বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৮ পি.এম
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বলিউড অভিনেত্রী আথিয়া শেঠির ৩৪তম জন্মদিন উদযাপন হচ্ছে। এই বিশেষ দিনে, স্বামী এবং তারকা ক্রিকেটার কেএল রাহুল থেকে তিনি একটি আন্তরিক ও ভালোবাসাময় শুভেচ্ছা পেয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে আথিয়ার কয়েকটি একক ছবির পাশাপাশি একটি সুন্দর জুটির ছবি শেয়ার করে রাহুল লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন, প্রিয়তমা। তুমি আমার হৃদয়কে ভালোবাসায় এবং আমার জীবনকে অর্থবহ করে তোলো। তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। ভালোবাসি।’
আথিয়া শেঠি এবং কেএল রাহুলের প্রথম পরিচয় ঘটে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে এক বন্ধুর মাধ্যমে। অল্প সময়ের মধ্যে তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে এবং সেই বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে প্রেমে রূপান্তরিত হয়। দীর্ঘদিন প্রেম করার পর, ২০২৩ সালে আথিয়ার বাবা সুনীল শেঠির খান্ডালার ফার্মহাউসে এক ঘরোয়া আয়োজনে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। গত বছর, এই তারকা দম্পতির কোলজুড়ে আসে তাদের কন্যাসন্তান, যার নাম রাখা হয়েছে এভারা বিপুল রাহুল।
চলচ্চিত্রের জগতে ‘হিরো’ এবং ‘মুবারাকান’-এর মতো ছবিতে অভিনয়ের জন্য আথিয়া পরিচিত। সর্বশেষ তাকে দেখা গিয়েছিল দেবামিত্র বিসওয়াল পরিচালিত ‘মতিচুর চাকনাচুর’ সিনেমায়। এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী। সিনেমাটির কাহিনী গড়ে উঠেছিল দুবাইয়ে কর্মরত ৩৬ বছর বয়সী পুষ্পিন্দর ত্যাগী এবং নিজের শহরে পাত্র খুঁজতে থাকা তরুণী অনিতার গল্প নিয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদী, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : ওয়ারী-বটেশ্বর, নরসিংদী জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ভাণ্ডার, যেখানে প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো সভ্যতার নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। এখানে মাটির নিচে প্রাচীন নগর-বসতির প্রমাণ এবং মূল্যবান প্রত্নবস্তু রয়েছে, যা প্রাক-বাংলার ইতিহাস, বাণিজ্য, কারুশিল্প ও সংস্কৃতির ওপর পরিষ্কার ধারণা প্রদান করে।
এই অমূল্য প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদগুলো সংরক্ষণ এবং দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে, ওই এলাকায় ‘গঙ্গা ঋদ্ধি’ নামে একটি তিনতলা বিশিষ্ট জাদুঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
ওয়ারী ও বটেশ্বর গ্রাম এবং শিবপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী এলাকা নিয়ে বিস্তৃত এই প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলটি নরসিংদী জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এখানে একটি সমৃদ্ধ দুর্গ-নগরী ও জনবসতি গড়ে উঠেছিল। তবে কিছু গবেষণার ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, এই অঞ্চলে মানব বসতির ইতিহাস ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার বছর পুরনো হতে পারে।
১৯৩০-এর দশকে স্থানীয় স্কুল শিক্ষক হানিফ পাঠান সংবাদপত্রে নিবন্ধ প্রকাশের মাধ্যমে ওয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের দিকে প্রথম সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার মৃত্যুর পর, তার ছেলে ও প্রত্নতত্ত্ব অনুরাগী হাবিবুল্লাহ পাঠান বিভিন্ন প্রত্নবস্তু সংগ্রহ ও গবেষণার মাধ্যমে তার বাবার কাজ এগিয়ে নিয়ে যান। তাদের পারিবারিক সংগ্রহশালা ও লাইব্রেরিতেও অনেক প্রাচীন নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে।
১৯৮৯ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক দিলীপ কুমার চক্রবর্তী ওয়ারী-বটেশ্বর পরিদর্শন করেন এবং এটি একটি প্রাচীন সভ্যতার স্থান হিসেবে এর সম্ভাবনা তুলে ধরেন। পরবর্তীতে, ২০০০ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা ‘ঐতিহ্য অন্বেষণ’-এর উদ্যোগে এখানে সুশৃঙ্খলভাবে খননকাজ শুরু হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে গত দুই দশক ধরে পর্যায়ক্রমে খনন কাজ পরিচালিত হয়েছে। এর ফলে অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে। অধ্যাপক ড. এম সুফি মোস্তাফিজুর রহমান এই সংস্থার নির্বাহী পরিচালক।
প্রায় ৫০টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে খননকার্য চালিয়ে প্রাচীন রৌপ্য মুদ্রা, ওজন পরিমাপের বাটখারা, লোহার কুঠার, বর্শা, হাতুড়ি, পোড়ামাটির শিল্পকর্ম, পাথর ও কাঁচের পুঁতি, ‘নর্দার্ন ব্ল্যাক পলিশড ওয়্যার’ এবং ‘রুলেটেড ওয়্যার’-এর মতো মূল্যবান নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে।
গবেষকরা প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো ইটের তৈরি রাস্তা, চুন-সুরকির গাঁথুনি, সুরক্ষা প্রাচীর এবং প্রাচীন বসতির স্থাপত্যিক অবশিষ্টাংশও খুঁজে পেয়েছেন।
টঙ্গীরটেক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে খনন করে একটি সুনিপুণ কারুকার্যময় বৌদ্ধ মন্দির, গর্ভগৃহ, সীমানা প্রাচীর, প্রবেশ পথ এবং তিনটি স্তূপের সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, এই কাঠামোটি প্রায় ১২শ’ বছরের পুরনো। এছাড়া সেখানে একটি বৌদ্ধ বিহার, একটি পদ্ম মন্দির এবং ‘বৌদ্ধ কুণ্ড’ বা ‘পুকুনিয়া’ নামে পরিচিত ইটের তৈরি একটি বিশেষ কাঠামোর প্রমাণও পাওয়া গেছে।
তবে খননকার্য শেষ হওয়ার পর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় অনেক স্থানই পুনরায় মাটি দিয়ে ঢেকে ফেলতে হয়েছে। গবেষণার জন্য উদ্ধারকৃত নিদর্শনগুলো গবেষণাগারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে জমা দেয়া হয়। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা প্রায়শই এই প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদগুলো দেখার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যান।
এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে, স্থানীয় সরকারের অর্থায়নে ২০১৯ সালে ‘গঙ্গা ঋদ্ধি জাদুঘর’ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। নরসিংদী জেলা পরিষদের বাস্তবায়নাধীন তিনতলা এই জাদুঘরটির নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
জাদুঘরটি চালু হলে, ওয়ারী-বটেশ্বর ও এর পার্শ্ববর্তী প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো থেকে আবিষ্কৃত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনগুলো সেখানে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করার সুযোগ তৈরি হবে।
জেলা পরিষদ সূত্র বাসস’কে জানিয়েছে, জাদুঘরটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং পুরো প্রকল্পটি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে, ‘ঐতিহ্য অন্বেষণ’ ওয়ারী-বটেশ্বর দুর্গ নগরীতে দর্শনার্থীদের জন্য একটি উন্মুক্ত জাদুঘর গড়ে তুলেছে। এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন মডেল, রেপ্লিকা, আলোকচিত্র, বিবরণ ও বিশ্লেষণ প্রদর্শিত হচ্ছে।
প্রাচীনকালের গর্ত-বসতির (পিট ডুয়েলিং) মডেলের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা হাজার হাজার বছর আগের মানুষের জীবনযাপন ও বসতি স্থাপনের ধরন সম্পর্কে জানতে পারেন। শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগও পায়। প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে ওয়ারী-বটেশ্বরকে কেন্দ্র করে নির্মিত তথ্যচিত্র ও প্রত্নতাত্ত্বিক নাটকও দেখানো হয়।
স্থানীয় প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রাহক হাবিবুল্লাহ পাঠান বাসস’কে জানান, ওয়ারী-বটেশ্বর ছিল ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত আড়াই হাজার বছরের পুরনো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবসতি, রাজধানী ও দুর্গ নগরী।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৫০টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে খননকার্য চালিয়ে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে’।
অধ্যাপক ড. এম সুফি মোস্তাফিজুর রহমান বাসস’কে জানিয়েছেন, ওয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব দেশ ও বিদেশে তুলে ধরার লক্ষ্যে একটি উন্মুক্ত জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এই উদ্যোগের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা প্রাচীন বাসিন্দাদের জীবনধারা, বসতি ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পাচ্ছেন। ‘গঙ্গা ঋদ্ধি জাদুঘর চালু হওয়ার ফলে প্রত্নতাত্ত্বিক সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দারা কর্তৃপক্ষের কাছে জাদুঘরটির নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে তা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ, পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিকল্পিত পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে ওয়ারী-বটেশ্বরকে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। তারা আশা করেন, সঠিক উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে ওয়ারী-বটেশ্বরের আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা যাবে এবং এই স্থানটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের মনিরামপুরে ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনায় রুহুল আমিন (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক রিফাত হোসেন (২৪) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার রোহিতা বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রুহুল আমিন কোদলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং আহত মোটরসাইকেল চালক রিফাত একই এলাকার খড়কি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় যে, সকালে রুহুল আমিন পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে চালক ও পথচারী দুজনই ছিটকে পড়ে গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রুহুল আমিন মারা যান।
রোহিতা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান মন্তব্য করেন, "একটি তাজা প্রাণ এভাবে ঝরে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এমন মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং চালকদের আরো সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।"
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডাবলিন থেকে রোমের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা একটি যাত্রীবাহী বিমানকে ফ্রান্সের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কারণ বিমানটিতে বোমা হামলার হুমকি পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অফিস এ তথ্য প্রকাশ করে।
এয়ার লিঙ্গাসের এয়ারবাস এ৩২০ বিমানটি প্যারিসের নিকটবর্তী এলাকায় পৌঁছানোর পর তার গতিপথ পরিবর্তন করে। পরে ফ্রান্সের এভরেক্স বিমানঘাঁটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিমানটি আকাশে চক্কর দিতে শুরু করে।
ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অফিস জানায়, ইউরোপের বিভিন্ন ফ্লাইটের জন্য ধারাবাহিক বোমা হামলার হুমকির মধ্যে এটি সর্বশেষ ঘটনা। পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী অফিস। এর আগে মঙ্গলবার ইউরোপের অন্তত সাতটি ফ্লাইট ও একটি প্রমোদতরীতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন বিমানবন্দরে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে, তবে কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বোলাররা ২৭ রানের মধ্যে তিন উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে যথেষ্ট চাপের মধ্যে ফেলেছিল। তবে ক্যারিবীয়দের জন্য আমির জাঙ্গুর সেঞ্চুরি প্রথম সেশনের সেই বিপদ কাটিয়ে শক্ত অবস্থানে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে।
আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা থেমে যাওয়ার পূর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে ২১৬ রান সংগ্রহ করেছে। জাঙ্গু ১০২ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন, তার সঙ্গী জাস্টিন গ্রিভস ২৬ রান নিয়ে ব্যাটিং করছেন।
সিলেটে প্রথম তিন উইকেটের মধ্যে দুটিই তাসকিন আহমেদের দখলে গেছে, যিনি দারুণ একটি ডেলিভারিতে ব্রান্ডন কিংকে বোল্ড করেন এবং জশুয়া ডা সিলভাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। অন্য উইকেটটি হাসান মাহমুদের।
জাঙ্গু এরপর কেভিন উইকহ্যামকে নিয়ে একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। পেস ও স্পিন অ্যাটাক মিলিয়েও বাংলাদেশ আর উইকেট নিতে সক্ষম হয়নি। জাঙ্গু-উইকহ্যামের জুটি একশ পেরিয়ে যায়, কিন্তু অবশেষে হাসান মাহমুদের বলে তাদের জুটি ১৩১ রানে থামে। উইকহ্যাম এ সময় ৬১ রান করে হাসানের বলে বোল্ড হন।
এরপর জাঙ্গু জাস্টিন গ্রিভসের সঙ্গে নতুন জুটি গড়েন। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৫৮ রানের জুটি গড়ে উঠেছে। জাঙ্গু তার সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন। ১৪৯ বলে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান তিনি। শতকের ইনিংসটি সাজাতে তিনি ১০টি চার ও ২টি ছয়ের মার ব্যবহার করেছেন। তার সেঞ্চুরির পরপরই খেলা থেমে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ