০৫:২২ পি.এম
ইরানের ওপর বহুমুখী চাপ বৃদ্ধি করতে যুক্তরাষ্ট্র একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল তথা ‘ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ’ নীতি গ্রহণ করেছে। এই কৌশলটি যৌথভাবে সামরিক আক্রমণ ও অর্থনৈতিক অবরোধের মিশ্রণ। এর মূল লক্ষ্য হলো তেহরানকে চরম কূটনৈতিক চাপে আটকানো এবং জাতীয় অর্থনীতির রশিকে ভেঙে ফেলা।
অস্ট্রিয়ার প্রাক্তন ডিফেন্স অ্যাটাশে উলফগ্যাং পুশতাই এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নানারকম কূটনীতি, অবরোধের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ ও সামরিক পদক্ষেপের চেষ্টা করছে।
কাতারের ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে পুশতাই জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য এই তিনটি মাধ্যমকে একত্রিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা।’
আরও পড়ুন: মানবাধিকার রক্ষায় স্বাধীন ‘থার্ড আই’ ও শক্তিশালী কমিশন গঠনের আহ্বান
তিনি আরও বলেন, ‘সম্পূর্ণ যুদ্ধ অবসানের জন্য ইরানের মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে জোরদার করতে এখানে ‘হট অ্যান্ড কোল্ড’ (উত্তপ্ত ও শীতল) পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ, এক রাতে তাদের ওপরে বোমাবর্ষণ চলছে, আবার অন্য রাতে এই আক্রমণ হচ্ছে না। এটি ইরানিদের ওপর একজোড়া মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করবে।’
পুশতাই যোগ করেন, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনা খুঁজছেন, তখন ইরানের নেতৃত্বে দুইটি ভিন্ন দল রয়েছে। একটি দল চায় সমঝোতা স্মারক পুনরায় কার্যকর করা হোক, অপরটি ‘প্রথম এবং প্রধানত সামরিক উপায়ে হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন