ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইস-রা-য়েলের সামরিক সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের একজোট


ইস-রা-য়েলের সামরিক সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের একজোট

ইসরায়েল ইস্যুতে মার্কিন রাজনীতিতে একটি অভূতপূর্ব ও নাটকীয় পরিবর্তন দেখা গেছে। আদর্শগতভাবে সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর দুই মার্কিন আইনপ্রণেতা— ক্যালিফোর্নিয়ার প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট রো খান্না এবং কেনটাকির কট্টর রিপাবলিকান টমাস ম্যাসি— এবার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইসরায়েলের সামরিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে একটি আইনি ধারা বাতিলের দাবিতে একজোট হয়েছেন।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বিল ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স অথরাইজেশন অ্যাক্ট (এনডিএএ) ২০২৭’-এর একটি নির্দিষ্ট ধারাকে লক্ষ্য নিবদ্ধ করে, এই দুই নেতা যৌথভাবে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। বিলটির ‘সেকশন ২২৪’ ধারায় মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি গবেষণা, উন্নয়ন, পরীক্ষা ও সামরিক একীকরণ সমন্বয়ের জন্য একজন বিশেষ ‘নির্বাহী এজেন্ট’ নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।

রিপাবলিকান নেতা টমাস ম্যাসি এই ধারার তীব্র বিরোধিতা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, "মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে একীভূত করার এই ধারাটি যদি কমিটি থেকে পাস হয়ে আসে, তবে আমি বিলটি থেকে এটি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার জন্য সংশোধনী প্রস্তাব তুলব। আমরা একটি সার্বভৌম দেশ..."

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

ম্যাসির এই অবস্থানের পরে, তার সাথে হাত মেলান ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি রো খান্না। গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলের ভূমিকার উপর কড়া সমালোচনা করে খান্না ম্যাসির পোস্টের জবাবে লেখেন, তিনি কমিটির ভেতরেই এই ধারাটি বাতিলের প্রস্তাব তুলবেন। এ ছাড়া, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি যোগ করেন, ট্রাম্প তাদের এই জোটকে কোনোভাবেই নস্যাৎ করতে পারবেন না।

এর আগে, গত বছর ইরানের সাথে ইসরায়েলের যুদ্ধে মার্কিন সম্পৃক্ততার বিরোধিতা করতে এই দুই নেতা একসাথে কাজ করেছিলেন। সম্প্রতি মার্কিন প্রাইমারি নির্বাচনে টমাস ম্যাসির হারার পেছনে এই ইসরায়েলবিরোধী জোট গঠন এবং শক্তিশালী মহলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াকেও প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন রো খান্না।

খান্না এক্স পোস্টে লিখেছেন, "এবং @RepThomasMassie, আমি সেকশন ২২৪-কে বাদ দেওয়ার জন্য কমিটির ভেতরেই একটি সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে আসব। ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে যতই পোস্ট করুন না কেন, ম্যাসি/খান্না অংশীদারিত্বকে তিনি নস্যাৎ করতে পারবেন না।"

গত মাসে এনবিসি-র "মিট দ্য প্রেস" অনুষ্ঠানে ম্যাসির প্রাইমারি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন খান্না। তিনি সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছিলেন যে, ইরানের যুদ্ধ এবং 'এপস্টাইন ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট'-এর বিরোধিতা করার কারণে তাদের যৌথ সহযোগিতার জন্য ম্যাসিকে "সরিয়ে দেয়" হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার

খান্না বলেন, "টমাস একজন সত্যিকারের বন্ধু। তিনি একজন ভালো মানুষ, এবং দুটি কারণে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, এপস্টাইন ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট পাস করার জন্য আমার সাথে কাজ করতে গিয়ে কিছু অত্যনত্ম শক্তিশালী মানুষের বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস তিনি দেখিয়েছিলেন। তিনি যেমনটা উল্লেখ করেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক আইন যা শেষ পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার এনেছে; আর এর ফলে কিছু মানুষ লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করেছে এবং খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার পেছনে লেগেছিলেন। এবং দ্বিতীয়ত, ইরানের এই যুদ্ধ থামাতে তিনি আমার সাথে কাজ করেছিলেন।"

মার্কিন কংগ্রেসে ইসরায়েলকে দেওয়া অন্ধ সমর্থনের যে ঐতিহ্য রয়েছে, তা ভাঙতে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই এক্সটাঙ্গ অবস্থানকে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: টাইমস অফ ইসরাইল

আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন চান্দিনার সাগর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

রাঙ্গামাটিতে এক পুলিশ কর্মকর্তা সাজেদুল হক (এসআই) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) রাত পৌনে ১টার সময় শহরের তবলছড়ি পোস্ট অফিস কলোনির ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনা ঘটার পরপরই রাতেই পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন এবং মো. জসীম উদ্দিন ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।

পুলিশ জানায়, পরিবারের বরাতে সোমবার মধ্যরাতে স্ত্রীর সঙ্গে সাজেদুল হকের খুব তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়েছিল। একপর্যায়ে তিনি ক্ষোভের কারণে নিজের রুমের দরজা বন্ধ করে দেন। বেশ কিছুক্ষণ পর সাড়া-শব্দ না পেয়ে তিনি ডাকার পরও দরজা না খোলায় তার স্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে আমাদের জানায়।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে রাতে রাঙ্গামাটির কোতোয়ালি থানার পুলিশ একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তারা রুমের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় সাজেদুল হকের মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাজেদুল হক রাঙ্গামাটি সদর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি তবলছড়ি পোস্ট অফিস কলোনির একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলা সদরের হনুমানেরচর এলাকায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে মোট আক্রন্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৩৪ জন। 

আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৯২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩৬২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৪২ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ১৩৬ জন।

১৫ মার্চ থেকে ২ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৯ হাজার ১০৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮১২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।  

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৫০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৩৪ হাজার ৪৯৭ জন হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৩৮১ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে একটি গণতান্ত্রিক, উৎপাদনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেছেন, অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে হলে সরকারি কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এবং বাজারভিত্তিক নীতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

মঙ্গলবার, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭ : প্রত্যাশা ও বাস্তবায়ন’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য তিনি প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইআরএফের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা। বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেন সিপিডি নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী, বিটিএমএর প্রেসিডেন্ট শওকত আজিজ রাসেল।

অর্থমন্ত্রী স্বচ্ছতা সম্পর্কে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতিতে জমে থাকা বিভিন্ন কাঠামোগত দুর্বলতা শোধরাতে একটি জনকল্যাণমুখী বাজেট প্রয়োজন। যেখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থকে।

আমীর খসরু আরও বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে সাধারণ মানুষকে থাকতে হবে। বিশেষ করে নারী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক এবং নিম্ন আয়ের জনগণের জন্য সরাসরি আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করা জরুরি। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল যাতে সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেই দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং সৃজনশীল শিল্পের মতো খাতে সরকারের একক ভূমিকার পরিবর্তে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। এতে সেবার মান উন্নত হবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং সরকারি ব্যয়ের ওপর চাপ কমবে।

পুঁজিবাজার প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাজার ব্যবস্থাপনায় আমূল সংস্কার প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতার অভাব, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ এবং কারসাজির অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।

তার মতে, অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তিতে দাঁড় করাতে হবে মূলত উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও আয়ের বৃদ্ধি সাধন করা প্রয়োজন।

তিনি জানান, দুর্নীতি ও অনিয়ম অর্থনীতির অন্যতম বড় বাধা। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রতিবন্ধকতা দূর করে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নীতিগত ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আমীর খসরু আরও বলেন, গণতান্ত্রিক অর্থনীতি গড়ে তোলার অর্থ হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে বাজারে প্রতিযোগিতা থাকবে, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় থাকবে। এর ফলে উৎপাদনশীলতা বেড়ে যাবে এবং প্রবৃদ্ধির সুফল বৃহত্তর জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে।

দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় জনগণের ধৈর্য ও গঠনমূলক সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সংস্কারের ফল তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান নাও হতে পারে। তবে সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং সঠিক অর্থনৈতিক নীতি অনুসরণ করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আবারও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে সক্ষম হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আমীর খসরুর বক্তৃতায় যে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সামাজিক সুরক্ষা, পুঁজিবাজার সংস্কার, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ এবং সুশাসনভিত্তিক প্রবৃদ্ধির রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে, তা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমানো জরুরি : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমানো জরুরি : অর্থমন্ত্রী

দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করে একটি গণতান্ত্রিক, উৎপাদনমুখী ও অন্তভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলছেন, অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে হলে অপ্রয়োজনীয় সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমাতে হবে। একই সঙ্গে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও বাজারভিত্তিক নীতিকে গুরুত্ব দিতে হবে। বাজেট ২০২৬-২৭ : প্রত্যাশা ও বাস্তবতা শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরএফএলের সভাপতি দৌলত আক্তার মালা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী এবং বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। আমির খসরু বলেন, দীর্ঘদিনের বিনিয়োগ স্থবিরতা, আস্থার সংকট ও কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে জনকল্যাণমুখী বাজেট প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তার মতে, অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে সাধারণ মানুষকে। নারী, কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানমুখী কর্মসূচি বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সৃজনশীল শিল্প খাতে বেসরকারি খাত এবং এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। এতে সেবার মান উন্নত হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং সরকারের ব্যয়ের চাপ কমবে। পুঁজিবাজার নিয়ে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন। স্বচ্ছতা, পেশাদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো ছাড়া বাজারের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি আরো বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। দুর্নীতি ও অনিয়মকে অর্থনীতির বড় বাধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগের পথে অপ্রয়োজনীয় প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। পাশাপাশি নীতিগত ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। আমির খসরুর ভাষায়, গণতান্ত্রিক অর্থনীতি মানে এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিযোগিতা থাকবে, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত হবে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। তিনি বলেছেন, অর্থনৈতিক সংস্কারের সুফল রাতারাতি পাওয়া যাবে না। তবে সুশাসন, জবাবদিহিতা ও সঠিক নীতি অনুসরণ করা গেলে দেশের অর্থনীতি আবারও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%