ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালট বাক্সে দেখাবেন, অফিসে নয় : প্রধানমন্ত্রী


রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালট বাক্সে দেখাবেন, অফিসে নয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক সমর্থনের বিষয়ে স্পষ্টভাবে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "যেকোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সমর্থন থাকা আমি ব্যক্তিগতভাবে দোষের মনে করি না।" তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক সমর্থনের প্রতিফলন ঘটতে হবে ব্যালট বাক্সে, সরকারি অফিসে নয়।

রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) অনুষ্ঠিত ৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী নবীন সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, "ক্যাডার বা কর্মস্থল যা-ই হোক না কেন, সবার প্রথম ও প্রধান পরিচয় হলো— আপনারা জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা এবং জনগণের সেবক।" তিনি বলেন, অফিসে সেবা নিতে আসা নাগরিকদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করা উচিত। কারও আবেদনপত্রে ভুল থাকলে, তাকে শুধু ফিরিয়ে না দিয়ে, কীভাবে তা সংশোধন করা যায় সেই পরামর্শ দেওয়াটাই মানবিকতার বহিঃপ্রকাশ।

আরও পড়ুন: এপারে আসতে হলে ফিটফাট হয়ে আসতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

তিনি আরও বলেন, "একটি সরকারের সার্বিক সফলতার জন্য দক্ষতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রশাসন অত্যন্ত জরুরি।" এ সময় প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের ‘নিজের সঙ্গে যেমন আচরণ প্রত্যাশা করেন, অন্যের সঙ্গেও তেমন আচরণ করার’ নীতি অনুসরণের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী পছন্দের পোস্টিং বা পদোন্নতির জন্য পেশাগত দক্ষতা ও সততার সঙ্গে আপস না করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "দেশের যেকোনো স্থানে, যেকোনো পদে দায়িত্ব পালনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকাই চূড়ান্ত পেশাদারিত্বের পরিচায়ক।" তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, "একটি সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, জনপ্রশাসনের কোনো পদও কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়।"

সরকারের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, "জাতীয় নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহারে জনগণ রায় দিয়েছে। তাই এটি এখন জনগণের দলিল।" সরকারের এই এজেন্ডা বা ইশতেহার বাস্তবায়নের প্রশাসনিক কাজটি কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সঙ্গে করতে হবে।

প্রশাসনে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে সেবাকে আরও সহজ ও নাগরিকবান্ধব করতে কর্মকর্তাদের ইতিবাচক মানসিকতা পোষণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বারোপ করে বলেন, "ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে আমাদের চারপাশ ও অফিস-আদালত পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।"

আরও পড়ুন: সরকারি অর্থের অপচয় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান : সংসদীয় কমিটি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাবি ছাত্রদলের ১১ নেতাকে শোকজ নোটিশ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


জাবি ছাত্রদলের ১১ নেতাকে শোকজ নোটিশ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন হল ইউনিটের ১১ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে। সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব পালনে অবহেলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর এবং সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীকের নির্দেশনায়, সহ-দপ্তর সম্পাদক জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

শোকজ প্রাপ্ত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— শহীদ রফিক-জব্বার হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ খান, নবাব সলিমুল্লাহ হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ রিমন, আ ফ ম কামাল উদ্দিন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক রিফাত হোসেন ও সভাপতি ফাহাদুর জামান শোভন, শেরেবাংলা একে ফজলুল হক হল শাখার সভাপতি সাইফ বিন মাহবুব ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ সিয়াম, শহিদ সালাম-বরকত হল শাখার সভাপতি সাইদুল ইসলাম, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল শাখার সভাপতি ফিরোজ আহমেদ পাপন, আল-বেরুনী হল শাখার সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল শাখার সভাপতি হামিদুল্লাহ সালমান।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব অবহেলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সেই বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক বরাবর লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এপারে আসতে হলে ফিটফাট হয়ে আসতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


এপারে আসতে হলে ফিটফাট হয়ে আসতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, ডিসেম্বরে একটি দলের নেত্রী আসবেন বলে শোনা যাচ্ছে। স্বাধীনতার পর অনেক গণআন্দোলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এই প্রথম কোনো আন্দোলনে তাদের নেতাকর্মীরা যে অবস্থায় ছিলেন, সেভাবেই ওপারে পালিয়ে গেছেন। এপারে আসতে হলে তাদের ফিটফাট হয়ে আসতে হবে। বিষয়টি এত সহজ নয়। গ্রামের ভাষায় যাকে ফাঁকা আওয়াজ বলে, তারা এমন আওয়াজ দিচ্ছে। এদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনো ষড়যন্ত্র করতে না পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো অপশক্তিই ষড়যন্ত্রে সফল হতে পারবে না।"

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রোববার বিকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে টাঙ্গাইল শহীদ মিনারে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি মন্তব্য করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, "তারেক রহমান নিজেই সবাইকে শেখাচ্ছেন, কিভাবে জনগণের জন্য কাজ করতে হয় এবং জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হয়।" জনগণ আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা নিয়মের মধ্যে থেকে যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, স্বাধীনতার পর মানুষ আশা করেছিল দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে, বাকস্বাধীনতা ফিরে পাবে; কিন্তু শেখ মুজিব মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। এসব অনাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিপাহি-জনতার বিপ্লব ঘটিয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সেই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়।

নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই টিকবে না।" সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। দলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে পর্যায়ক্রমে মূল্যায়ন করা হবে। কেউ মূল্যায়নের বাইরে থাকবেন না। তবে প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সঠিকভাবে পালন করতে হবে। কারও কর্মকাণ্ডের কারণে দল যেন বদনামের শিকার না হয়, জনগণ যেন কোনো দুর্ভোগে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জনগণ যেন বলতে না পারে, বিএনপির নেতাকর্মীদের কারণে তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তিনি বলেন, "জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে তাদের সেবা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য।" জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে। নির্বাচনের আগেও বলেছি, টাঙ্গাইলে সর্বোচ্চ উন্নয়ন করব ইনশাআল্লাহ। কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যে-ই এসব অপরাধে জড়িত থাকুক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিজ উদ্দিন বিপ্লব। এ সময় ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

সেখানে তিনি বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’ বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য যা যা প্রয়োজন, তা সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে করতে হবে। একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে সমাজের প্রতিটি মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি গড়ে তুলে সাধারণ মানুষকে সংগঠিত ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে। সমবায়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও আত্মনির্ভরশীলতা তৈরি হবে। গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার (বিপিএম-সেবা)।

অনুষ্ঠানে সমবায়ী সদস্যদের মাঝে ঋণের চেক বিতরণ এবং সমবায় পণ্য মেলা পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সমবায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তথ্য ফাঁসের অভিযোগে সুজি ওয়াইলস চাকরি হারালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


তথ্য ফাঁসের অভিযোগে সুজি ওয়াইলস চাকরি হারালেন

গত সপ্তাহে মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর বিভিন্ন স্তরে রদবদল শুরু করেছেন মাকিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রথম পরিবর্তনটি হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ সুজি ওয়াইলসের উপর পড়েছে। শনিবার, ট্রাম্প ওয়াইলসকে অপসারণ করে তার ডেপুটি স্টিফেন মিলারকে নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দেন। ওয়াইলস, যিনি হোয়াইট হাউজের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ ছিলেন, তাকে সরানোর সময় ট্রাম্প তার প্রশংসা করে বলেন যে, নির্বাচনের পরাজয়ের সঙ্গে এই পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ভিন্ন একটি তথ্য প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বেশ কিছুদিন ধরে ওয়াইলসের প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন এবং অন্যান্য কর্মীদের সামনে তাকে তীব্রভাবে ভর্ৎসনা করেছেন। ট্রাম্পের অভিযোগ ছিল যে, তার প্রশাসন যাদের 'তথ্য ফাঁসকারী' মনে করে, তাদের খুঁজে বের করতে ওয়াইলস যথাযথ পদক্ষেপ নেননি। এমনকি, তিনি ওয়াইলসের বিরুদ্ধে নিজে তথ্য ফাঁসের অভিযোগও তোলেন।

এই রদবদলের আগে, ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে, তিনি পরিবর্তন আনতে চান। তিনি বলেন, 'ওয়াইলস একটি চমৎকার কাজ করেছেন, তবে জীবনে মাঝে মাঝে কিছু পদক্ষেপ নিতে হয়।' মিলার কীভাবে ভিন্নভাবে কাজ করবেন জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, 'তিনি শুধু সবকিছু ভালোভাবে পরিচালনা করবেন।'

তবে ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য মন্তব্যের আড়ালে আরও গভীর আলোচনা চলছিল। তিনি নির্বাচনের ফলাফলের জন্য ওয়াইলস এবং অন্যান্য রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের দায়ী করেন এবং দাবি করেন যে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তাকে সঠিক পরামর্শ বা সেবা দেওয়া হয়নি।

গত মঙ্গলবার রাতে হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে আয়োজিত এক নির্বাচনি ওয়াচ পার্টিতে ট্রাম্প অনেকের সামনে ওয়াইলসের সমালোচনা করেন। সাম্প্রতিক সময়ে, ট্রাম্প ওয়াইলসকে নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত থেকেও দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন, যা প্রমাণিত হয় যখন তিনি সাবেক প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিটের জায়গায় কেটি জ্যাকারিয়া নামের একজন অনভিজ্ঞ টিভি পণ্ডিতকে নিয়োগ দেন।

পদত্যাগের আগে ওয়াইলস ট্রাম্পের অধীনে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে 'জীবনের অন্যতম সেরা সম্মান' হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, 'আমার ভূমিকা পরিবর্তিত হলেও প্রেসিডেন্টের প্রতি এবং আমাদের লক্ষ্যের প্রতি আমার অঙ্গীকার কখনোই কমবে না।'

নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রথম কয়েকদিন ট্রাম্পকে মার্জিত ও সমঝোতাবাদী মনে হয়েছিল। তিনি এমনকি বলেছিলেন যে, তিনি ডেমোক্র্যাটদের সাথে কাজ করতে চান এবং তাদের সাথে মিলেমিশে চলবেন। তবে সপ্তাহ শেষ হওয়ার সাথে সাথে তিনি আবার তার পুরনো রূপে ফিরে গেছেন এবং তার 'মাগা' আন্দোলনকে আরও তীব্র করার কাজে মনোনিবেশ করেছেন। চিফ অব স্টাফ হিসেবে কট্টরপন্থি স্টিফেন মিলারের নিয়োগের মাধ্যমে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি সামনের দিনগুলোতে তার নীতি বা দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করছেন না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিলার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটদের সাথে আলোচনা বা সমঝোতা করার তার কোনো ইচ্ছা নেই। বরং, ক্যাপিটল হিল থেকে আসা সমন এবং তদন্তের মুখোমুখি হওয়ার জন্য তিনি নিজেকে প্রস্তুত রাখছেন।

সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন যে, মিলারের মূল লক্ষ্য হলো বিভক্ত হয়ে পড়া 'মাগা' জোটকে পুনরায় একত্রিত করা এবং এমন উদ্যোগগুলি এগিয়ে নিয়ে আসা যা ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের বিজয়ের পেছনে থাকা ভোটারদের আবার সক্রিয় করবে। সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশকে সমৃদ্ধ করতে হবে: সিসিক প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশকে সমৃদ্ধ করতে হবে: সিসিক প্রশাসক

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, “আমাদের জাতীয় জীবনে বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ দিন। এই দিনটি আধিপত্যবাদী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সিপাহি-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। ৭ নভেম্বরের চেতনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার ও বিরোধী দল একত্রিত হয়ে সংসদকে কার্যকর করে দেশকে গণতন্ত্র ও অর্থনীতিতে সমৃদ্ধশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

আজ রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আমীনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সিসিক প্রশাসক উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করতে সক্ষম হন।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর এই ইতিহাস চাপা পড়ে গিয়েছিল। এখন থেকে এগুলো সামনে নিয়ে আসতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম উজ্জীবিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন-নূর এবং সঞ্চালনা করেন সহ সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ। বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি এম এ হান্নান, সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বদর ও আবদুল কাদের তাপাদার, দৈনিক সিলেট মিররের প্রধান সম্পাদক জিয়াউস শামস শাহীন, ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ফয়সাল আমীন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ কবীর আহমদ সোহেল, সিনিয়র সদস্য এম এ মতিন, সেলিম আউয়াল, মুহিত চৌধুরী ও সাকিব আহমদ মিটু।

এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সদস্য মো. দুলাল হোসেন, শেখ আব্দুল মজিদ, একে কাওছার, মো. তাজুল ইসলাম, সহযোগী সদস্য এম এ ওয়াহিদ চৌধুরী প্রমুখ। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক শুয়াইবুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%