ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারণের কোনো পরিকল্পনা নেই : পাকিস্তান


মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারণের কোনো পরিকল্পনা নেই : পাকিস্তান

পাকিস্তান জানিয়েছে যে, সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের পরিধি সম্প্রসারণের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। ইসলামাবাদে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একটি সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এই তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, এই চুক্তিটি মূলত ‘প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট’। মুখপাত্র জানান, জোটের সম্প্রসারণের বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনায় নেই।

মুখপাত্র আরও বলেন, এই জোট সুসংহত হওয়ার পর ‘সমমনা ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী অন্যান্য দেশের জন্য’ এর দরজা উন্মুক্ত হবে। তিনি জানান, এই কাঠামোর আওতায় সদস্য দেশগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। জোটের সম্প্রসারণের বিষয়ে দেশগুলো পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তিনি জানান, ভবিষ্যৎ বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য ‘পর্যায়ক্রমে’ জানানো হবে, তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো নির্ধারিত হয়নি। খান জানান, চুক্তিটি গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এর ‘কাঠামো, কার্যপদ্ধতি ও অন্যান্য বিষয়’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সংগঠনটির কাঠামো, কার্যপ্রণালী ও পদ্ধতি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে।

গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তির উদ্দেশ্য হলো, সম্মিলিত প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করা এবং সদস্য দেশগুলোকে এমনভাবে সক্ষম করে তোলা, যাতে তাদের কোনো একটির ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে জোটের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, চুক্তির আওতায় জোটের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার জন্য সৌদি আরবে একজন মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রাথমিকভাবে পাকিস্তানের একজন মহাসচিবের নেতৃত্বে এই সচিবালয়টি পরিচালিত হবে, যার মেয়াদ হবে তিন বছর।

সূত্র: ডন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের গণতন্ত্র অর্জনে ডিআরইউর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


দেশের গণতন্ত্র অর্জনে ডিআরইউর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী মন্তব্য করেছেন, ‘ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) বাংলাদেশের গণতন্ত্র অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘যখন মত প্রকাশের স্বাধীনতা দমন করা হয়েছিল, তখন কথা বলা ছিল পাপ। যে কথাগুলি সরকারের বিরুদ্ধে যাবে, সেগুলি বলা ছিল সম্পূর্ণ অন্যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেই সময়ে আমরা যতটুকু সুযোগ পেয়েছি, সেইটুকু তারা প্রচার ও প্রকাশ করতে কখনো দ্বিধা করেনি। তাদের ওপরও চাপ ছিল। অনেকেই বিবর্তনমূলক কালো আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় নিগৃহীত হতে হয়েছে। জেল ও জুলুম ভোগ করতে হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রাঙ্গণে ডিআরইউর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন রুহুল কবীর রিজভী।

তিনি বলেন, ‘এই পরিসর এবং পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আজকে একটি মুক্ত পরিবেশ পাচ্ছি। এখানে সব কিছু থাকবে। যারা সরকারে আছেন, সরকারের বাইরে যারা আছেন, বিরোধী দল তারা মুক্ত কণ্ঠে সমালোচনা করবেন।’

তিনি যোগ করেন, ‘সরকারের যে কাজগুলো, সেগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। এভাবেই একটি গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। সেই প্রত্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে গণমাধ্যম।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


মোহাম্মদপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে এক বিএনপি নেতাকে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে, ওই নেতাকে চাঁদাবাজ হিসেবে চিহ্নিত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ উত্থাপন করেন মোহাম্মদপুর থানাধীন ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মান্নান হোসেন শাহীন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ঘটলে পুলিশ অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এই সুযোগে মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাংরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা বিভিন্ন মহল্লা পাহারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

এই কাজে এলাকাবাসীর অংশগ্রহণের জন্য মাইকিং করা হয়। কিন্তু এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কিশোর গ্যাং সদস্যরা ২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর চাঁদ উদ্যানের ২ নম্বর রোডের শাপলা ভবনের নিচতলায় বাড়ি মালিক কল্যাণ সমিতির অফিসে আমার ওপর হামলা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৪২টি কোপ দেওয়া হয়। কেটে ফেলা হয় হাত ও পায়ের রগ। ৩৭ দিন আইসিইউতে ছিলাম। সব মিলিয়ে ৭ মাস হাসপাতালে কাটিয়ে বাসায় ফিরি। যদিও ঠিকমতো হাঁটতে পারি না, তবে রাজনীতির প্রতি অদম্য ভালোবাসা থেকে আবার রাজনীতির মাঠে নামি।’

অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিই। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে কিশোর গ্যাং ও কুচক্রী মহল আবার আমাকে হত্যার পায়তারা করছে।

কারণ তারা জানে, আমি কাউন্সিলর হলে তাদের চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য আর থাকবে না।’

বিএনপি নেতা শাহিন বলেন, ‘জীবনের ঝুঁকি থাকলে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের যেখানেই আমি চাঁদা নেওয়ার খবর পাই সেখানে গিয়ে প্রতিহত করি।’

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ গত ৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে চাঁদ উদ্যানে ৬ নম্বর রোডে সুয়ারেজ লাইনের কাজ করাতে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হচ্ছে শুনে ছুটে যাই। চাঁদা দাবিকারীদের মধ্যে মো. নান্নু, নুরুল ইসলাম, হান্নান ও সেন্টুসহ ১৫-২০ জন ছিল। চাঁদার বিরোধিতা করায় তারা আমার ওপর হামলা করার চেষ্টা করে। তখন আমার সঙ্গে থাকা জিসান আহমেদ হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে ডান হাতে গুরুতর আঘাত পায়। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে ওই চাঁদাবাজ চক্র আমাকেই চাঁদাবাজ বলে উপস্থাপন করছে এবং একই সঙ্গে আমাকে কাউন্সিলর প্রার্থী হলে পরিবারসহ মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।’

এ বিএনপি নেতা বলেন, ‘এই কুচক্রী মহলের হুমকিতে আমি ও আমার পরিবার আতঙ্কিত। একবার মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরেছি। এখন আবার আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হতে পারে। এ অবস্থায় আমি আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেতুতে উঠলেই ভয়ে বুক ধড়ফড় করতে বাধ্য হচ্ছে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


সেতুতে উঠলেই ভয়ে বুক ধড়ফড় করতে বাধ্য হচ্ছে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা

“সেতুতে উঠলেই ভয়ে বুক ধড়ফড় করে। মনে হয় যেকোনো সময় ভাঙা সেতুর বাকি অংশও ভেঙে সেতুর সাথে পানির নিচে চলে যাব। প্রতিদিন অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়। এই সেতু ছাড়া আমাদের আর কোনো রাস্তা নাই।”

এই কথাগুলো বলেছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পাঁচগাছিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের দুর্গাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রাসেল। পাঁচ বছর আগে হরিনা বাজার–ভবানীপুর এলাকার বাজারখোলা খালের ওপর নির্মিত সেতুটি ভেঙে পড়েছে। এর ফলে রাসেলের মতো অনেকেই দুর্ভোগে পড়ছেন।

উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ৯০-এর দশকে বাজারখোলা খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পাঁচ বছর আগে সেতুটির মাঝের অংশের পিলার দেবে গিয়ে ফাটল দেখা দেয়। এরপর থেকে সেতুটির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে। তবুও জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে রেখে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা এর ওপর দিয়ে চলাচল করছেন। সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলও ঝুঁকি নিয়ে সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করছে। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পাঁচগাছিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম, ভবানীপুর, ঠেটালিয়া, তুলাতলী, নলচক, নয়াচর, পাঁচগাছিয়া, বাজারখোলা উত্তর, বাজারখোলা দক্ষিণ ও শৈঠারদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের বাজারখোলা সেতু দিয়ে চলাচল করতে হয়।

সেতুটির কারণে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে। বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাদের ঝুঁকি নিয়ে সেতু পার হতে হচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ও স্বজনদের আতঙ্কে থাকতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সরকার আরিফ এবং মো. শাকিল আহমেদ চৌধুরী বলেন, “পাঁচ বছর ধরে সেতুটি এভাবে পড়ে আছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে যায়। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতেও সমস্যা হয়। দ্রুত সেতুটি সংস্কার অথবা নতুন করে একটা সেতু নির্মাণ জরুরি।”

দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, সেতুটি নতুন করে নির্মাণের জন্য অধিদপ্তরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “এই সেতুসহ প্রায় সাত থেকে আটটি সেতু মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।”

উপজেলা প্রকৌশলী আরও বলেন, “আমাদের এখানে মেরামতের যোগ্য প্রায় ৭০টি সেতুর তালিকা করে সদর দপ্তরে লিখিতভাবে আবেদন জানানো হয়েছে। অনুমোদন হলে এসব সেতু মেরামতের কাজ করা যাবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ব্যাংক পেল এএফআই থেকে দুটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে সাফল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


বাংলাদেশ ব্যাংক পেল এএফআই থেকে দুটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে সাফল্য

আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং জেন্ডার-সংবেদনশীল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যালায়েন্স ফর ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন (এএফআই) থেকে দুটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছে।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি ‘এএফআই মায়া ডিক্লারেশন কমিটমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ এবং ‘এএফআই জেন্ডার ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স চ্যাম্পিয়ন ইনস্টিটিউশন’ এই দুটি স্বীকৃতি লাভ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বর পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোরসবিতে অনুষ্ঠিত এএফআই গ্লোবাল পলিসি ফোরাম (জিপিএফ) ২০২৬-এ বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে এ দুটি সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে পুরস্কার দুটি গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, মায়া ডিক্লারেশন কমিটমেন্টের আওতায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ‘মায়া ডিক্লারেশন কমিটমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালেও একই পুরস্কার অর্জন করেছিল।

এছাড়া, নারী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গৃহীত নীতিগত উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রমের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে ‘জেন্ডার ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স চ্যাম্পিয়ন ইনস্টিটিউশন’ হিসেবে সম্মানিত করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এএফআই বিশ্বব্যাপী আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক নীতি প্রণয়নকারী এবং নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। বর্তমানে বিশ্বের ৮২টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং আর্থিক খাতের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ ৮৯টি প্রতিষ্ঠান এ সংগঠনের সদস্য।

প্রতি বছর এএফআই গ্লোবাল পলিসি ফোরামে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এবারের সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, ডেপুটি গভর্নর, নীতিনির্ধারক এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক বিশেষজ্ঞসহ ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই অর্জন দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%