শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৩ পি.এম
বরিশাল মহানগরীতে মাদকবিরোধী তৎপরতা জোরদার করতে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পরিচালনা করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেলাল হোসাইন, পিপিএমের নেতৃত্বে কোতোয়ালি মডেল থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানটি বাংলাবাজার, আলেকান্দা বটতলা, হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা, নবগ্রাম রোডসহ মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পরিচালিত হয়। এ সময় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তল্লাশি ও নজরদারি চালানো হয়।
অভিযানে র্যাব-৮-এর একটি চৌকস আভিযানিক দলও অংশ নেয়। দুই বাহিনীর সমন্বিত অংশগ্রহণে পরিচালিত এ অভিযানে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও অপরাধীদের গতিবিধির ওপর নজরদারি করা হয়।
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানে সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) অলক কান্তি শর্মাসহ কোতোয়ালি মডেল থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বক্তব্য, মন্তব্য ও প্রচারণাকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের একাংশের অভিযোগ, এম এম মাহমুদ হাসানকে লক্ষ্য করে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন তথ্য প্রচার করছে। তাদের দাবি, এসব প্রচারণার উদ্দেশ্য শুধু একজন কর্মকর্তার ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা নয়; বরং এর মাধ্যমে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের মনোবল ও জনমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পর্কে আস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলার চেষ্টা হতে পারে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগগুলোর সবকটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সরাসরি ষড়যন্ত্রকারী কিংবা অপপ্রচারকারী হিসেবে চিহ্নিত করার আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য, নথি ও বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম এম মাহমুদ হাসানকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তার দায়িত্ব পালন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আচরণ এবং পুলিশিং কার্যক্রম নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যও দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে তার পক্ষের বক্তব্য হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালনকালে সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা তার কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছেন। এমনকি রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনানুগভাবে দায়িত্ব পালনের কথাও তুলে ধরছেন তারা।
তবে এসব বক্তব্যের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট ঘটনা, সময়, স্থান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। কারণ ব্যক্তিগত প্রশংসা বা সমালোচনা—কোনোটিই এককভাবে কোনো অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না।
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু কোনো পোস্ট, ভিডিও, স্ক্রিনশট কিংবা মন্তব্য প্রকাশিত হলেই সেটি সত্য—এমন নিশ্চয়তা নেই। অনেক সময় একটি ঘটনার আংশিক তথ্য, পুরোনো ঘটনা কিংবা ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ছবি বা ভিডিও নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা হয়।
এ কারণে এম এম মাহমুদ হাসানকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি অভিযোগের ক্ষেত্রেও মূল উৎস, সংশ্লিষ্ট নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টদের একটি অংশের দাবি, দায়িত্ব পালনরত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে যাচাইহীন বা একতরফা প্রচারণা চলতে থাকলে তার প্রভাব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছাড়াও বাহিনীর অন্য সদস্যদের ওপর পড়তে পারে। এতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অস্বস্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তবে এ ধরনের প্রচারণার পেছনে সত্যিই কোনো সংঘবদ্ধ মহল রয়েছে কি না, কিংবা এর উদ্দেশ্য কী—তা নির্ধারণের জন্য সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন।
একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি কোনো গুরুতর অভিযোগ থাকে, সেটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নির্ধারণ করাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একইভাবে কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হয়ে থাকলে তারও প্রমাণভিত্তিক অনুসন্ধান প্রয়োজন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যেমন গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন, তেমনি অভিযোগের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগও থাকা উচিত।
তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে চূড়ান্তভাবে দায়ী না করে তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এম এম মাহমুদ হাসানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর উৎস, সংশ্লিষ্ট নথি, ঘটনার বাস্তব প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।
তালাশ বিডির অনুসন্ধানী অবস্থান স্পষ্ট—অভিযোগ থাকলে তার অনুসন্ধান হবে, আবার কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে ভিত্তিহীন প্রচারণার অভিযোগ উঠলেও সেটিও যাচাই করা হবে। কারণ সংবাদে ব্যক্তির পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নয়, সত্য ও তথ্য-প্রমাণই হওয়া উচিত মূল ভিত্তি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনায় নিখোঁজের ছয় দিন পর নাজমা আক্তার (৩৪) নামের এক নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার সাবেক স্বামী নুরুল আমীন (৪০) কে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের খাটপুড়া ব্রিজসংলগ্ন শ্মশানঘাটের পাশে হত্যার আলামত এবং নুরুল আমীনের বাড়ির পাশের ঢুকিয়ালী নদীর পাড় থেকে নাজমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাজমা সদর উপজেলার কাটলী এলাকার ইসলাম উদ্দিনের মেয়ে। আটক নুরুল আমীন উপজেলার নগুয়া কুশলগাঁও গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নাজমা নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই ২২ সেপ্টেম্বর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহের ভিত্তিতে নুরুল আমীনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নদীর পাড় থেকে নাজমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৪ বছর আগে নাজমা ও নুরুল আমীনের বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে একাধিকবার তাদের বিচ্ছেদ ও পুনরায় বিয়ে হয়। সর্বশেষ তারা আলাদা থাকছিলেন। ভরণপোষণের দাবিতে নাজমা তার সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।
পুলিশ আরো জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে ভরণপোষণের টাকা নিয়ে খাটপুড়া ব্রিজ এলাকায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাজমার বুকে আঘাত করে তাকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তাকে শ্মশানঘাট এলাকায় নিয়ে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের কাছে নুরুল আমীন স্বীকার করেছেন। এরপর মরদেহ নদীর পাড়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের জানান, নুরুল আমীনের দেখানো স্থান থেকে নাজমার ওড়না, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্তসহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান মন্তব্য করেছেন, পরাজিত শক্তি জনরোষের ভয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে গেছে। তবে বাংলাদেশের মাটিতে তারা যে অন্যায়, অপরাধ ও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তার বিচার অবশ্যই হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য অনেক ত্যাগ, সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময় হয়েছে। জনগণ তাদের অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে। জনগণের এই অর্জন কোনো অপশক্তি ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হবে না।
আজ বিকেলে নগরের বাকলিয়া এক্সেস রোডে ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলের পূর্ববর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
আবু সুফিয়ান আরও বলেন, আমাদেরকে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো গোপন তৎপরতা বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড দেখতে পেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করতে হবে। কোনো অপশক্তির হুমকি-ধমকি কিংবা অপতৎপরতায় আমরা ভীত হবো না। ঐক্যবদ্ধ থেকে সব ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবো।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তারেক রহমানের সেই উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সহযোগী হিসেবে, তাঁর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বাকলিয়া এক্সেস রোড থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চকবাজার ধনিয়ারপুলে এসে শেষ হয়।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা।
১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক হাজী ইমরান উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মহিউদ্দিন মিজানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক ইসমাঈল বাবুল, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম বাচ্চু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আমিন মাহমুদ, বিএনপি নেতা মো. সেকান্দর, আব্দুর রহিম, আব্দুল কাদের, রাজা মিয়া, আরিফুল হক ডিউক প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শুক্রবার, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের বিমানবাহিনী জানায় যে, ফিনল্যান্ড উপসাগরের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া রাশিয়ার যুদ্ধবিমান শনাক্ত করতে তারা তাদের যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে।
বিমানবাহিনী জানায়, উত্তর ইউরোপের (নরডিক) এই দুই দেশের ‘কুইক রিঅ্যাকশন অ্যালার্ট’ (কিউআরএ) যুদ্ধবিমানগুলোকে গত বৃহস্পতিবার জরুরি ভিত্তিতে পাঠানো হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা এএফপি হেলসিঙ্কি থেকে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
তারা ‘ফিনল্যান্ড উপসাগরের আন্তর্জাতিক আকাশসীমায়’ একটি রাশিয়ান বহর শনাক্ত করে, যার মধ্যে ছিল একটি টিইউ-১৩৪ পরিবহন বিমান, মিগ-৩১ এবং সু-৩০ যুদ্ধবিমান।
সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, এটি ছিল দুটি বিমানবাহিনীর প্রথম যৌথ কার্যকরী ‘শনাক্তকরণ অভিযান’।
বাল্টিক সাগরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তেজনা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং রাশিয়ার বিমানগুলোকে বাধা দিতে নরডিক দেশগুলোর যুদ্ধবিমান প্রায়শই জরুরি ভিত্তিতে পাঠানো হয়ে থাকে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড কয়েক দশকের সামরিক জোটনিরপেক্ষ নীতি থেকে সরে এসে ন্যাটোতে যোগ দেয়।
সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এই অভিযানের বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ মন্তব্য করে বলেন, ‘বাল্টিক সাগর এর আগে কখনো এতটা ঝুঁপিূর্ণ ছিল না—তবে এটি রক্ষায় এত জোরদার নিরাপত্তাও আগে কখনো ছিল না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ