ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট, আটক ২ যুবক


সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাট, আটক ২ যুবক

সাতক্ষীরা সদরে দুই সহোদরের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, যাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা মাদক কিনতে আসা দুই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে ফিংড়ী ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে ফটিক ফকিরের ছেলে ফজর আলী ও আইয়ুব আলীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফজর আলী ও আইয়ুব আলী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাদের কারণে এলাকার যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শুক্রবার রাতে গাঁজা কিনতে আসা দুই যুবকের সঙ্গে স্থানীয়দের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের মকবুল জমাদারের ছেলে খুরশিদ আলমকে টর্চলাইটের আলো দেখানো নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

শনিবার রাতে ২০০ থেকে ৩০০ জনের মতো বিভিন্ন বয়সী মানুষ ‘নারায় তাকবীর’ স্লোগান দিতে দিতে ফজর আলী ও আইয়ুব আলীর বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ফজর আলীর স্ত্রী মমতাজ খাতুন অভিযোগ করেছেন, রাস্তায় কয়েকজনের সঙ্গে তার স্বামীর বিরোধের কারণে লোকজন বাড়িতে এসে ভাঙচুর চালায়। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র নষ্ট করার পাশাপাশি নগদ টাকা এবং ফ্রিজে থাকা ডিম, খাবারসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ধর্মপাশায় বৌলাই নদীতে ডুবে দেড় বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু

গাঁজা কিনতে আসার অভিযোগে আটক দুই যুবক হলেন ধুলিহর ইউনিয়নের কাশীনাথপুর গ্রামের সুজয় সরকারের ছেলে তপন সরকার (২৭) এবং একই ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের বিশ্ব সরকারের ছেলে সাগর সরকার (২৩)। স্থানীয়রা তাদের আটক করে রাখার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হাবিবুর রহমান হাবিব বলেছেন, ‘দুই ব্যক্তি গাঁজা কিনতে এসেছিলেন—এমন অভিযোগে স্থানীয়রা তাদের আটক করে রাখে। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষক পেশার মর্যাদা ও সংকট: আমাদের শেকড় বাঁচানোর লড়াই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


শিক্ষক পেশার মর্যাদা ও সংকট: আমাদের শেকড় বাঁচানোর লড়াই

ভোরবেলার কুয়াশা ভেদ করে কিংবা দুপুরের চড়া রোদে একজন ব্যক্তি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাসরুমে প্রবেশ করেন। তার হাতে থাকে চকবোর্ড বা মার্কার, আর চোখে থাকে তরুণদের মনের কৌতূহল মেটানোর অদ্ভুত আলো। এই ব্যক্তিকে আমরা শিক্ষক বলে জানি। কিন্তু সমাজ হিসেবে কি আমরা কখনো আয়নায় নিজেদের মুখ ফিরিয়ে দেখেছি যে, আমরা এই ব্যক্তির সঙ্গে কেমন আচরণ করছি? বিশ্ব শিক্ষক দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য—‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে শিক্ষক পেশার মর্যাদা রক্ষা এবং এগিয়ে নেওয়া’—যেন আমাদের আত্মোপলব্ধির আয়নাটিকে আরেকবার পরিষ্কার করে দেয়।

আজকের পৃথিবী আগের মতো নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অ্যালগরিদম এবং প্রযুক্তির ঝড়ে সবকিছু বদলে যাচ্ছে চোখের পলকে। তথ্য এখন আর কেবল শিক্ষকের মুখস্থ বলা বুলিতে সীমাবদ্ধ নয়; স্মার্টফোনের মাধ্যমে মহাবিশ্বের জ্ঞান পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় শিক্ষকের ভূমিকা পরিবর্তিত হচ্ছে, এটি সত্য। শিক্ষক এখন আর কেবল তথ্যদাতা নন, তিনি নির্দেশক এবং পথপ্রদর্শক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রযুক্তির এই বাজারে আমরা কি শিক্ষকের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মর্যাদা টিকিয়ে রাখতে পেরেছি? নাকি তাকে দিন দিন কোণঠাসা ও প্রান্তিক চরিত্রে পরিণত করছি?

বাস্তবতার নির্মম চিত্র আমাদের আশপাশে ছড়িয়ে আছে। অথচ আমাদের সমাজে একটি অদ্ভুত দ্বিচারিতা বিদ্যমান। আমরা কথায় কথায় বলি, ‘শিক্ষকরা জাতির মেরুদণ্ড।’ কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে ওই মেরুদণ্ডকেই সবচেয়ে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষকের সামাজিক সম্মান আজ কেবল মুখের বুলিতে টিকে আছে, বাস্তব জীবনে নয়। একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের একজন নন-এমপিও শিক্ষক মাসের পর মাস যে অর্থনৈতিক টানাপোড়েন এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটান, তা কি কোনো সভ্য সমাজের জন্য গৌরবের? যখন একজন মেধাবী তরুণ বা তরুণী দেখে যে, তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী শিক্ষক সমাজের অন্যান্য পেশার মানুষের তুলনায় চরম আর্থিক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন, তখন সে কি শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে উৎসাহী হবে? মেধার এই উল্টো স্রোত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ভিতটাই ধসিয়ে দিচ্ছে।

শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য আমরা কত কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করি, কত নতুন কারিকুলাম তৈরি করি, বিদেশ থেকে বড় বড় কনসালট্যান্ট এনে ওয়ার্কশপ করি। কিন্তু যার ওপর দাঁড়িয়ে এই পুরো ইমারত তৈরি হবে, সেই শিক্ষকের পেটে যদি ক্ষুধা থাকে এবং মনে যদি দুশ্চিন্তা থাকে, তবে কোনো কারিকুলামই কার্যকর হবে না। একটি ভালো গাড়ি চালানোর জন্য যেমন ভালো চালক এবং তার যথাযথ মূল্যায়ন প্রয়োজন, তেমনি একটি আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার জন্য মানসিকভাবে মুক্ত এবং আর্থিকভাবে সচ্ছল শিক্ষক প্রয়োজন। মর্যাদা শুধু পকেটের টাকার অঙ্কে মাপা যায় না, ঠিকই। কিন্তু পেটে ভাত না থাকলে গলার জোর থাকে না, তেমনি সামাজিক নিরাপত্তার অভাব থাকলে পেশাগত উৎকর্ষও আশা করা যায় না।

পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। শিক্ষকদের হাতে প্রযুক্তির হাতিয়ার তুলে দিতে হবে। কিন্তু তার আগে তাদের জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে হবে। উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, সেখানে শিক্ষকদের বেতন সমাজের সর্বোচ্চ স্তরের কাছাকাছি রাখা হয়। দক্ষিণ কোরিয়া বা ফিনল্যান্ডের মতো দেশে শিক্ষক হওয়া মানে সমাজের সবচেয়ে সম্মানিত ও লোভনীয় পেশার অংশ হওয়া। আমাদের দেশেও যদি মেধাবীদের শিক্ষকতায় আকৃষ্ট করতে হয়, তবে এই কাঠামোগত পরিবর্তন আনতেই হবে। শিক্ষকতার পেশাকে কেবল একটি চাকরি ভাবলে চলবে না, এটি রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।

পাশাপাশি, শিক্ষকতার সামাজিক মর্যাদাকে ফিরিয়ে আনতে হবে শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায় পর্যন্ত। রাজনৈতিক বলয় বা দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে গিয়ে শিক্ষকদের মূল্যায়ন করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, শিক্ষক সমাজেও এক ধরনের বিভাজন তৈরি হয়েছে, যা পেশার সম্মিলিত শক্তিকে দুর্বল করে দেয়। শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যেও পেশাগত নৈতিকতা, সততা এবং যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মানসিকতা বজায় রাখতে হবে। শুধু অধিকারের কথা বললে চলবে না, দায়িত্বের জায়গাটাও সমানভাবে সততার সঙ্গে পালন করতে হবে। যখন একজন শিক্ষক তার কাজের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মনে আস্থার জায়গা তৈরি করতে পারেন, তখন আপনাআপনিই তার প্রতি সমাজের শ্রদ্ধা ফিরে আসে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের এই প্রতিপাদ্য আমাদের জন্য কোনো গতানুগতিক স্লোগান নয়, এটি একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা। যদি আমরা পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক এবং প্রগতিশীল সমাজ গড়তে চাই, তবে শিক্ষককে কোণঠাসা করে রেখে তা কখনো সম্ভব নয়। আমাদের নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে যে, শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়া মানে পুরো জাতির ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া।

আসুন, আজকের এই দিনে আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতা বা শুভেচ্ছাবাণীতে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা এবং পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করি। কারণ, শিক্ষক বাঁচলে শিক্ষা বাঁচবে, আর শিক্ষা বাঁচলে তবেই বাঁচবে আমাদের আগামী প্রজন্ম।

লেখক : জ্যেষ্ঠ শিক্ষক, মেহেউদ্দিন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জিয়ানগর, পিরোজপুর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে নাগরিকদের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


ইরানে নাগরিকদের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার সাত মাস পূর্ণ হলেও সংঘাত এখনও অব্যাহত রয়েছে। ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ৪০ দিনের লড়াই থামানো হলেও, এরপরও বিচ্ছিন্নভাবে শত্রুতা চলমান রয়েছে। সম্ভাব্য স্থল হামলার মোকাবিলায় সাধারণ নাগরিকদের প্রস্তুত করার জন্য ইরান একটি সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করেছে।

যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানায়, শনিবার রাজধানী তেহরানের হাফত-ই তির স্কয়ারে নতুন কেন্দ্রটির উদ্বোধন করা হয়। এই কেন্দ্রের উদ্দেশ্য আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের বিভিন্ন সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা।

প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সেনাসদস্যরা ছদ্মবেশের রঙ করা বিমানবিধ্বংসী সরঞ্জাম নিয়ে মহড়া দিচ্ছেন। পাশাপাশি, তারা বাধা অতিক্রমের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন এবং অস্ত্র ব্যবহারের অনুশীলনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট ব্যবহার করছেন।

বাসিজ সংগঠনের প্রশিক্ষণবিষয়ক উপপ্রধান আলী কোসারি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রশিক্ষণের জন্য ১ হাজার ব্যাটালিয়ন প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি পুরো সমাজে বেসামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আবার কোনো ‘ভুল হিসাব’ করে হামলা চালায়, তাহলে ইরানিরা ঐক্যবদ্ধভাবে তার মোকাবিলা করবে।

এদিকে, ইরানি সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিষয়ক উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আলিয়ান-নেজাদ জানিয়েছেন, ‘জানফাদা’ নামের এই কর্মসূচিটি তেহরানের নির্ধারিত তিনটি কেন্দ্রে শুরু হবে। এই উদ্যোগের অধীনে বেসামরিক স্বেচ্ছাসেবকদের প্রাথমিক সামরিক দিকনির্দেশনা দিতে ইরানের সেনাবাহিনীর চারটি শাখার সদস্যদের নির্ধারিত ফিল্ড-ব্যারাক কেন্দ্রগুলোতে মোতায়েন করা হবে।

আলিয়ান-নেজাদের মতে, অংশগ্রহণকারীরা প্রথমে প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যাবেন। পরে তারা তুলনামূলক অ্যাডভান্সড কোর্সে অংশ নেবেন। দেশের সুরক্ষার প্রয়োজন দেখা দিলে তাদের কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে অংশগ্রহণকারী বেসামরিক নাগরিকদের মৌলিক সামরিক জ্ঞান প্রদান করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

তবে, এই কোর্সগুলোর মেয়াদ কত দিন হবে, এতে আনুমানিক কতজন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেবেন কিংবা পরবর্তীতে এই কর্মসূচি তেহরানের বাইরে সম্প্রসারিত হবে কি না; সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনও তথ্য জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল অতর্কিতে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই সামরিক শক্তিবর্ধনের লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে তেহরান। এর অংশ হিসেবে সাধারণ নাগরিকদের মধ্য থেকে স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান করেছিল দেশটি। সেই ডাকে প্রাথমিকভাবে ১ কোটি ৪০ লাখ থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ মানুষ সাড়া দিয়েছে বলে জানায় ইরান সরকার।

এর মধ্যে অন্তত ৬ লাখ স্বেচ্ছাসেবক ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং বাসিজ বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ সামরিক চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত করতে পারে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ২২২৯ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ২২২৯ মামলা

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ২ হাজার ২২৯টি মামলা দায়ের করেছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। এ তথ্য ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৭টি বাস, ৪টি কাভার্ড ভ্যান, ১৯টি সিএনজি ও ৩৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১২১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৬টি বাস, ২টি ট্রাক, ৬টি কাভার্ড ভ্যান, ১০টি সিএনজি ও ৭২টি মোটরসাইকেলসহ ১২৫টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৬টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ড ভ্যান, ৫৫টি সিএনজি ও ১৯৪টি মোটরসাইকেলসহ ৩১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৮টি বাস, ১২টি ট্রাক, ৩৬টি কাভার্ড ভ্যান, ৬৫টি সিএনজি ও ৫৪টি মোটরসাইকেলসহ ৪০৩টি মামলা হয়েছে।

এদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৩টি বাস, ১টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ড ভ্যান, ১৫টি সিএনজি ও ৪৩টি মোটরসাইকেলসহ ১১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৩টি বাস, ৬টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ড ভ্যান, ২৫টি সিএনজি ও ৭৩টি মোটরসাইকেলসহ ১৮৬টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৪টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৯টি কাভার্ড ভ্যান, ২১টি সিএনজি ও ৭২টি মোটরসাইকেলসহ ২৪২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মামলা ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে হয়েছে, যেখানে ৫৬টি বাস, ১২টি ট্রাক, ৪৪টি কাভার্ড ভ্যান, ৮২টি সিএনজি ও ২২৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৭১৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া, অভিযানের সময় ৬৬৬টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৩৭২টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল কোতোয়ালি থানায় বড় রদবদল: ওসি আল মামুন বদলি, নতুন দায়িত্বে মনিরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


বরিশাল কোতোয়ালি থানায় বড় রদবদল: ওসি আল মামুন বদলি, নতুন দায়িত্বে মনিরুল

জনস্বার্থে বিএমপির দুই পুলিশ পরিদর্শকের বদলি-পদায়ন, আদেশ অবিলম্বে কার্যকর


বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) গুরুত্বপূর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানায় নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। থানাটির বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলামকে গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) বদলি করা হয়েছে। তার স্থলে পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. মনিরুল ইসলামকে নতুন ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি ও পদায়নের তথ্য জানানো হয়।

বিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের স্মারক নং-বিএমপি/স্টেনো-১/ইন্স/বদলি/২০২৬/১০৫৮-এর অফিস আদেশে বলা হয়েছে, *জনস্বার্থে* বিএমপিতে কর্মরত দুই পুলিশ পরিদর্শককে তাদের নামের পাশে উল্লেখিত পদ ও ইউনিটে বদলি/পদায়ন করা হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলামকে গোয়েন্দা শাখায় বদলি করা হয়েছে। তার বিপি নম্বর ৭৪০১০৮৫৩০০।

অন্যদিকে পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. মনিরুল ইসলামকে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার বিপি নম্বর ৮১০৬১১১০২৭।

অফিস আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে,বদলি ও পদায়নের এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এদিকে, কোতোয়ালি মডেল থানা বরিশাল নগর পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ থানা হওয়ায় নতুন ওসি হিসেবে মনিরুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তবে অফিস আদেশে বদলি-পদায়নের কারণ হিসেবে জনস্বার্থের কথা উল্লেখ করা হলেও এর বাইরে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

বিএমপি সূত্রে জারি করা আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%