মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২১ পি.এম
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের বসিয়ে আপ্যায়ন ও আড্ডা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় কার্যালয়ে নির্ধারিত চেয়ারে বসার অভিযোগে দুই বিএনপি নেতার সাংগঠনিক পদ সাময়িক স্থগিত করা হলেও আওয়ামী লীগ নেতাদের একই চেয়ারে বসিয়ে আপ্যায়নকারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন নেতাকর্মীরা।
উপজেলা বিএনপির একটি পত্রে জানা যায়, গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসার অভিযোগে ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ও ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আবু বক্করের সাংগঠনিক পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এর বিপরীতে একই কার্যালয়ে গুঠিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী সহ-সভাপতি জগলু মাস্টার ও মিজানুর রহমানকে বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্ধারিত চেয়ারে বসিয়ে খোশমেজাজে আড্ডা ও আপ্যায়ন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ছবিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি টাঙানো ওই কার্যালয়ের ভেতরে আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে বসে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি স্থানীয় নেতাকর্মীদের। তাদের অভিযোগ, বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে দলীয় শৃঙ্খলার কঠোর প্রয়োগ করা হলেও আওয়ামী লীগ নেতাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহীন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক লাবলু চাপরাশির বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অনিয়ম, দখল ও সন্ত্রাসের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাদের।
এ ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, কৃষকদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতাকর্মী বলেন, “আমরা দলীয় কার্যালয়ের চেয়ারে বসলে শাস্তি, অথচ নেতারা আওয়ামী লীগ নেতাদের সেই চেয়ারে বসিয়ে আপ্যায়ন করলে কোনো ব্যবস্থা নেই। এটি স্পষ্ট ডাবল স্ট্যান্ডার্ড। দলীয় শৃঙ্খলা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত।”
তারা আরও বলেন, দলীয় শৃঙ্খলার কথা বলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তৃণমূলের মধ্যে হতাশা ও বিভক্তি আরও বাড়বে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লাবলু চাপরাশি বলেন, নির্বাচনে আগে অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে জগলু মাস্টার ও মিজানুর রহমান গুঠিয়া বিএনপি অফিসে এসেছিলেন। কোন রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, শিক্ষক হিসেবে তাদেরকে আমরা আপ্যায়ন করেছি। এটাকে এখন অনেকে প্রচার করে ভিন্নখাতে নিতে চায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উপকারভোগী নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে একটি ত্রুটিমুক্ত ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে, যা ডোর-টু-ডোর পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নেত্রকোনা-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য রফিকুল ইসলাম হেলালীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
রফিকুল ইসলাম হেলালী মন্তব্য করেন, মাঠপর্যায়ে প্রকৃত দুস্থ ও নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ বিভিন্ন জটিলতার কারণে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার তালিকা থেকে বাদ পড়ে যান। কিছু জায়গায় উপকারভোগী নির্বাচনে স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগও রয়েছে। তিনি জানতে চান, প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানোর জন্য শক্তিশালী ও ত্রুটিমুক্ত ডিজিটাল ডাটাবেজ এবং কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর জন্য কি কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা ডোর-টু-ডোর অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশে যখন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ একযোগে শুরু হবে, তখন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উপকারভোগী নির্বাচন নিয়ে যে ত্রুটির বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলো অনেকাংশে কমে আসবে এবং এ নিয়ে সন্দেহও দূর হবে।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময়ে বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ পদ্ধতিতে দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হতো, যার ফলে বয়সসীমা পূরণ করলেও সবাই ভাতা পেতেন না। বর্তমানে এসব কর্মসূচি ইউনিভার্সাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ফলে, পর্যায়ক্রমে ত্রুটির সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এদিকে, গাজীপুর-৪ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য সালাহ উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, মাদকাসক্তদের নিরাময় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র স্থাপন স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
তবে মাদকাসক্তদের নিরাময়ের পর পুনর্বাসনের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বেকার যুবক ও নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমাজে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ১৪টি ট্রেড চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা পর্যায়ের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়েও এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, মাদকাসক্তরা চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠলে, তাদেরও এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুনর্বাসনের সুযোগ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ২০২৬-২০৩১ অর্থবছরের মধ্যে ইবতেদায়ি মাদ্রাসাসহ দেশের সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে মৌলভীবাজার-২ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এ প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের ‘স্বাস্থ্য ও খাদ্য’কে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সহায়তা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এসইডিপি (সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) কর্মসূচির আওতায় ‘মাদ্রাসা শিক্ষা উৎকর্ষ সহায়তা কর্মসূচি’ (এমইইএসপি) প্রণয়ন করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২৬-২০৩১ অর্থবছরের মধ্যে দেশের সব মাদ্রাসায় মিড-ডে মিল চালু করা হবে। এর আওতায় ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোও থাকবে।
এর আগে প্রশ্নে সংসদ সদস্য জানতে চান, সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিল সুবিধা প্রদান করলেও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে অবহেলিত এতিমখানার শিক্ষার্থীরা কেন এ সুবিধা পাচ্ছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক ফিউচার্স মার্কেটে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ৯৯ ডলারে পৌঁছেছে। বাজার বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন যে, এটি যে কোনো মুহূর্তে ১০০ ডলারের মনস্তাত্ত্বিক সীমা অতিক্রম করতে পারে।
বাজার সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক ফিউচার্স মার্কেটে ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ৯৯ ডলারে লেনদেন হতে দেখা যায়। এর আগে, সোমবার কার্যদিবসে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯৮.০৬ ডলারে ওঠার পর দিন শেষে ৯৭ ডলারে স্থির হয়েছিল। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অক্টোবর ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড অয়েলের ফিউচার্স চুক্তিমূল্য প্রতি ব্যারেলে ৯৪.৪৭ ডলারে পৌঁছেছে।
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বেশ কয়েকটি শোধনাগারে আগুন ধরে যায়। নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িকভাবে উৎপাদন ও সরবরাহ কার্যক্রম সীমিত করা হয়, যার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলে নতুন করে বড় ধাক্কা লেগেছে।-
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা এবং আইসিটি দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পাঁচটি আন্তর্জাতিক মানের কোর্স চালু হতে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিসিপ) এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তিটি মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড রুমে স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিপ-এর অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন, যুগ্মসচিব ও উপ-নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক ড. মাইনুল হাসান, উপসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মো. মতিউর রহমান এবং উপসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মৌরীন করিম।
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা, নির্বাহী পরিচালক মো. শামিম আহসান পারভেজ, পাবলিক হেলথ প্রোগ্রামের ভিজিটিং প্রফেসর ড. মো. মুনসুর আহমেদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল মো. খালেদ বিন ইউসুফ (অব.).
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-এর অর্থায়নে পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং এবং নেটওয়ার্ক প্রশাসনসহ জাপানি ভাষার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন সনদ অর্জনের সুযোগ পাবেন।
এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের জুলাই পর্যন্ত চলবে। এতে মোট ১ হাজার ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে রাজশাহী কেন্দ্র থেকে ৪৫০ জন এবং ঢাকার কেন্দ্র থেকে ৭৫০ জন প্রশিক্ষণ নেবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. খাদেমুল ইসলাম মন্তব্য করেন, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের আইসিটি গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত। নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের গ্র্যাজুয়েটদের নিজ এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিল্পখাতের একটি দূরত্ব রয়েছে। এই দূরত্ব কমিয়ে শিক্ষার্থীদের শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ করে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। একই সঙ্গে গ্র্যাজুয়েটদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং তাদের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় ও চাহিদাসম্পন্ন খাতে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ