ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা


১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে গেছে, যা কয়েক দফা কমার পর ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে সর্বশেষ ১ হাজার ৫০ টাকা বৃদ্ধি করেছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে সেদিন সকাল ১০টা থেকে। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অক্টোবরের ২৬ দিনে দেশে এসেছে ২৪৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

আরও পড়ুন: সার আমদানি কমাতে তিনটি বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদিকে বিশেষ দিনে শুভেচ্ছা বার্তা দিলেন শাহরুখ-সালমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


মোদিকে বিশেষ দিনে শুভেচ্ছা বার্তা দিলেন শাহরুখ-সালমান

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৯১৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গুজরাটের ভাদনগরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে তাই সকাল থেকে নানা জায়গায় নানাভাবে পালিত হয়ে আসছে। এবার প্রধানমন্ত্রীর ৭৬তম জন্মদিনে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানান বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান, ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানসহ আরও অনেক বলি তারকা।

সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে কালো রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডে শাহরুখ খান লিখেছেন—'প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি, আপনাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। আগামী দিনগুলো সুস্থতা, সুখ ও সাফল্যে ভরে উঠুক।' তিনি আরও বলেন, 'দেশকে অনুপ্রাণিত করার মতো শক্তি ও ইতিবাচক মনোভাব যেন আপনার মধ্যে সব সময় থাকে।'

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সালমান খানও লিখেছেন— 'জন্মদিন মোবারক হো প্রধানমন্ত্রী সাহাব। নরেন্দ্র ভাই মোদি আপনাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। জয় হিন্দ।'

শুধু শাহরুখ খান কিংবা সালমান খান নন, মোদির জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলিউডের আরও অনেক তারকা। ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতও একটি সংস্কৃত শ্লোকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও দেশের সেবা করে যাওয়ার শক্তি কামনা করেছেন। 

খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার সাধারণ মানুষকে এই দিনটিকে ‘সেবা সঙ্কল্প’ হিসাবে পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনমতো মানুষের পাশে দাঁড়িয়েই এই বিশেষ দিনটি পালন করা যেতে পারে।

অভিনেতা সুনীল শেটিও প্রধানমন্ত্রীকে সুস্বাস্থ্য, শক্তি এবং দেশসেবায় অবিচল থাকার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনুপম খের কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ, সুস্থ ও আনন্দময় জীবন। শিল্পা শেঠি লিখেছেন— দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে মোদির সুস্বাস্থ্য, শক্তি ও সাফল্য কামনা করেন তিনি।

জ্যাকি শ্রফ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ ছাড়া অনিল কাপুর, অজয় দেবগন, কাজল, সঞ্জয় দত্ত, রবি কিশনের মতো তারকারাও সামাজিক মাধ্যমে ছবি ও বার্তা দিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সর্বজনীন পেনশনে নমিনির সুবিধা ৮০ বছর বয়সসীমায় বাড়ল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ এম


সর্বজনীন পেনশনে নমিনির সুবিধা ৮০ বছর বয়সসীমায় বাড়ল

সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় পেনশনারের মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পেনশন সুবিধা পাওয়ার বয়সসীমা সম্প্রসারিত করা হয়েছে। পূর্বে ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত এ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু এখন তা বৃদ্ধি করে ৮০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা শেষে কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, পেনশনার নিজে আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন। আর পেনশনার মারা গেলে তার স্বামী বা স্ত্রী ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। পূর্বে এই সুবিধার বয়সসীমা ছিল ৭৫ বছর।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে পেনশনারের মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য দীর্ঘ সময় ধরে পেনশন সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে সরকারি মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ‘প্রগতি’ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যারা প্রচলিত সরকারি পেনশন ব্যবস্থার আওতায় নেই। বর্তমানে ‘প্রগতি’ স্কিম মূলত বেসরকারি কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য চালু রয়েছে।

সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহভিত্তিক বা ইসলামিক পেনশন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য পেনশন তহবিলে ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ মুনাফা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

তবে সর্বজনীন পেনশন পাওয়ার বয়স ৬০ বছর থেকে কমিয়ে ৫৫ বছর করার বিষয়ে সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। নির্বাহী চেয়ারম্যান বিষয়টি একচুয়ারিয়াল বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছেন।

এছাড়া, পাঁচ বছর চাঁদা দেওয়ার পর জমা অর্থ তুলে নিয়ে কর্মসূচি থেকে বের হওয়ার সুযোগ, পেনশন তহবিল থেকে ঋণ এবং স্বাস্থ্যবিমা চালুর প্রস্তাবও এখনো পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি খাত থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


বেসরকারি খাত থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, ২০২৮ সালের মধ্যে বেসরকারি খাত থেকে প্রায় ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ইতোমধ্যে ১২টি স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের (আইপিপি) সঙ্গে মোট ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এই প্রকল্পগুলোর জন্য প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ টাকা ১২ পয়সা।

বিপিডিবির একজন কর্মকর্তা জানান, নির্ধারিত এই বিদ্যুতের দাম পূর্বে চুক্তি করা একই ধরনের প্রকল্পগুলোর তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৫ সেন্ট কম।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে, সরকার ব্যাটারিসহ ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে উৎসাহিত করার জন্য একটি বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

এই প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায়, ব্যাটারিসহ ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যয় প্রতি ইউনিট ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০ শতাংশ মুনাফার হার এবং ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যোগ করে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ১ হাজার ৮৫২ দশমিক ০৬ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৭৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত এবং ৩৭৮ দশমিক ৫৬ মেগাওয়াট অফ-গ্রিড।

এছাড়া, বিপিডিবি নিজস্ব অর্থায়নে মোট ৬৮৯ মেগাওয়াট গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

কনফিডেন্স পাওয়ার রংপুরের ভাইস চেয়ারম্যান ইমরান করিম জানান, তার প্রতিষ্ঠান ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার তিনটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘তিনটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পই ২০২৮ সালের মধ্যে চালু হবে।’

বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ ১২টি প্রকল্পের মধ্যে সবচেয়ে বড় ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রকল্পটি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নির্মাণ করা হবে। পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৫০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

কক্সবাজারে ১০০ মেগাওয়াট করে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এছাড়া, বাগেরহাটের মোংলায় নির্মাণ করা হবে আরও একটি ১০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। ঈশ্বরদীতে ৭০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রও স্থাপন করা হবে।

অবশিষ্ট প্রকল্পগুলো মৌলভীবাজারের বিবিয়ানা, নীলফামারীর জলঢাকা, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, মৌলভীবাজার সদর, চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং নোয়াখালীর সুধারামে স্থাপন করা হবে। এসব প্রকল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ১০ মেগাওয়াট থেকে ৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত।

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, আইপিপিগুলোর সঙ্গে করা এসব চুক্তি সরকারের বৃহত্তর জ্বালানি মিশ্রণ কৌশলের অংশ। এর লক্ষ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো এবং প্রচলিত, বিশেষ করে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো।

তিনি আরও জানান, বিপিডিবি রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করেছে। এছাড়া, অবকাঠামো বিনিয়োগ সহায়তা কোম্পানি (আইআইএফসি) ফেনীর সোনাগাজীতে ২২২ মেগাওয়াটের গ্রিড-সংযুক্ত সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করেছে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

বিপিডির কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে ৬৮৮ কিলোওয়াট-পিক ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করেছে বিপিডিবি। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪ হাজার ১৯৫ কিলোওয়াট-পিক সক্ষমতা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিপিডি দুই বছর আগে নিজস্ব অর্থায়নে নিজেদের ভবন ও জমিতে ১৭টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছিল।

কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (ক্লিন) প্রধান নির্বাহী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ হাসান মেহেদী বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎসহ অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাংলাদেশকে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করতে পারে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সরকার দেশের সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে আগামী তিন মাসের মধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বলেন, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর উদ্দেশ্য হলো আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা।

সরকারের জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল ২০২৬-২০৩০-এর আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, বায়ু, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, পানিবিদ্যুৎ, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ এবং অ্যাগ্রিভোলটাইক্সসহ অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে আরও ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

হাসান মেহেদী বলেন, সরকার যদি সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে উৎসাহিত করতে পারে, তাহলে এ খাতে সরকারের বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫০০ কুমিরের আবাসস্থলেই হবে ২০৩২ অলিম্পিকের ভেন্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


৫০০ কুমিরের আবাসস্থলেই হবে ২০৩২ অলিম্পিকের ভেন্যু

২০৩২ সালের ব্রিসবেন অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকে রোয়িং আর ক্যানোয়িং প্রতিযোগিতা হবে এমন এক নদীতে, যেখানে বাস করে প্রায় পাঁচশো লোনা জলের কুমির। কুইন্সল্যান্ডের রকহ্যাম্পটনে অবস্থিত ফিটজরয় নদীর কোর্সটি একটি স্বাধীন প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হয়েছে।

এই মূল্যায়নে কুমিরের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি। বরং দেখা হয়েছে, বিভিন্ন আবহাওয়া, পানির স্তর এবং বন্যার ঝুঁকির মধ্যে গেমসের সময় এবং তার আগের সময়টায় এই কোর্স কেমন কাজ করবে।

গেমস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন অথরিটি এই প্রতিবেদনের দায়িত্ব দিয়েছিল। তারা জানিয়েছে, ফিটজরয় রিভার ফ্ল্যাটওয়াটার ফ্যাসিলিটি ইতিমধ্যে একটি প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে স্কুল পর্যায়ের রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপ, স্থানীয় রেগাটা এবং জাতীয় দলের প্রশিক্ষণ শিবির হয়ে থাকে।

স্বীকৃত রোয়িং কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আগে থেকেই কুমির দেখা গেলে কী করতে হবে, তার পরিকল্পনা আছে। অলিম্পিক কর্মকর্তারাও আগে রোয়ারদের নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।

ওয়ার্ল্ড রোয়িং এবং প্যাডেল ওয়ার্ল্ডওয়াইড, যেটি আগে ইন্টারন্যাশনাল ক্যানো ফেডারেশন নামে পরিচিত ছিল, দুটি সংস্থাই এই কোর্সকে অনুমোদন দিয়েছে। ওয়ার্ল্ড রোয়িংয়ের প্রেসিডেন্ট জঁ-ক্রিস্টফ রোলঁ বলেন, ‘বিস্তারিত বিশ্লেষণের পর এখন আমরা জানি, গেমসের সময় ফিটজরয় নদী ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ দিতে সক্ষম, যা অলিম্পিক আর প্যারালিম্পিক রোয়িংয়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’।

প্যাডেল ওয়ার্ল্ডওয়াইডের প্রেসিডেন্ট থমাস কনিয়েটজকো বলেন, ‘যে মানের আর গভীরতার প্রযুক্তিগত কাজ হয়েছে, তা আমাদের খেলার মাঠ সম্পর্কে বোঝাপড়া অনেক বাড়িয়েছে। এতে আমরা এবং আমাদের অ্যাথলিটরা আস্থা পাচ্ছি যে, এই কোর্স ক্যানো স্প্রিন্ট অ্যাথলিটদের জন্য ন্যায্য প্রতিযোগিতা দিতে পারবে’।

ব্রিসবেন ২০৩২-এর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু লিভারিস গত বছর কুমিরের বিষয়টি খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘সমুদ্রে হাঙর আছে, তবু আমরা সার্ফিং করি। এটা করা যায় না, এমন মানসিকতা বদলাতে হবে’।

বৃহস্পতিবার এই ভেন্যুর অনুমোদন পাওয়ার পর লিভারিস বলেন, ‘এই অনুমোদন আমাদের অতিরিক্ত নিশ্চয়তা দিচ্ছে, যখন আমরা ভেন্যু পরিকল্পনা আর গেমস আয়োজনের পরের ধাপে যাচ্ছি। এতে ভবিষ্যতের সব নকশা আর পরিচালনার কাজ পুরোপুরি রকহ্যাম্পটনকে কেন্দ্র করেই এগোবে’।

লোনা জলের কুমির, স্থানীয় ভাষায় যাদের বলা হয় ‘স্যালটিজ’, তারা মিঠা পানি আর লোনা পানি দুই জায়গাতেই বাস করে। এদের দৈর্ঘ্য ছয় মিটারেরও বেশি হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি অলিম্পিক সোনাজয়ী সাবেক রোয়ার ড্রু গিন এই ভেন্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিবিসি রেডিওকে তিনি বলেন, বন্যার ঝুঁকি আর প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা নিয়ে তার সংশয় আছে। ব্রিসবেন থেকে ছয়-সাত ঘণ্টা দূরের এই জায়গায় অ্যাথলিট আর দর্শকদের অভিজ্ঞতা নিয়েও তিনি চিন্তিত।

গিন বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি অস্ট্রেলিয়ার প্রাণীদের ভয় পাই না, তবে কখনো কুমির আমার কাছাকাছি আসেনি’।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, আমি আরও জোরে বৈঠা চালাতাম, সব অ্যাথলিটই হয়তো জোরে চালাতেন। এই বিষয়টা উদ্বেগের তালিকায় আছে, তবে আমার মনে হয় না এটা সবচেয়ে বড় উদ্বেগ, কিন্তু শুরুর দিকেই এটা নিয়ে কথা উঠেছিল। নদী থেকে কুমির সরিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে গেলে মনে প্রশ্ন জাগে, আন্তর্জাতিক রোয়িং সংস্থা কি সত্যিই অ্যাথলিটদের এমন ঝুঁকিতে ফেলতে চায়’।

প্রযুক্তিগত মূল্যায়নের পর রোলঁ এবং কনিয়েটজকো এই ভেন্যুকে ন্যায্য বলে মনে করলেও গিনের সংশয় এখনো কাটেনি। তিনি বলেন, ‘একটা প্রতিযোগিতার ফল আধা সেকেন্ডে নির্ধারণ হতে পারে, অথচ বিভিন্ন লেনে দুই-তিন সেকেন্ডের পার্থক্য দেখা যেতে পারে, এই ভাবনাটাই আমাকে ভাবায়’।

তিনি যোগ করেন, ‘রকহ্যাম্পটন দারুণ একটা শহর বলে আমি মনে করি, তবে এভাবে ভেন্যুগুলো ছড়িয়ে দিয়ে অলিম্পিক গেমস আয়োজন করা উচিত নয় বলেই আমি মনে করি। এতে অ্যাথলিট আর দর্শকদের অভিজ্ঞতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%