ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নীতি বহাল, ট্রাম্প বললেন ‘দেশের জন্য খুব খারাপ’


সুপ্রিম কোর্টে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নীতি বহাল, ট্রাম্প বললেন ‘দেশের জন্য খুব খারাপ’

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়ার মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়মকে বাতিল করতে চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু দেশটির সুপ্রিম কোর্ট তার সেই আদেশে বাধা দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্প এখন নতুন আইন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

ক্ষমতায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে, ট্রাম্প একটি বিশেষ আদেশে সই করেছিলেন। সেই নির্দেশনায় উল্লেখ ছিল, বৈধ কাগজ ছাড়া কিংবা অস্থায়ী ভিসায় যারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। এই পরিবর্তনের ফলে বছরে আড়াই লাখ শিশু নাগরিক অধিকারবঞ্চিত হত।

কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস জানিয়ে দিয়েছেন, ট্রাম্পের এই আদেশ আমেরিকার সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর বিরুদ্ধে। সংবিধানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বাবা-মায়ের বৈধ কাগজ থাকুক বা না থাকুক, আমেরিকার মাটিতে জন্ম নেওয়া প্রায় সকলেরই জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাবে।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী এসএএফএনের অনারারি সিনিয়র ফেলো নিযুক্ত

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তে ট্রাম্প বেশ হতাশ। তিনি তার সামাজিক মাধ্যম ১ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ‘এই রায় দেশের জন্য খুব খারাপ।’ এছাড়া ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, আদালতের মাধ্যমে না হলেও কংগ্রেসের সহযোগিতায় নতুন আইন করে এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হবে। নিজের দলের নিয়োগ দেওয়া বিচারকদের এমন রায় নিয়ে তার অভিবাসন নীতি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেছেন।

ট্রাম্পের দাবি, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার এই নিয়মের কারণে দেশে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা বাড়ছে। তাই আদালতের বাধা পাওয়ার পর বর্তমানে তিনি নতুন আইন পাসের দিকে জোর দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনচেলত্তি, যিনি ধৈর্য্য ধরতে জানেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ এম


আনচেলত্তি, যিনি ধৈর্য্য ধরতে জানেন

একটি অভিশপ্ত ইতিহাসের সঙ্গে চব্বিশ বছর! নকআউটে যখন প্রথম গোল হজম করে ব্রাজিল, তখন মাঠ থেকে বিদায় যেন নিশ্চিত। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করার পর দুই দশকেরও বেশি সময় চলে গেছে কিন্তু সেলেসাওরা খোলস ছেড়ে বের হতে পারেনি। হিউস্টনের শেষ বত্রিশের ম্যাচে যখন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা জাপানের বিপক্ষে গোল খেয়ে বসে, তখন গ্যালারিতে আবারও সেই চেনা শঙ্কার কালো মেঘ দেখা গেল। কোটি ভক্তের বুক দুরুদুরু; আবার কি ইতিহাস পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে? আবার কি নকআউট থেকেই বিদায় নেবে তারা?

কিন্তু না! ডাগআউটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ইতালিয়ান ভদ্রলোক, যিনি চুইংগাম চিবাচ্ছেন, যেন অন্য ধাতুতে গড়া। তার নাম কার্লো আনচেলত্তি! খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থেকেও যার বিশ্বাসে একটুও চিঁড়ে ধরেনি। বিরতির পর ড্রেসিংরুমে চাণক্য আনচেলত্তির একটাই মন্ত্র ছিল ‘ধৈর্য হারিও না, গোল আমরা পাবই!’ তাই গুরুর সেই বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে দ্বিতীয়ার্ধে এক অন্য ব্রাজিল খোলস ছেড়ে বের হলো। ৫৬ মিনিটে অভিজ্ঞ ক্যাসেমিরো একটি বুলেট হেডারে সমতায় ফিরে এলো। আর ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে পঁচানব্বই মিনিটে গাব্রিয়েল মার্তেনেল্লির সেই জাদুকরী গোল। গ্যালারিতে তখন আনন্দের সুনামি বইতে লাগল, আর মার্তেনেল্লি নিজেও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না কী অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি!

ম্যাচ শেষে আনচেলত্তির চোখে-মুখে সেই চেনা রিল্যাক্সড হাসি দেখা গেল। রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে বসে তিনি এমন বহু রূপকথা নতুন করে লিখেছেন, এজন্য তিনি বললেন দলের কেউই বিশ্বাস হারায়নি যে গোল আসবে না। তবে এই রোমাঞ্চকর জয়ের রাতেও ভক্তদের মনে একটি খটকা থেকে গেছে। ডাগআউটে পুরো সময় বসে থাকা নেইমারকে কেন মাঠে নামানো হলো না? আনচেলত্তি নিজেই রহস্যের জট খুলেছেন। তিনি বলেছেন, ম্যাচ যদি অতিরিক্ত সময়ে গড়াত, তবে মাঠে নামতেন নেইমার। কিন্তু ক্যাসেমিরো ও মার্তেনেল্লিরা নির্ধারিত সময়েই কাজ সেরে ফেলায় কৌশল বদলানোর ঝুঁকি নেননি ডন কার্লো।

জাপানের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভেঙে এই কষ্টার্জিত জয়কে ক্যাসেমিরো ধৈর্যের ফল হিসেবে দেখছেন। কিন্তু রোমাঞ্চকর এই রূপকথার রাতের শেষে ব্রাজিলের কপালে চিন্তার ভাঁজ রইলো। ম্যাচ শেষে চোটের মিছিলে যোগ দিয়েছেন গোলদাতা ক্যাসেমিরো এবং লুকাস পাকেতা। শেষ ষোলোর মহাযুদ্ধের আগে এই দুই তারকার চোটের পরিস্থিতি কতটা গুরুতর, তা জানার জন্য এখন পুরো ব্রাজিলিয়ান শিবিরের চোখ চব্বিশ ঘণ্টার মেডিকেল রিপোর্টের দিকে। ইতিহাস ভেঙে ব্রাজিল তো ঘুরে দাঁড়ালো, কিন্তু চোটের এই নতুন ধাক্কা সামলে আনচেলত্তির সেনারা হেক্সার মিশনে কতদূর যাবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুদের হার বৃদ্ধি, অস্ট্রেলিয়ায় কমছে বাড়ির দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৭ এম


সুদের হার বৃদ্ধি, অস্ট্রেলিয়ায় কমছে বাড়ির দাম

ঋণের উচ্চ ব্যয় (সুদের হার বৃদ্ধি) এবং বিনিয়োগের ওপর কঠোর কর আরোপের কারণে বড় ধরনের মন্দার মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার আবাসন খাত। যার ফলে গত জুন মাসে দেশটির আবাসন বাজারে গত সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন রেকর্ড করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে গত পাঁচ বছর ধরে চলা আবাসন খাতের রেকর্ড ম্লান হয়ে গেল।

আবাসন খাতের গবেষণা সংস্থা ‘কোটালিটি’-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসের তুলনায় জুন মাসে দেশটিতে সামগ্রিকভাবে বাড়ির দাম ০.৪% কমেছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পর এটিই আবাসন বাজারে সবচেয়ে বড় মাসিক পতন। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বড় শহরগুলোর মধ্যে সিডনি ও মেলবোর্নে বাড়ির দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে।

জুনে সিডনিতে মূল্য কমেছে ১.২% এবং মেলবোর্নে কমেছে ১%। মাঝারি আকারের শহরগুলোর মধ্যেও প্রবৃদ্ধির গতি থমকে গেছে; যেমন অ্যাডিলেডে মূল্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি, ব্রিসবেনে ০.৩% এবং পার্থে মাত্র ০.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যের এই নিম্নমুখী ধারা থেকে স্পষ্ট যে, গত মার্চ মাসেই অস্ট্রেলিয়ার আবাসন বাজারের মূল্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল এবং বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) সামগ্রিক মূল্য ০.৭% কমেছে। তবে এই পতনের পরও বছরের ব্যবধানে বাড়ির দাম এখনো ৭.৩% বেশি রয়েছে।

কোটালিটির গবেষণা পরিচালক টিম ললেস জানিয়েছেন, সুদের হার বাড়ার আগে থেকেই জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা ক্রেতাদের চাহিদার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সরকারের নতুন সম্পত্তি কর নীতি, যা ক্রেতাদের মনে শঙ্কা তৈরি করেছে এবং বাজারকে আরো দুর্বল করে তুলেছে।

এ প্রসঙ্গে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্ট্রেলিয়া (আরবিএ) জানিয়েছে, সুদের হার বৃদ্ধির ফলে আবাসন বাজার কিছুটা শিথিল হওয়া এবং গৃহঋণ কমে যাওয়াটা প্রত্যাশিতই ছিল। তবে বাজারে বড় ধরনের ধস নামলে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আর্থিক তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইকুইফ্যাক্স-এর তথ্য অনুযায়ী, মে মাস পর্যন্ত গত পাঁচ মাসে বন্ধকী বা গৃহঋণের (মর্টগেজ) চাহিদা ৬.৬% কমেছে।

বিশেষ করে নতুন বা প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে যাওয়া ক্রেতাদের অনুসন্ধানের হার এক ধাক্কায় ৯.১% হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে রাজধানী শহরগুলোতে নিলামে বাড়ি বিক্রির হার কমে ৪৭.৪%-এ নেমে এসেছে, যা ২০২০ সালের এপ্রিলের (কোভিড লকডাউনের সময়) পর সর্বনিম্ন।

আবাসন খাতের এই মন্দা কেবল বাড়ি কিনতে বা বিক্রিতে সীমাবদ্ধ নয়; রিয়েল এস্টেট সেবা থেকে শুরু করে নির্মাণ শিল্প পর্যন্ত বিভিন্ন খাতের সাথে এর গভীর সংযোগ থাকায়, এই ধারাবাহিক পতন অস্ট্রেলিয়ার সামগ্রিক অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ছয় দিন পর জীবিত উদ্ধার তিন বছরের শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ এম


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ছয় দিন পর জীবিত উদ্ধার তিন বছরের শিশু

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ছয় দিন পরে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একটি তিন বছর বয়সী শিশুকে জীবিত উদ্ধার করার খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকারী দলের তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানের একটি উদ্ধারকারী দল বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শিশুটির নাম ক্লাইবার মোরান এবং তাকে লা গুয়াইরা রাজ্যের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আসার সময় উদ্ধারকারীরা উল্লাস প্রকাশ করেছেন। শিশুটির উদ্ধারকে ডেলসি রদ্রিগেজ আশার একটি মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ উল্লেখ করেছে যে, জরুরি ভিত্তিতে কয়েক দশক ধরে হাজার হাজার মানুষের খাদ্য এবং আশ্রয় প্রয়োজন রয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহের ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৯৪৩ জনে পৌঁছেছে। এতে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে এবং আরও কয়েক দশক ধরে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

নাসার স্যাটেলাইটের তথ্য অনুযায়ী, শক্তিশালী ভূমিকম্পে সম্ভাব্যভাবে ৫৮,৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথবা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। জর্ডানের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, ক্লাইবারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে। ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ কোনও সময় এ পরিস্থিতি সম্পর্কে উল্লেখ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষকে জীবিত পাওয়ার সবচেয়ে সম্ভাবনা থাকে প্রথম তিন দিনের মধ্যে, কিন্তু ছয় দিন পরে শিশুটির উদ্ধার কার্যক্রম সফল হয়েছে। লা গুয়াইরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর অন্যতম। সেখানে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা নিজেরাই উদ্ধারকাজ চালানোর চেষ্টা করছেন। মঙ্গলবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, লা গুয়াইরায় খাদ্যসংকট প্রবল আকার ধারণ করেছে। মৌলিক সেবার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইউএনএইচসিআর তাদের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সীমিত থাকায় কমিউনিটিগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।’ লা গুয়াইরার ১৮ বছর বয়সী বিক্রেতা দানিয়েলা আরমাস বলেন, ‘কিছু ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে, কিন্তু কখনও কখনও খাবারের জন্য মানুষ প্রায় একজন আরেকজনকে মারার চেষ্টাও করছেন।’ ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, আগামী ছয় মাসে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ হাজার মানুষের জন্য সুরক্ষা, জরুরি ত্রাণসামগ্রী এবং অস্থায়ী আশ্রয় সহায়তা বাড়াতে তাদের প্রাথমিকভাবে ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার প্রয়োজন।cc

এছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বর্তমানে ‘চরম চাপের’ মধ্যে রয়েছে। ডব্লিউএইচওর মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমেয়ার বলেছেন, ‘টিকাদানের হার নিম্ন থাকায় হাম ও ডিফথেরিয়ার মতো টিকায় প্রতিরোধযোগ্য রোগের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি বেড়েছে।’ হোর্হে রদ্রिगেজ বলেছেন, ‘শিশু ক্লাইবারের উদ্ধার প্রমাণ করে যে এখনও জীবিত মানুষকে খুঁজে পাওয়ার আশা রয়েছে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলো এখনও ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘লা গুয়াইরা ও অন্যান্য রাজ্যে ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।’ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকোসহ আরও কয়েক ডজন দেশের আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল প্রশিক্ষিত কুকুর ও ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জীবিতদের খোঁজে অনুসন্ধান চালিয়েছে। দেশটিতে কিছু আন্তর্জাতিক সহায়তা এসেছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ৪৭ টন মানবিক সহায়তা সামগ্রী এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য কিট, নিরাপদ প্রসব, নবজাতকের পরিচর্যা এবং রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সামগ্রী রয়েছে।

এদিকে, যেসব মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, সেগুলোর দাফন শুরু করেছেন ভেনেজুয়েলার মানুষ। আরও অনেক পরিবার নিজেদের স্বজনদের মরদেহের জন্য অপেক্ষা করছে, যারা মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লা গুয়াইরার বন্দরে স্থাপিত অস্থায়ী মর্গে উইলকার মোলাল্লা এএফপিকে বলেন, ‘আমি আমার বোন, তার সন্তানদের এবং আমার ভাইয়ের সন্তানগুলোর মরদেহ শনাক্ত করার অপেক্ষায় রয়েছি। আমাদের পরিবারে ১১ জন ছিল। আমরা মাত্র দুজন বেঁচে আছি, কারণ আমরা তখন কাজে ছিলাম।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে কূটনৈতিক পথে বিরোধ মেটানোর আহ্বান রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০০ এম


পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে কূটনৈতিক পথে বিরোধ মেটানোর আহ্বান রাশিয়ার

রাশিয়া পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং দীর্ঘদিনের বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দুই দেশকে সশস্ত্র সংঘাত বন্ধ করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথে সমস্যাগুলোর সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

বিবৃতিতে পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রতিক বিমান হামলাকে 'দুঃখজনক ঘটনা' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে, সোমবার জাতিসংঘ জানায়, ওই হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী এবং আফগান তালেবান উভয় পক্ষই আরও বেশি মানুষের মৃত্যুর দাবি করেছে। যদিও তারা সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা জানায়নি।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলেছে, ইসলামাবাদ ও কাবুলের উচিত দ্রুত সশস্ত্র সংঘাত বন্ধ করা। একই সঙ্গে, দুই দেশের মধ্যে যেসব বিরোধ বিদ্যমান, সেগুলো রাজনৈতিক আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন।

এদিকে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, আফগানিস্তানের ভেতরে কিছু জঙ্গি গোষ্ঠী আশ্রয় পাচ্ছে, যারা পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনা ও পরিচালনা করছে। তবে আফগান তালেবান এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য হলো, জঙ্গিবাদ পাকিস্তানের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ সমস্যা এবং এ জন্য আফগানিস্তানকে দায়ী করা যথার্থ নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%