মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৯ এম
শেরপুর সদর উপজেলার মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি লাভলু মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে, চরশেরপুর ইউনিয়নের দশকাহনিয়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। মামলার অন্য দুই আসামি এখনও পলাতক রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া লাভলু মিয়া (৪৯) ওই এলাকার জয়তুল্লাহর পুত্র।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার পাকুরিয়া ভাটিয়াপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামকে সৌদি আরবে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখান লাভলু মিয়া। এজন্য সাইফুলের পরিবারের কাছ থেকে তিনি ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন।
সাইফুলকে সৌদি আরবে পাঠানোর পর, প্রতিশ্রুত চাকরি ও বেতন নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সাইফুলের পরিবার লাভলুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে, লাভলু তাদের কাছে আরও ১৬ লাখ টাকা দাবি করেন। সেই টাকা না দেয়ায় লাভলুর সহযোগীরা সাইফুলকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বাধা দেন এবং তাকে জিম্মি করে রাখেন।
এ ঘটনায়, ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলামের স্ত্রী শাহিনা আক্তার লাভলু মিয়াসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেরপুর আদালতে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে লাভলু মিয়াকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলার বাকি দুই আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মানবপাচার মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশব্যাপী চলমান শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ঢাকার বাইরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফর করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগের তিন জেলায় যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে তিনি প্রথমে রংপুর, এরপর রাজশাহী এবং সবশেষে চট্টগ্রাম যাবেন।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধান ঢাকার বাইরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপগুলোতে পূজারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন।’
চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে একই দিন রাতেই তিনি ঢাকা ফিরবেন বলেও জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সফরসূচি অনুযায়ী সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামবেন তারেক রহমান।
সেখান থেকে রংপুরের ধর্মসভা বা রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনে যাবেন তিনি।
এরপর রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুপুর দেড়টায় ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। পরে রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে দুপুর ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় ভাষণ দেবেন।
রাজশাহী থেকে বিমানে করে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাময়িক বিশ্রাম শেষে রাতে তিনি বিমানযোগে ঢাকা ফিরবেন।
এর আগে রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার মহাখালী ও বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় ডা. জুবাইদা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।
এদিন উদযাপিত হচ্ছে দুর্গাপূজার মহানবমী। পরদিন বুধবার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে। সূত্র বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় সংঘটিত একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরপি পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস এবং বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের সরকারপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে হতাহতদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আরপি পরিবহনের বাসটি বরিশাল থেকে আসছিল এবং বিপরীত দিক থেকে ট্রাকটি চলছিল। ভোরের দিকে বাস ও ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে ৯ জনের মৃত্যু ঘটে এবং পরে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি সড়কের ওপর থাকায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
নাটোর ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আক্তার হামিদ বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিম সকালের খাবারের মধ্যে একটি জনপ্রিয় পছন্দ। এটি সহজে প্রস্তুত করা যায়, খরচ সাশ্রয়ী এবং এতে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। ডিম সেদ্ধ, ভাজা বা অমলেট হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। ডিমের উচ্চমানের প্রোটিন পেশি গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পেশি মেরামতে সহায়তা করে। এছাড়াও, এতে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে, যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, চোখের স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে চান, তাদের জন্য ডিম একটি আদর্শ খাবার হতে পারে। তবে একটি সাধারণ প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিদিন কতগুলো ডিম খাওয়া নিরাপদ? চলুন জেনে নিই—
দিনে কতগুলো ডিম খাওয়া যায়?
অনেক সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন একটি আস্ত ডিম খাওয়া সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, কারও খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং পুষ্টির চাহিদার ওপর নির্ভর করে এর চেয়ে বেশি ডিম খাওয়াও উপযুক্ত হতে পারে। সবার জন্য প্রযোজ্য এমন নির্দিষ্ট সীমা নেই।
ডিমের কুসুমে খাদ্যগত কোলেস্টেরল বিদ্যমান। তবে খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করা কোলেস্টেরল সবার রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রায় একইভাবে প্রভাব ফেলে না। অন্যদিকে, সামগ্রিক খাদ্যতালিকায় থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে পারে।
অতএব, শুধুমাত্র কতগুলো ডিম খাচ্ছেন, সেটির ওপর গুরুত্ব না দিয়ে ডিমের সঙ্গে আর কী কী খাবার খাচ্ছেন, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
উচ্চমানের প্রোটিন সরবরাহ করে
ডিমে নয়টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড বিদ্যমান। তাই এটি সম্পূর্ণ প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। প্রোটিন পেশি গঠন ও মেরামতে সহায়তা করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতেও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।
ডিমের কুসুমে কোলিন নামের একটি পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম, স্মৃতিশক্তি এবং স্নায়ুতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্যও কোলিন বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।
চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
ডিমে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই উপাদানগুলো চোখের রেটিনায় জমা হয় এবং চোখকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখতেও এগুলো ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রয়োজনীয় ভিটামিন সরবরাহ করে
ডিমে ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি, ভিটামিন এ-সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলো শক্তি উৎপাদন, হাড়ের স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে।
বেশি ডিম খেলে কি কোলেস্টেরল বেড়ে যায়?
ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল থাকার কারণে হৃদযন্ত্রের ওপর এর প্রভাব নিয়ে অনেকের উদ্বেগ রয়েছে। তবে গবেষণা অনুযায়ী, ডিম খাওয়া এবং হৃদরোগের ঝুঁকির মধ্যে সম্পর্ক বেশ জটিল।
অধিকাংশ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে ডিম খাওয়া সুষম খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে মানানসই হতে পারে। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে খাবার থেকে গ্রহণ করা কোলেস্টেরল রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা তুলনামূলক বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে।
যাদের LDL কোলেস্টেরল বেশি, পারিবারিকভাবে কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে বা হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি, তাদের ডিম খাওয়ার পরিমাণের বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়া উচিত।
ডিমের সাদা অংশ প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস। এতে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ খুবই কম। যারা ক্যালরি বা খাদ্যগত ফ্যাটের পরিমাণ সীমিত রেখে প্রোটিন গ্রহণ বাড়াতে চান, তাদের জন্য ডিমের সাদা অংশ উপকারী হতে পারে।
তবে কুসুম বাদ দিলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানও বাদ পড়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে কোলিন, ভিটামিন ডি এবং লুটেইন।
পুরো ডিমে সাদা অংশের তুলনায় বেশি ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। তাই আপনি যদি সুস্থ থাকেন এবং বিশেষ কোনো খাদ্যসংক্রান্ত বিধিনিষেধ না থাকে, তাহলে ডিমের কুসুম এড়িয়ে চলার প্রয়োজন নেই।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি অবৈধ স্বর্ণখনির ধসের ঘটনায় অন্তত ১৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো সাতজন। ঘটনার পর ১২ থেকে ১৫ জন খনি শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। খবরটি প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সোমবার (১৯ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দুর্ঘটনাটি নারিনো বিভাগের সান্তা বারবারা দে ইসকুয়ান্দে পৌরসভার প্রত্যন্ত চামবেরো এলাকায় ঘটেছে।
নারিনো বিভাগের গভর্নর লুইস আলফোনসো এসকোবার দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শেষ হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এদিকে, নারিনোতে দুর্যোগ মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা হোর্হে তোভার কাস্তিলো জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর আরও ১২ থেকে ১৫ জন খনি শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পৌর কর্তৃপক্ষ উদ্ধার তৎপরতা ও দুর্ঘটনা মোকাবিলার দায়িত্বে রয়েছে, তবে দুর্গম এলাকার কারণে যোগাযোগে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
সান্তা বারবারা দে ইসকুয়ান্দে একটি ঘন বৃষ্টিবনবেষ্টিত প্রত্যন্ত অঞ্চল। সেখানে যাতায়াতের জন্য নৌকা কিংবা ছোট উড়োজাহাজের ওপর নির্ভর করতে হয়, ফলে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
গভর্নর এসকোবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে খনিটিকে ‘অনানুষ্ঠানিক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কলম্বিয়ার গ্রামীণ অঞ্চলে অনানুষ্ঠানিক ও অনিয়ন্ত্রিত খননকাজের প্রচলন রয়েছে। এসব খনিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব দেখা যায়, যার ফলে সেখানে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের প্রতি গভর্নর এসকোবার সহমর্মিতা জানিয়ে লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার হলো মানুষের জীবন বাঁচানো, পরিবারগুলোর পাশে থাকা এবং এই মর্মান্তিক ঘটনায় দ্রুত ও কার্যকর সহায়তা নিশ্চিত করা।’
এর আগে গত আগস্টে নারিনো বিভাগের পলিকারপা পৌরসভায় একই ধরনের একটি খনিদুর্ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ