ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাহজালাল বিমানবন্দরের সেই ‘ভিডিও’ নিয়ে আনসার-ভিডিপির ব্যাখ্যা


শাহজালাল বিমানবন্দরের সেই ‘ভিডিও’ নিয়ে আনসার-ভিডিপির ব্যাখ্যা

শাহজালাল বিমানবন্দরের সেই ‘ভিডিও’ নিয়ে ব্যাখ্যা দিল আনসার-ভিডিপিআনসার-ভিডিপি, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওর বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেছে, যার শিরোনাম ‘আনসার সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, টেনে-হিঁচড়ে টার্মিনালের ভেতরে নেওয়া হলো দর্শনার্থীকে’ ।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আনসার সদস্যদের সঙ্গে এক দর্শনার্থীর অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং পরবর্তী সময়ে তাকে আগমনী গেটের ভেতরে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও ক্যাপশন এই বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আনসার সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, টেনে-হিঁচড়ে টার্মিনালের ভেতরে নেওয়া হলো দর্শনার্থীকে’ শিরোনামে ভিডিওটি প্রচার করা হয়।ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে বাহিনীর গোয়েন্দা শাখার মাধ্যমে অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানের ফলস্বরূপ জানা যায়, ১ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের ক্যানোপি-২ এলাকায় একজন যাত্রীর স্বজন নিষিদ্ধ স্থানে অবস্থান করছিলেন। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আনসার সদস্যরা তাকে সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করেন।তবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিরাপত্তা নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান অব্যাহত রাখেন এবং আগমনী গেটের অভ্যন্তরে বারবার উঁকি-ঝুঁকি দিতে থাকেন। কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা পুনরায় তাকে সরে যেতে বললে তিনি তাদের সঙ্গে ঠাট্টা-বিদ্রুপ, অশোভন মন্তব্য, গালাগালি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ঘটনাটি দায়িত্ব পালনরত অ্যাভসেকের একজন কর্পোরালের নজরে আসলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান না করার নির্দেশ দেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে কর্পোরালের বাকবিতণ্ডা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পরবর্তীতে অ্যাভসেকের ওই কর্পোরাল কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের নির্দেশ দেন যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগমনী গেটের ভেতরে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যেতে হবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অ্যাভসেক কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারেই আনসার সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগমনী গেটের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত ভিডিও বা একপাক্ষিক ক্যাপশনের মাধ্যমে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হলে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধি, শৃঙ্খলা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করে থাকে। বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কার্যক্রমকে বিচ্ছিন্ন ভিডিও বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন না করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রকৃত তথ্য উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে গেছে। অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি এই দেশের সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের তাদের জন্য ভোট ব্যাংক মনে করতো, সেই ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ আপনারা ভেঙে দিয়েছেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে শুরু হওয়া জন্মাষ্টমী উপলক্ষে র‌্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের ধর্মচর্চা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে এবং রাষ্ট্র তা নিশ্চিত করবে।

তিনি বলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না; এ কথাও সংবিধানে বলা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য সব ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় এবং উপাসনালয়ের কর্তাদের স্বাধীনতা ও উপাসনালয় স্থাপনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা শুধু সেটা কিতাবে, সংবিধানে ধারণ করেই বসে থাকতে চাই না। বাস্তবে আমরা এই সম্প্রীতি, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করবো এবং আমরা সেই ঘোষণা দিয়েছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়টা এখানে কোনো মুখ্য নয়। আমরা নাগরিকের পরিচয় এখানে থাকতে চাই। বাংলাদেশের সকল নাগরিক মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, নৃগোষ্ঠী যারাই হোক, তারা ধর্মীয়ভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে নিজ নিজ ধর্মাচার, ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করবেন।

কিন্তু জাতীয়তা হিসেবে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকবো।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকবে। এই একটাই হবে আমাদের পরিচয়। এজন্যই আমরা বলি, আমাদের নেতা বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। যদি সবার আগে বাংলাদেশ হয়, তাহলে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি, তারপরে আমাদের ধর্মীয় পরিচয়, সাংস্কৃতিক পরিচয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়।

সবার আগে বাংলাদেশী এবং সবার জন্য বাংলাদেশ।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কেউই যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। সবাই নাগরিকত্বের ভিত্তিতে পরিচয় দেবেন। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, এই দেশের সমান অধিকারভুক্ত একজন নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেবেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে আমরা আজকে থেকে কী বলবো? ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখবো। সামাজিক সম্প্রীতি এবং শান্তি বজায় রাখবো। কেউ আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দের উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। এটা হবে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহ-অবস্থান এবং সামাজিক শান্তি এবং সম্প্রীতি।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তৌসিফ ভাইয়াকে নিয়ে বলতে গেলে শেষ হবে না: বর্ণিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


তৌসিফ ভাইয়াকে নিয়ে বলতে গেলে শেষ হবে না: বর্ণিতা

তৌসিফ ভাইয়াকে নিয়ে আলোচনা শুরু করলে শেষ হবে না: বর্ণিতা

 

“তৌসিফ মাহবুবকে নিয়ে আলোচনা শুরু করলে শেষ হবে না। উনি একজন মানুষ হিসেবে খুবই পিওর, জেনুইন অ্যান্ড ভেরি কাইন্ড”—এভাবে মন্তব্য করেছেন ‘লাক্স সুপারস্টার’ বিদুষী বর্ণিতা, যিনি নিজের প্রথম সহশিল্পী সম্পর্কে কথা বলছিলেন।

 

ক্যারিয়ারের শুরুতেই তৌসিফ মাহবুবের মতো অভিজ্ঞ অভিনেতাকে সহশিল্পী হিসেবে পেয়ে বর্ণিতা উচ্ছ্বসিত।

কিছুদিন আগে কক্সবাজার বিমানবন্দর ও সমুদ্রসৈকতে শিহাব শাহীনের পরিচালনায় ওয়েব ফিল্ম ‘ক্যাফে আমব্রেলা’র শুটিং শেষ হয়েছে। শেষ দিনের শুটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন তৌসিফ ও বর্ণিতা। এই ফিল্মের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো জুটি হিসেবে পর্দায় তাঁদের দেখা যাবে।

 

শুটিং শেষে কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে বিদুষী বর্ণিতা জানান, “অবশেষে শুটিং শেষ হলো। শেষ দিন কক্সবাজারে শুট করেছি। কিছুটা প্যারা হলেও বেশ মজা করেই শুটিং করেছি আমরা। সেদিন বৃষ্টি হওয়াতে সেটাও অনেক উপভোগ করেছি আমি।

 

সবকিছু মিলিয়ে চমৎকার একটা অভিজ্ঞতা।”

শুটিংয়ের পুরো সময়জুড়ে নিজের প্রথম সহশিল্পী তৌসিফ মাহবুবের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতা ও পরামর্শে মুগ্ধ বর্ণিতা।

অভিনেতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তৌসিফ ভাইয়া অনেক আন্তরিক, অনেক সহযোগিতাপরায়ণ। তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু করলে শেষ হবে না। উনি একজন মানুষ হিসেবে খুবই পিওর, জেনুইন অ্যান্ড ভেরি কাইন্ড।

 

এটা যে শুধু আমি প্রথম বলছি, এমন নয়। উনাকে নিয়ে সবাই এই কথাটাই বলে। শুধু যে সিন করার বিষয়ে তা নয়, সিনের বাইরেও বিভিন্ন বিষয়ে আমাকে নানান পরামর্শ দিয়েছেন। উনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন যেন সামনে আমি ভালো করতে পারি। একজন বন্ধু হিসেবে, বড় ভাই হিসেবে আমার মত একজন নতুনকে ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে বিভিন্ন বিষয় শিখিয়ে দিয়েছেন; যেটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। আমি খুবই ভাগ্যবতী যে, প্রথম কাজেই সহশিল্পী হিসেবে তার মত একজনকে পেয়েছি।”

বর্ণিতা তৌসিফের মানবিকতার একটি ঘটনার কথাও শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, “একটা গল্প শেয়ার করি, যেটা আমার মনে খুব দাগ কেটেছে। একবার শুটিংয়ে আমরা ইনটেন্স একটা সিন করছিলাম, সেসময় আমার পায়ে একটা চোট পেয়েছিলাম। পা থেকে অনেক রক্ত বের হচ্ছিল। শুটিংয়ের তাড়াহুড়োয় আমি সেটা খেয়াল করিনি কিন্তু তৌসিফ ভাইয়া সেটা খেয়াল করেছেন। এরপর তিনি শুটিং থামিয়ে প্রোডাকশন বয়কে দিয়ে হ্যাক্সিসল, ব্যান্ডেজ আনিয়ে আগে আমার পা ব্যান্ডেজ করিয়েছেন আর আমাকে বলছিলেন, আগে নিজের খেয়াল রাখতে হবে তারপরে কাজ। এরপর আমাদের কিছুদিন কাজ হয়নি, শুটিং বন্ধ ছিল। এরপর যখন আবার আমাদের সেটে দেখা হলো তখন সবার আগে তিনি আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে, আমার পা কেমন আছে? উনি ভীষণ ট্যালেন্টেড তো অবশ্যই পাশাপাশি অনেক মানবিক। এই বিষয়টা আমার অনেক ভালো লেগেছে।”

বর্ণিতার এমন প্রশংসায় সম্মানিত বোধ করছেন তৌসিফ মাহবুব। তিনি শুধু প্রশংসাই করেননি, নতুন এই অভিনেত্রীর মধ্যে দারুণ সম্ভাবনাও দেখতে পাচ্ছেন। তাঁর বিশ্বাস, ভবিষ্যতে অনেক দূর যাবেন বর্ণিতা।

তৌসিফ মাহবুব কালের কণ্ঠকে বলেন, “বর্ণিতা খুবই সম্ভাবনাময়ী একজন অভিনেত্রী। ওর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে যেটা আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে, সেটা হলো—নতুন হলেও নিজেকে প্রমাণ করার জন্য ও কখনো অতিরিক্ত কিছু করার চেষ্টা করেনি। খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করেছে, নির্দেশনা বুঝেছে এবং খুব দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “ওর মধ্যে একটা স্বাভাবিক স্ক্রিন প্রেজেন্স আছে, যেটা আসলে শেখানো যায় না। অভিনয়ের অনেক কিছুই শেখা যায়, কিন্তু ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে দর্শকের সঙ্গে একটা কানেকশন তৈরি করার ক্ষমতাটা ভেতর থেকে আসতে হয়। বর্ণিতার মধ্যে আমি সেই জিনিসটা দেখেছি।”

“ক্যাফে আমব্রেলা’র মাধ্যমে দর্শক বর্ণিতাকে নতুনভাবে চিনবেন বলেও মনে করেন তৌসিফ। তাঁর কথায়, “আমার বিশ্বাস, এই কাজটা দর্শকদের ওকে নতুনভাবে চিনতে সাহায্য করবে। এটা ওর শুরু মাত্র, সামনে ও আরও অনেক ভালো কাজ করবে—এমন সম্ভাবনা আমি ওর মধ্যে দেখেছি।”

সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই ওটিটি প্লাটফর্ম আইস্ক্রিনে মুক্তি পাবে ‘ক্যাফে আমব্রেলা’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়ামতপুরে জ-লবা-য়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


নিয়ামতপুরে জ-লবা-য়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট উদ্বোধন

নওগাঁর নিয়ামতপুরে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে বৃক্ষরোপণ, কমিউনিটিভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট এবং পুকুর পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। পাশাপাশি, অংশগ্রহণমূলক জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি বিশ্লেষণ নিয়ে একটি মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার, বেলা সাড়ে ১১টার সময় উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের পানিহারা এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব কো-অপারেশন করিন থেভো, ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী, ইএসডিওর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান, গোফরইমপ্যাক্ট প্রকল্পের প্রধান সাইফ মনজুর-আল-ইসলাম, নওগাঁর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুন।

অতিথিরা পানিহারা ভোলা পুকুরের পাড়ে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন। এ সময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং প্রকল্পের উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃক্ষরোপণের পর, অতিথিরা প্রকল্পের অংশগ্রহণমূলক জলবায়ু ঝুঁকি বিশ্লেষণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং স্থানীয় জনগণের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের হামলা এড়াতে অ্যাড ট্র্যাকার নিষ্ক্রিয় করছে মার্কিন সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


ইরানের হামলা এড়াতে অ্যাড ট্র্যাকার নিষ্ক্রিয় করছে মার্কিন সেনা

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ হামলার পর মার্কিন প্রশাসন তৎপর হয়ে উঠেছে। কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা এবং গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন ও কম্পিউটারে বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত ট্র্যাকার ‘অ্যাডভারটাইজিং আইডেন্টিফায়ার’ নিষ্ক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা।

এই পদক্ষেপটি উপসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েনকৃত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে বাণিজ্যিকভাবে লভ্য লোকেশন ডেটা বা অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহারের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সিনেটর রন ওয়াইডেনের বিবৃতির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

বিমানবাহিনী ওয়াইডেনকে জানিয়েছে, তারা দুই মাস আগে থেকেই কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন থেকে বিজ্ঞাপন শনাক্তকারী কোড বা ‘অ্যাডভারটাইজিং আইডেন্টিফায়ার’ নিষ্ক্রিয় করেছে। মার্কিন স্পেশাল অপারেশনস কমান্ড একটি পৃথক চিঠিতে জানায়, তারা সম্প্রতি উইন্ডোজচালিত ডিভাইসগুলোতে এটি নিষ্ক্রিয় করেছে। এছাড়া সেনাবাহিনী রয়টার্সকে জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকেই মোবাইল ডিভাইসের সাথে যুক্ত বিজ্ঞাপন আইডিগুলো নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে।

ওরেগনের ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ওয়াইডেন বেশ কয়েক মাস ধরে পেন্টাগনের ওপর এ বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। তিনি এটি জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করেন। বিজ্ঞাপন শিল্প কর্তৃক সংগৃহীত এবং ডেটা ব্রোকারদের মাধ্যমে বিক্রি করা লোকেশন ডেটা বা অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন করা সামরিক কর্মীদের গতিবিধি ট্র্যাক করা এবং তাদের লক্ষ্যবস্তু বানানো সম্ভব।

বিমান বাহিনী এবং স্পেশাল অপারেশনস কমান্ড এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে ওয়াইডেনকে পাঠানো অনুরূপ চিঠিতে বলা হয়েছে, তারা সামরিক ডিভাইসে ‘অ্যাডভারটাইজিং আইডি’ (বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত শনাক্তকারী কোড) নিষ্ক্রিয় করেছে। তবে ঠিক কবে থেকে এই বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।

সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উইন্ডোজ কম্পিউটারে অ্যাডভারটাইজিং আইডি ২০২১ সালের আগে থেকেই ব্লক করা ছিল, কিন্তু চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে অ্যান্ড্রয়েড ও অ্যাপল মোবাইল ডিভাইসে এটি ডিফল্টভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। স্মার্টফোন থেকে তৈরি হওয়া লোকেশন ডেটা বা অবস্থানের তথ্য সীমিত করার এই উদ্যোগটি এমন এক সময়ে নেওয়া হচ্ছে, যখন সামরিক কর্মকর্তারা সামগ্রিকভাবে ফোন ব্যবহারের ওপর আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছেন।

জুলাই মাসে রয়টার্স জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা কিছু কর্মীকে তাদের ফোন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, ইন্টারনেটে তাদের পোস্ট করা মোবাইল ভিডিওগুলো ইরানকে ওই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে সহায়তা করছিল। ওয়াইডেন এবং নর্থ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান প্রতিনিধি প্যাট হ্যারিগান পেন্টাগনের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে লোকেশন ডেটা বাণিজ্যের ঝুঁকি মোকাবিলায় সামরিক বাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা তদন্তের আহ্বান জানান।

সামরিক ডিভাইসে অ্যাডভারটাইজিং আইডি নিষ্ক্রিয় করার বিষয়ে বিভিন্ন বাহিনীর নেওয়া পদক্ষেপের হালনাগাদ তথ্যও ওই চিঠিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এক বিবৃতিতে ওয়াইডেন বলেন, এটি স্পষ্ট সামরিক বাহিনীর এসব প্রচেষ্টা ও হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর হয়নি। হ্যারিগান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুদের এমন সুযোগ থাকা উচিত নয়, তারা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে এমন তথ্য কিনে নেবে, যা তাদের মার্কিন সেনাদের গতিবিধি ট্র্যাক করতে সহায়তা করে। পেন্টাগন এক ইমেইলে জানিয়েছে, তারা আইনপ্রণেতাদের সরাসরি এ বিষয়ে জবাব দেবে।

মোবাইল অ্যাডভার্টাইজিং আইডি হলো নির্দিষ্ট ডিভাইসের সাথে যুক্ত এক ধরনের অনন্য শনাক্তকারী কোড। এর মাধ্যমে বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপে কোনো ব্যক্তির কার্যকলাপ ট্র্যাক করা এবং তাদের প্রকৃত অবস্থান সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব। গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক বিজ্ঞাপন প্রযুক্তি কোম্পানি ‘ডিক্রিপ্টঅ্যাডস’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক এডওয়ার্ডস বলেছেন, সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোতে ‘অ্যাডভারটাইজিং আইডেন্টিফায়ার’ নিষ্ক্রিয় করার উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

এই বিধিনিষেধের ফলে বিভিন্ন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণ ডেটা বিক্রি করা হয়, তাতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত হবে না। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, অন্যান্য জটিল উপায়ে যেমন ডিভাইসের কারিগরি তথ্যের সাথে নেটওয়ার্ক ডেটা বা অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্যের সমন্বয় (ট্রায়াঙ্গুলেশন) ঘটিয়ে অ্যাপের মাধ্যমে কর্মীদের ট্র্যাক করা সম্ভব হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%