শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩১ পি.এম
ভারতের তেলেঙ্গানার নিজামাবাদে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ধারণা করছে, বোন হত্যার প্রতিশোধ নিতে তার ভাই এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিকাল ৫টার দিকে চিত্তারি হরিবাবু নামক ওই ব্যক্তি রাস্তার পাশের একটি খাবারের দোকানের কাছে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিন থেকে চারজন একটি গাড়িতে এসে সেখানে উপস্থিত হয়। তাদের মধ্যে একজন গাড়ি থেকে নেমে হরিবাবুকে অনুসরণ করে এবং নারকেল কাটার ছুরি দিয়ে তার মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই মারা যান ২৬ বছর বয়সী হরিবাবু। পরে তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিজামাবাদের সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হরিবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি তার স্ত্রী এবং ইউটিউবার গান্ধাম বৈষ্ণবীকে হত্যা করেছেন। চলতি বছরের ১৭ মার্চ জাগতিয়াল জেলায় নিজ বাড়িতে বৈষ্ণবীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই সময় তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
বৈষ্ণবীর পরিবারের অভিযোগ ছিল যে, অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে তাকে নির্যাতন করা হতো। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ হরিবাবুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে তাকে গ্রেফতার করা হলেও চলতি বছরের জুলাই মাসে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
পুলিশের ধারণা, বৈষ্ণবীর ভাই সন্তোষই হরিবাবুকে হত্যার পেছনে ছিলেন। সন্তোষের একটি সেলফি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। তবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করছে পুলিশ।
ভিডিওতে সন্তোষকে বলতে শোনা যায়, “যে ব্যক্তি আমার বোনকে হত্যা করেছে, আমি তাকে হত্যা করেছি।” তিনি আরও দাবি করেন, তিনি সরকারের কাছ থেকে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু তার মতে, এ ঘটনায় কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সন্তোষের দাবি, অন্য একটি কাজে যাওয়ার সময় নিজামাবাদে হরিবাবুর সঙ্গে তার দেখা হয়। তাকে চিনতে পেরে তিনি হামলা চালান। নিজের নিরাপত্তার জন্য তিনি অস্ত্র বহন করতেন বলেও ভিডিওতে দাবি করেন।
ভিডিওতে সন্তোষ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার কথাও জানান। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড এড়াতে তাকে সহযোগিতা করার জন্য সবার কাছে আবেদন করেন। তিনি বলেন, তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে এবং তাকে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সহযোগিতা করা হোক।
তবে ভিডিওতে সন্তোষের করা এসব দাবি এখনো পুলিশি তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।
বৈষ্ণবী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এর আগে তেলেঙ্গানায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল। এবার সেই মামলার আসামি হরিবাবু প্রকাশ্যে হত্যার শিকার হওয়ায় ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এদিকে প্রকাশ্যে হরিবাবুকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হামলায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনার প্রভাব শ্রমবাজারে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ৫০ শতাংশ শুল্কের কারণে কানাডায় প্রায় ৯০ হাজার চাকরি ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে।
ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ ট্রেভর গ্লোবাল নিউজকে জানিয়েছেন, এই শুল্কের কার্যকারিতা কতদিন থাকবে, তার ওপর চাকরি ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশেই নির্ভর করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সম্ভাব্য চাকরি হারানোর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রভাব পড়বে সরাসরি শুল্কের আওতায় থাকা পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। বাকি এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতি হবে এসব প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে।
এদিকে, শ্রমিক সংগঠন ইউনাইটেড স্টিলওয়ার্কার্স (ইউএসডব্লিউ) দুই দেশের মধ্যে দ্রুত বাণিজ্য আলোচনা পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির নেতারা মন্তব্য করেছেন, চলমান বাণিজ্য বিরোধ কর্মসংস্থান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় কমিউনিগুলোর জন্য বাড়তি অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে।
গত ২২ আগস্ট, কানাডার ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে, কানাডা ৮ সেপ্টেম্বর থেকে নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের ওপর ১৫, ২৫ ও ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক কার্যকর করেছে।
শ্রমিক সংগঠনগুলোর মতে, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ফলে, বাণিজ্য সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর নেতিবাচক প্রভাব শ্রমিক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ পরিবারগুলোর ওপর আরও বাড়তে পারে। তাই, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইউএসডব্লিউ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২০২৭-২৮ ইং সেশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে।আজ শুক্রবার সকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কমলনগর উপজেলা শাখার শুরার অধিবেশন শেষে এই কমিটি গঠন করা হয়।এতে সভাপতি পদে মাষ্টার মোসলেহ উদ্দিন ,সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মেরাজ এর নাম ঘোষণা করা হয়।বাকী পদ গুলো দলটির পরবর্তী বৈঠকে বন্টন করা হবে বলে দলীয় সুত্র নিশ্চিত করেন।শুরার অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন,ইসলামী
আন্দোলন বাংলাদেশ এদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী সর্ববৃহৎ একটি ইসলামীক রাজনৈতিক দল।এদেশের মাটি-মানুষ ও মানবতার পক্ষের একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ত রক্ষায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর হযরত পীর সাহেব চরমোনাইর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দলটি। এদেশের মাটি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আন্দোলনের এই নতুন নেতৃত্বকে আরো সাহসীকতার সাথে আগামী দিনের সকল আন্দোলন সংগ্রামে প্রথম কাতার থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন গুলো ঢেলে সাজাতে কাজ করতে হবে।শুরার অধিবেশনে দলটির উপজেলা ইউনিয়ন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার পূর্বেই রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক চুক্তিতে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের আলোচনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হতে পারে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে আলোচনা সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তির আগে রাশিয়ার সঙ্গে কিছু চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বর্তমানে ওয়াশিংটনের বিবেচনায় রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা মনে করেন, এ ধরনের চুক্তি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহকে মস্কোর কাছে স্পষ্ট করে তুলতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগ ট্রাম্পের পূর্ববর্তী অবস্থানের থেকে কিছুটা ভিন্ন। পূর্বে তিনি যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক চুক্তি না করার কথা বলেছিলেন। নতুন অবস্থানে যুদ্ধ চলাকালীন সীমিত অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনার রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী করে তুলতে নতুন উপায় খুঁজছেন। সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চুক্তিকে সেই আলোচনার একটি প্রণোদনা হিসেবে দেখা হতে পারে।
তবে, কী ধরনের চুক্তি হতে পারে সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জ্বালানি, বিনিয়োগ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হলেও, এসব বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে বলে জানা যায়নি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে উইটকফ ও কুশনার মস্কো সফর করে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। রুশ পক্ষ ওই আলোচনা গঠনমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করলেও যুদ্ধ বন্ধে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতার ঘোষণা আসেনি।
এদিকে, রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনায় রয়েছে। ফলে মস্কোর সঙ্গে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নিষেধাজ্ঞার চাপ—দুই ধরনের পদক্ষেপ একই সময়ে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তথ্যসূত্র: তাস, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে কোনো সেনা বা সামরিক সরঞ্জাম পাঠাবে না, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে। প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং শুক্রবার এই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে লি জে মিয়ং উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়াকে জড়িয়ে ফেলতে পারে এমন কোনো সেনা মোতায়েন বা সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হবে না। দক্ষিণ কোরিয়া এ বিষয়ে যে নীতি অনুসরণ করে আসছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে।
তবে, বাণিজ্যিক জাহাজ এবং অপরিশোধিত তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান লি। হরমুজ প্রণালির কাছে ইতোমধ্যে মোতায়েন থাকা চেওংহে ইউনিটের কার্যক্রম জোরদারের বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার এই অবস্থান এমন সময়ে এসেছে, যখন হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় দেশটির ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। এর আগে, ওয়াশিংটন সিউলকে প্রণালিতে নৌ ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল।
গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজে সামরিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তখন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছিল, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এর পরের দিন দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, হরমুজ নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে আলোচনার বিষয় ছিল নৌপথের নিরাপত্তা ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার সম্ভাব্য উদ্যোগ, সরাসরি সেনা মোতায়েন নয়। বৃহস্পতিবারও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, হরমুজ নিয়ে আলোচনার মূল লক্ষ্য নৌপথের নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের সুরক্ষা।
এখন প্রেসিডেন্ট লির ঘোষণায় স্পষ্ট হলো, দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তামূলক সীমিত ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা বিবেচনা করলেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে সরাসরি সামরিকভাবে জড়াবে না। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ