটি অংশ ঘটনাস্থলেই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিনষ্ট করা হয়।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের উপ-পরিদর্শক মো. আতাউর রহমান সঙ্গীব বাদী হয়ে শাল্লা থানায় জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ২৪(ক) ও ৩৭ ধারায় মামলা দায়েরের আবেদন করেন।
শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযানে উদ্ধার করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংরক্ষিত নমুনা বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, সুনামগঞ্জের বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার ডার্বির প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। তবে, ম্যাচ শুরুর পূর্বে টিকিট সংক্রান্ত ‘বিতর্কিত’ তদন্তের ফলস্বরূপ ৬৮৫টি সিজন টিকিট বাতিলের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকরা ওল্ড ট্রাফোর্ডের বাইরে ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
ডার্বির আগে, ওল্ড ট্রাফোর্ডের কাছে বিশপস ব্লেইজ পাবের সামনে সমর্থকরা গ্লেজার পরিবার ও স্যার জিম র্যাটক্লিফের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে জড়ো হন।
টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে দীর্ঘ তদন্তের পর ইউনাইটেড সম্প্রতি ৬৮৫ জন সমর্থকের সিজন টিকিট বাতিলের ঘোষণা দেয়। তবে, তদন্তের পদ্ধতি নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
এছাড়া, আরও ৪৬৪ জনকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা অথবা কম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ক্লাব মোট ১ হাজার ৬১৭টি অ্যাকাউন্টকে আরও তদন্ত এবং ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিহ্নিত করেছে।
ইউনাইটেড টিকিট বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, ‘আর্থিক লাভের জন্য টিকিট ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য অপব্যবহার’ যেখানে পাওয়া গেছে, সেখানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এতে ‘সংগঠিত টিকিট নেটওয়ার্ক পরিচালনা’ অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে শত শত অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট নিয়ন্ত্রণ, বিক্রি ও বিতরণ করা হতো।
ক্লাবের ব্যাখ্যার পরও সমর্থকদের ক্ষোভ কমেনি। মূলত তদন্তের পদ্ধতি নিয়েই তাদের আপত্তি। অনেক সমর্থক মনে করেন, তাদের অন্যায্যভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই ক্ষোভই এবার ডার্বির আগে রাস্তায় প্রতিবাদের রূপ নিয়েছে।
গ্লেজার পরিবার ২০০৫ সালে ক্লাবের মালিকানা নেওয়ার পর থেকেই ইউনাইটেড সমর্থকদের প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তবে, এবার প্রকাশ্যে র্যাটক্লিফ ও নতুন আইএনইওএস মালিকানাও সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধে এতটা প্রকাশ্য প্রতিবাদে র্যাটক্লিফকে লক্ষ্য করা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
শুধু বিশপস ব্লেইজের সামনেই নয়, স্ট্রেটফোর্ড এন্ডেও প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিয়েছে আরেক সমর্থকগোষ্ঠী দ্য রেড আর্মি। ম্যাচ শুরুর আগে তারা নিয়মিত পতাকা প্রদর্শন না করে সেখানে একটি ব্যানার টাঙানোর ঘোষণা দিয়েছে। ব্যানারে লেখা থাকবে, ‘আপনারা আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করেন, তা লজ্জাজনক।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক নজির দেখা গেল। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সংগীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’ গাইলেন বুমরাহ এবং আইয়ার। এই দৃশ্যটি দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দেখা যায়।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে প্রথমে পুরো ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়। এরপর ভারত ও আফগানিস্তানের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতীয় দলের কোনো ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের ঘটনা এটি প্রথমবারের মতো ঘটল।
এ বিষয়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত অনেক দর্শক বিস্মিত হন। কারণ, পূর্বে ভারতীয় দলের ম্যাচগুলোতে সাধারণত শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতই পরিবেশন করা হতো।
এ বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং জুনে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সিরিজেও ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়নি।
সম্প্রতি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনার ফলে এই পরিবর্তনটি এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রথম ছয়টি স্তবক পরিবেশন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ শেষ হওয়ার পর জাতীয় সংগীত পরিবেশন করতে হবে। পুরো ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করতে প্রায় ১৯০ সেকেন্ড সময় লাগে।
‘বন্দে মাতরম’ ১৮৮২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাংলা উপন্যাস ‘আনন্দমঠ’-এ প্রথম প্রকাশিত হয়। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে গানটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন অধনিায়ক জয় হে’-এর রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ মুখোমুখি হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই ম্যাচে ১০ জনের একটি দল নিয়ে রেড ডেভিলসদের পরাজিত করেছে সিটিজেনরা। ম্যাচের জয় সূচক গোলটি করেছেন আলিং হাল্যান্ড।
বিস্তারিত আসছে.....
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একসময় টেলিভিশন নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী শান্তা ইসলাম এবার দেশের বাইরে আজীবন সম্মাননা লাভ করলেন। কানাডার টরন্টোর ডন ভ্যালি হোটেল অ্যান্ড স্যুটসে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) তাকে এই সম্মাননা প্রদান করে।
কানাডা থেকে গণমাধ্যমকে ফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শান্তা ইসলাম জানান, তিনি এই সম্মাননা পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। এটি দেশের বাইরে তার প্রথম বড় স্বীকৃতি।
নিজের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শান্তা ইসলাম বলেন, তিনি ক্যারিয়ারে অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন এবং দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন। অরণ্যক নাট্যদলের ময়ূর সিংহাসন নাটকে অভিনয়ের জন্য তিনি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লাভ করেছেন। তবে দেশের বাইরে এবারই প্রথম তিনি আজীবন সম্মাননার মতো বড় স্বীকৃতি পেলেন।
এ সম্মাননায় সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি দেশের পরিচালক, প্রযোজক, সহশিল্পী ও সাংবাদিকদের প্রতি ভালোবাসা জানান।
তার ভাষায়, "শিল্পীরা মানুষের জন্য কাজ করেন। দর্শকের ভালোবাসার পাশাপাশি কোনো প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্র যখন তাদের কাজের স্বীকৃতি দেয়, তখন তা শিল্পীদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা ও তৃপ্তির বিষয় হয়ে ওঠে।"
অভিনয়জীবনের শুরুর দিনের কথা স্মরণ করে শান্তা ইসলাম জানান, তিনি একসময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি প্যাকেজ নাটক ও মঞ্চনাটকেও কাজ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হন। রূপনগরসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করার পাশাপাশি বহু বছর উপস্থাপনাও করেছেন। আজীবন সম্মাননা পাওয়ার মাধ্যমে জীবনের সেই দীর্ঘ কর্মময় সময়ের নানা স্মৃতি আবারও মনে পড়ছে।
বর্তমানে শান্তা ইসলাম কানাডায় তার একমাত্র ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতনির সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তিনি বেশ আনন্দিত আছেন।
শান্তা জানান, ছেলের সাফল্য তাকে শান্তি ও তৃপ্তি দেয়। পুত্রবধূকে তিনি নিজের আরেক মায়ের মতো মনে করেন এবং নাতনি তার বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা। পরিবারের সবাইকে নিয়ে তিনি ভালো আছেন। শান্তা ইসলামের এই সম্মাননায় তার ছেলে ও পুত্রবধূও আনন্দিত বলে তিনি জানান।
কানাডায় থাকা বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করছেন। ছুটির দিনে পুত্রবধূর সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর কথাও জানান এই অভিনেত্রী।
একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের খ্যাতিমান জাদুশিল্পী জুয়েল আইচকেও আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ