বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:১৬ পি.এম
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত সব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। দায়িত্ব পালনে গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এ ঘোষণা দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় এ সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়। ইউজিসির পক্ষে সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং ইউএন উইমেনের পক্ষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং এতে স্বাক্ষর করেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে না। কমিটি শুধু গঠন করলেই হবে না, প্রতিটি অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ইইউ প্রতিনিধিদলের ডেপুটি হেড বেইবা জেরিনা নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিরাপদ এবং বৈষম্যহীন শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
এই সমঝোতার আওতায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং এআইইউবি—এই ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এ কাজে ইউএন উইমেন এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র যৌথভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের জরিপের তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, দেশের ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণীদের ১৬ শতাংশই প্রযুক্তির মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য এবং ইউএন উইমেনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশিত হয়েছে। গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
এ বছর প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩০ হাজার ৮১৬ জন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীসংখ্যা ১২ হাজার ২৪ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীসংখ্যা ৭ হাজার ৬৬৪ জন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৪ হাজার ৭২৫ জন ছাত্র এবং ২ হাজার ৯৩৯ জন ছাত্রী।
বাউবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুল্যাহ মাহামুদ বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল গেজেট উপাচার্যের নিকট হস্তান্তর করেন এবং উপাচার্য আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল ঘোষণাকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা মানুষের জন্য শিক্ষার দ্বিতীয় সুযোগ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি নকলমুক্ত, সুষ্ঠু ও আধুনিক পরীক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়াকে দ্রুততর ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কাজ করছে। এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাত্র ৪৯ কার্যদিবসে প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে, যা ফলাফল প্রকাশে বিলম্বের পূর্ববর্তী ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
উপাচার্য কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যারা এবার উত্তীর্ণ হতে পারেনি তাদের হতাশ না হয়ে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে পরীক্ষাব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন, কিউআর কোডযুক্ত পরিচয়পত্র, ছবিযুক্ত প্রবেশপত্র এবং আগামী পরীক্ষায় ই-অ্যাটেনডেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি ফলাফল প্রকাশ ও পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, পরীক্ষক, পরীক্ষা কমিটি, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র, স্টাডি সেন্টার, পরীক্ষা বিভাগ, আইসিটি বিভাগ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বাউবিকে একটি মানবিক ও গুণগত শিক্ষার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আরও এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও তার স্ত্রী নাহিদ সুলতানার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
পরশ ও তার স্ত্রী ছাড়াও তাজনীন ওহাব বৃষ্টি নামে একজনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, শেখ ফজলে শামস পরশ তার নিজ নামে এবং তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করে মানি লন্ডারিংপূর্বক অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন- এমন অভিযোগ বর্তমানে অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিধায়, অভিযোগটির সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিদেশ গমন রহিত করা একান্ত প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নকলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ইউএও) পদে কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ যোগদান করায় খুশি হয়েছেন কৃষক-কৃষানী, সার-বীজ ডিলার ও কৃষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট সবাই। তাঁকে একজন দক্ষ কৃষি কর্মকর্তা পাওয়া যেকোন উপজেলার কৃষি ও কৃষকের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি আশীর্বাদ বলে মনে করেন তাঁরা।
২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) শেরপুরের নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কাজে যোগদান করেন কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ। এদিন সকালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরন করে নিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসে ও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ। কৃষিবিদ মো. আবদুল ওয়াহেদ খান শেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বদলী হওয়ায় কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
এটি নকলায় তৃতীয় বারের মতো কৃষি অফিসে তাঁর যোগদান। এর আগে তিনি নকলা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ, নকলায় যোগদানের আগে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন করে সবার মনে স্থান করে নিয়েছেন।
তথ্য অনুযায়ী, কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ ৩২তম বিসিএস’র মাধ্যমে ২০১৩ সালে কৃষি ক্যাডারে যোগদান করেন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পদে প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি পেয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলায় যোগদান করেন, যেখানে তিনি ২০২১ সালের ৮ জুন পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। এরপর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পদে পুনরায় পদোন্নতি পেয়ে ২০২১ সালের ৯ জুন শেরপুর জেলার নকলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে দ্বিতীয় বারের মতো যোগদান করেন এবং ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত নকলাতে কর্মরত ছিলেন। পরে ২০২৩ সালের ২৫ এপ্রিল হতে ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন; অতঃপর ২০২৫ সালের ২ জুলাই হতে ২০২৬ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষে, তিনি চলতি মাসের ২৫ তারিখে তথা (২৫ আগস্ট, মঙ্গলবার) শেরপুরের নকলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কাজে যোগদান করেন।
নকলায় তাঁর যোগদানকে কেন্দ্র করে উপজেলার কৃষক-কৃষানী, কৃষক সংগঠন ও কৃষি সংশ্লিষ্ট সকলের মনে কৃষির সার্বিক উন্নয়নের আশার সঞ্চার হয়েছে। নবাগত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদকে অগণিত কৃষক-কৃষানী, কৃষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, এমনকি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সব পেশার জনগণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
কৃষক-কৃষানীসহ জনগণের ভালোবাসার এমন বহি:প্রকাশের বিষয়ে কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, "সরকারের ক্ষুদ্র একজন কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে এটাই আমার সর্ববৃহৎ প্রাপ্তি।" পূর্ববর্তী কর্মস্থলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, তাঁর পূর্ববর্তী প্রতিটি কর্মস্থলের কৃষক-কৃষানীসহ সর্বসাধারণ তাঁকে মনেপ্রাণে ভালোবাসতেন ও শ্রদ্ধা করতেন।
নকলায় বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার এসোসিয়েশনের আংশিক সভাপতি শাহিনুর আলম জানান, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ শতভাগ কৃষি ও কৃষক বান্ধব কর্মকর্তা। তাঁর কর্মস্পৃহা, নিষ্ঠা, সততা ও প্রশাসনিক দক্ষতা অন্য সবার তুলনায় কিছুটা হলেও উন্নত ও ভিন্নমাত্রার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুর রহমান জানান, কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদের সুচিন্তিত পরামর্শের ফলশ্রুতিতে নকলার কৃষি বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন এবং কৃষকের আর্থসামাজিক উন্নয়নসহ কৃষিতে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে পিছিয়ে থাকা গ্রামীন কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ সুগম হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ভূরদী খন্দপকারপাড়া কৃষিপণ্য উৎপাদক কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্জ মো. ছায়েদুল হক জানান, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদসহ হাতে গুনা দুই-একজন কৃষি কর্মকর্তা ছাড়া আজ পর্যন্ত কেউ তাঁদের সংগঠনের কৃষকদের কৃষি বিষয়ক পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার নজির নেই। এমনকি এই সংগঠনের কৃষকদের দেওয়া হতোনা সরকারের কোন প্রণোদনাও। তিনি বলেন, "এখন কৃষি কর্মকর্তা ওয়াদুদ স্যার আসায় আশা করা যায় প্রকৃত কৃষকের সমন্বয়ে গঠিত এই সংগঠনের কৃষকরা কিছুটা হলেও উপকারভোগী হবেন।"
অনেকে জানান, তাঁর প্রতিটি বদলি সংশ্লিষ্ট উপজেলার কৃষক-কৃষানী, কৃষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সর্বসাধারণের মনে কুঠারাঘতের সামিল বলে মনে হতো; যা বিদায় অনুষ্ঠানে সবাই সুস্পষ্ট বুঝতে পারতেন। প্রতিটি কর্মস্থলের বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। কৃষক-কৃষানীর এমন অকৃত্তিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পাওয়ার এধারা অব্যাহত রাখতে সবার কাছে দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন নবাগত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে মৎস্য সংরক্ষণ আইনের আওতায় অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা মৎস্য অফিস বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারী রিং জাল জব্দ করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে, উপজেলার বালুভরা ইউনিয়নের বিভিন্ন জলাশয়ে অভিযান চালিয়ে এসব নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়।
পরে, জব্দ করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল উপজেলা চত্বরে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এই কার্যক্রমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি উপস্থিত থেকে জাল ধ্বংসের প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন।
উপজেলা মৎস্য বিভাগ জানায়, চায়না দুয়ারী রিং জাল ব্যবহারের ফলে মাছের পোনা এবং অন্যান্য জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধরা পড়ে। এতে দেশীয় মাছের প্রজনন এবং জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। তাই এ ধরনের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায়, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজ উল হক এবং বদলগাছী থানার এস,আই, মোত্তাহারসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ