সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৫ পি.এম
মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ৩-০ গোলের পরাজয়ের পর, বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি একাদশে চারটি পরিবর্তন করেছেন। বাদ পড়েছেন তপু ও সোহেল রানা। নতুন খেলোয়াড় হিসেবে দলে যুক্ত হয়েছেন জিদান, জামাল, শুকি ও মোরসালিন।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের হারের পর, সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে ফিফা আসিয়ান কাপের ম্যাচে মূল একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি। মিডফিল্ডার সোহেল রানা এবং ডিফেন্ডার শাকিল আহাদ তপু মূল একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন।
মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তিন গোলের ক্ষেত্রে তপুর ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল। সোহেল রানার পারফরম্যান্স নিয়েও কোচ ডুলির অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছিল।
দলীয় ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তপুর জায়গায় রক্ষণে সুযোগ পেয়েছেন জিদান আলেকজান্ডার ইউসুফ। সোহেল রানার পরিবর্তে একাদশে ফিরেছেন জামাল ভূঁইয়া।
এছাড়া, ফারহান আলী ওয়াহিদের জায়গায় খেলছেন শুকি ইতোফুসা এবং ফাহামেদুল ইসলামের পরিবর্তে একাদশে এসেছেন শেখ মোরসালিন।
অর্থাৎ, মালয়েশিয়ার বিপক্ষে শুরুর একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন চারজন: তপু, সোহেল, ফারহান ও ফাহামেদুল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন যে, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে গণমাধ্যমকর্মীদের হয়রানি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই বক্তব্য দেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের উদ্দেশ্য গণমাধ্যমকে লক্ষ্যবস্তু করা নয়, বরং সমাজের ভারসাম্য রক্ষা করা। এই আইন গণমাধ্যমকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়নি।
তিনি আরও যোগ করেন, কুমিল্লায় অপ্রতিমের ঘটনার মতো দেশে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে জড়িত যে সকল অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, সেগুলো প্রতিরোধ করাই সাইবার সুরক্ষা আইনের মূল লক্ষ্য। সরকার চায় না যে, কোনো সাংবাদিক এই আইনের অপব্যবহারের শিকার হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়া অনুষ্ঠিত হবে। দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে ১৭ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে। তবুও, এখন থেকেই মণ্ডপগুলোতে উৎসবের আমেজ দেখা যাচ্ছে।
দেশের অন্যান্য স্থানের মতো যশোরের কেশবপুরেও দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে উৎসবের পরিবেশ ছড়িয়ে পড়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর উপজেলায় পূজামণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে। গতবছর এখানে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৯১টি মণ্ডপে, আর এবার হচ্ছে ১০১টি মণ্ডপে। পূজার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলছে প্রতিমা নির্মাণ, সাজসজ্জা এবং অন্যান্য আয়োজন।
এদিকে, দেবী দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় দিনরাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রতিমা শিল্পী, কারিগর এবং পূজা উৎযাপন কমিটির সদস্যরা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করে দেখা যায়, অধিকাংশ মণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণের মাটির কাজ এবং লেপন সম্পন্ন হয়েছে। এখন রং-তুলির সাহায্যে প্রতিমাগুলো পূর্ণাঙ্গ রূপ পেতে চলেছে।
এ বছর কেশবপুরে দুর্গাপূজার জন্য প্রস্তুত ১০১টি মণ্ডপের মধ্যে কেশবপুর পৌরসভায় আটটি, ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে একটি, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে ১৬টি, মজিদপুর ইউনিয়নে সাতটি, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নে চারটি, মঙ্গলকোট ইউনিয়নে ছয়টি, কেশবপুর সদর ইউনিয়নে সাতটি, পাঁজিয়া ইউনিয়নে ৯টি, সুফলাকাটি ইউনিয়নে ১১টি, গৌরীঘোনা ইউনিয়নে ১২টি, সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে ১২টি এবং হাসানপুর ইউনিয়নে আটটি রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি মণ্ডপ প্রস্তুত হয়েছে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে। এ ইউনিয়নের মালোপাড়ার পূজামণ্ডপে এবার প্রথমবারের মতো দুর্গাপূজার আয়োজন করা হচ্ছে।
দেবীর আগমনের মাহিন্দ্রক্ষণে অপেক্ষা করে দিন-রাত প্রতিমার কাজ শেষ করতে ব্যস্ত শিল্পীরা।
কেশবপুর কালীবাড়ি মন্দিরে প্রতিমা গড়ার কাজ করছেন খুলনা জেলার কপিলমনির শিল্পী প্রহ্লাদ বিশ্বাস। তিনি জানান, এবছর যশোরের কেশবপুর, খুলনার কপিলমনি এবং সাতক্ষীরাসহ সাতটি স্থানে প্রতিমা গড়ার কাজ করছেন। তার সঙ্গে পাঁচজন সহযোগী রয়েছেন। ইতোমধ্যে মাটির কাজ শেষ হয়ে রং-তুলির কাজ শুরু করেছেন। কয়েক দিনের মধ্যে রং-তুলির কাজও সম্পন্ন হবে।
প্রহ্লাদ জানান, তার সঙ্গে থাকা ভাস্কর্য শ্রমিকদের পারিশ্রমিক দেওয়ার পর যা থাকে, তাতে কোনোরকমে দিন পার হয় তার।
সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের মালোপাড়া মণ্ডপে এবার প্রথম দুর্গাপূজার আয়োজন হওয়ায় এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে বলে জানান মণ্ডপ কমিটির সভাপতি অসীম বিশ্বাস।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেশবপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুকুমার সাহা জানান, এ বছর কেশবপুরে ১০১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রতিমা গড়ার প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রং-তুলির কাজ শেষ হলে প্রতিমাগুলো পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে। গতবছর এ উপজেলায় ৯১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কেশবপুর কালীবাড়ি মন্দির কমিটির সভাপতি পঙ্কজ দাস জানান, মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে এবছর তাদের খরচ হচ্ছে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা। পূজা শেষ করতে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা ব্যয় হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে সাড়ম্বরে পূজার অনুষ্ঠান শেষ করা যাবে।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি এসআরবি, আনসার এবং গ্রাম পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। সুষ্ঠুভাবে পূজা উৎযাপনের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা বলায় গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক মণ্ডপে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থাও থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গায়ক আদনান সামি ইউটিউব শো ‘ইন্ডিয়া’স গট ল্যাটেন্ট’-এর একটি পর্বে হাসির পাত্র হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন। তবে তিনি অসন্তুষ্ট না হয়ে, নিজের সহজাত রসিকতার ভঙ্গিতে এর জবাব প্রদান করেছেন। এক অতিথির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক মাধ্যমে সামি লেখেন, ‘আগে আমার কাছ থেকে অনুমতি নাও, তারপর সিনেমা বানাও।’
শো-এর বোনাস পর্বে সঞ্চালক সময় রায়নার সাথে অতিথি হিসেবে ছিলেন আদিত্য কুলশ্রেষ্ঠ (কুল্লু), স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ান রজত সুদ, মেন্টালিস্ট সুহানি শাহ এবং অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা। আয়ুষ্মান সেখানে তার নতুন সিনেমা ‘উড়তা তীর’-এর প্রচার করতে এসেছিলেন।
এক পর্যায়ে সিনেমাটির গল্প নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আয়ুষ্মান জানান, এটি একটি দেশপ্রেমভিত্তিক স্পাই কমেডি। গল্পে তিনি একজন পাকিস্তানি স্পাই, যিনি ভারতে এসে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে নিজেকে ভারতীয় মনে করতে শুরু করেন। আয়ুষ্মানের এই ব্যাখ্যা শেষ হওয়ার পর সহ-সঞ্চালক কুল্লু কৌতুক করে বলেন, ‘এ তো আদনান সামির গল্প।’
কুল্লুর এই মন্তব্যের ক্লিপটি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা আদনান সামির দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি সেখানে রসিকতা করে স্বত্ব (অধিকার) নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন, যা তার নিজস্ব জীবনকাহিনীর সাথে মিলে যায়। উল্লেখ্য, পাকিস্তানি নাগরিকত্ব ত্যাগ করে ২০১৬ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন ‘তেরা চেহরা’ খ্যাত এই গায়ক। বহু চেষ্টা ও একাধিকবার আবেদন প্রত্যাখ্যানের পর তিনি ভারতের নাগরিকত্ব লাভ করেন। শো-এর সেই রসিকতাটিকে তিনি কোনো ক্ষোভ না দেখিয়ে বরং ইতিবাচক ও হালকাভাবেই গ্রহণ করেছেন সামি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ায় পৃথক অভিযানে উখিয়া থানা পুলিশ ১৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা এবং পরোয়ানা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত, একজন সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত, চারজন নিয়মিত মামলার, তিনজন পূর্বের মামলার, একজন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় এবং ছয়জন মোবাইল কোর্টের সাজা পরোয়ানাভুক্ত রয়েছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত ১৬ আসামিকে কক্সবাজার জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্র মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং বিভিন্ন মামলায় আদালতের পরোয়ানা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উখিয়া থানা পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
আতিকুর রহমান মজুমদার, উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জানান, মোবাইল কোর্টের সাজা পরোয়ানাভুক্ত ছয়জন আসামির মধ্যে চারজনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর দুইজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২৮ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদালতের পরোয়ানা বাস্তবায়ন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ