০৩:৩৪ পি.এম
নেপালের মধ্যাঞ্চলীয় পার্বত্য জেলা রাসুয়ায় ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার ফলে অন্তত সাতজনের মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার ভোরে এই বন্যায় নদীর তীরবর্তী একাধিক গ্রাম এবং বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভেসে গেছে।
নেপালি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল পর্যন্ত অন্তত ২৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে অংশগ্রহণ করেছে নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং নেপাল পুলিশ। এই উদ্ধার কার্যক্রমে ১৪টি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে।
নেপাল-চীন সীমান্তের নিকটবর্তী তিমুরে মোতায়েন সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর নয় সদস্য নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। বন্যার ফলে বাজার এলাকা এবং নিরাপত্তা পোস্টও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: এনসিপিআই-তে যোগদানের ৪ মাস পর ইউসুফ পাঠানের পকেটে ২০ কোটি টাকার জমি
বন্যার সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি কর্তৃপক্ষের পক্ষে। তবে নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনানুষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে ভূমিধসের কারণে নদীর পানি সাময়িকভাবে আটকে গিয়ে পরে তা প্রবল স্রোতে নেমে আসতে পারে।
এদিকে, লাসায় নিযুক্ত নেপালের কনসাল জেনারেল জানিয়েছেন, সীমান্তে মোতায়েন নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে চীনা কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
কর্তৃপক্ষ ত্রিশূলী নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের নদীর তীর থেকে দূরে সরে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। বন্যার প্রভাব নদীর নিম্নাঞ্চলে ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট।
আরও পড়ুন: মার্কিন সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ: ‘ইসরাইল আমাদের বন্ধু নয়’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন