বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৪ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ফলে পাকিস্তানে পেট্রলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে পাকিস্তান সরকার সেই অতিরিক্ত খরচ ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।
দেশটির পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক সতর্ক করে বলেছেন, "জ্বালানিসংকট দেখা দিলে পাকিস্তানে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ১ হাজার পাকিস্তানি রুপিতে পৌঁছাতে পারে।" তিনি আরও বলেন, "বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে।" এই সতর্কবার্তা এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন দেশটিতে প্রতি লিটার পেট্রল ৩৮৯ দশমিক ১৪ পাকিস্তানি রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।
কখন পেট্রলের দাম বাড়ল?
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পরপরই পাকিস্তানে পেট্রলের দাম বাড়তে শুরু করে। ১ মার্চ প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ছিল ২৬৬ দশমিক ১৭ পাকিস্তানি রুপি। ৭ মার্চ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২১ দশমিক ১৭ রুপিতে। এপ্রিলের শুরুতে দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ে। ৩ এপ্রিল সরকার ৪ শতাংশের বেশি দাম বাড়ানোর পর প্রতি লিটার পেট্রলের দাম বেড়ে ৪৫৮ দশমিক ৪১ রুপিতে পৌঁছায়।
এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমলে পাকিস্তানেও পেট্রলের দাম কমতে শুরু করে। ২০ জুন প্রতি লিটার পেট্রলের দাম নেমে আসে ২৯৯ দশমিক ৫০ রুপিতে।
তবে পরে আবার দাম বাড়তে থাকে। ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতি লিটার পেট্রলের দাম দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ দশমিক ১৪ পাকিস্তানি রুপি। পাকিস্তানের অয়েল অ্যান্ড গ্যাস রেগুলেটরি অথরিটি (ওজিআরএ) জানিয়েছে, সর্বশেষ দাম নির্ধারণে আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানির দাম, প্রিমিয়াম এবং অন্যান্য মূল্য নির্ধারণের বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে।
পেট্রলের দাম বাড়ার কারণ
পাকিস্তানে পেট্রলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার ওপর বেশি নির্ভরশীল। এর অন্যতম কারণ হলো, দেশটি বিপুল পরিমাণ পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬) পাকিস্তান ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টন মোটর স্পিরিট বা পেট্রল আমদানি করেছে। একই সময়ে দেশটির স্থানীয় তেল শোধনাগারগুলো প্রায় ২৬ লাখ ৩০ হাজার টন পেট্রল সরবরাহ করেছে। অন্যদিকে, তেল বিপণন কোম্পানিগুলো (ওএমসি) প্রায় ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টন পেট্রোল বিক্রি করেছে।
আমদানি করা পেট্রলের পরিমাণ ওএমসিগুলোর মোট পেট্রল বিক্রির প্রায় ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশের সমান। তবে এসব তথ্য সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায় থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। তাই এগুলোকে দেশের মোট পেট্রল সরবরাহের ১০০ শতাংশের সরাসরি বিভাজন হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
আমদানি খরচ থেকে পাম্পের দাম
পেট্রলের পাম্পের দামের মধ্যে শুধু আমদানি করা জ্বালানির খরচই থাকে না। এর সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের শুল্ক, পরিবহন ব্যয়, কমিশন ও সরকারি করও যোগ হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর দামের হিসাবে, শুল্কসহ পেট্রলের আমদানি ও শোধনাগার পর্যায়ের দাম ছিল প্রতি লিটার ২৭৮ দশমিক ৫৮ পাকিস্তানি রুপি।
এর সঙ্গে অভ্যন্তরীণ পরিবহন সমন্বয় মার্জিন হিসেবে ৭ দশমিক ৭১ রুপি, তেল বিপণন কম্পানির (ওএমসি) মার্জিন ৭ দশমিক ৮৭ রুপি এবং ডিলার কমিশন ৯ দশমিক ৯৮ রুপি যোগ হয়।
এ ছাড়া পেট্রলিয়াম লেভি হিসেবে ৮০ রুপি এবং ক্লাইমেট সাপোর্ট লেভি হিসেবে আরও ৫ রুপি যোগ করা হয়। সব মিলিয়ে প্রতি লিটার পেট্রলের চূড়ান্ত পাম্প মূল্য দাঁড়ায় ৩৮৯ দশমিক ১৪ পাকিস্তানি রুপি। পাকিস্তানের অয়েল অ্যান্ড গ্যাস রেগুলেটরি অথরিটি (ওজিআরএ) পেট্রলের দাম নির্ধারণের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করে।
পাকিস্তানি রুপির মানও মার্কিন ডলারের বিপরীতে দুর্বল হয়েছে। ফলে আমদানি করা জ্বালানির খরচ দেশটির মুদ্রায় আরো বেড়েছে।
২২ সেপ্টেম্বরের হিসাবে, ১ মার্কিন ডলারের মূল্য ছিল প্রায় ২৭৭ দশমিক ২১ পাকিস্তানি রুপি। একই সময়ে ভারতে ১ ডলারের মূল্য ছিল ৯৫ দশমিক ৮২ ভারতীয় রুপি, বাংলাদেশে ১২২ দশমিক ৭২ টাকা এবং নেপালে ১৫৩ দশমিক ৬১ নেপালি রুপি।
পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো, ডলারে মূল্য নির্ধারিত পেট্রল আমদানি করতে বেশি রুপি খরচ হচ্ছে। এতে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দামের ওপর আরো চাপ তৈরি হচ্ছে।
পাকিস্তানে ভোক্তাদের পাম্পে কত দামে পেট্রল কিনতে হবে, তা নির্ধারণে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মধ্যে রয়েছে আমদানি করা পরিশোধিত পেট্রলের দাম, আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানির মূল্য, পরিবহন খরচ ও প্রিমিয়াম, বিভিন্ন সরকারি লেভি এবং ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানি রুপির বিনিময় হার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আরো পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী দেশের মর্যাদাকে বিশ্বমঞ্চে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন মাহদী আমিন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ড. খলিলুর রহমানের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি পোস্টে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের মাঝে এই ব্যক্তিগত মতবিনিময়টি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উভয় পক্ষ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
আরো পড়ুন
জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পর ট্রাম্প ড. খলিলুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কে শুরু হয়েছে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক। যুদ্ধ, জলবায়ু সংকট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি এবারের আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের বিষয়টিতে। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি হওয়ার জন্য সাতজন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় রয়েছেন। নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ভোটে কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান এগিয়ে থাকলেও, এখনও কোনো প্রার্থীকে ঘিরে চূড়ান্ত ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি।
১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত তৃতীয় দফার অনানুষ্ঠানিক গোপন ভোটে গ্রিনস্প্যান নয়টি ‘উৎসাহিত’ ভোট অর্জন করেন। গায়ানার ক্যারোলিন রড্রিগেস-বিরকেট আটটি ভোট পান। তবে গ্রিনস্প্যানের বিরুদ্ধে পাঁচটি ‘নিরুৎসাহিত’ ভোট পড়েছে, আর রড্রিগেস-বিরকেটের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ছয়। এর ফলে সর্বশেষ ভোটেও কোনো প্রার্থীকে ঘিরে প্রয়োজনীয় ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি।
বর্তমানে প্রতিযোগিতায় থাকা সাতজন প্রার্থী হলেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান, গায়ানার ক্যারোলিন রড্রিগেস-বিরকেট, ইকুয়েডরের মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা, ইকুয়েডরের ইভোনে এ-বাকি, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, উগান্ডার ওলারা ওতুনু এবং সেনেগালের মাকি সাল। চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল বাশেলেত সম্প্রতি তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় প্রার্থীর সংখ্যা আট থেকে সাতজনে নেমে এসেছে।
এই সাতজনের মধ্যে তিনজন নারী রয়েছেন। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নারী মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেননি। তাই বর্তমান প্রতিযোগিতায় যদি কোনো নারী নির্বাচিত হন, তবে সেটি হবে সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম ঘটনা। তবে চলমান অনানুষ্ঠানিক ভোটের ফলাফল থেকে চূড়ান্তভাবে কোনো প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।
জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে অন্তত নয়টির সমর্থন প্রয়োজন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স—পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে কোনো একটি দেশের ভেটো এড়াতে হবে। তাই অনানুষ্ঠানিক ভোটে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি স্থায়ী সদস্যদের গ্রহণযোগ্যতাও চূড়ান্ত নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিন দফা ভোটের পরেও স্পষ্ট ফ্রন্ট-রানার না থাকায় প্রক্রিয়াটি এখনও অনিশ্চিত। গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গ্রিনস্প্যান, রড্রিগেস-বিরকেট ও এসপিনোসা এখনও বাস্তবসম্মত প্রতিযোগিতায় রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শেষ মুহূর্তে নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতে নিউইয়র্কে চলমান এই অধিবেশনের মধ্যেই নতুন মহাসচিব নির্বাচন নিয়ে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতাও গুরুত্ব পাচ্ছে।
গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। এরপর নতুন মহাসচিব দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। নিরাপত্তা পরিষদ একজন প্রার্থীকে সুপারিশ করার পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে নিয়োগ দেবে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানের একটি উপশহরে বন্দুকধারীরা একটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ১১ জনকে হত্যা করেছে।
প্রাদেশিক সরকারের প্রধান বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি ডারবান থেকে এই খবরটি জানিয়েছে।
কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের প্রিমিয়ার থামসানকা এনতুলি এএফপিকে জানান, নিহতদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১১টার কিছু আগে তারা একটি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
সেই সময় সশস্ত্র হামলাকারীরা সেখানে ঢুকে গুলি চালায় বলে জানা গেছে।
এনতুলি আরও জানান, হামলায় দুই ব্যক্তি বেঁচে গেছেন।
ডারবান কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের প্রধান শহর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের একটি অভিযানে ১৬৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৬৬ জনকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করেছে।
আজ বুধবার রাজশাহী রেঞ্জ কার্যালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রেঞ্জজুড়ে মোট ৬২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে দস্যুতা ১টি, সাইবার সুরক্ষা আইন ১টি, চুরি ৩টি এবং অন্যান্য খাতে ৫৭টি মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ে কোনো খুন, ডাকাতি, যৌতুকের জন্য হত্যা অথবা নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেনি। তবে এই সময়ে ৩টি অপমৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশ গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪৫টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে পরোয়ানাভূক্ত ৫৮ জন, সাজাপ্রাপ্ত ৭ জন, তদন্তাধীন মামলায় ৯১ জন এবং প্রতিরোধমূলক অন্যান্য ১০ জনসহ মোট ১৬৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি পৃথক অভিযানে ২৫ জন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানকালে পুলিশ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ৬ গ্রাম হেরোইন, ১৫৪ বোতল ইস্কাপ সিরাপ, ১৭৯ পিস ইয়াবা, ২৫৫ পিস ট্যাপেন্টাডল, ২০ গ্রাম গাঁজা এবং ৯ লিটার চোলাই মদ। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষকে পুলিশি সেবা প্রদানেও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। যার অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১,০৫৫ জন সেবাগ্রহীতা থানায় সেবা গ্রহণ করেছেন এবং চলতি মাসে এই সেবার মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ১৯৮ জনে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ