ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মসজিদুল হারামের গুরুত্বপূর্ণ গেটসমূহ


মসজিদুল হারামের গুরুত্বপূর্ণ গেটসমূহ

মক্কা নগরীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পবিত্র কাবা শরিফ। কাবাকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত হয়েছে মসজিদুল হারাম, যেখানে প্রতিদিন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে লাখো মুসল্লি নামাজ, তাওয়াফ ও অন্যান্য ইবাদতে অংশগ্রহণ করেন।

 

এই বিশাল মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য রয়েছে অনেক দরজা ও প্রবেশপথ। মক্কায় প্রথমবার গেলে এসব গেটের নাম ও অবস্থান জানা থাকলে চলাফেরা অনেক সহজ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: সউদী সরকার নিরলসভাবে সারা পৃথিবীতে কুরআনের খেদমত করে যাচ্ছে: রাষ্ট্রদূত

তবে একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন—কাবা শরিফের নিজস্ব দরজা এবং মসজিদুল হারামের প্রবেশদ্বার এক নয়। কাবা শরিফের দরজা একটি, আর মসজিদুল হারামের বিভিন্ন দিকের প্রবেশপথগুলো আলাদা।

পবিত্র কাবা শরিফের একমাত্র দরজা পূর্ব দেয়ালে অবস্থিত।

 

বর্তমান দরজাটি সৌদি আমলে নির্মিত হয়েছে এবং এতে স্বর্ণের অলংকরণ রয়েছে। কাবার দরজার নিচের অংশ শাযরাওয়ানের ওপর থেকে প্রায় ২২২ সেন্টিমিটার উঁচু। দরজাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩১৮ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ১৭১ সেন্টিমিটার। এই দরজা সাধারণ মুসল্লিদের জন্য নিয়মিত খোলা থাকে না।

আরও পড়ুন: চন্দ্রপাড়া দরবারে অসচ্ছলদের সহায়তা ও ওরসের তারিখ ঘোষণা

 

মসজিদুল হারামের গুরুত্বপূর্ণ গেট

১. কিং আবদুল আজিজ গেট: মসজিদুল হারামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। এটি হারামের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। সৌদি আরবের প্রথম বৃহৎ সম্প্রসারণের সময় এই গেট বিশেষ গুরুত্ব লাভ করে। হজ ও ওমরাহর সময় এই এলাকার আশপাশে বিপুল মুসল্লির সমাগম ঘটে। তাই গেটটির নাম জানা থাকলে হারামের দক্ষিণ অংশে অবস্থানকারী মুসল্লিদের জন্য পথনির্দেশনা পাওয়া সহজ হয়।

 

আরও পড়ুন: মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে জামাতের ১০০ বছর পূর্ণ

২. কিং ফাহদ গেট: এটি মসজিদুল হারামের অন্যতম পরিচিত প্রবেশপথ। এটি হারামের পশ্চিমাংশের সম্প্রসারণ এলাকায় অবস্থিত এবং দ্বিতীয় সৌদি সম্প্রসারণের অন্যতম প্রধান স্থাপত্য উপাদান। এটি মসজিদুল হারামের বড় গেটগুলোর একটি। দ্বিতীয় সৌদি সম্প্রসারণে গেটটির সঙ্গে একাধিক প্রবেশপথ ও চলাচলের ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়।

৩. ওমরাহ গেট: ওমরাহ গেট মসজিদুল হারামের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ দরজাগুলোর একটি। এটি হারামের পশ্চিম দিকে অবস্থিত। সৌদি সম্প্রসারণের ইতিহাসেও এ গেটের বিশেষ উল্লেখ রয়েছে। নাম থেকেই বোঝা যায়, ওমরাহ পালনকারীদের কাছে গেটটির পরিচিতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

৪. সালাম গেট: বাব সালাম বা শান্তির দরজা মসজিদুল হারামের অন্যতম ঐতিহাসিক গেট। এটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। প্রথম সৌদি সম্প্রসারণের সময় গুরুত্বপূর্ণ গেটগুলোর তালিকায় এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

৫. সাফা গেট: এটি মসজিদুল হারামের পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোর একটি। সাফা পাহাড়ের কাছাকাছি হওয়ায় সাঈ সম্পাদনকারী মুসল্লিদের জন্য এ এলাকার অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদুল হারামের মিনারগুলোর ঐতিহাসিক বণ্টনের ক্ষেত্রেও বাব আস-সাফার উল্লেখ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

মসজিদুল হারামের বিস্তৃত প্রাঙ্গণকে বোঝার জন্য কয়েকটি সাধারণ দিক মনে রাখা যেতে পারে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী হারামের আশপাশের প্রাঙ্গণগুলো বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত; এর মধ্যে উত্তরের সম্প্রসারণ এলাকা, পশ্চিমের শুবাইকা ও দারুত তাওহিদের দিক, বাদশাহ ফাহদ গেটের এলাকা এবং পূর্বদিকে বাব আলি থেকে মারওয়া পর্যন্ত অঞ্চল রয়েছে। অর্থাৎ, সাফা-মারওয়া, কাবা, প্রধান গেট এবং বিভিন্ন সম্প্রসারণ এলাকা—এসবের অবস্থান মাথায় রাখলে হারামে চলাচল অনেক সহজ হয়।

মসজিদুল হারামের প্রতিটি গেট, প্রতিটি প্রাঙ্গণ ও প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান মুসলমানদের হৃদয়ের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। কোথাও রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস, কোথাও নবী-রাসুল ও সাহাবিদের স্মৃতি, আবার কোথাও হজ ও উমরাহর গুরুত্বপূর্ণ আমলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক।

সুতরাং, মক্কায় যাওয়ার আগে শুধু তাওয়াফ ও সাঈর নিয়ম জানাই যথেষ্ট নয়; মসজিদুল হারামের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও প্রবেশপথগুলোর একটি ধারণা থাকলে ইবাদত আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: নিজের যা নেই, তা থাকার ভান করা নিন্দনীয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থাইল্যান্ডের ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম চালু হচ্ছে কাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


থাইল্যান্ডের ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম চালু হচ্ছে কাল

থাইল্যান্ড নতুন নিয়ম চালু করছে ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ড ভিসা (ডিটিভি) ভিসার জন্য আবেদনকারীদের নিজ দেশের স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।

 

নতুন নিয়মটি কার্যকর হবে আগামীকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) থেকে।

ঢাকাস্থ থাই দূতাবাস সম্প্রতি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

দূতাবাস জানায়, ৩১ আগস্ট থেকে পাঁচ বছরের মেয়াদি থাইল্যান্ডের ডিটিভি ভিসার জন্য আবেদনকারীদের নিজ দেশের স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। এই সার্টিফিকেটটি মূল ভাষা এবং ইংরেজিতে অনুবাদ উভয় কপি হিসেবে জমা দিতে হবে।

 

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের এখন থেকে জমা দিতে হবে- ১. যে দেশ থেকে ভিসার আবেদন করা হচ্ছে, সেই দেশের স্থায়ী বসবাসের প্রমাণপত্র। ২. আবেদনকারীর নিজ দেশের অথবা স্থায়ী বসবাসের দেশের ইস্যু করা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট অথবা কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই-এমন সরকারি নথি। এই নথি মূল ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদসহ জমা দিতে হবে।

ভিসা কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীদের পরামর্শ দিয়েছে যে, ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার আগে সম্পূর্ণ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা যাচাই করা উচিত।

 

ডিটিভি ভিসার আবেদন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য থাইল্যান্ডের সরকারি ই-ভিসা পোর্টাল ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

ডিটিভি ভিসা একটি মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা, যা থাইল্যান্ডের বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানুষের জন্য দীর্ঘ সময় অবস্থানের জন্য প্রদান করা হয়।

ভিসা ফি দেওয়ার আগে ডিটিভির আবেদনের জন্য রয়্যাল থাই দূতাবাসের অনুমোদন প্রয়োজন। এই ভিসার মাধ্যমে কাজের উদ্দেশ্যে, মুয়ে থাই কোর্স, থাই রান্নার ক্লাস, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ, গুরুতর এবং নিবিচ্ছিন্ন চিকিৎসা, সেমিনার এবং সংগীত উৎসবে যোগ দেওয়ার জন্য আবেদন করা যায়। ডিটিভি ভিসা হোল্ডারের স্বামী বা স্ত্রী এবং নির্ভরশীল সন্তান (বয়স ২০ বছরের কম) এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

 

ডিটিভি ভিসা প্রতি হোল্ডারকে প্রতি প্রবেশে ১৮০ দিনের জন্য থাইল্যান্ডে থাকার অনুমতি দেয়।

হোল্ডার প্রতিটি এন্ট্রির জন্য একবারের জন্য থাকার সময়কাল বাড়াতে পারবেন, তবে তা ১৮০ দিনের বেশি হবে না (সর্বাধিক অবস্থান ১৮০ দিন + প্রতি এন্ট্রি ১৮০ দিন)। ভিসা বৈধ থাকা পর্যন্ত হোল্ডার যতবার প্রয়োজন ততবার থাইল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০০ পি.এম


রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব ছাড়া করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি বাস্তবায়িত পাইলট প্রজেক্টে ত্রুটির হার ছিল মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত নগণ্য।

 

রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণে দক্ষতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের দেশে বিতরণ ব্যবস্থার ত্রুটিতে অতীতে অনেক অপচয় ও দুর্নীতি হয়েছে। সরকারের একার পক্ষে সবকিছু বিতরণ করা কঠিন। তবে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে সম্পৃক্ত করায় বিতরণ প্রক্রিয়ার দক্ষতা বেড়েছে, ফলে অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে।

 

’ এবারের বন্যা পরবর্তী সহায়তায় এখন পর্যন্ত দুর্নীতির কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সাফল্য তুলে ধরে তিনি জানান, সম্প্রতি বাস্তবায়িত পাইলট প্রজেক্টে ত্রুটির হার ছিল মাত্র ১.২ শতাংশ, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত নগণ্য। রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব ছাড়া এই কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী এবং ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন প্রমূখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৩ পি.এম


ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া

লিঙ্গ পরিবর্তনের পর অবশেষে বাইশ গজে নামার আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র পেয়েছেন অনয়া বাঙ্গার। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের পুত্র থেকে কন্যায় রূপান্তরিত হওয়া অনয়া এখন নারীদের বিগ ব্যাশ লিগে (ডব্লিউবিবিএল) খেলার অনুমতি পেয়েছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে।

 

এখন তার লক্ষ্য হল, জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে ভারতকে বিশ্বকাপ ট্রফি উপহার দেওয়া। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) তাকে খেলার অনুমতি দেয়নি। তবে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড সবুজ সংকেত দেওয়ার পর, অনয়া তার অধরা স্বপ্নের কথা অকপটে প্রকাশ করেছেন।

‘ইন্ডিয়া টুডে’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি আশা করব বিসিসিআই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং একদিন ভারতের নারী দলে খেলার সুযোগ পাব।

 

দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাই আমার চূড়ান্ত লক্ষ্য।’

তবে রূপান্তরিত হওয়ার পর বিসিসিআইয়ের মনোভাব তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। ভারতীয় বোর্ডের সমালোচনা করে অনয়া বলেন, ‘বোর্ড শুরু থেকেই আমার প্রতি নীরব ছিল। এতে ভীষণ হতাশ হয়েছি, মন ভেঙে গেছে।

 

জানতাম রূপান্তরিত হলে ক্রিকেট থেকে দূরে সরে যেতে হতে পারে। তবে আশা করি, এবার তারা আমাদের মতো ক্রিকেটারদের নিয়ে নতুন নীতি তৈরি করবে, কারণ ভারতে আমিই প্রথম।’

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
প্রণোদনার দ্বিতীয় ধাপ

৪১০০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণে আরও ১০ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


৪১০০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণে আরও ১০ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি

দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে গতি ফেরানোর উদ্দেশ্যে এবং উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন অর্থায়ন প্যাকেজ বা প্রণোদনার দ্বিতীয় ধাপে ৪১ হাজার কোটি টাকার তহবিলে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে আরও ১০টি ব্যাংক।

প্রথম ধাপে সাতটি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। ফলে মোট ১৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংক এই তহবিলের আওতায় স্বল্প সুদে প্রাক-অর্থায়ন ও পুনর্থায়ন সুবিধা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলো।

সম্প্রতি মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই অংশগ্রহণ চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ।

দ্বিতীয় ধাপে চুক্তি স্বাক্ষরকারী ১০টি ব্যাংক হলো—অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে রিচার্জ ও ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. আবদুল মান্নান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা (এমডি) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এর আগে গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপে সাতটি ব্যাংকের (সোনালী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক) সঙ্গে এসংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের তারল্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত অর্থায়ন প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্যাকেজের মূল লক্ষ্য হলো তফসিলি ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্যকে উৎপাদনশীল ও প্রাক-অর্থায়নের মাধ্যমে সাশ্রয়ী ঋণে পরিণত করা।

তহবিলের ৬০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে ৪১ হাজার কোটি টাকা পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকারভিত্তিক খাতে দেওয়া হবে। এর মধ্যে বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিমের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং পল্লী অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ১০ হাজার কোটি টাকা, সিএমএসএমই (কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি) খাতে চলতি মূলধন পুনর্থায়নে পাঁচ হাজার কোটি টাকা, উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র (কৃষি হাব) গঠনে তিন হাজার কোটি টাকা এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতের পুনর্থায়নে তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। তহবিলের বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১০টি বিশেষ কর্মসূচির আওতায় অর্থায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. সারোয়ার হোসেন, নির্বাহী পরিচালক মো. এনামুল করিম খান, মো. আবুল বাসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%