রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৯ পি.এম
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া পূর্ব উপকূলের সাগরে একটি অজ্ঞাত বস্তু ছুড়ে ফেলেছে। পিয়ংইয়ং তাদের পারমাণবিক শক্তির মর্যাদা পুনর্ব্যক্ত করার কয়েক দিন পর এই ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘উত্তর কোরিয়া পূর্ব সাগরে একটি অজ্ঞাত বস্তু ছুড়েছে।’
পূর্ব সাগর, যা জাপান সাগর নামেও পরিচিত, সেখানে আট দিন আগে উত্তর কোরিয়া একাধিক স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। পরে পিয়ংইয়ং জানায়, এটি ছিল যৌথ গোলাবর্ষণ মহড়ার অংশ।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে উত্তর কোরিয়া। ওই প্রস্তাবে দেশটিকে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছিল।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় রোববারের উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তারা জানিয়েছে, এটি ‘সম্ভাব্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরে জানায়, বস্তুটি ইতিমধ্যে সাগরে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
তথ্যসূত্র: আরব নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সালথায় একটি বিস্ফোরক মামলায় পুলিশ কর্তৃক আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন স্থানীয় নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১ টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া নেতার নাম হেমায়েত হোসেন (৫৫)। তিনি সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হেমায়েত মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী বাতাগ্রামের আনোয়ার হোসেনের পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সালথা থানা পুলিশের একটি টিম কাগদী বাজারে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত হেমায়েত হোসেনকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে সালথা থানায় একাধিক ধারায় মামলা রয়েছে, যার মধ্যে একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, "একটি বিস্ফোরক মামলায় আসামি হেমায়েত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নাশকতা সংক্রান্ত আরও একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।"
ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিকালে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত এক শিশু এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। এ বছরের শুরু থেকে হাসপাতালটিতে হাম ও হামের উপসর্গে ৭৩ শিশু এবং ডেঙ্গু রোগে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্বারা পাঠানো পৃথক সামারিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৯ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১৬ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে রয়েছে।
চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৪ হাজার ২৯২ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ১০৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে, তবে ৭৩ শিশু মারা গেছে।
হামের উপসর্গে মারা যাওয়া শিশুটির বয়স সাড়ে তিন বছর। তাকে ৬ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোজাম্মেল হোসেন (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি শেরপুর সদর উপজেলার ইদ্রিস আলীর ছেলে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোজাম্মেল। পরে ২০ সেপ্টেম্বর ভোররাত সোয়া ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের ডেঙ্গু সামারির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১২৪ জন ডেঙ্গু রোগী রয়েছে, যাদের মধ্যে পুরুষ ৬৬ জন, নারী ৪৬ জন এবং শিশু ১১ জন।
চলতি বছরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ২ হাজার ৪৬২ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ২১ জন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মাইন উদ্দিন খান হামের উপসর্গে শিশু ও ডেঙ্গু আক্রান্ত যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে পাথরঘাটার এক জেলে ট্রলারের মালিক গভীর বঙ্গোপসাগরে এক জালেই বিপুল পরিমাণ ইলিশের সন্ধান পেয়েছেন। জাল ফেলার দু ঘণ্টার মধ্যে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ে জালে। মাছের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে, জাল থেকে ইলিশ ছাড়াতে জেলেদের হিমশিম খেতে হয়। পরে প্রায় ৯৫ মণ ইলিশ নিয়ে বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য ঘাটে ফেরে ফিশিং ট্রলার এফবি নাজমা। এই মাছ বিক্রি করে ট্রলার মালিক প্রায় ৩০ লাখ টাকা আয় করেছেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এনামুল হোসাইনের মালিকানাধীন এফবি নাজমা ট্রলারটি বিপুল পরিমাণ ইলিশ নিয়ে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাটে আসে।
ট্রলারের মাঝি বাপ্পি মিয়া জানান, তারা ১৭ সেপ্টেম্বর গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে পাথরঘাটা থেকে রওনা দেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে গভীর সাগরে জাল ফেলেন। প্রায় দুই ঘণ্টা পর জাল তুলতে গিয়ে দেখা যায়, পুরো জালজুড়েই রুপালি ইলিশ। বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় জাল থেকে মাছ ছাড়াতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয়।
তিনি আরো জানান, গত কয়েক মাস ধরে লঘু চাপ/নিম্নচাপে আবহাওয়া খারাপ থাকায় ইলিশের মৌসুমেও তারা ঠিকমতো মাছ শিকার করতে পারেননি। এবার এক জালেই বিপুল পরিমাণ ইলিশ পাওয়ায় ট্রলার মালিক ও জেলেরা সবাই আনন্দিত। রবিবার সকালে মাছ বিক্রি শেষে তারা আবার রাতে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ট্রলারের জেলে শ্রমিক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আশানুরূপ মাছ না পাওয়ায় সংসার চালাতে তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছিল। একসঙ্গে এত মাছ পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।’
ট্রলার মালিক এনামুল হোসাইন জানান, প্রায় ৯৫ মণ ইলিশ ১৮ হাজার টাকা থেকে ৪১ হাজার টাকা মণ ধরে বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকার মতো আয় করেছেন। মাছগুলোর আকার তুলনামূলক ছোট হওয়ায় দাম কিছুটা কম হয়েছে। এর চেয়ে একটু বড় সাইজের মাছ হলে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যেত। গত পাঁচ দিনে দুই ট্রিপে ৫৫ লাখ টাকার মাছ তিনি সাগর থেকে আহরণ করেছেন। তিনি ৬টি মাছ ধরার ট্রলারের মালিক।
পাথরঘাটা বি এফ ডি সি আরতদার সমিতির সভাপতি সগীর আলম জানান, চলতি ইলিশ মৌসুমে এক ট্রলারে ৯৫ মণ মাছ পাওয়া এটাই প্রথম।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন মাছের দেখা না পাওয়ায় লোকসানে ছিলেন ট্রলার মালিক ও জেলেরা। একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ইলিশ পাওয়ায় সেই লোকসান অনেকটাই কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন তারা। একটি মাছধরা ট্রলারে এত মাছ পাওয়ায় বিএফডিসি ঘাটে যত ট্রলার ও জেলে ছিল তারা সবাই গভীর বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রায় দেড় বছর আগে হঠাৎ করেই হেভি মেটাল ব্যান্ড ‘মেকানিক্স’-এর ইমরানের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। এই সংবাদটি সংগীতাঙ্গনে বিষাদের ছায়া ফেলেছিল। দীর্ঘ সময় ধরে মারণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করার পর, অবশেষে এই গিটারিস্ট না ফেরার দেশে চলে গেলেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ‘মেকানিক্স’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক গিটারিস্ট সৈয়দ ইমরান আহমেদ মারা যান। ইমরানের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন ‘মেকানিক্স’-এর ভোকালিস্ট আফতাবুজ্জামান ত্রিদিব।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘সৈয়দ ইমরান আহমেদ আমাদের ছেড়ে চিরতরে চলে গেছে। গত দেড় বছর ধরে সে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিল। আমি আমার এক ভাইকে হারালাম। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’
ইমরানের মৃত্যুতে দেশের ব্যান্ড ও সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী ও সংগীতাঙ্গনের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।
২০০৫ সালে অপার সম্ভাবনা নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে হেভি মেটাল ব্যান্ড ‘মেকানিক্স’। সৈয়দ ইমরান আহমেদ আফতাবুজ্জামান ত্রিদিবের সঙ্গে মিলে ব্যান্ডটি গড়ে তুলেছিলেন। তবে তিনি দীর্ঘকাল ব্যান্ডটির সঙ্গে ছিলেন না। ২০০৮ সালে ‘মেকানিক্স’ ছেড়ে দেওয়ার পর পেশাগত ব্যস্ততার কারণে আর কোনো ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ