ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজার শিক্ষা খাতে ‘গণহত্যার’ শিকার, ৮ শতাধিক শিক্ষকের প্রাণহানি


গাজার শিক্ষা খাতে ‘গণহত্যার’ শিকার, ৮ শতাধিক শিক্ষকের প্রাণহানি

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলের হামলায় ৮ শতাধিক ফিলিস্তিনি শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময়ে ৩ হাজার ৩০০-এর বেশি শিক্ষক আহত হয়েছেন। এই তথ্যটি ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের এক দিন আগে, মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে শিক্ষকেরা শিক্ষার অধিকার রক্ষায় বেঁচে থাকার জন্য একটি সত্যিকারের লড়াই করছেন। তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে।’

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজা ও পশ্চিম তীরের শিক্ষা খাত ‘ব্যাপক গণহত্যার’ শিকার হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এখনও ১৭০ জনের বেশি শিক্ষক আটক আছেন এবং তাদের ‘কঠোর পরিস্থিতির’ মধ্যে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

শত শত চেকপয়েন্টে চলাচলে বিধিনিষেধ ও হয়রানি শিক্ষকদের দৈনন্দিন দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে হেবরনের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তা, মধ্য পশ্চিম তীরের আল-মুঘাইয়ির গ্রাম, জর্ডান উপত্যকা এবং এরিয়া সি হিসেবে চিহ্নিত এলাকায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে, এমনটি জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

১৯৯৫ সালের অন্তর্বর্তীকালীন অসলো-২ চুক্তির অধীনে পশ্চিম তীরকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে: এ, বি ও সি। এরিয়া এ’তে বেসামরিক ও নিরাপত্তা ফিলিস্তিনিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরিয়া বি ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রশাসন এবং ইসরায়েলি নিরাপত্তার আওতায় রয়েছে। আর পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ নিয়ে গঠিত এরিয়া সি পুরোপুরি ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

শিক্ষা খাতে আর্থিক সংকট

ফিলিস্তিনি শিক্ষকদের ওপর নিপীড়নের পাশাপাশি তীব্র আর্থিক সংকট তাদের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। ইসরায়েল ফিলিস্তিনের করের অর্থ আটকে রাখায় শিক্ষকদের আর্থিক ও মানসিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অর্থ ‘ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ’ নামে পরিচিত। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হয়ে আমদানি করা পণ্যের ওপর কর সংগ্রহ করে তা ইসরায়েল হস্তান্তর করে। ১৯৯৪ সালের প্যারিস প্রটোকলের অধীনে এ ব্যবস্থা চালু হয়।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

২০১৯ সাল থেকে ইসরায়েল এসব রাজস্ব থেকে অর্থ কেটে নেওয়া শুরু করে এবং পরে অর্থ হস্তান্তর বন্ধ করে দেয়। এর ফলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আর্থিক সংকট আরও বেড়ে যায় এবং সরকারি কর্মীদের পুরো বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফিলিস্তিনের মোট সরকারি রাজস্বের প্রায় ৫৬ শতাংশই এই ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ থেকে আসে। ফলে এসব অর্থ আটকে রাখা সরকারি কর্মীদের বেতন প্রদান, জনসেবা চালানো এবং সরকারের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফিলিস্তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষা খাতের কর্মীদের বিরুদ্ধে এসব লঙ্ঘন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং শিক্ষা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া, আটক শিক্ষকদের মুক্তি এবং আটকে থাকা আর্থিক পাওনা পরিশোধের জন্য বিশ্বজুড়ে শিক্ষক ও কর্মীদের সংগঠনগুলোর প্রতি চাপ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে শিক্ষকরা মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরের বসিলা রোড থেকে নিখোঁজ যুবক, ৩ দিনেও সন্ধান মেলেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


মোহাম্মদপুরের বসিলা রোড থেকে নিখোঁজ যুবক, ৩ দিনেও সন্ধান মেলেনি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা রোড এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন কে এম মেহেদী হাসান হিরু নামে একজন যুবক। তিনি নিখোঁজ হন গত ১ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার সময়।

মেহেদী হাসানের বয়স ৩৫ বছর। তিনি ওই এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। নিখোঁজ হওয়ার পর সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার পরিবারের সদস্যরা তার কোনো সন্ধান পাননি।

এই ঘটনার পর তার বোন হুরে জান্নাত নওমি মোহাম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে মেহেদী হাসানের সন্ধান পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বছরে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৩০.৪৩ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


এক বছরে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৩০.৪৩ শতাংশ

#কমেছে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ

#ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণও বাড়ছে

#অর্থ সরবরাহ বেড়েছে ১১ শতাংশের বেশি

#রপ্তানি কমেছে, আমদানি বেড়েছে

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঋণ ও অর্থ প্রবাহের মধ্যে একটি বড় বৈপরীত্য দেখা দিয়েছে। সরকারের ঋণনির্ভরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি দ্রুত বেড়েছে, কিন্তু বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জুন মাসের শেষে সরকারি খাতে ঋণ এক বছরের ব্যবধানে ৩০ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৮ কোটি ৮০ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। অপরদিকে, বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। জুন মাস শেষে এ খাতে ঋণের স্থিতি ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৮৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা হয়েছে।

খাত-সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন, 'ঋণের উচ্চ ব্যয় বেসরকারি খাতে ঋণ চাহিদা কমানোর একটি কারণ হলেও এটি প্রধান কারণ নয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো জ্বালানি সংকট, যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। তাছাড়া সরকারের ব্যাংকমুখী হওয়া এবং রাজস্ব আয়ের পরিধি বৃদ্ধি না পাওয়াও এর প্রধান কারণগুলোর অন্যতম।'

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি খাতে ঋণের বৃদ্ধি মূলত সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ ঋণের বৃদ্ধির প্রধান কারণ। জুন মাস শেষে দেশে মোট অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ২৫ লাখ ২৫ হাজার ৮১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা, যা এক বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৬০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫ এ এই বৃদ্ধি ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার ৮২৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

অর্থনীতিতে সরকারের ঋণ গ্রহণের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার চিত্র সবচেয়ে স্পষ্ট হয়েছে সরকারি খাতের ঋণে। ২৫ সালের জুন থেকে গত জুন পর্যন্ত এক বছরে সরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৮২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যেখানে এ খাতে ঋণের বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৬২ হাজার ৩৬৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা, সেখানে ২০২৫-২৪ অর্থবছরে তা আড়াই গুণেরও বেশি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কম কর রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি, ঋণের সুদ পরিশোধ ব্যয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকারের ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে। এই চাপ সামাল দিতে সরকারের নিট ঋণ গ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি খাতে ঋণের পরিমাণ বেড়েছে।

সরকারি খাতের মধ্যে সরকারের নিট ঋণই মূল চালিকাশক্তি। জুন মাস শেষে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৬৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যা এক বছরের ব্যবধানে ৩৪ দশমিক ৫১ শতাংশ বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারের নিট ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৮১ কোটি ২০ লাখ টাকা। অন্যদিকে অন্যান্য সরকারি খাতে ঋণ ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ কমে ৪৩ হাজার ২৯০ কোটি টাকায় নেমেছে।

চলতি অর্থবছরের শুরুতেই ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের ঋণ গ্রহণের প্রবণতা বেড়েছে। ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের নিট ঋণ বেড়েছে ১৪ হাজার ৭৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অথচ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এই ঋণ বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল মাত্র ২ হাজার ৭৬৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অর্থবছরের শুরুতে ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের নিট ঋণ গ্রহণের চাপ বহুগুণ বেড়েছে।

গত ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের মোট নিট ঋণের স্থিতি ৭ লাখ ২৭৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নিট ঋণ ৯৭ হাজার ২৭৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং ডিপোজিট মানি ব্যাংকগুলো থেকে নিট ঋণ ৬ লাখ ২ হাজার ৯৯৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা। ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ বেড়েছে ৩ হাজার ২২৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা। একই সময়ে ডিপোজিট মানি ব্যাংকগুলো থেকে বেড়েছে ১১ হাজার ৫৭০ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

সরকারি ঋণের বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের গতি কমেছে। জুন মাস শেষে বেসরকারি খাতে ঋণের স্থিতি ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৮৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে এ ঋণ বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে ৭৮ হাজার ১৭৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। অথচ আগের অর্থবছরের একই সময়ে বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ৪৫৮ কোটি ২০ লাখ টাকা।

অর্থাৎ একদিকে সরকারি খাতে ঋণ গ্রহণের গতি বেড়েছে, অন্যদিকে উৎপাদন ও বিনিয়োগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির গতি কমেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৮২ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যেখানে বেসরকারি খাতে তা ৭৮ হাজার ১৭৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

জুন মাস শেষে দেশে ব্যাপক অর্থ বা ব্রড মানির পরিমাণ ২৪ লাখ ১৬ হাজার ২৮৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে তা বেড়েছে ১১ দশমিক ১১ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্রড মানি বেড়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্রড মানির সবচেয়ে বড় উপাদান নেট দেশীয় সম্পদ বা এনডিএ। অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধিতে এনডিএ এখনও প্রধান ভূমিকা রাখছে এবং এর ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিই মুদ্রা সম্প্রসারণের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে।

এদিকে ব্যাংকিং ব্যবস্থার আমানতও বেড়েছে। জুন মাস শেষে ব্যাংক আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৭৯ হাজার ৯১১ কোটি ১০ লাখ টাকা। এক বছরে আমানত বেড়েছে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমানত বেড়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৭৪১ কোটি ৩০ লাখ টাকা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৭২ কোটি ৩০ লাখ টাকার বৃদ্ধির চেয়ে বেশি। আমানত বৃদ্ধির প্রধান কারণ ছিল মেয়াদি আমানত বৃদ্ধি।

অর্থনীতির বহিঃখাতে কিছু চাপ থাকলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তুলনামূলক শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ১৫ আগস্ট শেষে মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছে। এক বছর আগে, ১৫ আগস্ট পর্যন্ত রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে রিজার্ভ বেড়েছে ২০ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে ৩০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রয়েছে। রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধিও রিজার্ভ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে।

চলতি অর্থবছরের শুরুতে প্রবাসী আয়েও ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫১ কোটি ২৭ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৩৭২ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২১ দশমিক ০৫ শতাংশ। শুধু ১ থেকে ১৫ আগস্ট সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ১২৫ কোটি ডলারের তুলনায় ৩২ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি।

বহিঃবাণিজ্যে অবশ্য চাপ রয়েছে। জুলাই মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪৭২ কোটি ৮৯ লাখ ডলার, যা আগের বছরের জুলাইয়ের ৪৭৭ কোটি ৯৪ লাখ ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ০৬ শতাংশ কম। জুলাইয়ে তৈরি পোশাক—নিটওয়্যার ও ওভেন—রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। মোট রপ্তানিতে পোশাক খাতের অংশ ছিল ৮২ দশমিক ২৩ শতাংশ। অথচ জুলাই ২০২৫-এ রপ্তানি বেড়েছিল ২৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

তবে পুরো ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে সামান্য। অর্থবছরে মোট রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৪৮৩ কোটি ৮৩ লাখ ৪৫ হাজার ডলার। প্রতিবেদনের মূল একক অনুযায়ী তা ৪৮.৩৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪৮.৩০ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ০ দশমিক ১৭ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাস্টমস-ভিত্তিক আমদানি বেড়েছে ১০ দশমিক ০৭ শতাংশ। আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আমদানি ঋণপত্র বা এলসি খোলা বেড়েছে ৬ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং এলসি নিষ্পত্তি বেড়েছে মাত্র ০ দশমিক ০২ শতাংশ।

রেমিট্যান্স বাড়লেও জুলাইয়ে চলতি হিসাবের উদ্বৃত্ত কমেছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে চলতি হিসাবের উদ্বৃত্ত ৬ কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের ১২ কোটি ডলারের অর্ধেক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বাণিজ্য ঘাটতি এবং প্রাথমিক আয় ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় চলতি হিসাবের উদ্বৃত্ত সংকুচিত হয়েছে।

অর্থনীতির আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো মূল্যস্ফীতির সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা। জুলাই মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা জুনে ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। আগের বছরের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতিও জুলাইয়ে সামান্য কমে ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশে নেমেছে, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং আগের বছরের জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমাতে ভূমিকা রেখেছে।

১৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিবেদনের সময়ে নীতিসুদ ছিল ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি বা এসএলএফ হার ১১ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি বা এসডিএফ হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। আগস্টের প্রথমার্ধে কলমানি বাজারের ভারিত গড় সুদহার ছিল ৯ দশমিক ৪০ শতাংশ, অর্থাৎ নীতিসুদের নিচে।

আগের পর্যায়ে নীতিসুদ ছিল ১০ শতাংশ। ২ আগস্ট ২০২৬ থেকে পুনর্নির্ধারিত ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ নীতিসুদ ও ১১ শতাংশ এসএলএফ কার্যকর হয়।

১৫ আগস্ট শেষে রিজার্ভ মানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬১ হাজার ৯৩৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, যা এক বছরের ব্যবধানে ১৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বৈদেশিক সম্পদ বৃদ্ধিই রিজার্ভ মানি বাড়ার প্রধান কারণ। তবে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট সময়ে রিজার্ভ মানি কমেছে ১৪ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা।

এদিকে আগস্টের প্রথম ১৫ দিনে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের বিপরীতে টাকার গড় বিনিময় হার ছিল ১২৩ টাকা ৫৭ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় টাকা ১ দশমিক ৬০ শতাংশ অবমূল্যায়িত হয়েছে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কামাল মুজেরী মন্তব্য করেছেন, "সরকারের বড় অঙ্কের ব্যাংকঋণ বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের জন্য চাপ তৈরি করতে পারে। রাজস্ব আদায় দুর্বল থাকায় সরকারের ঋণনির্ভরতা বাড়ছে। সরকারকে মোটা অঙ্কের ঋণ দিতে হলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর সুযোগ কমে যাবে। ফলে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের চাকরি ছাড়া শন টেইট আবার পাকিস্তানের দায়িত্বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


বাংলাদেশের চাকরি ছাড়া শন টেইট আবার পাকিস্তানের দায়িত্বে

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক গতি তারকা শন টেইট, বাংলাদেশের সঙ্গে পথচলা শেষ করার কয়েক মাসের মধ্যে পুরোনো ঠিকানায় ফিরে যাচ্ছেন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে তিনি একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন। টেইট পাকিস্তানের জাতীয় দলের বোলিং পরামর্শকের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।

পিসিবি সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের কোচিং স্টাফে একাধিক পরিবর্তন করেছে এবং বোলিং বিভাগকে শক্তিশালী করার জন্য টেইটকে বেছে নিয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার সূত্রে জানিয়েছে, টেইটের নিয়োগ শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে পাকিস্তানে পৌঁছে তিনি দায়িত্ব বুঝে নেবেন।

পাকিস্তানের সঙ্গে টেইটের সম্পর্ক নতুন নয়। ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক পাকিস্তান সফরের আগে তিনি শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফদের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৩ সালের শুরু পর্যন্ত পাকিস্তানের পেসারদের নিয়ে কাজ করেছেন তিনি, যিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। তবে এবার তিনি পূর্ণকালীন কোচ হিসেবে নয়, বরং পরামর্শক হিসেবে ফিরে আসছেন।

বাংলাদেশে এক বছরের অধ্যায়

২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফাস্ট বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন টেইট। তার সঙ্গে চুক্তি ছিল ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু এ বছরের ৪ জুন তিনি হঠাৎ করে পদত্যাগ করেন।

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে টেইটের সময়টা ছিল সফল। তার অধীনে তরুণ পেসাররা আত্মবিশ্বাস পেয়েছে এবং বাংলাদেশের পেস বোলিং ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়েছে। তার সময়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ২-০ টেস্ট সিরিজ জয়েও বাংলাদেশের পেসাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিশেষ করে নাহিদ রানা টেইটের অধীনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে মার্চে ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হওয়ার পর নাহিদ প্রকাশ্যে টেইটের প্রশংসা করেছিলেন।

নাহিদ রানা বলেছিলেন, “সত্যি বলতে তিনি অসাধারণ একজন কোচ। কারণ তিনি শুধু কোচ হিসেবেই নন, আমাদের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে যান।”

কেন বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন টেইট

বাংলাদেশের দায়িত্ব ছাড়ার সময় টেইট জানিয়েছিলেন, তিনি পরিবারের জন্য আরো সময় দিতে চান। বছরজুড়ে তিন সংস্করণের ক্রিকেটে পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালনের চাপ থেকেও সরে আসতে চেয়েছিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান।

টেইট বলেছিলেন, “পূর্ণকালীন দায়িত্বে ১২ মাস কাজ করা আমার জন্য বাড়তি চাপ মনে হচ্ছিল। এখন একটু পেছনে সরে গিয়ে পরিবারকে কিছুটা সময় দিতে চাই।”

এবার পাকিস্তানে নতুন ভূমিকায়

বাংলাদেশ ছাড়ার সময় টেইটের পরিবারকে সময় দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসায় পাকিস্তানে এবার তাকে পূর্ণকালীন বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না। বরং তার জন্য পরামর্শক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। ফলে সারা বছর তিন সংস্করণের ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার চাপ তুলনামূলকভাবে কম থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ২৩-২৪ অক্টোবর বীচ কার্নিভাল উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ২৩-২৪ অক্টোবর বীচ কার্নিভাল উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

পটুয়াখালীর সাগরকন্যা কুয়াকাটায়, যেখানে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের অপরূপ সৌন্দর্য মেলে, সেখানে আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দু'দিন ব্যাপী বীচ কার্নিভাল উৎসব বা কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬। এই আয়োজনের মাধ্যমে কুয়াকাটাকে আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন একটি সভার আয়োজন করেছে, যেখানে পর্যটন সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় কুয়াকাটার পর্যটন হলিডে হোমসের কনফারেন্স হলে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে শেষবার বীচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ ৯ বছরের বিরতির পর, এবার ২৩ ও ২৪ অক্টোবর কুয়াকাটা বীচ কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান জনাব মো. শামীমুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ বি এম মোশাররফ হোসেন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক মো. গনী উল আজম।

এছাড়া সভায় পটুয়াখালী জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, বরিশাল বিভাগীয় ডিআইজি (ট্যুরিস্ট পুলিশ) অর্নিবান চাকমা, সহকারী কমিশনার( ভূমি) ইয়াসীন সাদেক এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, হোটেল-মোটেল মালিক, উদ্যোক্তা ও স্থানীয় অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, এবারের কার্নিভালের আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরা এবং পর্যটকদের কাছে এই অঞ্চলকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা। কার্নিভালকে কেন্দ্র করে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় সাজসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

কার্নিভালে থাকবে বীচ ক্যাম্পিং, বিচ ফুটবল, কুইজ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিচ উৎসব, পুথি পাঠ, প্রি-ইভেন্টসহ নানা আয়োজন। পাশাপাশি, স্থানীয় পণ্য, খাবার ও পর্যটনকে ঘিরেও বিভিন্ন কর্মসূচি থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%