১১:৩৫ এম
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে নেইমারকে নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে অনেক প্রশ্ন। ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা নানা চোটে জর্জরিত এবং তার ফর্ম ও ফিটনেস নিয়ে সংশয় ছিল।
তবুও, ব্রাজিল সমর্থকদের একটি বড় অংশের কাছে নেইমারের উপস্থিতি মানে শুধুমাত্র একটি ফুটবলীয় সিদ্ধান্ত নয়, বরং ২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরার প্রেক্ষিতে একটি আশার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের উদ্বোধনী ম্যাচে কাফ ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে পারেননি ব্রাজিল দলের এই প্রাণভোমরা। তাকে বেঞ্চ থেকে দলের খেলা দেখতে হয়েছে। তবুও, এই তারকা ফুটবলার ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে অবশিষ্ট ছিলেন।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা
স্টেডিয়ামে উপস্থিত ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের মধ্যে অনেকে নেইমারের জার্সি পরে এসেছিলেন। তাদের মতে, ব্রাজিল দলে নেইমারের মতো একজন তারকার উপস্থিতি অপরিহার্য, যিনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। অনেক সমর্থকের চোখে নেইমার এখনও দলের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার নাম।
মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিল বেশ চাপে ছিল। তারা মাঝমাঠে আধিপত্য হারিয়ে বারবার সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিল। এমনকি প্রথমার্ধে গোলও হজম করে। পরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে ব্রাজিল সমতায় ফেরে এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়।
ম্যাচজুড়ে ব্রাজিলের আক্রমণে সৃজনশীলতার ঘাটতি প্রকট ছিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কিছু মুহূর্তে জাদুকরী ফুটবলের ঝলক প্রদর্শন করলেও তার পাশে পর্যাপ্ত সহায়তার অভাব ছিল। এখানে বারবার সামনে এসেছে নেইমারের নাম।
ব্রাজিলের ইতিহাসে পেলে, রোনালদো, রোনালদিনহো কিংবা কাকার মতো কিংবদন্তিদের উত্তরসূরি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে নেইমারকে বিবেচনা করা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এখনও অপূর্ণ। তাই অনেক সমর্থকের বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপেই হয়তো তার অসমাপ্ত গল্পের শেষ অধ্যায় লেখা হতে পারে।
আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল
মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামতে না পারলেও ম্যাচ শেষে নেইমারকে ঘিরে ছিল ভক্ত ও খেলোয়াড়দের ব্যাপক আগ্রহ। ব্রাজিল ও মরক্কো উভয় দলের খেলোয়াড়রাও তার সঙ্গে দেখা করতে এগিয়ে এসেছিলেন।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শিরোপা-স্বপ্ন এখনো অটুট রয়েছে। আর সেই স্বপ্নপূরণে চোট কাটিয়ে নেইমারের মাঠে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে ব্রাজিল সমর্থকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন