ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী


আজ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা তার জন্য একটি প্রথম অভিজ্ঞতা।

জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে, তিনি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অর্থনীতি, রোহিঙ্গা সংকট এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরবেন। তার ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, জলবায়ু পরিবর্তন, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন এবং টেকসই উন্নয়নের মতো বৈশ্বিক ইস্যুগুলোর উল্লেখও থাকবে।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের মূল আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী এবারের সফরে অর্থনৈতিক কূটনীতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ৪০ লাখ কৃষককে কার্ড, মিলবে ১০ ধরনের সুবিধা : প্রধানমন্ত্রী

তিনি ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সম্পন্ন করেছেন।

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া, দীর্ঘ আট বছরের রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় ও মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুন: সরকার বৈষম্যহীন ও সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা-দাদার নামে কোথায় কতটুক জমি আছে, মোবাইল দিয়ে দেখুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ এম


বাবা-দাদার নামে কোথায় কতটুক জমি আছে, মোবাইল দিয়ে দেখুন

জমির তথ্য জানার জন্য আগে ভূমি অফিস বা রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। তবে এখন ভূমি সেবা ডিজিটাল হওয়ায় স্মার্টফোন ব্যবহার করে ঘরে বসেই জমির খতিয়ান ও দাগ সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজন হলে অনলাইনে খতিয়ানের কপির জন্য আবেদনও করা যায়।

যেভাবে জমির তথ্য খুঁজবেন

প্রথমে স্মার্টফোনের Chrome ব্রাউজারে ‘e-Porcha’ লিখে সার্চ করতে হবে। এরপর সরকারি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মেনু থেকে ‘খতিয়ান’ অপশন নির্বাচন করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে জমির বিভাগ, জেলা, খতিয়ানের ধরন, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ানের ধরন হিসেবে বিএস, সিএস, আরএস বা এসএ নির্বাচন করার সুযোগ থাকতে পারে।

এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম ব্যবহার করে জমির তথ্য খোঁজা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর ক্যাপচা পূরণ করে ‘অনুসন্ধান করুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

সার্চ সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে জমির মালিকের নাম, দাগ ও খতিয়ানসংক্রান্ত তথ্য এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে।

খতিয়ানের কপি চাইলে

অনলাইনে তথ্য দেখার পর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট তথ্যের পাশে থাকা ‘আবেদন করুন’ অপশন থেকে খতিয়ানের কপির জন্য আবেদন করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, ই-মেইল, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হতে পারে।

আবেদন ফরম পূরণের পর তথ্য যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে। নির্ধারিত ফি থাকলে সেবায় প্রদর্শিত অনুমোদিত পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইনে তা পরিশোধ করা যাবে।

শুধু নাম দিয়ে দেশের সব জমি পাওয়া যাবে না।

তবে অনলাইনে জমির তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, শুধু একজনের নাম লিখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তার নামে থাকা সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যাবে, এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

জমির রেকর্ড নির্দিষ্ট বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা, খতিয়ান ও দাগের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই বাবা, দাদা বা পরিবারের অন্য কারও নামে থাকা জমি খুঁজতে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু তথ্য জানা থাকলে অনুসন্ধান সহজ হয়।

অনলাইনে পাওয়া তথ্য মূলত প্রাথমিক যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা উচিত। জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার বা মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে খতিয়ান, দলিল, নামজারি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে পুরোনো জমির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ের খতিয়ানে তথ্যের পরিবর্তন থাকতে পারে। তাই কোনো জমির বর্তমান মালিকানা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব বৈধ নথি মিলিয়ে দেখা জরুরি।

ফলে জমির খতিয়ান বা দাগের প্রাথমিক তথ্য জানতে এখন স্মার্টফোন থেকেই অনুসন্ধানের সুযোগ রয়েছে। এতে ভূমি-সংক্রান্ত সাধারণ তথ্য যাচাইয়ে সময় ও যাতায়াতের প্রয়োজন কিছুটা কমতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী ৪ দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস, তাপমাত্রা বাড়তে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ এম


আগামী ৪ দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস, তাপমাত্রা বাড়তে পারে

দেশজুড়ে আবারও বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে রোববার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস প্রদান করেছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সময় দমকা হাওয়ারও বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায়ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

শনিবার দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে।

রোববারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির সময় দমকা হাওয়ারও বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোপা শুঁটকির চাহিদা বাড়ছে তিন দেশে, সাগরে মাছের সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


পোপা শুঁটকির চাহিদা বাড়ছে তিন দেশে, সাগরে মাছের সংকট

কক্সবাজার উপকূলে উৎপাদিত পোপা শুঁটকির চাহিদা যুক্তরাষ্ট্র, হংকং ও চীনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুস্বাদু স্যুপ তৈরির পাশাপাশি পোপা মাছের পটকা ও আঁইশ থেকে কোলাজেন, প্রসাধনী এবং ওষুধ প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে সাগরে মাছের সংকটের কারণে উৎপাদন ও রপ্তানি কমে যাচ্ছে। ফলে, এ বছর নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

গত বছর কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়াছটার একটি কারখানা থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ৭০ মেট্রিক টন পোপা শুঁটকি যুক্তরাষ্ট্র, হংকং ও চীনে রপ্তানি করা হয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ৩০ মেট্রিক টন রপ্তানি হয়েছে। এ বছর প্রায় ৮০ মেট্রিক টন রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও মাছের আহরণ কমে যাওয়ার কারণে তা পূরণ নিয়ে সংশয় রয়েছে।

দেশের সবচেয়ে বড় শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্র কক্সবাজার পৌরসভার নাজিরাটেক উপকূলে প্রায় ৭০০টি শুঁটকি মহাল বিদ্যমান। গত বছর এসব মহালে অন্তত ৩০০ কোটি টাকার শুঁটকি উৎপাদন হয়েছে। যদিও বিভিন্ন মাছের শুঁটকি উৎপাদন হয়, পোপা তৈরির প্রক্রিয়া আলাদা এবং মান নিয়ন্ত্রণও কঠোর।

উত্তর নুনিয়াছটার সাগর ফিশ এক্সপোর্টের মালিক আবিদ আহসান জানিয়েছেন, তার কারখানায় ২৪ ঘণ্টা পোপা শুঁটকি উৎপাদন হয়। সেখানে ৩০ জন শ্রমিক কাজ করেন। মহেশখালী, ঘটিভাঙ্গা, সোনাদিয়া ও চৌফলদণ্ডীর ২৮টি ট্রলার নিয়মিতভাবে মাছ সরবরাহ করে। জমিসহ কারখানায় তার বিনিয়োগ প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

গভীর সাগর থেকে বড়শি দিয়ে ধরা পোপা প্রথমে লবণমুক্ত করে পরিষ্কার করা হয়। এরপর নাড়িভুঁড়ি ফেলে ওয়াশিং ট্যাংকে ধোয়া হয় এবং বাঁশের মাচায় রোদে শুকানো হয়। তিন-চার দিনে শুঁটকি তৈরি হলে ৩২টি গ্রেডে ভাগ করে প্যাকেটজাত করা হয়। পরে ৫ থেকে ১০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কোল্ড স্টোরেজে রেখে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি করা হয়। তিন কেজি কাঁচা পোপা থেকে প্রায় এক কেজি শুঁটকি পাওয়া যায়।

রপ্তানিযোগ্য পোপা শুঁটকির মান নিয়ে কোনো ছাড় নেই। বিদেশি ক্রেতাদের প্রতিনিধিরা কারখানায় উপস্থিত থেকে উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণ তদারকি করেন। প্রক্রিয়াজাতকরণে ত্রুটি হলে রপ্তানির জন্য পুরো চালান অযোগ্য ঘোষিত হতে পারে।

আবিদ আহসান জানান, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, হংকং ও চীনে প্রতি কেজি পোপা শুঁটকির দাম প্রায় ৮ ডলার। পূর্বে এটি ছিল ১২ ডলার। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও মাছের সংকটের কারণে রপ্তানি কমছে।

জেলেদের মতে, কয়েক বছর আগের তুলনায় সাগরে পোপা মাছের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগে ১৮ প্রজাতির পোপা পাওয়া গেলেও বর্তমানে ধরা পড়ছে প্রায় ১২ প্রজাতি। কালো জাতের পোপা বেশি দামে বিক্রি হয়। নিম্নমানের বরফে সংরক্ষণ করলে শুঁটকির গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়, ফলে অনেক জেলে মাছের পেটে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করছেন।

জেলেরা আরও জানিয়েছেন, গভীর সাগরে মিয়ানমার, ভারত ও চট্টগ্রামের ট্রলিং জাহাজ জাল টেনে নির্বিচারে মাছ ধরছে। এর ফলে সাগরতলের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ কমে যাচ্ছে এবং কক্সবাজারের কাঠের ট্রলারগুলোও মাছ ধরতে সমস্যায় পড়ছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা জানিয়েছেন, গভীর সাগরে ট্রলিং জাহাজের মাছ আহরণ তদারকির জন্য আধুনিক জলযান মৎস্য বিভাগের নেই। তবে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও নৌ পুলিশের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ কারেন্ট ও বিহিন্দি জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে।

কক্সবাজার চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন, এক দশক আগে সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ, মহেশখালী ও উত্তর নুনিয়াছটা এলাকায় পোপা শুঁটকির ২৭টি কারখানা ছিল। মাছের সংকট, লোকসান, সহজ শর্তে ঋণের অভাব ও সরকারি প্রণোদনা না থাকায় এর মধ্যে ২৪টির বেশি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। মৎস্যবিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত ও নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ আহরণের কারণে সাগরে পোপাসহ বিভিন্ন মাছের উৎপাদন কমছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের স্ক্র্যাপ লোহা চুরি ও অবৈধ ক্রয়-বিক্রয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০০ এম


চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের স্ক্র্যাপ লোহা চুরি ও অবৈধ ক্রয়-বিক্রয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইস্পাত ও নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে লোহা পরিবহনের সময় সংঘবদ্ধভাবে স্ক্র্যাপ লোহা চুরি, পরিবহন এবং অবৈধ ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আজ বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয়ের সভাপতিত্বে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্ক্র্যাপ লোহা চুরি, পরিবহন, মজুদ ও অবৈধ ক্রয়-বিক্রয় প্রতিরোধের লক্ষ্যে আলোচনা করা হয়।

লোহা পরিবহনের সময় ভাটিয়ারী, ফৌজদারহাট, সোনাইছড়ি, বিজয় সরণি, কুমিরা, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, জোরারগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ চোরচক্র কর্তৃক চলন্ত ট্রাক থেকে লোহা চুরির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

পুলিশ সুপার সভায় বলেন, "শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।" তিনি আরও জানান, লোহা চুরি, চোরাই লোহা পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় কিংবা চোরাই চক্রকে সহযোগিতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বৈধ উৎস ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া লোহা ক্রয়-বিক্রয় বা মজুদ করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চোরাই লোহা চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে পূর্ববর্তী চুরি ও চোরাই মাল সংক্রান্ত মামলা পর্যালোচনা করা হবে। পেশাদার চোর, পূর্বে গ্রেপ্তারকৃত আসামি, সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতা, সহযোগী, দালাল, পরিবহনকারী ও চোরাই মাল ক্রেতাদের তথ্য হালনাগাদ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চুরি সংঘটিত হওয়ার স্থান ও সময় বিশ্লেষণ করে চুরি প্রবণ হটস্পট ও ঝুঁকিপূর্ণ রুট চিহ্নিত করা হবে। বিশেষ টহল, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হবে।

চোরাই লোহা ক্রয়-বিক্রয়ের সম্ভাব্য ভাঙারি ও স্ক্র্যাপ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুত করা হবে। তাদের লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, ক্রয়-বিক্রয়ের রেজিস্টার এবং লোহা সংগ্রহের বৈধ উৎস যাচাই করা হবে। চোরাই মাল ক্রয়-বিক্রয়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া, চোরাই লোহা চক্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান ও টহল জোরদার করা হবে। শুধু চোর নয়, চোরাই মাল পরিবহনকারী, মজুদকারী, মধ্যস্বত্বভোগী ও ক্রেতাসহ পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে লোহা পরিবহনের সময় ট্রাকের নম্বর, চালক, গন্তব্য ও চালানের তথ্য সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ পরিবহনে GPS ট্র্যাকিং চালু, মালামাল সিল/লকিং ব্যবস্থা জোরদার এবং কারখানার প্রবেশ ও বহির্গমন গেটে CCTV ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

চুরি প্রবণ হটস্পটগুলোতে CCTV ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কোনো ব্যক্তি চুরি বা চোরাই লোহা পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সভায় অংশগ্রহণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড বা চুরির ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করার পাশাপাশি পরিবহন নিরাপত্তা আরও জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই ও জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন ইস্পাত ও নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%