১২:৩৯ পি.এম
ফরিদপুরের সালথায় জমি সংক্রান্ত একটি বিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ মো. আমিন খন্দকার (৪৫) নামে একজন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের সদস্য। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চান্দাখোলা মোন্তারমোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া আমিন খন্দকার সোনাপুর ইউনিয়নের চান্দাখোলা গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি উপজেলা আওয়ামী কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বড় বাংরাইল এলাকার মনির বিশ্বাস ও মিশরু মিয়ার মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর ফলস্বরূপ মঙ্গলবার বিকেলে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: লগি-বৈঠার তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চরফ্যাশনে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল
এ সময় বেশ কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে।
সংঘর্ষের পর উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে অন্তত আটটি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
আরও পড়ুন: নোয়াখালী সদর উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয় জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সালথা থানার ওসি বাবলুর রহমান খান জানান, ‘মঙ্গলবার সকালে অভিযান চালিয়ে কৃষক লীগ নেতা আমিন খন্দকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে সোনাপুর ইউনিয়নের বড় বাংরাইল গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি ছিলেন তিনি।
ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: বিএনপির বিরুদ্ধে টাকা বিতরণের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন