০৬:০৪ পি.এম
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নে সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে নদীভাঙন। নদীভাঙনের কারণে নদীপাড়ের কয়েকটি গ্রাম, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় স্থাপনার মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম উদ্বেগ এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এই সম্পর্কিত বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সুরানন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শতবর্ষী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নদীভাঙনের একেবারে নিকটে অবস্থিত। স্থানীয়দের আশঙ্কা প্রকাশ, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তাহলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় সূত্র থেকে খবর পাওয়া গেছে, রসুলপুর, দুধরচক, শিবেরচক, হরাইচক ও সুরানন্দপুর গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে আসে। নদীভাঙন অব্যাহত থাকলে শিক্ষা কার্যক্রমে মারাত্মকভাবে ব্যাঘাত ঘটবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়বে।
আরও পড়ুন: শ্বশুরের মৃত্যুর এক দিন পর মারা গেলেন পুত্রবধূ
মানিকপুর ইউনিয়নের সুরানন্দরপুর প্রবাসী ফোরামের সভাপতি ও সমাজসেবক, পর্তুগাল প্রবাসী জুবায়ের আহমদ বলেছেন, “নদীভাঙনের ফলে গ্রামের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলো হুমকির মুখে রয়েছে। দ্রুত এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দরকার।”
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সুরমা নদীর ভাঙনে জনগণের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কিন্তু এখনো স্থায়ী নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রতি বছর নতুন নতুন এলাকা নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নদীভাঙন রোধে অবিলম্বে কার্যকর এবং টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন