বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৩২ পি.এম
দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আর্থিক নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে আরো কার্যকর করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগ শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে ফেডটি বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য পাঁচটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে।
বর্তমানে এই টাস্ক ফোর্সে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের (আরবিআই) সাবেক গভর্নর রঘুরাম রাজন, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ রাজ চেটি এবং মাইক্রোসফটের শীর্ষ কর্মকর্তা আশা শর্মাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সাবেক গভর্নর মার্ভিন কিং, ওয়ালমার্টের সাবেক সিইও ডগ ম্যাকমিলন, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ টমাস সার্জেন্ট এবং সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগকারী মার্ক অ্যান্ড্রেসেনও এসব দলে রয়েছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা হলো ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)। এই স্বাধীন প্রতিষ্ঠানটি ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কাজ হলো দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সুদের হার নির্ধারণ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা।
নবনিযুক্ত ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ বৃহস্পতিবার বলেন, "বিভিন্ন ক্ষেত্রের শীর্ষ বিশেষজ্ঞদের একত্র করে ফেডের কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য।" তিনি জানান, নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হবে।
ওয়ার্শ বলেন, "গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মুদ্রাস্ফীতি ফেডের লক্ষ্যমাত্রার ওপরে থাকায় নতুন চিন্তাভাবনা ও সংস্কারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।" সে কারণে এই টাস্ক ফোর্সগুলো গঠন করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ১৫ জন অভিজ্ঞ ও বিভিন্ন মতাদর্শের বিশেষজ্ঞকে এই উদ্যোগে যুক্ত করা হয়েছে, যাতে নতুন ধারণা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।
ফেডের কাজের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হল যোগাযোগ কৌশল, ব্যালেন্স শিট নীতি, অর্থনৈতিক তথ্যের ব্যবহার, উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান এবং মুদ্রাস্ফীতির কাঠামো, এই টাস্ক ফোর্সগুলো পর্যালোচনা করবে। রঘুরাম রাজন হার্ভার্ডের অর্থনীতিবিদ ক্যারেন ডাইনান এবং ফেডের সাবেক গভর্নর জেরেমি স্টাইনের সঙ্গে ব্যালেন্স শিট পলিসি টাস্ক ফোর্সে কাজ করবেন। এই দল ফেডের বর্তমান ব্যালেন্স শিট ব্যবস্থার ব্যয়, সুবিধা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব মূল্যায়ন করবে। পাশাপাশি সম্পদ ধারণ এবং মুদ্রানীতি বাস্তবায়নে এসব সম্পদের ভূমিকা পর্যালোচনা করবে।
রঘুরাম রাজন ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আরবিআইয়ের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা পরিচালক ছিলেন। আর্থিক স্থিতিশীলতা ও মুদ্রানীতি নিয়ে তার কাজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। অন্যদিকে, রাজ চেটি ডেটা টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব দেবেন। এই দলের কাজ হবে অর্থনৈতিক তথ্যের মান ও দ্রুতপ্রাপ্যতা উন্নত করা, যাতে ফেড আরো কার্যকর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
অর্থনৈতিক সুযোগ, বৈষম্য ও শ্রমবাজার নিয়ে গবেষণার জন্য চেটি সুপরিচিত। মাইক্রোসফ্টের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এক্সবক্স প্রধান আশা শর্মা প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড জবস টাস্ক ফোর্সে কাজ করবেন। এই দল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহ নতুন প্রযুক্তির উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করবে। ফেড বর্তমানে তার মুদ্রানীতি কাঠামো পুনর্মূল্যায়ন করছে।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার ব্যালেন্স শিট প্রায় ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে সম্প্রসারণ করেছিল। এখন মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সেই ব্যালেন্স শিট ধীরে ধীরে কমানোর প্রক্রিয়াও চলছে। এই প্রেক্ষাপটে গঠিত নতুন টাস্ক ফোর্সগুলো ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও উত্তাল হয়ে ওঠে।
কোটা সংস্কার আন্দোলন দমন করতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ মাঠে নামে। বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারীদের হুমকি, বাধা ও হামলার অভিযোগ ওঠে।
তবে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তৎকালীন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিতে সক্ষম হন।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও তৎকালীন সমন্বয়কারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৬ জুলাই ছিল আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘোরানো দিন। সেদিন আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি ছিল দুপুর আড়াইটায়। একই স্থানে এক ঘণ্টা পর ছাত্রলীগও জমায়েতের ঘোষণা দেয়।
সেই পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্দোলনকারীরা গোপনে কর্মসূচির সময় এগিয়ে এনে আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান।
দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকা থেকে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে প্রধান ফটক দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। সেখানে শতাধিক পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও তারা বাধা দেননি। সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের অনেকের হাতে রড, লাঠি ও পাইপ ছিল।
মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা দলে দলে বেরিয়ে আসেন। প্যারিস রোডে পৌঁছালে আরও কয়েকশ শিক্ষার্থী মিছিলে যোগ দেন। পরে মেয়েদের হলের সামনে প্রায় দেড় হাজার ছাত্রী মিছিলে অংশ নেন।
এরপর মিছিলটি বিজ্ঞান ভবনের পাশ দিয়ে হবিবুর রহমান হল মাঠ হয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে গেলে সেখানে অবস্থান নেওয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারা পিছু হটে মাদার বখ্শ হলের দিকে চলে যান।
এদিকে শাহ মখদুম, লতিফ ও আমীর আলী হল থেকেও শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে এসে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল গালিবকে ধাওয়া দেন। তিনি মোটরসাইকেলে করে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। পরে তার কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। গালিবের ক্যাম্পাস ছাড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর বিজয় ২৪ হলের সামনে অবস্থান নেওয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কক্ষেও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পুলিশ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, তার কক্ষ ও দপ্তর সেল থেকে তিনটি পিস্তল, ছয়টি রামদা, ১০ থেকে ১৫টি মদের বোতল, কয়েকটি দা ও রড উদ্ধার করে পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন সমন্বয়ক মেহেদী সজীব আরটিভিকে বলেন, ১৬ জুলাই আমরা ছাত্রলীগকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য ক্যাম্পাসেও একই ঘটনা ঘটে। আমাদের এই কর্মসূচিই ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করে।
আরেক সাবেক সমন্বয়ক মেশকাত মিশু আরটিভিকে বলেন, ছাত্রলীগ আন্দোলন ঠেকাতে একই স্থানে কর্মসূচি দেয়, বিভিন্ন হলে নজরদারি বসায় এবং কয়েকটি হলে তালাও লাগিয়ে দেয়। এরপরও শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তিনি জানান, মাদার বখ্শ হলের সামনে তিনি নিজেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান দেখেছিলেন। পরে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ধাওয়ায় তারা ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হন।
সাবেক সমন্বয়ক ফাহিম রেজা আরটিভিকে বলেন, ১৫ জুলাই রাতেই আন্দোলনের পরিকল্পনা করা হয়। শিক্ষার্থীরা ছেলেদের হল, মেয়েদের হল এবং বিনোদপুরে আলাদা অবস্থান নেন। পরে ছাত্রলীগ হামলার চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলে বিভিন্ন হল দখলমুক্ত করেন।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের প্রভাবের অবসান ঘটানোর ঘটনাই পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের গতি বাড়ায় এবং ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পথ আরও সুগম করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি সুফল পাচ্ছে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে টিএসএমসির নিট মুনাফা প্রায় ৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে।
বর্তমানে এআই প্রযুক্তির প্রসারের ফলে বিশ্বজুড়ে চিপের চাহিদা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এবং এই চাহিদার বড় এক অংশ পূরণ করছে তাইওয়ানের টিএসএমসি। ফলে প্রতিষ্ঠানটি টানা পঞ্চম প্রান্তিকে রেকর্ড আয়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এলএসইজি স্মার্টএস্টিমেটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন-এই তিন মাসে টিএসএমসির নিট মুনাফা বেড়ে ৬৩২ দশমিক ৬ বিলিয়ন তাইওয়ানিজ ডলার বা প্রায় ১৯ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এবং এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি।
বিশ্বজুড়ে এনভিডিয়াসহ বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের এআই চিপের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে অব্যাহত। এই বাজারে টিএসএমসির শক্তিশালী অবস্থানের ফলে তাদের মুনাফাও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর ফলে পুরো প্রযুক্তি খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে যদি টিএসএমসির নিট মুনাফা ৫৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন তাইওয়ানিজ ডলার ছাড়িয়ে যায়, তাহলে সেটি হবে টিএসএমসির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ত্রৈমাসিক নিট মুনাফা। পাশাপাশি এটি হবে টানা দশম প্রান্তিক, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা বেড়েছে।
রয়টার্সের তথ্যে জানা গেছে, টিএসএমসি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করবে।
এর আগে সপ্তাহের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, তাদের রাজস্ব দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩৬ শতাংশ বেড়ে গেছে, যা বাজারের পূর্বাভাসের তুলনায়ও বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাইদ এবং পরবর্তীতে শহীদ ওয়াসিমের আত্মত্যাগের মাধ্যমে সবার অংশগ্রহণে জুলাই সফল হয়েছে। তিনি বলেন, এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ দূর হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোরে রাজধানীর রায়েরবাজার গণকবরস্থানে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদদের গণকবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করার পর তিনি এসব কথা জানান।
মন্ত্রী আরও বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ভবিষ্যতের বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে সমৃদ্ধ করার চেতনা হিসেবে কাজ করবে। জুলাই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপি সরকার সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, আজকের দিনকে তাই জাতি যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে। দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষ নিয়ে সরকার জুলাইয়ের চেতনায় এগিয়ে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার অন্যতম পর্যটনস্পট, দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্র আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার রাত ১৫ জুলাই, বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজমিন আলম তুলি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, हालिया টানা ভারি বর্ষণের কারণে নদী, ছড়া ও ঝিরির পানির স্তর বেড়ে গেছে, যার ফলে বান্দরবান পার্বত্য জেলার বিভিন্ন স্থানে বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে।
এই সাম্প্রতিক বন্যায় দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রের বিভিন্ন কাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অতএব, পর্যটকদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেবতাখুমে পর্যটকদের যাতায়াত ও অবস্থান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
তাহলে, পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৬ জুলাই থেকে ২০ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত দেবতাখুম পর্যটনকেন্দ্রটি পর্যটকদের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসসহ নানা উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলা। তাই পর্যটক ও স্থানীয়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ