মোঃ শরীফ উদ্দিন :ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৪ পি.এম
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৯নং নিজামপুর ইউনিয়নের শরিফাবাদ গ্রাম থেকে এক নারী নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ নারী জয়নাল আবেদিন হৃদয় এর আম্মা বলে জানা গেছে।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। সর্বশেষ তাকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শরিফাবাদ গ্রামে দেখা গেছে। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এবং সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছেন।
কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তার সন্ধান পেয়ে থাকলে বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে দ্রুত নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
যোগাযোগ:
01729355582
01893535300
নিখোঁজ নারীর সন্ধানে সহযোগিতার জন্য সংবাদটি বেশি বেশি শেয়ার করার অনুরোধ জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির কোনো পদধারী নেতা যদি প্রার্থী হতে চান, তাহলে মনোনয়ন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে অবশ্যই দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে, এমন তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু এমপি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, প্রার্থী হওয়ার আগে জনপ্রিয়তা এবং নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সক্ষমতা নিয়ে লিখিত তথ্য প্রদান করতে হবে।
বুধবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ঘাটলা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন বুলু।
বুলু এমপি বলেন, "ভোট করতে হলে আগে লিখিত দিতে হবে- প্রার্থী জনপ্রিয় এবং নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মতো অবস্থানে আছেন।" তিনি আরও জানান, মনোনয়ন নিয়ে পরাজিত হলে তা মেনে নেয়া হবে না।
তিনি বলেন, "দলের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হলে বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে বিবেচনা করা হবে।" বিএনপির এই নেতা আরও উল্লেখ করেন যে, প্রার্থী হয়ে পরাজিত হলে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিল করা হতে পারে।
এ অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শামীমা বরকত লাকী, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাখ্যা চন্দ্র দাস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহফুজুল হক আবেদসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বরকত উল্লাহ বুলু এমপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের নড়িয়া এলাকায় কবরস্থানের জমি কেনার জন্য টাকা উত্তোলন সংক্রান্ত বিরোধের ফলে প্রতিপক্ষ জয়দুল ঢালীর হামলায় আনোয়ার ভূঁইয়া (৪২) নামের একজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ভুমখাড়া ইউনিয়নের মানাখান এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার ভূঁইয়া ওই এলাকার সেকেন্দার ভূঁইয়ার পুত্র।
পুলিশ এবং স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, মানাখান এলাকায় একটি কবরস্থানের জমি কেনার জন্য টাকা উত্তোলন নিয়ে জয়দুল ঢালী এবং আনোয়ার ভূঁইয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে আদালতে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় এই বিরোধের কারণে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জয়দুল ঢালী আনোয়ার ভূঁইয়ার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে আনোয়ার গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
এদিকে আনোয়ার ভূঁইয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তার স্বজনরা জয়দুল ঢালীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন বলে জানা গেছে।
নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, "কবরস্থানের জমি কেনার টাকা নিয়ে বিরোধের কারণে আনোয়ার ভূঁইয়া নামে একজন ব্যক্তি প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে এরলিং হালান্ডের বিতর্কিত গোল নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা দেখে ক্ষুব্ধ ম্যানচেস্টার সিটির কোচ এনজো মারেসকা; তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, ২০২৩ সালে সিটির বিরুদ্ধে একই ধরনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
এবার এনজো মারেসকা পাল্টা জবাব দিয়েছেন হালান্ডের গোল নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এত আলোচনা হওয়ায় ১০ জন নিয়ে প্রায় ৭০-৭৫ মিনিট খেলা ম্যানচেস্টার সিটির অসাধারণ পারফরম্যান্সটি আড়ালে চলে যাচ্ছে।
রোববার ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়লাভ করে সিটি। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন হালান্ড। তবে গোলের আগে এনজো ফার্নান্দেজ অফসাইড অবস্থান থেকে খেলার ফলাফলে প্রভাব ফেলেছিলেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
হালান্ডের গোলটি প্রথমে অফসাইডের কারণে বাতিল করেছিলেন মাঠের রেফারি। পরে ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনায় দেখা যায়, ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার প্যাট্রিক দর্গুর বুটের কারণে হালান্ড অনসাইড ছিলেন। তবে ফার্নান্দেজও গোলের সামনে অফসাইড অবস্থানে থেকে হেড করার চেষ্টা করেছিলেন।
প্রিমিয়ার লিগের রেফারিদের প্রধান হাওয়ার্ড ওয়েব পরে স্বীকার করেন যে, ভিডিও সহকারী রেফারি ম্যাট ডনাহু হালান্ডের অবস্থানের ওপর অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়ায় ফার্নান্দেজের অবস্থানের সম্ভাব্য প্রভাব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারেননি।
তবে মারেসকা এই বিতর্ক নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা করতে রাজি নন। বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "ম্যাচের এত বড় সময় ১০ জন নিয়ে খেলার পর শুধু একটি ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা ‘খুবই হতাশাজনক’।" তাঁর মতে, সিটির পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ এবং সেটিই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত।
মারেসকা স্বীকার করেছেন যে, ওই সিদ্ধান্তে সিটির ভাগ্য সহায়তা করেছে। তবে তিনি মনে করেন, ফুটবলে কখনো সিদ্ধান্ত পক্ষে যায়, কখনো বিপক্ষে—এটাই খেলার একটি অংশ। তাঁর ভাষায়, "ভুল হয়েছে, সেটি সবাই জানে; কিন্তু সেখানেই বিষয়টির ইতি টানা উচিত।"
২০২৩ সালের ডার্বির উদাহরণ
নিজের বক্তব্যের সমর্থনে ২০২৩ সালের আরেকটি ম্যানচেস্টার ডার্বির উদাহরণও তুলে ধরেছেন মারেসকা। সে সময় তিনি পেপ গার্দিওলার সহকারী হিসেবে সিটির সঙ্গে কাজ করছিলেন।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ওই ম্যাচে ইউনাইটেড ২-১ গোলে জয়লাভ করেছিল। ব্রুনো ফার্নান্দেজের করা সমতাসূচক গোলটি নিয়ে তখনও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। কারণ গোলের আগে মার্কাস রাশফোর্ড অফসাইড অবস্থান থেকে বলের দিকে দৌড়েছিলেন। তিনি বল স্পর্শ না করলেও পরে সেটি ফার্নান্দেজের জন্য ছেড়ে দেন।
মারেসকার দাবি, সেবারও একই ধরনের পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত ইউনাইটেডের পক্ষে গিয়েছিল, কিন্তু সিটির কাছে কেউ ক্ষমা চাননি। তিনি বলেন, "তিন বছর আগে আমি যখন এখানে ছিলাম, ইউনাইটেডের বিপক্ষে ঠিক একই ঘটনা ঘটেছিল। গোলটি নিয়মসিদ্ধ ছিল না, কিন্তু কেউ ক্ষমা চায়নি। সেই ক্ষমার অপেক্ষায় আমরা এখনো আছি।"
অর্থাৎ হালান্ডের গোলের সিদ্ধান্তে ভুল স্বীকার করা হলেও মারেসকা মনে করেন, এ ধরনের ঘটনা ফুটবলে নতুন নয়। তাঁর মূল বক্তব্য হলো—একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে ১০ জন নিয়ে প্রায় পুরো ম্যাচ খেলে সিটির প্রাপ্ত ১-০ গোলের জয় এবং দলের পারফরম্যান্স যেন আড়ালে না পড়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জ, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন মন্তব্য করেছেন, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, বরং আইনটিকে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং কার্যকরী করে তুলতে হবে। নিরাপরাধ কোন ব্যক্তি যেন অবিচারের শিকার না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই লক্ষ্যে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য, এবং বর্তমান সরকার এই প্রচেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, যে কোন প্রকার চোরাচালান, অনৈতিক কর্মকান্ড, দুর্নীতি এবং চাঁদাবাজি নির্মূলের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, সরকার তার সব কিছুই করবে।
আজ বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শহীদ শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন এসব মন্তব্য করেন।
সভাটি জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এবং জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ