ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব : জাপানের প্রধানমন্ত্রী


তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব : জাপানের প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ঘোষণা এসেছে। একই সাথে, তিনি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রতি জাপানের দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার এক্সে প্রকাশিত একটি পোস্টে সানায়ে তাকাইচি জানান, বাংলাদেশ সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন মূল্যবোধে বিশ্বাসী বন্ধু হিসেবে, তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানাতে পেরে তিনি আনন্দিত।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বাংলাদেশের সরকারকে জাপান দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে। দুই দেশের ‘কৌশলগত অংশীদারি’ এবং ঘোষিত ‘নেতৃবৃন্দের যৌথ বিবৃতি’র ভিত্তিতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও তিনি কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট চালুর সুখবর

তিনি আরও বলেন, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবেন।

সানায়ে তাকাইচি বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশকে একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি) অঞ্চলের বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ সময় বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় বা ‘বিগ-বি’ (BIG-B) উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন দুই দেশের নেতারা। তাকাইচি জানান, তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগটিকে নতুন কৌশলগত সহযোগিতামূলক কাঠামোয় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘শেয়ারিং প্রসপারিটি বিআইজি-বি’ হিসেবে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী জানান, তারেক রহমানের কাছ থেকে তিনি জাপানের ‘শান্তিপ্রিয় জাতি’ হিসেবে পথচলা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর অন্যতম হওয়ার ইতিহাস শুনেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণের কাছে জাপানের বিশেষ স্থান রয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের শিপিং খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী মার্সক, লালদিয়া টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপান সরকার ও জনগণের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাকাইচি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্তকারী বাংলাদেশ জাপানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৭ কোটি মানুষের বিশাল ও তরুণ জনসংখ্যার দেশটিতে অপার সম্ভাবনা বিদ্যমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য: মাহবুব আনাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


সরকারের পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য: মাহবুব আনাম

ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম মন্তব্য করেছেন, সরকার আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পাশাপাশি বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কাজ করছে।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আজ রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফকির মাহবুব আনাম এসব কথা বলেন।

ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ, উচ্চগতির ও সাশ্রয়ী ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে আধুনিক টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশীয় উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা ও প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক।

মন্ত্রী সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সরকার, দেশীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।

হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে হুয়াওয়ে, সরকার এবং শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি সংযোগব্যবস্থা, ক্লাউড ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বৃদ্ধি, নতুন সেবা উদ্ভাবন এবং বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সম্মেলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইদা আফরোজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে ‘ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও কানেক্টিভিটি’, ‘শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তির ভূমিকা’ এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বৈশ্বিক প্রবণতা, প্রভাব ও বাংলাদেশের প্রস্তুতি’ শীর্ষক তিনটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্যানেল আলোচনায় ফাইভ জি ও সংযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তির মাধ্যমে শিল্পখাতের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে বাংলাদেশের প্রস্তুতির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। তৈরি পোশাকশিল্প, বন্দর, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে ফাইভ জি, ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাকসেস এবং এন্টারপ্রাইজ কানেক্টিভিটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া ক্লাউড কম্পিউটিং, অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পরিচালন ব্যয় হ্রাস এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

ব্যাংকিং, উৎপাদন, পণ্য পরিবহন, সরবরাহ ব্যবস্থা ও সরকারি সেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ক্লাউড অবকাঠামো, তথ্যের প্রস্তুতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং সহায়ক নীতিমালার গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা।

সম্মেলনের প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে ডিজিটাল রূপান্তর, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট এডুকেশন, ডিজিটাল পাওয়ার, স্মার্টফোন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক বিভিন্ন সমাধান প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ডিজিটাল পাওয়ার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এন্টারপ্রাইজ এবং ডিজিটাল অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে সরকারি কর্মকর্তা, নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, শিল্পোদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ পাঁচ শতাধিক অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইজিপির বক্তব্যের পক্ষে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


আইজিপির বক্তব্যের পক্ষে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের মন্তব্য, ‘সরকারের অনুমতি পেলে পুলিশ ‘ক্রসফায়ার’ করতে পিছপা হবে না’ নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন তার পক্ষে সাফাই গেয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।

সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, ‘আইজিপির বক্তব্যকে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের যথাযথ, দৃঢ়, আপসহীন বাস্তবায়ন এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগ, অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিতকরণ এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশের সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করার একটি সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।’

আইজিপি সোমবার রাজধানীর চকবাজারে পুলিশের মালিকানাধীন কমিউনিটি ব্যাংকের অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব, আইন-সংবিধান অনুযায়ী যখন যেখানে যা প্রয়োগ করা দরকার, সেইটাই আমরা করব। যেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাও করে, আমরা সেইটা করব।’

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি এড়িয়ে গিয়ে সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলী হোসেন ফকিরের দেওয়া বক্তব্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. মোসলেহ উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন শামীমা পারভীন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পুলিশের আইনানুগ কঠোরতাকে একদিকে নেতিবাচকভাবে দেখা এবং অপরাধ দমনে নিষ্ক্রিয়তাকে অন্যদিকে দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে। অপরাধ দমনে পুলিশ যদি তার আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হয়, তবে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অন্যদিকে, আইনের সীমা অতিক্রম না করে দৃঢ়তা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করার মূল ভিত্তি।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দেশের পরিবর্তিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব কালচার এবং গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের আইন প্রয়োগে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। পুরান ঢাকার চকবাজারে একটি কমিউনিটি ব্যাংকের একটি সেবা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মহোদয়ের বক্তব্যকে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তার বক্তব্যের মূল তাৎপর্য হলো—আইনের সীমার মধ্যে থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিশ্চিত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্তমান সরকার যুবসমাজকে কেবল চাকুরির সন্ধানে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না: ডা. জাহিদ হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


বর্তমান সরকার যুবসমাজকে কেবল চাকুরির সন্ধানে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না: ডা. জাহিদ হোসেন

দিনাজপুর, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বর্তমান সরকার যুবসমাজকে শুধুমাত্র চাকুরির সন্ধানে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না, বরং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং আধুনিক উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি আজ জেলার বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘জব ফেয়ার দিনাজপুর ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি, এ জেড এম রেজওয়ানুল হক এমপি এবং দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেন, সরকারের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো যুবসমাজকে জাগিয়ে তোলা এবং তাদের মেধা ও প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ঘটিয়ে অবাধ সুযোগ সৃষ্টি করা, যাতে তারা সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারে।

তিনি তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চাকুরি খোঁজার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের উদ্যোগী হওয়ার জন্য কাজ করতে হবে। যুবসমাজকে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্যে চিন্তা ও বাস্তবমুখী কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো তরুণদের মনোজগতে উদ্যোক্তা হওয়ার শক্তিশালী আকাঙ্ক্ষা ও অনুপ্রেরণা তৈরি করা। এই জব ফেয়ার তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী হওয়ার বাস্তব পথ দেখাবে।

দেশের ঐতিহ্যবাহী সমাজসেবী ও সফল উদ্যোক্তাদের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা, জহুরুল ইসলাম এবং স্যামসন এইচ চৌধুরীর মতো সফল উদ্যোক্তা ও মানবিক গুণসম্পন্ন আলোকিত মানুষ হতে হবে।

দিনব্যাপী এই জব ফেয়ারকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরসহ গোটা উত্তরাঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

মেলায় দেশি-বিদেশি শতাধিক খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের স্টলগুলোতে চাকুরিপ্রার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যেখানে ২৫ হাজার নিবন্ধিত প্রার্থীসহ ৪০ হাজারের বেশি চাকুরি প্রত্যাশী অংশ নেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে শতাধিক চাকুরি প্রত্যাশী চাকুরি লাভ করেন।

এছাড়াও, প্রতিষ্ঠানগুলোতে জমা পড়া লক্ষাধিক জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) যাচাই-বাছাই শেষে শিগগিরই তাদের আনুষ্ঠানিক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


নারীদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হলো তৃণমূল এবং প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও সচ্ছলতা নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি দ্রুতগতিতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারীর কাছে সরকারি এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘ন্যাশনাল সামিট অন ইয়াং উইমেন’স এমপাওয়ারমেন্ট’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর এ এস এম রহমত উল্লাহ ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের শিক্ষা বিভাগের প্রধান দীপা শংকর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজুল আলম খান এবং ‘আর্ন’ প্রকল্পের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক কাজী মোখলেছুর রহমান।

নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারীদের প্রয়োজন ও প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তাই তৃণমূল নারীদের ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য স্তরের নারীদেরও মানসম্মত শিক্ষা ও আধুনিক দক্ষতার আলোয় সমৃদ্ধ করে আরও যোগ্য করে তুলতে হবে। তরুণ ও নারীদের মেধার যথাযথ বিকাশে সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিতভাবে প্ল্যাটফর্ম তৈরির ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

দেশের জনমিতিক সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) এবং নারীদের গুরুত্ব তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিশাল অংশই উদ্যমী তরুণ-তরুণী। আবার মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের বেশি নারী। তারুণ্যে উদ্দীপ্ত এই নারীদের উপস্থিতির মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে পুরো বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবিই ফুটে উঠেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই বলেন- তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন মানুষ হলেন তাঁর মা, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর কন্যা। নারীদের প্রতি তাঁর সেই গভীর অনুভূতি ও শ্রদ্ধাবোধ রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি নীতিতে প্রতিফলিত হচ্ছে।

ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার কথা স্মরণ করে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশে নারীদের সার্বিক উন্নয়নে পৃথক নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন এবং অর্থনীতিতে নারীর ক্ষমতায়নের মূল ক্ষেত্র গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। পরবর্তীতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালুর মাধ্যমে সাবেক প্রথানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশকে বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন।

সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত নারীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়ে তা বাস্তবায়ন শুরু করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা।

শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি জানান, প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার অংশ হিসেবে আগামী শিক্ষাবর্ষে নতুন বই চালু করা হচ্ছে এবং এ বছর প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে ১১ লাখ ছাত্র এবং সমানসংখ্যক ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছে। প্রাথমিক স্তরে উপস্থিতির হার বাড়াতে মিড ডে মিল কর্মসূচি এবং বিনামূল্যে স্কুল পোশাক ও জুতা বিতরণের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও হাইজিন সুবিধাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রচলিত সার্টিফিকেটসর্বস্ব ও মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে বাস্তব জীবনের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।

তিনি  আরও বলেন, দেশব্যাপী ৩, ৬, ৯ মাস কিংবা ১ বছর মেয়াদি বিভিন্ন শর্ট কোর্স ও মাইক্রোক্রেডিটের আধুনিক কারিগরি কোর্স চালু করা হচ্ছে। এছাড়া প্রবাসে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জাপানি, আরবি, ফরাসি, ইতালীয় এবং কোরীয় ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফিলিপাইনের মডেল অনুসরণ করে নার্সিং, কেয়ারগিভিং ও বিশেষায়িত খাতে উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে নারীদের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ চাকরির সুযোগ সৃষ্টির পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।

নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে সহজ শর্তে জামানতবিহীন স্বল্প সুদের ঋণ এবং উদ্ভাবনী ধারণার জন্য সিড ফান্ডিং ও সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, জনগণের ক্ষমতায়নই রাষ্ট্রের শক্তির মূল ভিত্তি। সেভ দ্য চিলড্রেন ও ইউনিসেফসহ সকল উন্নয়ন অংশীদারদের নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি খাত সমন্বিতভাবে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%