ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সর্বজনীন পেনশনে নমিনির সুবিধা ৮০ বছর বয়সসীমায় বাড়ল


সর্বজনীন পেনশনে নমিনির সুবিধা ৮০ বছর বয়সসীমায় বাড়ল

সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় পেনশনারের মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পেনশন সুবিধা পাওয়ার বয়সসীমা সম্প্রসারিত করা হয়েছে। পূর্বে ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত এ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু এখন তা বৃদ্ধি করে ৮০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা শেষে কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, পেনশনার নিজে আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন। আর পেনশনার মারা গেলে তার স্বামী বা স্ত্রী ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। পূর্বে এই সুবিধার বয়সসীমা ছিল ৭৫ বছর।

আরও পড়ুন: সরকার সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারায় দেখতে চায়: অর্থমন্ত্রী

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে পেনশনারের মৃত্যুর পর তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য দীর্ঘ সময় ধরে পেনশন সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে সরকারি মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ‘প্রগতি’ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যারা প্রচলিত সরকারি পেনশন ব্যবস্থার আওতায় নেই। বর্তমানে ‘প্রগতি’ স্কিম মূলত বেসরকারি কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য চালু রয়েছে।

সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহভিত্তিক বা ইসলামিক পেনশন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য পেনশন তহবিলে ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ মুনাফা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

তবে সর্বজনীন পেনশন পাওয়ার বয়স ৬০ বছর থেকে কমিয়ে ৫৫ বছর করার বিষয়ে সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। নির্বাহী চেয়ারম্যান বিষয়টি একচুয়ারিয়াল বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করার কথা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: আগস্টে ইইউতে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ১২.৭১% বেড়ে ১৩৪.০৮ মিলিয়ন ইউরো

এছাড়া, পাঁচ বছর চাঁদা দেওয়ার পর জমা অর্থ তুলে নিয়ে কর্মসূচি থেকে বের হওয়ার সুযোগ, পেনশন তহবিল থেকে ঋণ এবং স্বাস্থ্যবিমা চালুর প্রস্তাবও এখনো পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি খাত থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


বেসরকারি খাত থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, ২০২৮ সালের মধ্যে বেসরকারি খাত থেকে প্রায় ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ইতোমধ্যে ১২টি স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের (আইপিপি) সঙ্গে মোট ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এই প্রকল্পগুলোর জন্য প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ টাকা ১২ পয়সা।

বিপিডিবির একজন কর্মকর্তা জানান, নির্ধারিত এই বিদ্যুতের দাম পূর্বে চুক্তি করা একই ধরনের প্রকল্পগুলোর তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৫ সেন্ট কম।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে, সরকার ব্যাটারিসহ ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে উৎসাহিত করার জন্য একটি বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

এই প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায়, ব্যাটারিসহ ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বোচ্চ ব্যয় প্রতি ইউনিট ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০ শতাংশ মুনাফার হার এবং ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যোগ করে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ১ হাজার ৮৫২ দশমিক ০৬ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৭৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত এবং ৩৭৮ দশমিক ৫৬ মেগাওয়াট অফ-গ্রিড।

এছাড়া, বিপিডিবি নিজস্ব অর্থায়নে মোট ৬৮৯ মেগাওয়াট গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

কনফিডেন্স পাওয়ার রংপুরের ভাইস চেয়ারম্যান ইমরান করিম জানান, তার প্রতিষ্ঠান ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার তিনটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘তিনটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পই ২০২৮ সালের মধ্যে চালু হবে।’

বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ ১২টি প্রকল্পের মধ্যে সবচেয়ে বড় ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রকল্পটি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নির্মাণ করা হবে। পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৫০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

কক্সবাজারে ১০০ মেগাওয়াট করে দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এছাড়া, বাগেরহাটের মোংলায় নির্মাণ করা হবে আরও একটি ১০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। ঈশ্বরদীতে ৭০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রও স্থাপন করা হবে।

অবশিষ্ট প্রকল্পগুলো মৌলভীবাজারের বিবিয়ানা, নীলফামারীর জলঢাকা, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, মৌলভীবাজার সদর, চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং নোয়াখালীর সুধারামে স্থাপন করা হবে। এসব প্রকল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ১০ মেগাওয়াট থেকে ৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত।

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, আইপিপিগুলোর সঙ্গে করা এসব চুক্তি সরকারের বৃহত্তর জ্বালানি মিশ্রণ কৌশলের অংশ। এর লক্ষ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো এবং প্রচলিত, বিশেষ করে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো।

তিনি আরও জানান, বিপিডিবি রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করেছে। এছাড়া, অবকাঠামো বিনিয়োগ সহায়তা কোম্পানি (আইআইএফসি) ফেনীর সোনাগাজীতে ২২২ মেগাওয়াটের গ্রিড-সংযুক্ত সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করেছে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

বিপিডির কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে ৬৮৮ কিলোওয়াট-পিক ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করেছে বিপিডিবি। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪ হাজার ১৯৫ কিলোওয়াট-পিক সক্ষমতা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিপিডি দুই বছর আগে নিজস্ব অর্থায়নে নিজেদের ভবন ও জমিতে ১৭টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছিল।

কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (ক্লিন) প্রধান নির্বাহী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ হাসান মেহেদী বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎসহ অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাংলাদেশকে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করতে পারে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সরকার দেশের সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে আগামী তিন মাসের মধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বলেন, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর উদ্দেশ্য হলো আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা।

সরকারের জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল ২০২৬-২০৩০-এর আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, বায়ু, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, পানিবিদ্যুৎ, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ এবং অ্যাগ্রিভোলটাইক্সসহ অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে আরও ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

হাসান মেহেদী বলেন, সরকার যদি সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে উৎসাহিত করতে পারে, তাহলে এ খাতে সরকারের বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫০০ কুমিরের আবাসস্থলেই হবে ২০৩২ অলিম্পিকের ভেন্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


৫০০ কুমিরের আবাসস্থলেই হবে ২০৩২ অলিম্পিকের ভেন্যু

২০৩২ সালের ব্রিসবেন অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকে রোয়িং আর ক্যানোয়িং প্রতিযোগিতা হবে এমন এক নদীতে, যেখানে বাস করে প্রায় পাঁচশো লোনা জলের কুমির। কুইন্সল্যান্ডের রকহ্যাম্পটনে অবস্থিত ফিটজরয় নদীর কোর্সটি একটি স্বাধীন প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হয়েছে।

এই মূল্যায়নে কুমিরের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি। বরং দেখা হয়েছে, বিভিন্ন আবহাওয়া, পানির স্তর এবং বন্যার ঝুঁকির মধ্যে গেমসের সময় এবং তার আগের সময়টায় এই কোর্স কেমন কাজ করবে।

গেমস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন অথরিটি এই প্রতিবেদনের দায়িত্ব দিয়েছিল। তারা জানিয়েছে, ফিটজরয় রিভার ফ্ল্যাটওয়াটার ফ্যাসিলিটি ইতিমধ্যে একটি প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে স্কুল পর্যায়ের রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপ, স্থানীয় রেগাটা এবং জাতীয় দলের প্রশিক্ষণ শিবির হয়ে থাকে।

স্বীকৃত রোয়িং কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আগে থেকেই কুমির দেখা গেলে কী করতে হবে, তার পরিকল্পনা আছে। অলিম্পিক কর্মকর্তারাও আগে রোয়ারদের নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।

ওয়ার্ল্ড রোয়িং এবং প্যাডেল ওয়ার্ল্ডওয়াইড, যেটি আগে ইন্টারন্যাশনাল ক্যানো ফেডারেশন নামে পরিচিত ছিল, দুটি সংস্থাই এই কোর্সকে অনুমোদন দিয়েছে। ওয়ার্ল্ড রোয়িংয়ের প্রেসিডেন্ট জঁ-ক্রিস্টফ রোলঁ বলেন, ‘বিস্তারিত বিশ্লেষণের পর এখন আমরা জানি, গেমসের সময় ফিটজরয় নদী ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশ দিতে সক্ষম, যা অলিম্পিক আর প্যারালিম্পিক রোয়িংয়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’।

প্যাডেল ওয়ার্ল্ডওয়াইডের প্রেসিডেন্ট থমাস কনিয়েটজকো বলেন, ‘যে মানের আর গভীরতার প্রযুক্তিগত কাজ হয়েছে, তা আমাদের খেলার মাঠ সম্পর্কে বোঝাপড়া অনেক বাড়িয়েছে। এতে আমরা এবং আমাদের অ্যাথলিটরা আস্থা পাচ্ছি যে, এই কোর্স ক্যানো স্প্রিন্ট অ্যাথলিটদের জন্য ন্যায্য প্রতিযোগিতা দিতে পারবে’।

ব্রিসবেন ২০৩২-এর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু লিভারিস গত বছর কুমিরের বিষয়টি খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘সমুদ্রে হাঙর আছে, তবু আমরা সার্ফিং করি। এটা করা যায় না, এমন মানসিকতা বদলাতে হবে’।

বৃহস্পতিবার এই ভেন্যুর অনুমোদন পাওয়ার পর লিভারিস বলেন, ‘এই অনুমোদন আমাদের অতিরিক্ত নিশ্চয়তা দিচ্ছে, যখন আমরা ভেন্যু পরিকল্পনা আর গেমস আয়োজনের পরের ধাপে যাচ্ছি। এতে ভবিষ্যতের সব নকশা আর পরিচালনার কাজ পুরোপুরি রকহ্যাম্পটনকে কেন্দ্র করেই এগোবে’।

লোনা জলের কুমির, স্থানীয় ভাষায় যাদের বলা হয় ‘স্যালটিজ’, তারা মিঠা পানি আর লোনা পানি দুই জায়গাতেই বাস করে। এদের দৈর্ঘ্য ছয় মিটারেরও বেশি হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি অলিম্পিক সোনাজয়ী সাবেক রোয়ার ড্রু গিন এই ভেন্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিবিসি রেডিওকে তিনি বলেন, বন্যার ঝুঁকি আর প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা নিয়ে তার সংশয় আছে। ব্রিসবেন থেকে ছয়-সাত ঘণ্টা দূরের এই জায়গায় অ্যাথলিট আর দর্শকদের অভিজ্ঞতা নিয়েও তিনি চিন্তিত।

গিন বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি অস্ট্রেলিয়ার প্রাণীদের ভয় পাই না, তবে কখনো কুমির আমার কাছাকাছি আসেনি’।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, আমি আরও জোরে বৈঠা চালাতাম, সব অ্যাথলিটই হয়তো জোরে চালাতেন। এই বিষয়টা উদ্বেগের তালিকায় আছে, তবে আমার মনে হয় না এটা সবচেয়ে বড় উদ্বেগ, কিন্তু শুরুর দিকেই এটা নিয়ে কথা উঠেছিল। নদী থেকে কুমির সরিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে গেলে মনে প্রশ্ন জাগে, আন্তর্জাতিক রোয়িং সংস্থা কি সত্যিই অ্যাথলিটদের এমন ঝুঁকিতে ফেলতে চায়’।

প্রযুক্তিগত মূল্যায়নের পর রোলঁ এবং কনিয়েটজকো এই ভেন্যুকে ন্যায্য বলে মনে করলেও গিনের সংশয় এখনো কাটেনি। তিনি বলেন, ‘একটা প্রতিযোগিতার ফল আধা সেকেন্ডে নির্ধারণ হতে পারে, অথচ বিভিন্ন লেনে দুই-তিন সেকেন্ডের পার্থক্য দেখা যেতে পারে, এই ভাবনাটাই আমাকে ভাবায়’।

তিনি যোগ করেন, ‘রকহ্যাম্পটন দারুণ একটা শহর বলে আমি মনে করি, তবে এভাবে ভেন্যুগুলো ছড়িয়ে দিয়ে অলিম্পিক গেমস আয়োজন করা উচিত নয় বলেই আমি মনে করি। এতে অ্যাথলিট আর দর্শকদের অভিজ্ঞতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল বিভাগে লোডশেডিং, হাসপাতালে গড়ে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


বরিশাল বিভাগে লোডশেডিং, হাসপাতালে গড়ে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না

দক্ষিণে সাগরকূলের শেষ জনপদ বরগুনার পাথরঘাটা। এই উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রয়েছে ৫০ শয্যার একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। গত মঙ্গলবার রাত ১১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টায় ১৭ বার এই হাসপাতালের বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করেছে। প্রতিবারই ১০ থেকে ৩০ মিনিট করে বিদ্যুৎ ছিল না। ফলে প্রচণ্ড গরমে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা বেকায়দায় পড়েন। যেসব রোগী উঠে বসতে পারেন, তারা বিছানা ছেড়ে বাইরে গিয়ে বসে ছিলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান জানান, এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি জেনারেটর থাকলেও সেটি সচল নয়।

শুধু পাথরঘাটাই নয়, বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলা সদর হাসপাতাল ও ৩৫ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির একই দশা। কিছু কিছু হাসপাতালে জেনারেটর আছে, কিন্তু তেল সংকট দেখিয়ে চালানো হয় না। বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এক বছর ধরে জ্বালানি বরাদ্দ বন্ধ। তবে বেশির ভাগ হাসপাতালে জেনারেটরই নেই। ফলে বিদ্যুতের চলমান সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও স্বজনরা। 

 

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক, রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় গড়ে অন্তত ৮ ঘণ্টা হাসপাতালে বিদ্যুৎ থাকে না। বিকল্প ব্যবস্থাও নেই এসব হাসপাতালে। জরুরি অস্ত্রোপচার কার্যক্রমও তখন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে লোডশেডিংয়ের সময় রোগী ও স্বজনদের দুঃসহ সময় কাটাতে হয়। 
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা হিসেবে জেনারেটর সরবরাহ করা হয়নি। ছয়টি জেলা সদর হাসপাতাল ও ১১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর আছে। এর মধ্যে ১০টি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অচল। অর্থ বরাদ্দের অভাবে জ্বালানি কিনতে না পারায় এসব জেনারেটর চালানো হয় না। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে প্যাথলজি বিভাগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ থাকছে; অস্ত্রোপচার কক্ষে ব্যাহত হচ্ছে জরুরি অস্ত্রোপচার। 

পটুয়াখালী শহরে ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা জানান, এ হাসপাতালে জেনারেটর আছে। তবে জেনারেটরের বিদ্যুৎ সংযোগ হাসপাতালের বিশেষ কিছু জায়গার জন্য নির্ধারিত। সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জেনারেটর ও ফুয়েল ব্যবহারের ব্যবস্থা করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তেনমং জানান, হাসপাতালে জেনারেটর আছে; তেল সরবরাহ না থাকায় চলানো হয় না। বর্তমানে জেনারেটরের ব্যাটারি নষ্ট। লোডশেডিংয়ের সময় আইপিএস দিয়ে আলোর ব্যবস্থা হলেও ফ্যান বন্ধ থাকে। 

 

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান বলেন, লোডশেডিংয়ের জন্য দিনের তিন ভাগের এক ভাগ সময় রোগীদের বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হয়। তখন অস্ত্রোপচারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো লাভ হয়নি।

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমরানুরের ভাষ্য, নিজস্ব অর্থায়নে জেনারেটর কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে সরকারিভাবে জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় ওই সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এসেছি।

বরিশাল নগরীতে ১০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের একমাত্র জেনারেটরটি কবে থেকে বিকল, তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. মলয় কৃষ্ণ বড়াল জানান, তিনি অনেক বছর আগে এ হাসপাতালে যোগদান করে জেনারেটরটি বিকল অবস্থায় পেয়েছেন। করোনা মহামারির সময়ে সেটি সচল করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু প্রকৌশলীরা জানিয়ে দিয়েছেন, এটি আর সচল হবে না। 

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার জানিয়েছেন, বিভাগের ছয় জেলা শহরে ছয়টি ও ৩৫টি উপজেলায় হাসপাতাল রয়েছে। বেশির ভাগের জেনারেটর বিকল। তবে এর সঠিক সংখ্যা তিনি তাৎক্ষণিক দিতে পারেননি। তাঁর ভাষ্য, জ্বালানির জন্য অর্থ বরাদ্দ খুবই সীমিত, যে কারণে কোনো হাসপাতালেই জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হয় না। চলমান লোডশেডিংয়ে হাসপাতালগুলোর অচলাবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবর খুঁড়তে খুঁড়তেই কেটে গেল ৮২ বছর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


কবর খুঁড়তে খুঁড়তেই কেটে গেল ৮২ বছর

কবর খোঁড়ার কাজে প্রথম কোদাল হাতে ওঠে ছয় বছর বয়সে আবদুস সোবহান টুলুর। এরপর থেকে তিনি আর থামেননি। কবর খুঁড়তে খুঁড়তে ৮২ বছর কেটে গেছে। তিনি একে একে ১৫ হাজারেরও বেশি কবর খুঁড়েছেন। গাইবান্ধা শহরের মমিনপাড়ার বাসিন্দা আবদুস সোবহান টুলু, যিনি স্থানীয়দের কাছে ‘টুলু চাচা’ নামে পরিচিত, অগণিত মানুষের শেষ বিদায়ের সাক্ষী। জীবনের একটি বড় অংশ তিনি মানুষের শেষযাত্রার প্রস্তুতি করে কাটিয়েছেন। কখনও ভোরে, কখনও গভীর রাতে—মৃত্যুর খবর এলেই তিনি কবরস্থানে ছুটে যান। তার লক্ষ্য হলো মানুষের শেষ সম্মান নিশ্চিত করা।

১৯৪৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর আবদুস সোবহান টুলুর জন্ম। ১৯৫০ সালে মাত্র ছয় বছর বয়সে বড় ভাই ও স্থানীয়দের সঙ্গে পৌর গোরস্তানে গিয়ে প্রথম কবর খোঁড়ার কাজে হাতেখড়ি হয় তার। এরপর থেকে নিয়মিত কবর খোঁড়া ও দাফনের কাজে যুক্ত হন। পৌরসভায় অস্থায়ী গোরখোদক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে বিনা পারিশ্রমিকেই কাজ করেছেন। ১৯৮৯ সালে পৌরসভায় অস্থায়ী গোরখোদক হিসেবে নিয়োগ পান। তখন তার মাসিক বেতন ছিল পাঁচ হাজার টাকা, যা বর্তমানে বেড়ে নয় হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।

দিন কিংবা রাত— শহরের কোথাও মৃত্যুর খবর এলেই টুলু চাচার ডাক পড়ে। যখন একটি পরিবার স্বজন হারানোর শোকে মুহ্যমান, তখন তিনি নীরবে কবর খুঁড়ে শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন।

টুলু মিয়া বলেন, "কখনও ভোর হওয়ার আগেই ছুটতে হয়েছে। কখনও গভীর রাতে। নির্জন কবরস্থানে কাজ করতে গিয়ে নানা অভিজ্ঞতা হয়েছে। দেখেছি ক্ষত-বিক্ষত লাশ। কবর থেকে আগুন বের হতে দেখেছি। জিন দেখার গল্পও শুনেছি। তবে এসবের কোনো প্রমাণ পাইনি।"

এত অল্প বেতনে এত দীর্ঘ সময় এই কাজ করে কোনো আক্ষেপ আছে কিনা— জানতে চাইলে টুলু মিয়া জানান, "তেমন আক্ষেপ নেই। মানুষের শেষ বিদায়ের কাজে থাকতে পারাটাকেই সৌভাগ্য মনে করি।" তার ভাষায়, "আল্লাহকে খুশি রাখতে পারাটাই আমার একমাত্র আরাধনা।" অভাব ছিল, এখনও আছে। কিন্তু কাজ কখনও ছাড়েননি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজটি করে যেতে চান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে শাহিনুর বেগম চৌধুরীর সঙ্গে টুলু মিয়ার বিয়ে হয়। অভাবের কারণে লেখাপড়া বেশি দূর এগোয়নি। ১৯৬০ সালে জেলা শহরের পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন।

তাদের সংসারে সাত মেয়ে সন্তান রয়েছে। বর্তমানে চার মেয়ে জীবিত।

স্বামীর কবর খোঁড়ার কাজকে গর্বের সঙ্গে দেখেন স্ত্রী শাহিনুর বেগম। তবে বিয়ের পর বিষয়টি তার কাছে সহজ ছিল না। তিনি বলেন, "মাঝরাতে কারও মৃত্যুর খবর এলেই ঘুম থেকে উঠে চলে যেতেন। এমনও হয়েছে, ভাত খেতে বসেছি— হঠাৎ ডাক এসেছে। ভাত রেখেই চলে গেছেন। প্রথম দিকে খুব বিরক্ত লাগত। পরে বুঝেছি, এটা শুধু তার কাজ নয়, দায়িত্ব।"

স্থানীয়দের ভাষ্য, টুলু মিয়ার কাজ কেবল কবর খোঁড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অনেক সময় তিনি নিজ উদ্যোগে কাফনের কাপড়, বাঁশসহ দাফনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করে দেন।

৫৫ বছর বয়সী রেজাউন্নবী রাজু বলেন, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যেই টুলু এই কাজ করেন। তার মতো মানুষ সমাজের গর্ব।

মুনশিপাড়ার বাসিন্দা জাভেদ হোসেন বলেন, এলাকায় কেউ মারা গেলে মসজিদে ঘোষণা হলেই তাকে খবর দেওয়া হয়। তিনি কবর খোঁড়ার পাশাপাশি কাফনের কাপড়, বাঁশসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও সংগ্রহ করে দেন। এমন নির্লোভ মানুষ এখন খুবই কম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%