ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বঙ্গভবনে যাওয়া নিয়ে নিজের অবস্থান জানালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি


বঙ্গভবনে যাওয়া নিয়ে নিজের অবস্থান জানালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

স্বাস্থ্যগত কারণে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন উঠে এসেছে, তিনি কি নিজের বাসভবন থেকে বঙ্গভবনে স্থানান্তরিত হবেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) সাংবাদিকরা এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির কাছে প্রশ্ন তুললেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ জবাব দিয়ে জানান, যদিও তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন, কিন্তু স্পিকারের নিজস্ব বাসভবনেই আছেন তিনি। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, তিনি অফিস হিসেবে বঙ্গভবন ব্যবহার করবেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সামরিক প্রতিনিধিদল মানামা ডায়ালগে অংশ নিতে বাহরাইনে

এবং এজন্য সংসদ প্রাঙ্গণে স্পিকারের বাসভবন ও তার চারপাশে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গত শুক্রবার বিকেল থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।

এদিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, রোববার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাভারে জাতীয় স্মৃতি সৌধে বীর শহীদদের জাতীয় স্মৃতি স্তম্ভের পুস্তক অর্পণ করতে যাচ্ছেন এবং সাড়ে ১২টা ৩০ মিনিটে শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাথরুমে সরকারি ওষুধ পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাথরুমে সরকারি ওষুধ পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাথরুমে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সরকারি ওষুধ এবং বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দেখে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ঘটনাস্থলেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি আকস্মিক পরিদর্শন শেষ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী ব্যক্ত করেন, ‘আমার দেশের দরিদ্র মানুষ ওষুধ পায় না, আর এখানে লক্ষ লক্ষ টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ। বাথরুমেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সরকারি ওষুধ পড়ে আছে।’

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, বিগত সরকারের সময় স্বাস্থ্যখাতে সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। তিনি বলেন, সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকার চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মন্ত্রী পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখে নানা ত্রুটি-বিচ্যুতির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে সিভিল সার্জন, ডিডিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া তিনি পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি ক্লিনিকও পরিদর্শন করেন।

মন্ত্রী জানালেন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে মোরেলগঞ্জ ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে এ প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মো. নাসের রিকাবদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির ব্রাজিলিয়ান যোগসূত্র, গবেষকের অনুসন্ধানে উঠে এলো মেসির বংশ ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


মেসির ব্রাজিলিয়ান যোগসূত্র, গবেষকের অনুসন্ধানে উঠে এলো মেসির বংশ ইতিহাস

তর্কসাপেক্ষে লিওনেল মেসি ফুটবলের সর্বকালের সেরা। তার জাদুতেই ঘুচেছে আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের দীর্ঘ বিশ্বকাপখরা। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে ক্যারিয়ারের একমাত্র অপ্রাপ্তি ঘুচিয়েছেন এই মহাতারকা। পাশাপাশি তিনি দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে খেলেছেন তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল।

আর্জেন্টিনাকে সাফল্যের মুকুট এনে দেয়া মেসির এই কাহিনির কিছুটা এদিক এদিক হলে ব্রাজিল উপকৃত হতে পারতো। হয়তো মেসির হাত ধরেই সেলেসাওদের দীর্ঘ শিরোপাখরাও ঘুচত। মেসি আর্জেন্টিনার পরিবর্তে ব্রাজিলের জার্সি গায়ে চাপালে ফুটবল ইতিহাসটাও সম্ভবত ভিন্নরূপে গড়ে উঠতো।

আলবিসেলেস্তেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দুই তারকার একজন লিওনেল মেসির শেকড় নাকি বিস্তৃত ব্রাজিলেও। আরও সঠিকভাবে বললে সেটি দেশের সাও পাওলো রাজ্যের অন্তর্গত অঞ্চলে। বিষয়টি হয়তো কিছুটা কাকতালীয় মনে হবে, কিন্তু একজন ইতালীয় গবেষকের অনুসন্ধানে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তিনি দাবি করেছেন যে, এই মহাতারকার এক প্রপিতামহ বিশ শতকের শুরুর দশকে রিবেরাও প্রেতোতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

পেশায় ব্যাংকার এবং ইতিহাসবিদ ফিওরেনজো সান্তিনি আর্জেন্টাইন তারকার বংশলতিকা বা ফ্যামিলি ট্রি অনুসন্ধানের কাজটি করেন।

যখন মেসি তরুণ বয়সে বার্সেলোনায় নিজের প্রতিভার পরিচয় দিতে শুরু করেন, তখনই সান্তিনির মনে এই ধারনা আসে। ফুটবলপ্রেমী এবং ইন্টার মিলানের কট্টর সমর্থক ফিওরেনজো 'মেসি' পদবিটির উৎস খুঁজতে কৌতুহলী হয়ে ওঠেন।

এতে তিনি এর ইতালীয় সংযোগ আবিষ্কার করেন। মেসির প্রপিতামহ আঞ্জেলো মেসি ইতালির মার্কে অঞ্চলের মাসেরাটা প্রদেশের রেকানাত শহর থেকে এসেছিলেন। ১৮৯৩ সালে তিনি স্ত্রীসহ ইতালি ছেড়ে আর্জেন্টিনার রোসারিওতে পাড়ি জমান।

গবেষক জানান, 'আমি ২০১৫ সালে তার (মেসির) বাবার সাথে যোগাযোগ করি এবং এই ইতিহাস জানাই। কয়েক বছর পর তার বাবা আবার আমার সাথে যোগাযোগ করেন যেন আমি তার মায়ের দিকের বংশলতিকা খুঁজে বের করি, যাতে তারা ইতালির নাগরিকত্ব পেতে পারেন।'

ফিওরেনজো সান্তিনির দাবি, মেসির মাতুলালয়ের অনুসন্ধানের শুরু তার প্রপিতামহ রানিয়েরো কোচেত্তিনির মাধ্যমে হয়েছিল, যিনি মেসির পিতৃপক্ষের পরিবারের মতো একই প্রদেশ অর্থাৎ সান সেভেরিনো মার্কেতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

মেসির পরিবারের পাশাপাশি একই অঞ্চলের আশেপাশের মাত্র কয়েক কিমি দূরে আর্জেন্টিনা ফুটবলের জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি, সাবেক বাস্কেটবল খেলোয়াড় মানু জিনোবিলি এবং দেশের প্রেসিডেন্ট হাভিয়ার মিলেইয়ের পূর্বপুরুষদের শেকড়ের প্রমাণও মেলে।

সান্তিনি বলেন, 'গ্রামগুলো খুব কাছাকাছি, মাসেরাটা প্রদেশের একই এলাকায় প্রায় ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত।'

রানিয়েরো ইতালিতে থাকার সময় রোসা রিকেজাকে বিয়ে করেন এবং তাদের ঘরে জুলিয়া ও ফ্রান্সেসকো নামের দুই সন্তান হয়। সাঁও পাওলোর 'ইমিগ্রেশন মিউজিয়াম অব দ্য স্টেট'-এর ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, এই পরিবারটি 'ওয়াশিংটন' নামের জাহাজে চেপে ব্রাজিলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এবং ১৮৯৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সাও পাওলোর সান্তোস বন্দরে অবতরণ করে।

তবে বন্দরে পৌঁছানোর পর রানিয়েরো কোচেত্তিনির নাম পরিবর্তন হয়ে 'রামিয়োরো কনসেন্টিনী' হয়ে যায়। সে সময় মূল ভাষার বানান ও উচ্চারণের জটিলতার কারণে অভিবাসীদের নাম ও পদবি পরিবর্তনের বিষয়টি সাধারণ ছিল।

জাদুঘরের ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, রানিয়েরো (বর্তমানে রামিয়োরো) পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। তিনি রিবেরাও প্রেতো থেকে ৭০ কিমিরও বেশি দূরবর্তী রিনকাও এলাকায় ড. মার্টিনহো প্রাডো জুনিয়রের একটি খামারে কাজের জন্য নিয়োগ লাভ করেন।

পরিবারটি সাও পাওলো রাজ্যের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে চলে আসে। সান সেভেরিনো মার্কে পৌরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রিবেরাওতে রামিয়োরো এবং রোসা দম্পতির ঘরে আরও দুটি সন্তানের জন্ম হয়। ১৯০০ সালের ১ জানুয়ারি এরমিনিয়া এবং ১৯০৪ সালের ২৭ জানুয়ারি আর্দেরিগো জন্মগ্রহণ করে।

এই আর্দেরিগোর মাধ্যমেই লিওনেল মেসির পদবিতে পরিবর্তন আসে। গবেষক বলছেন, রিবেরাও প্রেতোতে নাম নিবন্ধনের সময় এই পরিবর্তনটি ঘটে।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, 'ব্রাজিলে এসে আর্দেরিগো হয়ে যান ফেদেরিকো। আর কোচেত্তিনি পরিবর্তিত হয়ে হয় কুচিতিনী। এই ফেদেরিকোই হলেন মেসির প্রপিতামহ (নানা)।'

ফেদেরিকোর জন্মের এক বছর পর পুরো পরিবার আর্জেন্টিনায় স্থানান্তরিত হয়। ১৯০৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তারা সেখানে পৌঁছান এবং রোসারিও অঞ্চলে চলে যান। এখানেই জন্ম নেন ফুটবলারের মাতামহ আন্তোনিও কুচিতিনী এবং মা সেলিয়া মারিয়া কুচিতিনী। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্ম নেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচিতিনী।

মূলত 'কুচিতিনী' পদবিটিই গবেষককে ব্রাজিলের সাথে সংযোগটি খুঁজে পেতে সহায়তা করেছিল, কারণ ইতালিতে এই পদবির কোনো অস্তিত্ব বা রেকর্ড ছিল না। ফিওরেনজো ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মেসির মায়ের দিকের ফ্যামিলি ট্রির অনুসন্ধানে সময় ব্যয় করেন।

তিনি বলেন, 'গবেষণার সময় আমি দেখি যে এখানে 'কুচিতিনী' নামে কেউ নেই। পরে মেসির মায়ের এক খালাতো/মামাতো ভাইয়ের কাছ থেকে কিছু নথি পাওয়ার পর বিষয়টি আমার কাছে স্পষ্ট হয়, যিনি ব্রাজিলে পৌছানোর পর নাম ও পদবি পরিবর্তনের বিষয়টি আমাকে জানান।'

ফিওরেনজোর এই গবেষণার ওপর ভিত্তি করে ২০২২ সালে ইতালির সান সেভেরিনো মার্কে শহর মেসিকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করে।

আজ রিবেরাও প্রেতোতে মেসির পরিবারের কোনো সদস্যের বসবাসের তথ্য নেই, কারণ তারা সবাই ১৯০৫ সালেই আর্জেন্টিনায় চলে গিয়েছিলেন।

তবে শহরটির সাথে তার ইতিহাসের একমাত্র স্মৃতিচিহ্ন হয়ে রয়েছে 'ভিলা তিবেরিও' পাড়ার একটি রাস্তা। মজার বিষয় হলো, এই পাড়াতেই শহরের অন্যতম ফুটবল ক্লাব 'বোটাফোগো-এসপি' প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

পাড়ার এই রাস্তাটির নাম 'রুয়া মার্টিনিকো প্রাডো', যা রাখা হয়েছে সেই কৃষকের স্মরণে, যিনি এই তারকা খেলোয়াড়ের পূর্বপুরুষদের আশ্রয় দিয়েছিলেন।

মার্টিনহো প্রাডো জুনিয়র বা 'মার্টিনিকো প্রাডো' নামে পরিচিত এই ব্যক্তি কৃষিকাজের পাশাপাশি ব্রাজিলের একজন রাজনীতিবিদও ছিলেন। তাঁর বাবা-মা লিমিরা এবং পরে আরারাসের একটি খামারে থাকতেন। কিন্তু তিনি তার দাদা-দাদীর সাথে সাও পাওলোতে থাকতেন, যেখান থেকে তিনি আইনে স্নাতক অর্জন করেন, একটি সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং এমনকি প্যারাগুয়ে যুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন।

বিয়ের পর তিনি রাজ্যের ভেতরের অঞ্চলে চলে যান এবং তাদের পারিবারিক খামারগুলো পরিচালনা করতে শুরু করেন। তিনি আরারাসের সিটি কাউন্সিলর এবং স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

রিবেরাও প্রেতো অঞ্চলটি উন্মোচিত হওয়ার পর তিনি সেখানে জমি কিনে খামার গড়ে তোলেন। এই অঞ্চলটি কফি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ হওয়ায় তিনি ও তার ভাই মিলে বিশ্বের সর্ববৃহৎ কফি উৎপাদক হয়ে ওঠেন এবং ইউরোপীয় রাজাদেরও আতিথ্য প্রদান করেন। সান্তোস বন্দরের কাছে প্রাডোর নিজস্ব রপ্তানি প্রতিষ্ঠানও ছিল, যা তার কফি ব্যবসাকে সহজ করে তুলেছিল।

মেসির ইতালীয় পরিবার সাও পাওলো থেকে আর্জেন্টিনায় পাড়ি দেওয়ার এক বছর পর, ১৯০৬ সালে মার্টিনিকো প্রাডো মৃত্যুবরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৩ জুলাইয়ের পরীক্ষা মিস করা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


১৩ জুলাইয়ের পরীক্ষা মিস করা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বৈরী আবহাওয়া, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি যেসব পরীক্ষার্থী, তাদের জন্য আবার পরীক্ষা নেয়া হবে। এজন্য পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিজ নিজ কেন্দ্রে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করার নির্দেশ প্রদান করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।

শনিবার (২৫ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ব্যতীত অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের যেসব পরীক্ষার্থী প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র; মাদ্রাসা বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি বোর্ডের অফিস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, শুধু তারাই আবার অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রগুলোতে বাদ পড়া আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের কাজ ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। এর পর নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীদের তথ্য ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি ‘অতীব জরুরি’ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কিছু শিক্ষার্থী বিচ্ছিন্নভাবে ১৩ জুলাইয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো নতুন তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে, যাতে বাদ পড়া শিক্ষার্থীরাও চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে একই সূচিতে ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পান।

উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তবে ভারি বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান–এই পাঁচ জেলার পরীক্ষা আগে থেকেই স্থগিত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানকে চাপে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হট অ্যান্ড কোল্ড’ কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


ইরানকে চাপে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হট অ্যান্ড কোল্ড’ কৌশল

ইরানের ওপর বহুমুখী চাপ বৃদ্ধি করতে যুক্তরাষ্ট্র একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল তথা ‘ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ’ নীতি গ্রহণ করেছে। এই কৌশলটি যৌথভাবে সামরিক আক্রমণ ও অর্থনৈতিক অবরোধের মিশ্রণ। এর মূল লক্ষ্য হলো তেহরানকে চরম কূটনৈতিক চাপে আটকানো এবং জাতীয় অর্থনীতির রশিকে ভেঙে ফেলা।

অস্ট্রিয়ার প্রাক্তন ডিফেন্স অ্যাটাশে উলফগ্যাং পুশতাই এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নানারকম কূটনীতি, অবরোধের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ ও সামরিক পদক্ষেপের চেষ্টা করছে।

কাতারের ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে পুশতাই জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য এই তিনটি মাধ্যমকে একত্রিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘সম্পূর্ণ যুদ্ধ অবসানের জন্য ইরানের মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে জোরদার করতে এখানে ‘হট অ্যান্ড কোল্ড’ (উত্তপ্ত ও শীতল) পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ, এক রাতে তাদের ওপরে বোমাবর্ষণ চলছে, আবার অন্য রাতে এই আক্রমণ হচ্ছে না। এটি ইরানিদের ওপর একজোড়া মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করবে।’

পুশতাই যোগ করেন, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনা খুঁজছেন, তখন ইরানের নেতৃত্বে দুইটি ভিন্ন দল রয়েছে। একটি দল চায় সমঝোতা স্মারক পুনরায় কার্যকর করা হোক, অপরটি ‘প্রথম এবং প্রধানত সামরিক উপায়ে হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%