রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২০ এম
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং লোহিত সাগর উপকূলের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার রিয়াদের দিকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। এ ছাড়া আর কোনো হামলা বা হতাহতের খবর নিশ্চিত করেনি তারা।
এর আগে শনিবার সৌদি রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জ্বালানি ট্যাংক থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। এ ঘটনায় সাময়িকভাবে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়।
হুথিরা সৌদি আরবে হামলা বাড়ানোর পর শনিবার প্রথমবারের মতো রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। গত জুলাই থেকে সৌদি আরবে হুথি হামলা বেড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল ও অন্যান্য ভ্রমণ বিঘ্নের জন্য প্রস্তুত থাকারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ইরান-সমর্থিত হুথিরা বেসামরিক বিমানবন্দরসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। এই সামরিক সংঘাত দ্রুত আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই ওই অঞ্চলে এবং অঞ্চলটির মধ্য দিয়ে ভ্রমণের বিষয়টি মার্কিন নাগরিকদের গুরুত্বসহকারে পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিশ, তাইফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহরে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো ‘শত্রুতামূলক হামলার চেষ্টা’ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করেছে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া আল-সারিয়া অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, রিয়াদের ‘গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা’ এবং উপকূলীয় শহর ইয়ানবুতে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সৌদি আরব ইয়েমেনের হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন রাজধানী সানায় হামলার চেষ্টা চালানোর জবাবেই এসব হামলা করা হয়েছে।
এর আগে আল-সারিয়া অভিযোগ করেন, গত এক সপ্তাহে সৌদি আরব ইয়েমেনজুড়ে ৩০০টি হামলা চালিয়েছে।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে হুথিদের দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। ওই সরকারকে সৌদি আরব সমর্থন করে।
সাম্প্রতিক কয়েক মাসে হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছে। চলতি সপ্তাহে ইয়েমেনের আকাশে একটি সৌদি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবিও করেছে তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডায়াবেটিস থাকলে খাদ্য নির্বাচনে অনেকের দ্বিধা থাকে। বিশেষ করে শুকনো ফল বা ড্রাই ফ্রুটস সম্পর্কে প্রশ্নের পরিমাণ আরও বেশি। সঠিক ধরনের শুকনো ফল এবং পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। তবে শুকনো ফলে পানির পরিমাণ কম থাকে, ফলে অল্প পরিমাণে বেশি ক্যালরি ও প্রাকৃতিক চিনি পাওয়া যায়। তাই পরিমাণের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া অপরিহার্য।
কতটা শুকনো ফল খাওয়া যেতে পারে?
ডায়াবেটিস থাকলে একসঙ্গে বেশি শুকনো ফল খাওয়ার পরিবর্তে অল্প পরিমাণে খাওয়াই উত্তম। কিছু বিশেষজ্ঞ ২–৩ টুকরো বা এক মুঠো পরিমাণ দিয়ে শুরু করার পরামর্শ দেন। তবে রক্তে শর্করার মাত্রা, ওষুধ, দৈনিক খাবারের ধরন ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে উপযুক্ত পরিমাণ নির্ধারণ হতে পারে।
কোন শুকনো ফল বেছে নিতে পারেন?
আখরোট
আখরোটে ফাইবার ও অসম্পৃক্ত ধরনের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বিদ্যমান। এটি পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে এবং খাবারের মাঝখানে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে।
বাদাম
বাদামে ফাইবার, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে বাদাম খেলে খাবারের সামগ্রিক পুষ্টিমান বাড়ানো সম্ভব এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সহায়ক হতে পারে।
কিশমিশ
কিশমিশে প্রাকৃতিক চিনি ঘনভাবে বিদ্যমান। সুতরাং ডায়াবেটিস থাকলে এটি অল্প পরিমাণে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একসঙ্গে বেশি কিশমিশ খেলে মোট কার্বোহাইড্রেট ও চিনি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে।
শুকনো এপ্রিকট
শুকনো এপ্রিকটে ফাইবার ও বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে। তবে অন্যান্য শুকনো ফলের মতো এটিতেও প্রাকৃতিক চিনি ঘন থাকে, তাই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়া উচিত।
তাজা ফল নাকি শুকনো ফল?
ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে সাধারণত পুরো তাজা ফলকে খাদ্যতালিকায় রাখা সহজ, কারণ এতে পানির পরিমাণ বেশি এবং একই পরিমাণ খাবারে চিনি তুলনামূলকভাবে কম ঘন থাকে। শুকনো ফল খেলে ছোট পরিমাণে বেশি কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ হয়ে যেতে পারে।
তাহলে শুকনো ফলকে তাজা ফলের বিকল্প হিসেবে বেশি পরিমাণে না খেয়ে পরিমিত একটি অংশ হিসেবে রাখা ভালো।
কেনার সময় সতর্ক থাকুন
সব শুকনো ফল সমান নয়। বাজারে কিছু ড্রাই ফ্রুটসে অতিরিক্ত চিনি, সিরাপ বা অন্যান্য উপাদান থাকতে পারে। তাই সম্ভব হলে চিনি বা সিরাপ ছাড়া শুকনো ফল বেছে নেওয়া উচিত এবং প্যাকেটের পুষ্টিগুণের তথ্য দেখে কার্বোহাইড্রেট ও মোট চিনির পরিমাণ যাচাই করা জরুরি।
ডায়াবেটিস থাকলেও শুকনো ফল একেবারে নিষিদ্ধ নয়। তবে এটি তুলনামূলকভাবে চিনি ও ক্যালরিতে ঘন, তাই অল্প পরিমাণে, হিসাব করে এবং আপনার সামগ্রিক খাবারের কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে রেখে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি যদি ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, কিংবা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত শুকনো ফল খাওয়ার পরিমাণ ঠিক করার আগে চিকিৎসক বা নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া উত্তম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার পাশ থেকে শাকিল (১৪) নামে এক বাংলাদেশি কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে ত্রিপুরা রাজ্যের লঙ্কামুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা সানমুড়া সীমান্ত এলাকার কাঁটাতারের পাশে পড়ে থাকা অর্ধগলিত লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
নিহত শাকিল আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আবদুল্লাপুর পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মালু মিয়ার ছেলে।
নিহত কিশোর শাকিলের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত বুধবার রাত সাড়ে ১২টার পর থেকে শাকিল নিখোঁজ ছিল। তার বাবা মালু মিয়া জানান, শাকিল মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল।
বিজিবি ফকিরমুড়া ক্যাম্পের কমান্ডার নিরাময় চাকমা বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের আখাউড়া-ত্রিপুরা অংশের ২০২২-৯এস সীমান্ত পিলারের কাছে সানমুড়া কাঁটাতারের বেড়ার পাশে কিশোরের লাশ পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি বিএসএফের নজরে আসে।
শনিবার সন্ধ্যার পর ভারতীয় বিএসএফের মাধ্যমে খবর পেয়ে ফকিরমুড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ নেন। খবর পেয়ে আখাউড়া থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন।
বিজিবি ও বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করেন। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত ও উদ্ধারের প্রক্রিয়া শেষ করতে গভীর রাত হয়ে যাওয়ায় রাত ২টার দিকে ত্রিপুরা রাজ্যের লঙ্কামুড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা লাশটি তাদের হেফাজতে নেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, শাকিলের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) যেকোনো সময় সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশটি বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হতে পারে।
তবে লাশটি কীভাবে সেখানে পৌঁছেছে এবং কিশোরটির মৃত্যুর কারণ কী—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়া থেকে স্টিলথ প্রযুক্তির এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশের একটি চালান যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে চীনের হাতে চলে গেছে। এ ঘটনার পর তদন্তে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এ তথ্য জানায়।
ওই চালানে যুদ্ধবিমানের একটি ক্যানোপি বা স্বচ্ছ ছাদ রয়েছে। যা এটির স্টিলথ সিস্টেমের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অস্ট্রেলিয়া থেকে এ চালানটি যুক্তরাষ্ট্রে আনা হচ্ছিল মধ্যস্থতাভোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। কিন্তু সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রে না গিয়ে গেছে চীনের স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল হংকংয়ে।
যদিও মার্কিনিরা বলেছে, বর্তমানে এগুলো কোথায় এবং কার কাছে আছে তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু তারাই আশঙ্কা করছে চীন এগুলো পেয়েছে।
এ ঘটনার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং কংগ্রেসের যৌথ তদন্ত শুরু হয় গত জুনে। যা এখনো চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা নিখোঁজ যন্ত্রাংশগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এরসঙ্গে এটির তদন্ত এবং ভবিষ্যতে যেন এ ঘটনা না ঘটে সেটি নিশ্চিতে কাজ করা হচ্ছে।
এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের যে কেনোপি বা স্বচ্ছ ছাদ রয়েছে, এটি শুধুমাত্র একটি সাধারণ ছাদ নয়। এটি ককপিটের ওপর বসানো একটি গম্ভুজ সদৃশ আবরণ। এটির ওপর রাডারকে ফাঁকি দেওয়ার স্বচ্ছ পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে। এফ-৩৫ যে রাডারে ধরা পড়ে না, এটির কেনোপি তার অন্যতম কারণ।
তবে রাডারকে ফাঁকি দেওয়ার যে স্বচ্ছ পদার্থ ব্যবহার করা হয় এটি সময়ের সাথে সাথে খারাপ হয়ে যেতে পারে। ফলে এগুলো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়।
যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ও মিত্রদের জন্য এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার প্রস্তুতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর ওপর নির্ভরশীল ছিল। পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তদন্তে এ সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন সেনারা ভুল গোয়েন্দা তথ্য, পুরোনো স্যাটেলাইট ছবি এবং এআই-এর ওপর অত্যধিক নির্ভরশীল ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের শাজারেহ তাইয়্যেবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা চালানো হয়, যার ফলে ১২৩ শিশু নিহত হয়।
তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, হামলার দিন স্কুলটিতে দুটি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পেন্টাগনের কিছু কর্মকর্তা হামলাটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে অবহিত হন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশে ব্যাপক বিমান হামলার কারণে লক্ষ্যবস্তু চূড়ান্ত করার জন্য সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে সময় কম ছিল, যা তদন্তে উঠে এসেছে। যুদ্ধের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র এক হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।
এছাড়া, বেসামরিক নাগরিক সুরক্ষায় নিয়োজিত কর্মীর সংখ্যা কমে যাওয়া এবং হামলার স্থান সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবও ভুল লক্ষ্য নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছিল, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। স্কুলটি আগে একটি সামরিক স্থাপনার অংশ ছিল, কিন্তু পরে সেখানে প্রকাশ্যে স্কুল পরিচালনা করা হচ্ছিল।
তদন্তে বলা হয়েছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কিছু কর্মকর্তা বিশেষ করে প্লানতির-এর ‘Maven Smart System’-এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল ছিলেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল, সিস্টেমটি পুরোনো বা অসঙ্গতিপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
তবে প্লানতির জানিয়েছে, ব্যবহৃত মূল তথ্যের জন্য তারা দায়ী নয় এবং গোয়েন্দা তথ্যের ঘাটতি শনাক্ত করাও তাদের সফটওয়্যারের দায়িত্ব নয়। হামলার জন্য তাদের সফটওয়্যার দায়ী ছিল—এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
এদিকে, জাতিসংঘ-সমর্থিত একটি তথ্য-অনুসন্ধানী মিশন জানিয়েছে, ইরানে ফেব্রুয়ারির দুটি মার্কিন বিমান হামলায় যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এমন বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি পাওয়া গেছে।
জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে মিশনটি বলেছে, বেসামরিক মানুষের মৃত্যু, আহত হওয়া বা বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো পরিণতি ঘটানো নির্বিচার হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধ করেছে—এমন বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ