ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত


পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত

বহুল আলোচিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি বাস্তবায়নযোগ্য এবং এটি চূড়ান্তভাবে নকশা করা হয়েছে বলেই জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. নূরুল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এই তথ্য জানান মন্ত্রী।

এদিন তিনি মন্তব্য করেন, এটি জাতীয় স্বার্থে এবং দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প নতুন কোনো ধারণা নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৬০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে ব্যারেজ নির্মাণের উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের জন্য চারটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষা পরিচালিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০০২ সালে ওয়াটার রিসোর্সেস প্ল্যানিং অর্গানাইজেশন (ওয়ারপো) পরিচালিত প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় কুষ্টিয়ার ঠাকুরবাড়ি এবং রাজবাড়ীর পাংশা এলাকা সম্ভাব্য স্থান হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছিল।

এশী প্রকল্পটি বাস্তবায়নযোগ্য বলেই বক্তব্য রাখেন মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি উল্লেখ করেন, প্রকল্পটির ফিজিবিলিটি স্টাডির অনুমোদন ২০০৫ সালে দেওয়া হয়েছিল এবং চারটি দেশীয় ও তিনটি আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এবং পাঁচটি দেশীয় সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে পরিচালিত এই সমীক্ষা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হয়।

মন্ত্রী জানান, সমীক্ষার সুপারিশের ভিত্তিতে প্রণীত নকশাটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক যাচাই-বাছাই হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কারিগরি কমিটির পর্যালোচনা ও মতামতের আলোকে তা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া, ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের স্যাটেলাইট চিত্র ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রস্তাবিত এলাকায় নদীতীরের স্থিতিশীলতা রয়েছে। সেইসাথে, চর গঠনের ফলে ব্যারেজ নির্মাণের জন্য পরিবেশগত ও প্রযুক্তিগত অবস্থা অনুকূল হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পদ্মার মতো বড় নদীর গতি-প্রকৃতি পরিবর্তনশীল হয়ে থাকে বলেই প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় হাইড্রো-মরফোলজিক্যাল পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এই কারণে, নকশা হালনাগাদ এবং প্রয়োজনীয় অভিযোজন নিশ্চিত করতে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

মন্ত্রীর মতে, প্রকল্পের জটিলতা বিবেচনায় বুয়েটের একজন অবসরপ্রাপ্ত খ্যাতিমান পানি বিশেষজ্ঞের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলও গঠন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৩ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


হবিগঞ্জে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৩ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হবিগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার বিকেল ৩টায় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. রত্মদ্বীপ বিশ্বাস।

এতে বক্তব্য প্রদান করেন দৈনিক সমাচার পত্রিকার সম্পাদক গোলাম মোস্তফা রফিক, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল, সিনিয়র সাংবাদিক মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, রুহুল হাসান শরীফ, চৌধুরীর মোহাম্মদ ফরিয়াদ, সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন এবং আশরাফুল ইসলাম কহিনুর প্রমুখ।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৪২ হাজার ৬৯ জন শিশু এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ১৪ হাজার ১৬৪ জন শিশুসহ মোট ৩ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৩ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য জেলার ১ হাজার ৯৩১টি টিকাদান কেন্দ্র এবং ১১টি স্থায়ী কেন্দ্রে সেবা প্রদান করা হবে। কর্মসূচি বাস্তবায়নে ৩৫২ জন সুপারভাইজার ও ৩ হাজার ৮৬১ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, অপুষ্টিজনিত ঝুঁকি হ্রাস এবং শিশুমৃত্যু কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা ক্যাম্পেইন সফল করার জন্য অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ সময় জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় হবিগঞ্জের আয়োজন ও বাস্তবায়নে রয়েছে জাতীয় পুষ্টি সেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


বগুড়ায় টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

সীমিত জমির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দারিদ্র্য দূরীকরণ সরকারের অন্যতম কৌশল। এই কৌশলকে বাস্তবে ফলপ্রসূ করতে, বগুড়ায় শুরু হয়েছে কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম। এতে যুক্ত রয়েছে বগুড়া, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ এবং পাবনা জেলা।

রবিবার (২১ জুন) সকালে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় চার জেলা থেকে কৃষক, কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি গবেষক ও বিশেষজ্ঞ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপিচালক মোঃ আব্দুর রহিম। অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পল্লী উন্নয়ন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক আব্দুল মজিদ প্রামানিক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ এবং আরও অনেকে।

এ সময় বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইশ্বরর্দী এটিআই এর অধ্যক্ষ মতলুবুর রহমান। সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক মো: এনামুল হক।

উপস্থিত বক্তারা প্রকল্পের উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা, কর্মসংস্থান, কৃষিপণ্য বানিজ্যিকরণ এবং কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপিচালক আব্দুর রহিম বলেন, "প্রকল্পে যারা কাজ করবেন, তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা নিয়ে কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। কৃষিকে লাভজনক ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলে, দেশকে খাদ্য স্বয়ং সম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।"

বক্তারা মনে করেন, ৬ বছরের মেয়াদী এই প্রকল্পের মাধ্যমে বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাদু পানিতে মাছ উৎপাদন ৪৫.৪৩ লাখ মেট্রিক টন : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


স্বাদু পানিতে মাছ উৎপাদন ৪৫.৪৩ লাখ মেট্রিক টন : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আজ সংসদে এক সদস্যের প্রশ্নের জবাবে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেছেন।

মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে স্বাদু পানিতে উৎপাদিত মাছের পরিমাণ ৪৫.৪৩ লাখ মেট্রিক টন। তিনি আজ সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, স্বাদু পানির মৎস্যসম্পদ রক্ষায় মৎস্য অধিদপ্তর বিভিন্ন কার্যকরী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে আইন ও নীতিমালার যথাযথ প্রয়োগ, জলজ পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণ।

তিনি জানান, মাছের প্রজনন ক্ষেত্র, আবাসস্থল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত জরিপ, গবেষণা এবং পুনরুদ্ধারমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার গৃহীত খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের খাল, বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ের নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে পানির প্রবাহ উন্নত হবে এবং জলজ পরিবেশে দূষণের মাত্রা হ্রাস পাবে, যা মাছের উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তবে, মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, স্বাদু পানির মৎস্যসম্পদ রক্ষায় শুধু মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। শিল্পবর্জ্য নিয়ন্ত্রণে শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানায় কার্যকর ইটিপি স্থাপন ও তা নিয়মিত চালু রাখা অত্যন্ত জরুরি। যথাযথ তদারকি ছাড়া শিল্পবর্জ্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, যা না হলে স্বাদু পানির মৎস্যসম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের স্বাদু পানির মৎস্যসম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন টেকসইভাবে বৃদ্ধি পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের নতুন সদস্যকে সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


বগুড়ায় পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের নতুন সদস্যকে সংবর্ধনা

বগুড়ায় পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (বিওটি) এর ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক সচিব ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহ. ফজলুর রহমান সিএসপি’র কন্যা নওমি হুসাইন বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই উপলক্ষ্যে বোর্ডের ১০৩তম সভায় নতুন সদস্য হিসেবে যোগদান করায় তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের পক্ষ থেকে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিওটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হোসনে-আরা বেগম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্র, বিওটি’র উপদেষ্টা ও ইমেরিটাস প্রফেসর ড. এম. আফজাল হোসেন, বিওটি সেক্রেটারি এএইচএম গোলাম রসুল খান, বিওটি কোষাধ্যক্ষ মো. আমিনুল ইসলাম সরকার, দৈনিক করতোয়া সম্পাদক ও বিওটি সদস্য মো. মোজাম্মেল হক লালু, বিওটি সদস্য মো জাহেদুর রহমান, মো. নাসিরুন নবী, আয়শা বেগম, সোহরাব আলী খান, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী, সৈয়দা রাকিবা সুলতানা প্রমুখ।

বিওটির সদস্যগণ ফাবিহা নওমি হুসাইন এর সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেছে যে, বিওটির সদস্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও সুনাম অক্ষুন্ন রাখার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে তারা আশাবাদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%