ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর সবকিছু আগের মতো চলবে না: জার্মান এফএ


বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর সবকিছু আগের মতো চলবে না: জার্মান এফএ

বিশ্বকাপ থেকে জার্মানীর চমকপ্রদ বিদায়ের পর মঙ্গলবার জার্মান ফুটবল ফেডারেশন (ডিএফবি) কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যানকে সরাসরি সমর্থন জানানোর বিষয়ে বিরত ছিল। সংস্থাটি জানিয়েছে, শেষ-৩২ পর্বে হতাশাজনক হারের পর তাদের কাছে আর কিছুই আগের মতো চলতে পারবে না।

সোমবার অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বিদায় নেয় জার্মানী। এর ফলে গত এক দশক ধরে বড় টুর্নামেন্টগুলোতে দলটির হতাশাজনক পারফরম্যান্সের ধারা আরও দীর্ঘ হলো।

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানী সর্বশেষ তিনটি বিশ্বকাপেই আগেভাগে বিদায় নেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরং সর্বশেষ দুটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপেও তারা কোয়ার্টার-ফাইনালের গন্ডি পার হয়ে উঠতে পারেনি।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির বিষয়ে নতুন তথ্য দেয়নি

সোমবারের ম্যাচটি ছিল ২০১৪ সালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপজেতার পর জার্মানির প্রথম নকআউট ম্যাচ।

ডিএফবির সভাপতি বের্ন্ড নয়েনডর্ফ ঘোষণা করেছেন যে, বিশ্বকাপে জার্মানির ব্যর্থতার কারণ বিশ্লেষণ করার জন্য তদন্ত করা হবে। সেখানে নাগেলসম্যানের ভবিষ্যৎ এবং ক্রীড়া কাঠামোয় সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার জার্মান গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, একটি নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন বাতিল করা হয়েছে এবং তার পরিবর্তে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে ডিএফবি। সেই বিবৃতিতে সমর্থকদের কাছে ‘তীব্র হতাশাজনক পরাজয়ের’ জন্য ক্ষমা চাওয়া হয়েছে।

নয়েনডর্ফ নিশ্চিত করেছেন যে, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের বিষয় নিয়ে তিনি ইতোমধ্যেই নাগেলসম্যান এবং ক্রীড়া পরিচালক রুডি ফয়লারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে মাদক কারবারিকে আটক করে থানায় ফেরার পথে পুলিশ সদস্যসহ নিহত ২

বিবৃতিতে নয়েনডর্ফ বলেছেন, “আমরা সবাই একমত যে, বিশ্বকাপে আমাদের পারফরম্যান্স আমাদের নিজেদের মানদণ্ডের অনেক নিচে ছিল।”

তিনি আরও মন্তব্য করেছেন, “আগামী কয়েকদিনে আমরা ঠান্ডা মাথায় সম্মিলিত আলোচনা করব, কেন দলটি নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দেখাতে সক্ষম হয়নি এবং কেন তারা নিজেদের প্রত্যাশা এবং জার্মান ফুটবল পরিবারের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। এমন বিধ্বংসী ধাক্কা পাওয়ার পর আমরা কোনোভাবেই কিছুর চলনে পুরনো অবস্থায় ফিরতে পারি না এবং ফিরবেও না। সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, সেগুলোর দিকে নজর রেখেই আমাদের পরিবর্তনের পথে এগোতে হবে।”

২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়ার সময় নাগেলসম্যানের উপস্থিতি ছিল। তার আগে হান্সি ফ্লিক জার্মানির ইতিহাসে প্রথম কোচ হিসেবে বরখাস্ত হয়েছিলেন। নাগেলসম্যানের সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও এই পরাজয়ের পর তাকে ঘিরে সমালোচনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৯৯০ সালে পশ্চিম জার্মানীর হয়ে বিশ্বকাপজয়ী লোথার ম্যাথুস বলেছেন, ডিএফবির নাগেলসম্যানকে দায়িত্বে রাখা উচিত নয়। তার মতে, কোচের কৌশলে সৃজনশীলতার ঘাটতি ছিল।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ইলিশ শিকারের দায়ে ২০ জেলের কারাদণ্ড

২০১৪ সালের বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার ম্যাটস হামেলসও জানিয়েছেন, এই ব্যর্থতার জন্য “দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পরিণতি ভোগ করতে হবে।” তিনি আরো যোগ করেছেন, জার্মানীর হতাশাজনক ফলাফল “কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়।”

ম্যাচের পর ফয়লার নাগেলসম্যানকে “শীর্ষমানের কোচ” এবং “লড়াকু” হিসেবে প্রশংসা করলেও, তাকে পূর্ণ সমর্থন দিতে চাননি।

তিনি বলেছেন, “আমি এখনো বিশ্বাস করি, দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার জন্য সম্ভবত তিনিই সঠিক ব্যক্তি। তবে ডিএফবি শুধুই আমি নই। সিদ্ধান্তটা একাই আমার নয়।”

নাগেলসম্যানের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রায়ই যিনি নাম শোনা যায়, সেই সাবেক লিভারপুল ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ড কোচ জার্গেন ক্লপ সোমবার বলেছেন, জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করার সময় এই মুহূর্তে নয়।

আরও পড়ুন: মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হন তিন বন্ধু, এরপর ৩০০ ফিটেই ঘটে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ

জার্মান টেলিভিশনে বিশ্লেষকের দায়িত্ব পালনকালে ক্লপ বলেছেন, “এ নিয়ে আমি এখনো ভাবিনি। একজন কোচ হিসেবে আমিও বহুবার এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি, যখন বড় একটি স্বপ্ন ভেঙে গেছে। জাতীয় দলের কোচ হওয়ার বিষয়ে আমার নাম সামনে আসবে, সেটি আমি বুঝি। তবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য এখন মোটেও উপযুক্ত সময় নয়, বিশেষ করে আমার অবস্থান থেকেও তা হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ এম


জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ

জনগণের ন্যায় বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার পুলিশ সদরদপ্তরে অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি এবং জেলার পুলিশ সুপারগণ। এছাড়াও এতে ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, ডিআইজি (অপারেশনস) মো. রেজাউল করিম ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মামলা তদন্তে তদারকি বাড়ানোর জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে অতিরিক্ত আইজি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, পেশাদারিত্বের সঙ্গে মামলা তদন্ত করে দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশ সদস্যদের নিজের এবং সরকারি সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন তিনি।

দুই দিনব্যাপী মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার প্রথম দিনে মেট্রোপলিটন ও রেঞ্জ এবং মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে বিশেষায়িত ইউনিটের কর্মকর্তাগণ অংশ গ্রহণ করেন।

সভায় চলতি বছর মে মাসের সার্বিক অপরাধ পর্যালোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নীতি বহাল, ট্রাম্প বললেন ‘দেশের জন্য খুব খারাপ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নীতি বহাল, ট্রাম্প বললেন ‘দেশের জন্য খুব খারাপ’

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়ার মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়মকে বাতিল করতে চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তার সেই আদেশে বাধা দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্প এখন নতুন আইন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

ক্ষমতায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে, ট্রাম্প একটি বিশেষ আদেশে সই করেছিলেন। সেই নির্দেশনায় উল্লেখ ছিল, বৈধ কাগজ ছাড়া কিংবা অস্থায়ী ভিসায় যারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। এই পরিবর্তনের ফলে বছরে আড়াই লাখ শিশু নাগরিক অধিকারবঞ্চিত হত।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস জানিয়ে দিয়েছেন, ট্রাম্পের এই আদেশ আমেরিকার সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর বিরুদ্ধে। সংবিধানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বাবা-মায়ের বৈধ কাগজ থাকুক বা না থাকুক, আমেরিকার মাটিতে জন্ম নেওয়া প্রায় সকলেরই জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাবে।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে ট্রাম্প বেশ হতাশ। তিনি তার সামাজিক মাধ্যম ১ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ‘এই রায় দেশের জন্য খুব খারাপ।’ এছাড়া ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, আদালতের মাধ্যমে না হলেও কংগ্রেসের সহযোগিতায় নতুন আইন করে এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হবে। নিজের দলের নিয়োগ দেওয়া বিচারকদের এমন রায় নিয়ে তার অভিবাসন নীতি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেছেন।

ট্রাম্পের দাবি, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার এই নিয়মের কারণে দেশে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে। তাই আদালতের বাধা পাওয়ার পর বর্তমানে তিনি নতুন আইন পাসের দিকে জোর দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনচেলত্তি, যিনি ধৈর্য্য ধরতে জানেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


আনচেলত্তি, যিনি ধৈর্য্য ধরতে জানেন

একটি অভিশপ্ত ইতিহাসের সঙ্গে চব্বিশ বছর! নকআউটে যখন প্রথম গোল হজম করে ব্রাজিল, তখন মাঠ থেকে বিদায় যেন নিশ্চিত। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করার পর দুই দশকেরও বেশি সময় চলে গেছে কিন্তু সেলেসাওরা খোলস ছেড়ে বের হতে পারেনি। হিউস্টনের শেষ বত্রিশের ম্যাচে যখন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা জাপানের বিপক্ষে গোল খেয়ে বসে, তখন গ্যালারিতে আবারও সেই চেনা শঙ্কার কালো মেঘ দেখা গেল। কোটি ভক্তের বুক দুরুদুরু; আবার কি ইতিহাস পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে? আবার কি নকআউট থেকেই বিদায় নেবে তারা?

কিন্তু না! ডাগআউটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ইতালিয়ান ভদ্রলোক, যিনি চুইংগাম চিবাচ্ছেন, যেন অন্য ধাতুতে গড়া। তার নাম কার্লো আনচেলত্তি! খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থেকেও যার বিশ্বাসে একটুও চিঁড়ে ধরেনি। বিরতির পর ড্রেসিংরুমে চাণক্য আনচেলত্তির একটাই মন্ত্র ছিল ‘ধৈর্য হারিও না, গোল আমরা পাবই!’ তাই গুরুর সেই বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে দ্বিতীয়ার্ধে এক অন্য ব্রাজিল খোলস ছেড়ে বের হলো। ৫৬ মিনিটে অভিজ্ঞ ক্যাসেমিরো একটি বুলেট হেডারে সমতায় ফিরে এলো। আর ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে পঁচানব্বই মিনিটে গাব্রিয়েল মার্তেনেল্লির সেই জাদুকরী গোল। গ্যালারিতে তখন আনন্দের সুনামি বইতে লাগল, আর মার্তেনেল্লি নিজেও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না কী অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি!

ম্যাচ শেষে আনচেলত্তির চোখে-মুখে সেই চেনা রিল্যাক্সড হাসি দেখা গেল। রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে বসে তিনি এমন বহু রূপকথা নতুন করে লিখেছেন, এজন্য তিনি বললেন দলের কেউই বিশ্বাস হারায়নি যে গোল আসবে না। তবে এই রোমাঞ্চকর জয়ের রাতেও ভক্তদের মনে একটি খটকা থেকে গেছে। ডাগআউটে পুরো সময় বসে থাকা নেইমারকে কেন মাঠে নামানো হলো না? আনচেলত্তি নিজেই রহস্যের জট খুলেছেন। তিনি বলেছেন, ম্যাচ যদি অতিরিক্ত সময়ে গড়াত, তবে মাঠে নামতেন নেইমার। কিন্তু ক্যাসেমিরো ও মার্তেনেল্লিরা নির্ধারিত সময়েই কাজ সেরে ফেলায় কৌশল বদলানোর ঝুঁকি নেননি ডন কার্লো।

জাপানের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভেঙে এই কষ্টার্জিত জয়কে ক্যাসেমিরো ধৈর্যের ফল হিসেবে দেখছেন। কিন্তু রোমাঞ্চকর এই রূপকথার রাতের শেষে ব্রাজিলের কপালে চিন্তার ভাঁজ রইলো। ম্যাচ শেষে চোটের মিছিলে যোগ দিয়েছেন গোলদাতা ক্যাসেমিরো এবং লুকাস পাকেতা। শেষ ষোলোর মহাযুদ্ধের আগে এই দুই তারকার চোটের পরিস্থিতি কতটা গুরুতর, তা জানার জন্য এখন পুরো ব্রাজিলিয়ান শিবিরের চোখ চব্বিশ ঘণ্টার মেডিকেল রিপোর্টের দিকে। ইতিহাস ভেঙে ব্রাজিল তো ঘুরে দাঁড়ালো, কিন্তু চোটের এই নতুন ধাক্কা সামলে আনচেলত্তির সেনারা হেক্সার মিশনে কতদূর যাবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুদের হার বৃদ্ধি, অস্ট্রেলিয়ায় কমছে বাড়ির দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


সুদের হার বৃদ্ধি, অস্ট্রেলিয়ায় কমছে বাড়ির দাম

ঋণের উচ্চ ব্যয় (সুদের হার বৃদ্ধি) এবং বিনিয়োগের ওপর কঠোর কর আরোপের কারণে বড় ধরনের মন্দার মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার আবাসন খাত। যার ফলে গত জুন মাসে দেশটির আবাসন বাজারে গত সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন রেকর্ড করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে গত পাঁচ বছর ধরে চলা আবাসন খাতের রেকর্ড ম্লান হয়ে গেল।

আবাসন খাতের গবেষণা সংস্থা ‘কোটালিটি’-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসের তুলনায় জুন মাসে দেশটিতে সামগ্রিকভাবে বাড়ির দাম ০.৪% কমেছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর এটিই আবাসন বাজারে সবচেয়ে বড় মাসিক পতন। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বড় শহরগুলোর মধ্যে সিডনি ও মেলবোর্নে বাড়ির দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে।

জুনে সিডনিতে মূল্য কমেছে ১.২% এবং মেলবোর্নে কমেছে ১%। মাঝারি আকারের শহরগুলোর মধ্যেও প্রবৃদ্ধির গতি থমকে গেছে; যেমন অ্যাডিলেডে মূল্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি, ব্রিসবেনে ০.৩% এবং পার্থে মাত্র ০.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যের এই নিম্নমুখী ধারা থেকে স্পষ্ট যে, গত মার্চ মাসেই অস্ট্রেলিয়ার আবাসন বাজারের মূল্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল এবং বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) সামগ্রিক মূল্য ০.৭% কমেছে। তবে এই পতনের পরও বছরের ব্যবধানে বাড়ির দাম এখনো ৭.৩% বেশি রয়েছে।

কোটালিটির গবেষণা পরিচালক টিম ললেস জানিয়েছেন, সুদের হার বাড়ার আগে থেকেই জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা ক্রেতাদের চাহিদার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সরকারের নতুন সম্পত্তি কর নীতি, যা ক্রেতাদের মনে শঙ্কা তৈরি করেছে এবং বাজারকে আরো দুর্বল করে তুলেছে।

এ প্রসঙ্গে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্ট্রেলিয়া (আরবিএ) জানিয়েছে, সুদের হার বৃদ্ধির ফলে আবাসন বাজার কিছুটা শিথিল হওয়া এবং গৃহঋণ কমে যাওয়াটা প্রত্যাশিতই ছিল। তবে বাজারে বড় ধরনের ধস নামলে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আর্থিক তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইকুইফ্যাক্স-এর তথ্য অনুযায়ী, মে মাস পর্যন্ত গত পাঁচ মাসে বন্ধকী বা গৃহঋণের (মর্টগেজ) চাহিদা ৬.৬% কমেছে।

বিশেষ করে নতুন বা প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে যাওয়া ক্রেতাদের অনুসন্ধানের হার এক ধাক্কায় ৯.১% হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে রাজধানী শহরগুলোতে নিলামে বাড়ি বিক্রির হার কমে ৪৭.৪%-এ নেমে এসেছে, যা ২০২০ সালের এপ্রিলের (কোভিড লকডাউনের সময়) পর সর্বনিম্ন।

আবাসন খাতের এই মন্দা কেবল বাড়ি কিনতে বা বিক্রিতে সীমাবদ্ধ নয়; রিয়েল এস্টেট সেবা থেকে শুরু করে নির্মাণ শিল্প পর্যন্ত বিভিন্ন খাতের সাথে এর গভীর সংযোগ থাকায়, এই ধারাবাহিক পতন অস্ট্রেলিয়ার সামগ্রিক অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%