ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে ছাড় নয়: মাহদী আমিন


সরকারের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে ছাড় নয়: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সরকারি দল বা প্রশাসনের প্রভাব খাটিয়ে কেউ যদি কোনো অপকর্ম বা ভাঙচুর করে, তাহলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দেন যে, অপরাধী যে-ই হোক, আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাজধানীর মিরপুরে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে সাম্প্রতিক হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নাম বা সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে কেউ পার পাবে না। মিরপুরের ঘটনায় ইতোমধ্যেই ৯ জনকে দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও জানান, যেকোনো অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শুরু থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের মুখোমুখি করতে কাজ করছে।

দেশের শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মাহদী আমিন বলেন, দুষ্কৃতকারীরা যেকোনো পরিচয় ব্যবহারের চেষ্টা করুক না কেন, তাদের অপরাধের বিরুদ্ধে সরকার সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় জামায়াত আমিরের ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় জামায়াত আমিরের ক্ষোভ

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে হামলার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও। এই ঘটনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ঘটনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ ক্ষোভ জানিয়ে দেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে সালমান মুক্তাদির তার স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের বর্ণনা দিচ্ছেন।

ভিডিওর ক্যাপশনে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, গভীর রাতে জুলাইযোদ্ধা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের বাসা ও স্টুডিওতে চাঁদাবাজদের হানা, ভাঙচুর ও লুটতরাজ হয়েছে। তিনি চাঁদাবাজদের উদ্দেশে বলেন, ‘মাঝে মাঝে মধু আহরণকারী চাঁদাবাজরা মৌচাক মনে করে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছুড়ে দেয়। তখন সেই ঢিল বুমেরাং হয়ে তাদের দিকেই ফিরে আসে।’

শফিকুর রহমান আরও বলেন, কর্তৃত্বশালীরা নিজেদের চাঁদাবাজদের কীভাবে সামলাবেন? একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, হ্যাঁ, এর শেষ হবে একদিন, ইনশাআল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাইরাল ভিডিও ঘিরে স্বামীকে নিয়ে বিতর্ক, মুখ খুললেন ‘বর্ষসেরা মা’ খ্যাত স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


ভাইরাল ভিডিও ঘিরে স্বামীকে নিয়ে বিতর্ক, মুখ খুললেন ‘বর্ষসেরা মা’ খ্যাত স্ত্রী

সান ফ্রান্সিসকো জায়ান্টসের একটি খেলায় এক নারী শিশুকে কোলে নিয়ে খাবারের প্যাকেট হাতে আসনে ফিরছিলেন। পাশের আসনে থাকা স্বামী তখন খাবার খাচ্ছিলেন। মুহূর্তটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্বামীকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ধারাভাষ্যকাররা ওই নারীকে মজা করে ‘বর্ষসেরা মা’ বলে অভিহিত করলেও অনলাইনে অনেকেই স্বামীর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

তবে ভাইরাল ভিডিওতে পুরো ঘটনার চিত্র তুলে ধরা হয়নি বলে জানিয়েছেন ওই নারী। তিনি নিজেকে এরিকা বলে পরিচয় দেন এবং শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক লেখায় পুরো ঘটনাটি ব্যাখ্যা করেছেন।

এরিকা জানান, মঙ্গলবারের (২২ সেপ্টেম্বর) খেলায় তিনি তাদের মেয়েকে নিয়ে শৌচাগারে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তিনি স্বামীর জন্য খাবার নিয়ে আসার প্রস্তাব দেন। স্বামী রামসেস তাকে কম ভিড়ের জায়গা থেকে খাবার আনতে বলেন।

খাবার নিয়ে ফেরার পর রামসেস তাকে আগে খেতে চান কি না জানতে চেয়েছিলেন। এরিকা জানান, তিনি খেলার আগে খেয়েছিলেন এবং তার স্বামী সেদিন ঠিকমতো খাবার খেতে পারেননি। তাই তিনি স্বামীকে আগে খেতে বলেন।

রামসেস তার কোলে থাকা খাবারের প্যাকেটগুলো সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি নিজের খাবার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন বলে জানান এরিকা। তবে তিনি তা নিতে রাজি হননি।

খেলার সময় ক্যামেরা তাদের ওপর থাকাকালে ধারাভাষ্যকার মাইক ক্রুকো ও ডুয়েন কুইপার পুরো ঘটনাটি নিয়ে মজা করেন। তারা এরিকাকে ‘বর্ষসেরা মা’ বলে অভিহিত করেন এবং রামসেস নাকি তাকে টমেটোর সস আনতে বলেছেন—এমন কথাও মজা করে বলেন।

এরিকা জানান, এমন কোনো কথোপকথন তাদের মধ্যে হয়নি। তার ভাষ্য, টেলিভিশনে ঘটনাটি একভাবে দেখা গেলেও তারা দুজন একে অপরের কথা শুনতে পাচ্ছিলেন। কিন্তু ধারাভাষ্যকার ও দর্শকরা তাঁদের কথোপকথন শুনতে পাননি।

এরিকা জানান, রামসেসের শৈশবের এক বন্ধু সম্প্রতি মারা গেছেন। ওই বন্ধু ছিলেন প্রতিভাবান বেসবল খেলোয়াড়। বন্ধুটিকে স্মরণ করার সুযোগ হিসেবে তিনিই স্বামীকে খেলাটি দেখতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাই সেদিন স্বামী যেন খেলাটি উপভোগ করতে পারেন, সেটিও তিনি চেয়েছিলেন।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রথমে তারা দুজন বিষয়টি নিয়ে হাসাহাসি করেছিলেন। কিন্তু পরে অপরিচিত মানুষজন রামসেসকে নিয়ে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন। এমনকি কেউ কেউ তাদের নাম ও ফোন নম্বর খুঁজে বের করে রামসেসকে আত্মহত্যা করতে বলেও বার্তা পাঠান বলে জানান এরিকা।

তিনি বলেন, ধারাভাষ্যকার ও দলের পক্ষ থেকে কাউকে কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল বলে তিনি মনে করেন না। তবে তাদের করা রসিকতা তার স্বামীকে অনলাইনে উপহাসের কেন্দ্রে পরিণত করেছে।

এরিকা বলেন, টেলিভিশনে কয়েক মুহূর্তের বিনোদন তাদের পরিবারের জন্য কয়েক দিনের কষ্টে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তাকে ‘বর্ষসেরা মা’ বলায় তিনি খুশি। তবে তার জীবন সম্পর্কে ধারণা করার আগে তার নিজের কথাও শোনা উচিত। তিনি যা করেছেন, তার প্রশংসা করা যেতে পারে; কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাকে সবকিছু একাই করতে হয়।

সূত্র: দ্য এনবিসি নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় ৮ মাসে ৮২ জনের পানিতে ডুবে মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


নেত্রকোনায় ৮ মাসে ৮২ জনের পানিতে ডুবে মৃত্যু

নেত্রকোনায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত গত আট মাসে পানিতে ডুবে ৮২ জনের মৃত্যু ঘটেছে। জনমনে এই বিষয়টি নিয়ে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে, তবে সচেতন মহলের মতামত হলো, এসব মৃত্যুরোধে সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে, জেলায় পানিতে ডুবে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

নেত্রকোনা জেলা মূলত পাহাড়, নদী, নালা, হাওর, বাঁওড়, খাল ও বিল দ্বারা পরিবেষ্টিত। বাড়ির চারপাশে জলাশয় থাকার কারণে অসাবধানতাবশত প্রতিনিয়তই ঘটছে পানিতে ডুবে মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। তবুও, সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরিতে কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে।

গত আট মাসে মারা যাওয়া ৮২ জনের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশই শিশু। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৃত শিশুদের বেশির ভাগের বয়স এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে।

জানা যায়, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার কমাতে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা জরুরি। পাশাপাশি প্রত্যেক অভিভাবকের উচিত সন্তানকে সাঁতার শেখানো। সাধারণত ছয়-সাত বছর বয়সের পর অভিভাবকেরা সন্তানকে সাঁতার শেখানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পানিতে ডুবে যে শিশুরা মারা যাচ্ছে, তাদের বড় অংশই এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী।

নেত্রকোনার ১০ উপজেলার বেশির ভাগ গ্রামের বাড়ির উঠান পার হলেই পুকুর, ডোবা, নদী, নালা, খাল, বিল কিংবা হাওর চোখে পড়ে। অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে যখন দেখা যায়, বাবা কৃষিকাজে এবং মা রান্নাবান্না বা গৃহস্থালি কাজে ব্যস্ত। মাঝে মাঝে এনজিওসহ বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে শিশুদের সাঁতার শেখানোর প্রকল্পের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে মাঠে তাদের কার্যকর কোনো ভূমিকা দেখা যায় না। স্থানীয়দের অভিযোগ, কেবল কাগজে-কলমে সাঁতার শেখানোর নাম করে প্রকল্পের অর্থ অপচয় বা তছরুপ করা হয়।

জেলা পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আট মাসে জেলায় পানিতে ডুবে ৮২ জন মারা গেছে। এর মধ্যে বর্ষা মৌসুমে অর্থাৎ জুন মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। ১০টি উপজেলার মধ্যে কলমাকান্দায় মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

পুলিশের দেওয়া মাসভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়- ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ৩ জন, ফেব্রুয়ারিতে শূন্য, মার্চে ৪, এপ্রিলে ৬, মে-তে ১৫, জুনে ২৭, জুলাইয়ে ৯ এবং আগস্টে ১৮ জন পানিতে ডুবে মারা গেছে।

নেত্রকোনা জনউদ্যোগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী বলেন, নেত্রকোনা জেলা নদী-নালা ও হাওরবেষ্টিত হওয়ায় বর্ষাকালে চারপাশে পানি থৈ থৈ করে। গ্রামে শিশুদের দেখভালের জন্য আলাদা কোনো সদস্য থাকেন না। ফলে মাকেই সন্তান সামলানোর পাশাপাশি সংসারের সব কাজ করতে হয়। বাবারা জীবিকার তাগিদে বাইরে থাকেন, আর মায়েরা গৃহস্থালি কাজে ব্যস্ত থাকার সুযোগে শিশুরা খেলাধুলা করতে গিয়ে অলক্ষে পানিতে পড়ে যায়। এটি রোধ করতে গ্রামে বেশি বেশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র গড়ে তোলা এবং পুকুর-ডোবার চারপাশে বাঁশের নেট বা খুঁটি দিয়ে ঘেরা দেওয়া প্রয়োজন।

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান ইনকিলাবকে জানান, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে প্রতিটি উপজেলায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) সভা ডেকে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের সাঁতার শেখাতে স্থানীয় পুকুরগুলোকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৫৪, রতন গ্রুপের ৪ সদস্যও অন্তর্ভুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৪০ পি.এম


কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৫৪, রতন গ্রুপের ৪ সদস্যও অন্তর্ভুক্ত

কুমিল্লার ১৮টি থানায় আবারও একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ৮টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে কুমিল্লা নগরের আলোচিত ‘রতন গ্রুপ’ বা ‘আর স্কোয়াড’-এর সক্রিয় চার সদস্য রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আনিসুর রহমান ওরফে আনিক (১৯), যিনি এই গ্যাংয়ের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একযোগে ১৮টি থানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কুমিল্লা মহানগরসহ প্রতিটি থানা এলাকার যেসব স্থানে উঠতি বয়সী বখাটেদের উৎপাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা রয়েছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, রাতে কিশোর গ্যাংবিরোধী এই অভিযানে কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে। নগরের যেসব এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডা জমে এবং তারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করে, সেসব এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

পুলিশের দাবি, আটককৃতদের মধ্যে চারজন কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। আটক চারজনের একজন আনিসুর রহমান ওরফে আনিক (১৯)। তিনি নগরের ছোটরা মফিজাবাদ কলোনির আবুল কাশের ছেলে। আনিক রতন গ্রুপের প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনের ভাগ্নে। বর্তমানে রতন আত্মগোপনে থাকায় আনিকই গ্রুপটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে রয়েছেন। বাকি তিনজনও এই গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।

এর আগে গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছিল। ওই অভিযানে ৬২৪ জনকে আটক করে পুলিশ। তাদের মধ্যে ৪৫১ জনকে মুচলেকায় অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৭৩ জনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, নিয়মিত মামলা, ভ্রাম্যমাণ আদালত, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%