বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৫ পি.এম
ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনি আদালত থেকে জামিন পাওয়ার দিনেই নতুন বিতর্কের মধ্যে পড়েছেন। সাংবাদিকদের ওপর তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের হামলা এবং পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে অশালীন ভাষায় পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পাওয়ার পর এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি মামলায় নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির না হওয়ায় বুধবার (৪ নভেম্বর) পরীমনির জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
তবে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় তাকে কেউ ‘ব্যাড টাচ’ করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন এ অভিনেত্রী। এই ঘটনার কারণে সেখানে হট্টগোল ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে, পরীমনির বিরুদ্ধে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ ওঠে। একই সময়ে তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরাও সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে গণমাধ্যমকর্মীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
আদালত প্রাঙ্গণের উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মাত্র দুটি শব্দের একটি পোস্ট দেন পরীমনি। পোস্টের ভাষা ছিল চরম আপত্তিকর ও আক্রমণাত্মক। যদিও তিনি কাকে উদ্দেশ্য করে এই মন্তব্য করেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।
পোস্টটি প্রকাশের পর তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং অল্প সময়ের মধ্যে হাজার হাজার লাইক পড়ে। তবে কমেন্ট বক্স বন্ধ থাকায় অনুসারীরা সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেননি। এই অশালীন ভাষার পোস্টকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
সমালোচকদের মতে, ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা বিরক্তি থাকতেই পারে, তবে একজন জনপ্রিয় পাবলিক ফিগারের পক্ষ থেকে এমন অশালীন ভাষার ব্যবহার ও আক্রমণাত্মক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।
প্রসঙ্গত, পরীমনির থেকে এমন প্রতিক্রিয়া অবশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগেও এই অভিনেত্রীর বিভিন্ন আইনি জটিলতা, আদালত প্রাঙ্গণে অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি (যেমন: হাতের তালুতে উসকানিমূলক বার্তা লিখে পোজ দেওয়া) এবং সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট বারবার আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সভাপতি নাহিদ ইসলাম এমপি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১১টায় দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এনসিপি এ মুহূর্তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ দাবি করছে, কারণ সরকার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।’
নাহিদ ইসলাম এমপি আরও বলেন, ‘বিএনপি সারা দেশে দমন নিপীড়ন চালিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।’
গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, ‘রাষ্ট্রীয়ভাবে দমন নিপীড়নের মাধ্যমে শ্রমিক আন্দোলন দমানো যাবে না। পুলিশ শ্রমিক কলোনিতে গিয়ে শ্রমিকদের ধরপাকড় করছে, গ্রেফতার করছে এবং নির্যাতন চালাচ্ছে। শ্রমিক আন্দোলনকে দমাতে বিএনপি তাদের গুন্ডাবাহিনী মাঠে নামিয়েছে। একই কায়দায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশের সহিংসতা সৃষ্টি করছে। অপরদিকে বিএনপিও দমন নিপীড়নের মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।’
এছাড়া, বিএনপি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণেও ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি একক প্রার্থী দেবে বলেও জানান এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম এমপি।
দিনাজপুর জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত সাংগঠনিক অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং স্থানীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে আঞ্চলিক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এনসিপির সভাপতি নাহিদ ইসলাম এমপি।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন: সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব সারজিস আলম, ডক্টর আতিক মুজাহিদ এমপি। সমন্বয় সভায় জেলার এনসিপির সভাপতি সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের প্রথমবারের মতো ‘বোর্ডিং পাস প্রিভিলেজ’ প্রোগ্রাম চালু করেছে বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার। যাত্রীসেবায় নতুন সুবিধা যুক্ত করার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচির আওতায় নভোএয়ারে ভ্রমণকারী যাত্রীরা ব্যবহৃত বোর্ডিং পাস প্রদর্শন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছাড় ও বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নভোএয়ারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, লাইফস্টাইল ও ফ্যাশন, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বিনোদন পার্ক, হাসপাতাল এবং ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন খাতের অংশীদার প্রতিষ্ঠানে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। যাত্রার তারিখ থেকে পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে ব্যবহৃত বোর্ডিং পাস দেখিয়ে এসব ছাড় ও বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
নভোএয়ারের পরিচালক (বিপণন ও বিক্রয়) সোহেল মজিদ জানিয়েছেন, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য নতুন সেবা চালু করতে কাজ করছে নভোএয়ার। নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে ভ্রমণ শেষ হওয়ার পরও যাত্রীরা বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। ভবিষ্যতে যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে আন্তর্জাতিক মানের নতুন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
এর আগে নভোএয়ার দেশের প্রথম ‘স্মাইলস’ ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম, কো-ব্র্যান্ডেড কার্ড, মোবাইল অ্যাপ এবং ওয়েব চেক-ইন সুবিধা চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, নতুন এ কর্মসূচির মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য সেবার পরিধি আরও বাড়বে।
বর্তমানে নভোএয়ার ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে প্রতিদিন নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
এ কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে নভোএয়ারের ওয়েবসাইটে (www.flynovoair.com) অথবা ১৩৬০৩ নম্বরে ফোন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের জন্য একটি পাঁচ সদস্যের স্বাধীন কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। বিসিবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বোর্ডের অভ্যন্তরীণ প্রভাব ও স্বার্থের সংঘাত এড়ানোর উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ব্যারিস্টার নাজিয়া কবির, ব্যারিস্টার আনীতা গাজী রহমান এবং জারিন মাহমুদ হোসেন। এছাড়া, একজন সাবেক ক্রিকেটারকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তবে তাঁর নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনের আগে, তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন আহ্বায়ক কমিটিতে রাশনা ইমাম ছিলেন। সেই সময়ে তিনি বোর্ডের নারী উইংয়ের প্রধানের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।
নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে বিসিবি চায় যাতে নারী ক্রিকেটাররা ভয় বা দ্বিধা ছাড়াই যৌন হয়রানির অভিযোগ ও নিজেদের অভিজ্ঞতা জানাতে পারেন। অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করাও কমিটির দায়িত্ব।
বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে যৌন হয়রানির অভিযোগ নতুন নয়। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলম এর আগে টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্যের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছিলেন। ওই ঘটনার পর বিসিবি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।
তখন বোর্ড জানিয়েছিল, হাইকোর্ট বিভাগের ২০০৯ সালের রায় অনুসরণ করে অভিযোগ কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করা হবে। সেই সময়ে বিসিবির পরিচালক ও উইমেন্স উইং কমিটির প্রধান রুবাবা দৌলাকে তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছিল।
অভিযোগ জানানোর স্বাধীন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি নারী ক্রিকেটারদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাধ্যতামূলক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ চালুর দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল ওই কমিটিকে। নতুন স্বাধীন কমিটি গঠনের মাধ্যমে নারী ক্রিকেটারদের সুরক্ষা ও অভিযোগ তদন্তের প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে নেত্রকোনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা। একই সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার প্রতিবাদ জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় জেলা শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনের সড়কে নেত্রকোনা জেলা ও সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সুব্রত ঘোষের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, জীবন বাজি রেখে যারা দেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছেন, মৃত্যুর পর তাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া জাতির নৈতিক দায়িত্ব। অথচ বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। এটি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধার প্রতি অসম্মান নয়, বরং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আঘাত।
সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদানপূর্বক পুনরায় দাফনের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানান তারা।
দেশের সার্বভৌমত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে নতুন প্রজন্মসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নেত্রকোনা জেলা সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল হক মাহবুব, সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তালুকদার ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহ্বায়ক হায়দার জাহান চৌধুরী।
এ ছাড়া সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন খান, মোজাম্মেল হক বাচ্চু, আক্কাস আলী, তরিকুল ইসলাম, আলী আজগর খান পন্নী ও বোরহান উদ্দিন। বিভিন্ন উপজেলার প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন পূর্বধলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল আজিজ, কেন্দুয়ার নুরুল হক ও কলমাকান্দার আব্দুল বারী চান মিয়া।
সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পক্ষে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী নেত্রকোনা জেলা সংসদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্য সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না। অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং মরহুম মানিক পশারীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এ ক্ষোভের নিরসন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ