ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মানিকপুরে সুরমার ভাঙন, জকিগঞ্জে নদীপাড়ের মানুষে দুশ্চিন্তা


মানিকপুরে সুরমার ভাঙন, জকিগঞ্জে নদীপাড়ের মানুষে দুশ্চিন্তা

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নে সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে নদীভাঙন। নদীভাঙনের কারণে নদীপাড়ের কয়েকটি গ্রাম, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় স্থাপনার মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম উদ্বেগ এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এই সম্পর্কিত বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সুরানন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শতবর্ষী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নদীভাঙনের একেবারে নিকটে অবস্থিত। স্থানীয়দের আশঙ্কা প্রকাশ, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তাহলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

স্থানীয় সূত্র থেকে খবর পাওয়া গেছে, রসুলপুর, দুধরচক, শিবেরচক, হরাইচক ও সুরানন্দপুর গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে আসে। নদীভাঙন অব্যাহত থাকলে শিক্ষা কার্যক্রমে মারাত্মকভাবে ব্যাঘাত ঘটবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন: শ্বশুরের মৃত্যুর এক দিন পর মারা গেলেন পুত্রবধূ

মানিকপুর ইউনিয়নের সুরানন্দরপুর প্রবাসী ফোরামের সভাপতি ও সমাজসেবক, পর্তুগাল প্রবাসী জুবায়ের আহমদ বলেছেন, “নদীভাঙনের ফলে গ্রামের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনাগুলো হুমকির মুখে রয়েছে। দ্রুত এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দরকার।”

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সুরমা নদীর ভাঙনে জনগণের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কিন্তু এখনো স্থায়ী নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রতি বছর নতুন নতুন এলাকা নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নদীভাঙন রোধে অবিলম্বে কার্যকর এবং টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন গ্রামের সংঘর্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন গ্রামের সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় একটি অপ্রাসঙ্গিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। পরবর্তীতে সংঘর্ষের মধ্যে আরও একটি গ্রামের লোকজন যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সোমবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের সীমান্তে শ্যামবাড়ি ও বাদৈর ইউনিয়নের হাতুড়াবাড়ি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু দিন আগে গ্রামটির অভ্যন্তরীণ সড়কে পড়ে থাকা একটি গাছ সরানোর ক্ষেত্রে সিএনজিচালিত রিকশাচালক এবং ইজিবাইকচালকদের দুটি দলের মধ্যে কথাকাটাকাটি সংঘটিত হয়েছিল। পরে এই বিষয়ে দুই গ্রামের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। গ্রাম্য সালিশ আয়োজন করা হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। এর জেরে সোমবার বিকেলে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। একপর্যায়ে শ্যামবাড়ি গ্রামের লোকজনের পক্ষে পাশের নিমবাড়ি গ্রামের সদস্যরা সংঘর্ষে যোগদান করে। ফলে তিন গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের দাবি করেছেন, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে আহতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

খবর পেয়ে পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


আমতলীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

"উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনার আমতলী উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

সোমবার  সকাল ১০টায় আমতলী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আমতলী প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বাদল। শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

স্বাগত বক্তব্য দেন বিআরডিবি কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল ইসলাম, আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সোহেল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল, বিআরডিবি চেয়ারম্যান মো. মঈনউদ্দীন মামুন এবং আমতলী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কবির ফকির।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমতলী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আমতলী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক আবু জিহাদ, আমতলী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান সালেহ, সাংবাদিক শাওন খান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সমবায় সমিতির সদস্য, বিআরডিবির গ্রাহক ও সুবিধাভোগী, সুধীজন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে সুবিধাভোগীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্বে মোছা. ফাতেমা বেগম বলেন, “২০১১ সাল থেকে আমি বিআরডিবির সঙ্গে যুক্ত। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা সচেতন হচ্ছি। পরিবেশবান্ধব গ্রাম গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

অপর সুবিধাভোগী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, “বিআরডিবি থেকে ঋণ নিয়ে আমি ছাগল, হাঁস ও মুরগি পালন শুরু করেছি। বর্তমানে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে খামার গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।”

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পল্লী এলাকার অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমবায় কার্যক্রম জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে নির্বাচিত কয়েকজন সুবিধাভোগীর মাঝে নগদ অর্থের চেক বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন উপকারভোগীর হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেতানিয়াহুকে হত্যার আশঙ্কা এবং ইসরায়েলে গৃহযুদ্ধের প্রবল সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


নেতানিয়াহুকে হত্যার আশঙ্কা এবং ইসরায়েলে গৃহযুদ্ধের প্রবল সম্ভাবনা

ইসরায়েলের অভ্যন্তরে একটি সুনির্দিষ্ট এবং বাস্তবসম্মত গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা করছেন দেশটির প্রায় ৬০ শতাংশ নাগরিক। ইহুদি নীতিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জেউইশ পিপল পলিসি ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

নতুন এই সমীক্ষার অনুযায়ী জরিপে অংশ নেওয়া শতকরা ৭৯ ভাগ ইসরায়েলি নাগরিক মনে করেন যে সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের বিগত বছরটি অত্যন্ত ‘বাজে’ কেটেছে। এর পাশাপাশি দেশটির প্রায় ৪৯ শতাংশ সাধারণ মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চরম হতাশা ও নৈরাশ্য প্রকাশ করেছেন।

জরিপের ফলাফলে আরও দেখা গেছে যে অর্ধেকেরও বেশি অর্থাৎ ৫২ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক বিশ্বাস করেন যে দেশে আবারও একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ‘উচ্চ সম্ভাবনা’ রয়েছে। এই আশঙ্কার অংশ হিসেবে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কোনো শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে টার্গেট বা লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে বলে সাধারণ মানুষের মনে হচ্ছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ইয়েদিদিয়া স্টার্ন ইসরায়েলের বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে গিয়ে জানিয়েছেন যে দেশটির সমাজ ব্যবস্থা একই সাথে উল্লেখযোগ্য স্থিতিস্থাপকতা ও আশাবাদ প্রদর্শন করলেও এটি বর্তমানে ভেতর থেকে গভীরভাবে বিভক্ত এবং মেরুকৃত হয়ে পড়েছে। ইসরায়েলি জনগণ এখন এই অভ্যন্তরীণ ফাটল বা পারস্পরিক দূরত্বকেই তাদের প্রধান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করছে।

ইয়েদিদিয়া স্টার্ন আরও উল্লেখ করেছেন যে দেশের নাগরিকদের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি, একতা এবং হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাস ফিরিয়ে আনার জন্য এই মুহূর্তে জরুরি ভিত্তিতে একটি দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত বাঙালিদের আয়কর ছাড়ের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত বাঙালিদের আয়কর ছাড়ের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

 

পাহাড়িদের মতো বান্দরবান, রাঙামাটি, ও খাগড়াছড়িতে বসবাসরত পিছিয়ে পড়া ৫৪ শতাংশ বাঙালিদের জন্য আয়কর মওকুফ এবং বাজারফান্ড এলাকায় বন্ধ থাকা ব্যাংক ঋণ পূর্বের মতো চালুর দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বান্দরবান শহরের গ্র্যান্ডভ্যালি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান লিখিত বক্তব্যে এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, সরকারের প্রস্তাবিত আয়কর অব্যাহতি শুধুমাত্র উপজাতীয় ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য রাখায় পার্বত্য অঞ্চলের বাঙালিদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। একই এলাকায় বসবাস করেও বাঙালিরা শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা ও ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার বলে দাবি করেন তিনি। তাই পাহাড়ীদের মত তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত পিছিয়ে পড়া বাঙালিদেরও আয়কর মওকুফের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে বাজারফান্ড এলাকার জমির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তিন পার্বত্য জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন ঋণ ও পুরোনো ঋণ নবায়ন বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা সংকটে পড়েছেন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। দ্রুত এ জটিলতা নিরসন করে আগের নিয়মে ব্যাংক ঋণ চালুর দাবি জানানো হয়।

নাগরিক পরিষদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বৈষম্য দূর করে পার্বত্য অঞ্চলে সমতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে নাছিরুল আলম, আবুল কালাম, মো. শাহজালাল, ঠিকাদার মোজাফ্ফর ও নুরুল আলমসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%