মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২৫ পি.এম
ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্বে একটি বড় রাজনৈতিক নাটকীয়তার খবর সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টরপন্থী দল ‘লিকুদ পার্টি’ সম্ভাব্য পরাজয় এড়ানোর জন্য এবং নির্বাচনে হেরে গেলে ভোট ‘চুরি’ বা কারচুপির অভিযোগ তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে শীর্ষস্থানীয় ইসরায়েলি গণমাধ্যম।
হেব্রু ভাষার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও প্রখ্যাত দৈনিক ‘হারেটজ’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, লিকুদ আরব অধ্যুষিত শহর ও জনপদগুলোর ভোটকেন্দ্রের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দলটির অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুসৃত ‘রিগড ইলেকশন’ বা ভোট কারচুপির অভিযোগের আদলে এই ক্যাম্পেইনের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আরব ভোটারদের উপস্থিতি ও ভোটদানের ওপর নজরদারি করার অজুহাতে লিকুদ ও উগ্র ডানপন্থী রিলিজিয়াস জায়োনিজম দলগুলো প্রায় দুই হাজার কর্মী বিভিন্ন কেন্দ্রে মোতায়েন করেছে। দলটির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় বলা হয়েছে, পূর্ণ বোরকা পরে ভোট দিতে আসা নারীদের ভোটার হিসেবে শনাক্তকরণ কিংবা ভোটকেন্দ্রে কারচুপির নানা অভিযোগ তুলে ফলাফলকে বিতর্কিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল ডিন লিভনে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলি নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো ভোট জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং বিদ্যমান আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সিভিল রাইটস গ্রুপ এবং নজরদারি সংস্থাগুলো লিকুদের এই পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ভোট জালিয়াতির যেকোনো অপচেষ্টা রুখতে কড়া নজরদারি বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছে। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা অপরিহার্য। এর সঠিক ব্যবহার শেখার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অনেক সময় ভুল উত্তর দিতে পারে। যে বিষয় সম্পর্কে নিজের ধারণা পরিষ্কার নয়, সে বিষয়ে এআইয়ের ভুল চিহ্নিত করা কঠিন হতে পারে। তাই, নিজের বিষয়ের ভিত্তি শক্তিশালী করে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি বিপুল জনসংখ্যার দেশ। বর্তমান সরকার এই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা খাতে জিডিপির দুই শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বাজেটকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর উপর জোর দিতে হবে। বরাদ্দকৃত অর্থের অপচয় যেন না হয়, সেদিকে সকলকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে প্রায় ২৭০০ কোটি টাকার ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পের বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন শিক্ষক ও ১৯ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী তাদের হাতে সম্মাননার ক্রেস্ট তুলে দেন।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী জানান, আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ১১টায় এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বই যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া, পাঠ্যপুস্তকের মানের বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের প্রয়াত নেতা মাও জে দংকে নিয়ে মন্তব্য করার পর বিতর্কে জড়িয়ে ক্ষমা চেয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড তাঁর মন্তব্যকে ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ হিসেবে উল্লেখ করে চীন এবং বিশ্বজুড়ে থাকা চীনা জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি বিবৃতিতে এমবাপ্পে জানিয়েছেন, 'সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারের সময় নিজের একটি ছবি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলাম আমি। আমার মন্তব্যটি ছিল অবিবেচনাপ্রসূত এবং আমি এখন বুঝতে পারছি যে, এটি চীন এবং বিশ্বজুড়ে চীনা সম্প্রদায়ের অনেক মানুষকে আঘাত করেছে।'
https://t.co/MQBo9NCSy5
— Kylian Mbappé (@KMbappe) October 27, 2026
ফরাসি এই তারকা আরও যোগ করেছেন, 'আমার কথায় যারা কষ্ট পেয়েছেন, তাদের সবার কাছে ক্ষমা চাইছি আমি। এটা (কষ্ট দেয়া) আমার উদ্দেশ্য ছিল না। চীনা জনগণ ও তাদের ইতিহাসের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে এবং আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।'
সোমবার (২৬ অক্টোবর) একটি ভিডিওতে মাওয়ের ছবি নিয়ে মন্তব্য করতে শোনা যায় এমবাপ্পেকে। তবে ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।
এ ঘটনায় এমবাপ্পের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে চীনের পানীয় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ইস্ট্রক বেভারেজ এবং দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনকারী মেংনিউ ও মিল্কগ্রাউন্ড। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও এমবাপ্পে ও লা লিগা-সংশ্লিষ্ট ম্যাচের সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ প্রোফেশনাল গলফার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএ) এবং ‘গলফ মিডিয়া’ একত্রে বাংলাদেশের পেশাদার গলফের প্রচার ও প্রসারে কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার আর্মি গলফ ক্লাবে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিপিজিএর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইউনুস, সেক্রেটারি জেনারেল সিফাত চৌধুরী এবং গলফ মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক মেজবাহ্-উল-হকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মোহাম্মদ ইউনুস এবং মেজবাহ্-উল-হক। অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, "বাংলাদেশের গলফকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে চাই আমরা। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রচার যত বাড়বে, গলফের উন্নয়নের সুযোগও তত বাড়বে। সে লক্ষ্যেই গলফ মিডিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছি। এটি আমাদের জন্য বিশেষ একটি দিন।" গলফ মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক মেজবাহ্-উল-হক বলেন, "গলফের উন্নয়নে প্রচারের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের গলফের উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। বিপিজিএর সঙ্গে চুক্তির ফলে প্রচার কার্যক্রম আরও সহজ ও কার্যকর হবে।" বিপিজিএর সেক্রেটারি জেনারেল সিফাত চৌধুরী বলেন, "গলফ মিডিয়া দীর্ঘদিন ধরে গলফের প্রচারে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তাদের মাধ্যমে দেশের পাশাপাশি বিদেশের মানুষও বাংলাদেশের গলফ সম্পর্কে জানতে পারছেন। আশা করছি, একসঙ্গে কাজ করে এ খেলায় ইতিবাচক অবদান রাখতে পারব।"
এদিকে, মঙ্গলবার আর্মি গলফ ক্লাবে চতুর্থ ওয়েস্টার্ন গ্রুপ পেশাদার গলফ ওপেন শুরু হয়েছে। প্রথম রাউন্ড শেষে ৬-আন্ডার-পার স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন আকবর হোসেন। ৫-আন্ডার-পার খেলে দ্বিতীয় স্থানে আছেন বাদল হোসেন। ৩-আন্ডার-পার স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে জামাল হোসেন রয়েছেন। ২-আন্ডার-পার খেলে সজীব আলী ও মো. রাজুর সঙ্গে যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে আছেন তারকা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। চার রাউন্ডের এই প্রতিযোগিতায় এখনো তিন রাউন্ড বাকি আছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন, যা নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি এবং বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইউএস সিনেট, কংগ্রেস এবং স্টেট গভর্নর পদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নিউইয়র্কে এই নির্বাচনের জন্য আগাম ভোট শুরু হয়েছে ২৪ অক্টোবর শনিবার থেকে, যা চলবে ১ নভেম্বর রোববার পর্যন্ত। বর্ধিষ্ণু কমিউনিটি হিসেবে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে, ৩ নভেম্বর মঙ্গলবারের নির্বাচনে বাংলাদেশি কমিউনিটির ভোট চেয়েছেন নিউইয়র্কের অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস। গত ২১ অক্টোবর, বুধবার সন্ধ্যায় কুইন্সের জ্যামাইকার একটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ভোটের জন্য আহ্বান জানান। ‘বাংলাদেশি কমিউনিটি মিট এন্ড গ্রীট’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে একমাত্র বক্তা ছিলেন লেটিশিয়া জেমস। অনুষ্ঠানে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অ্যাটর্নী জেনারেল লেটিশিয়া জেমস বক্তব্য রাখার পর অনুষ্ঠানের মডারেটর নবীর কয়েকটি প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, অভিবাসীদের অধিকার রক্ষার বিষয়টি তার প্রশাসনের প্রধান কাজ ও লক্ষ্য। তিনি বলেন, "আমরা নিউইয়র্ক সিটিসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে অভিবাসীদের বিরুদ্ধে নানা অন্যায়-অবিচার দেখছি। অনেকের স্ন্যাপ, মেডিকেড কেড়ে নেয়া হচ্ছে। সম্মিলিতভাবে এইসব প্রতিরোধ করতে হবে।" ভোট কেন্দ্রে আসা এবং ভোট দেওয়ার গুরুত্বের ওপর তিনি জোর দেন। তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকান সকল ভোটারদের এবং তাদের প্রতিবেশী ও বন্ধু-বান্ধবদের ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "এক একটি ভোট সকলের ভয়েস এবং পাওয়ার।"
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি কমিউনিটি ‘গ্রোয়িংআপ কমিউনটি’। ভোটের মাধ্যমে সিটি এবং স্টেট পলিসি পরিবর্তনে এই কমিউনিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। লেটিশিয়া জেমস জানান, "আমরা নিউইয়র্ক সিটির স্কুলে ফ্রি ফুড-এর ব্যবস্থা করেছি। আগামীতে স্টেট ওয়াইজ স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ফুড বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।" এছাড়াও, বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে সিটিতে ফ্রি ফুড বিতরণ কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে। তিনি হাউজিং সমস্যা এবং আইস-এর হয়রানিসহ যেকোন সমস্যায় তার অফিসে যোগাযোগ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। নির্বাচনের সময় আইস বা কোন ন্যাশনাল গার্ড কোন সমস্যা করবে না, প্রয়োজনে তিনি তার অফিসের প্রটেকশন হটলাইন-এ যোগাযোগ করারও আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সালেহ আহমেদ, শেকিল চৌধুরী, রেজাউল করীম চৌধুরী, খন্দকার তারিকুল ইসলাম, শাহারিয়ার রহমান, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, জে মোল্লা সানী, বিলাল আহমেদ চৌধুরী, ফিরোজ কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ