ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে


ভারত শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি নিয়ে ভারত তাদের অবস্থান পুনরায় স্পষ্ট করেছে। ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি মূলত একটি ‘আইনি বিষয়’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা জানতে চান, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচার ও রায়সংক্রান্ত নথি ভারত সরকারকে প্রদান করা হয়েছে কি না এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য এটি প্রয়োজনীয় কি না। জয়সওয়াল এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “প্রত্যর্পণের বিষয়ভিত্তিক আলোচনা বা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ একটি আইনি বিষয়। এর সঙ্গে নানা ধরনের আইনি জটিলতা ও দিক জড়িত রয়েছে।”

আরও পড়ুন: ইশরাক: নাহিদের উদ্দেশে ‘ঘোড়ার ডিম রাজনীতি করবে এরা, কিছুই পরিবর্তন করতে পারবে না’

এছাড়া, সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর একটি বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীদের ভারতভিত্তিক কর্মকাণ্ড দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

এর জবাবে ভারতীয় মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মন্তব্য করেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ‘দূরদর্শী, গঠনমূলক ও ইতিবাচক’ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, এই সম্পর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে দুই দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ। বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা এই নীতির মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ব্যর্থতায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্রিস্টা পাইক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে ব্যর্থতায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্রিস্টা পাইক

যুক্তরাষ্ট্রে বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ব্যর্থ প্রচেষ্টার প্রায় এক সপ্তাহ পর অবশেষে জ্ঞান ফিরেছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি ক্রিস্টা পাইকের। ৫০ বছর বয়সী এই নারী কয়েদি এখন কথা বলতে সক্ষম হয়েছেন এবং তার আইনজীবীরা আশা করছেন যে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন।

টেক্সাস ও টেনেসির কারা সূত্রে জানা গেছে, বিষাক্ত ড্রাগ 'পেন্টোবার্বিটাল'-এর দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পরও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান ক্রিস্টা। এরপর তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ন্যাশভিলের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আজ আদালতে হাজির হয়ে ক্রিস্টা পাইকের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অসংগতি ও ত্রুটি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য বিচারকের কাছে জরুরি আদেশ প্রার্থনা করেছেন। তাদের দায়ের করা জরুরি মোশনের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এই ঘটনার কারণে ভবিষ্যতে টেনেসি অঙ্গরাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের আইনি মামলা করা হতে পারে আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মারাত্মক ডোজের 'পেন্টোবার্বিটাল' (Pentobarbital) ইনজেকশন প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা বর্তমানে জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলছেন। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেও হাসপাতালে তাকে হাতকড়ায় বন্দী রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তার আইনজীবীরা।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে কলিন স্লেমিয়ার নামের এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন ক্রিস্টা পাইক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ পি.এম


কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলাকালে গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকা থেকে ১৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৪ জন চোর/ছিনতাইকারী, ২ জন মাদক সেবনকারী, ৬ জন ধর্তব্য অপরাধে এবং ৫ জন বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানায়, চোর ও ছিনতাইকারী গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া চোর/ছিনতাইকারীদের মধ্যে রয়েছেন—দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো. রমজান উদ্দিন (১৪), তোতকখালী তাহের মোহাম্মদ ঘোনার মো. শরিয়ত উল্লাহর ছেলে মো. আসিফ ওরফে আশিক উল্ল্যাহ (২৬), পিএমখালী ইউনিয়নের মাইজপাড়ার আমির হামজার ছেলে মো. আরিফ (২৫) এবং ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ ডিককুলের মো. হোসাইনের ছেলে মো. আরমান (২৬)।

পুলিশের তথ্য অনুসারে, মো. আরিফের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় দুটি পৃথক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা ২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বরের, যেখানে দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৮৫/৩৭৯/৪২৭/৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্য মামলাটি ২০২২ সালের ২৭ জুলাইয়ের, যেখানে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৪/৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া দুজন হলেন—ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ মুহুরীপাড়ার মো. জামাল (২২) এবং কক্সবাজার পৌরসভার বৈদ্যঘোনার রাজু ইসলাম (২০)। পুলিশ জানায়, রাজু ইসলাম বর্তমানে টেকপাড়া মাঝিরঘাট এলাকায় ভাড়াবাসায় বসবাস করছিলেন।

ধর্তব্য অপরাধে গ্রেফতার হওয়া ছয়জন হলেন—কক্সবাজার পৌরসভার বাদশা ঘোনার রবিউল হাসান (২০) ও করিম (২১), রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের সাদরপাড়ার মো. শওকত হোসেন (৩২), কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের মিরপুর এলাকার সুমন চন্দ্র রায় ওরফে হাসান (৪৫), পিএমখালী ইউনিয়নের মাইজপাড়ার রহমত উল্লাহ (৩৬) এবং ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজীরপাড়ার রবিউল হাসান রাতুল (২২)।

অন্যদিকে, বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে—কক্সবাজার পৌরসভার মঞ্জিল এলাকার মো. শহিদুল ইসলাম প্রকাশ শহিদ, ঝিলংজার জানার ঘোনার এহছানুল হক (৩০), কক্সবাজার সদর এলাকার পেতা সওদাগরপাড়ার খোরশেদ আলম, কক্সবাজার পৌরসভার লাইট হাউস পাড়া-ফতের ঘোনার আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং পশ্চিম কুতুবদিয়াপাড়ার মোহাম্মদ আনিস (২৩)। কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবন সুরক্ষা কমিটির সভাপতিকে হরিণ শিকারে বাধা দেওয়ার জন্য হত্যার হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ পি.এম


সুন্দরবন সুরক্ষা কমিটির সভাপতিকে হরিণ শিকারে বাধা দেওয়ার জন্য হত্যার হুমকি

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা এবং হরিণ শিকারে বাধা দেওয়ার কারণে হত্যার হুমকি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ করেছেন মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির (সুন্দরবন সুরক্ষা কমিটি) সভাপতি মো. ফারুক হাওলাদার। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় মোংলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন।

ফারুক হাওলাদার জানান, সুন্দরবন সুরক্ষায় কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির কার্যক্রমের ফলে বন কেন্দ্রিক একটি অসাধু চক্রের অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলস্বরূপ, তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, মোংলার জয়মনি এলাকার সোহেল শেখ এবং চিলা এলাকার গাববুনিয়ার মিলন শেখ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ‘রাজ খান’ এবং ‘মিডিয়া সেল মোংলা’ নামক দুটি ফেসবুক আইডি/পেজের মাধ্যমে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছেন। পাশাপাশি, তাকে খুন ও জখমের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

ফারুক হাওলাদার জানান, তিনি দীর্ঘকাল ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি মৌসুমি ইলিশ মাছের ব্যবসা করেন এবং চাঁদপাই রেঞ্জের কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সুন্দরবন রক্ষায় দায়িত্ব পালন করার কারণে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, খুন ও জখমের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ইতিমধ্যে থানায় জিডি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ আইনে মামলা করার প্রস্তুতিও চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ মাছ শিকার ও বন্যপ্রাণী নিধন বন্ধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত সোহেল শেখ তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, এসবই প্রতিপক্ষের অপপ্রচার। অপর অভিযুক্ত মিলন শেখের মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় জিরো কস্টে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ পি.এম


মালয়েশিয়ায় জিরো কস্টে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য ৬ হাজারের বেশি কোটা বরাদ্দ করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত কোটার বিপরীতে নিয়োগকর্তাদের ডিমান্ড লেটার সত্যায়নের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনে আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে কিছু ডিমান্ড লেটার ইতিমধ্যেই সত্যায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া, প্রথম ধাপে রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে জিরো মাইগ্রেশন কস্টে ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরবর্তীতে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক জানিয়েছেন, "আগে বোয়েসেলের মাধ্যমে জিরো কস্টে ১০ হাজার শ্রমিক পাঠানো হবে। এরপর বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা শ্রমিক পাঠাবেন।" মেডিকেল সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জটিলতার বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এই কারণে জিরো-কস্টে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫০ জন মালয়েশীয় নিয়োগকর্তা বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য কোটা বরাদ্দের আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে ৬ হাজারের বেশি কর্মীর কোটা বরাদ্দ হয়েছে। নিয়োগকর্তারা প্রয়োজনীয় সরকারি ফি ও লেভি পরিশোধের পর নিয়ম অনুযায়ী এসব কোটা পেয়েছেন। এরপর ডিমান্ড লেটার সত্যায়নের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বরাদ্দ পাওয়া কোটার কর্মীদের দ্রুত পাঠানোর পাশাপাশি জিরো-কস্টে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ সমান্তরালভাবে এগিয়ে নেওয়া গেলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। এতে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতের কর্মী প্রেরণের সুযোগও তৈরি হবে।

মালয়েশিয়ায় নতুন করে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা ও ডিমান্ড লেটার যথাযথভাবে যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশটিতে বিপুলসংখ্যক অনিবন্ধিত বিদেশি কর্মী থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বায়রার নেতারা মন্তব্য করেছেন, বরাদ্দ পাওয়া কোটার কর্মীদের দ্রুত মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পাশাপাশি জিরো-কস্টে কর্মী পাঠানোর সরকারি উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। এতে কর্মীদের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুযোগ তৈরির পথ তৈরি হতে পারে।

সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জিরো-কস্টে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ সফল হলে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমবে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের মাধ্যমে নিয়মিত কর্মী পাঠানো চালু থাকলে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের উপস্থিতি আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%