০৫:৫৪ পি.এম
মাগুরা জেলা পুলিশ সাকের হোসেন (৩৬) হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে, যিনি পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এই ঘটনায় সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরা পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন এ তথ্য প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোল্যা আজাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদরের রামনগর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী পরিবহন থেকে পুলিশ পরিচয়ে ১২-১৫ জনের একটি দল ১৫০ ভরি সোনা (যার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা) এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা লুণ্ঠন করে। পরবর্তীতে লুণ্ঠিত সোনা ও টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারুফ এবং সাকেরের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এই দ্বন্দ্বের ফলস্বরূপ মারুফের পরিকল্পনায় গত ২১ অক্টোবর মাগুরা পৌর বাস টার্মিনালে রয়েল কাউন্টারে কর্মরত অবস্থায় যুবদল নেতা সাকেরকে হত্যা করা হয়।
আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড
পুলিশ সুপার আরও জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসানের নেতৃত্বে সোনা ডাকাতির মামলায় ইতোমধ্যে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ পিস পূর্ণ এবং ১ পিস খণ্ডিত সোনার বার, ২টি মোটরসাইকেল, ১টি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়েছে। সাকের হোসেন হত্যা মামলায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- রনি শিকদার (৩৮), শামীমা তাবাসসুম (৩১), অনিমেষ মজুমদার (৫৫), মো. মারুফ হোসেন (৪৪), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) এবং বশির আলী।
পুলিশ জানায়, শুটারকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
অন্যদিকে স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- মো. জুয়েল হোসেন (৪৭), তৌকির আহমেদ (২৫), মো. ফরিদ মন্ডল (৫৯), মো. মিল্টন মোল্যা (৩৫), মারুফা আক্তার (৩২), মো. গোলাম জাহিদ (৪৫) এবং মো. মারুফ হোসেন (৪৪)।
আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে
গত ২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরা পৌর বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের একটি কাউন্টারে কর্মরত অবস্থায় পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্ত্রী শারমিন্নাহার রুমা বাদী হয়ে একই দিনে মাগুরা সদর থানায় হত্যা ও অস্ত্র মামলা করেন। নিহত যুবদল নেতা মাগুরা সদরের পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন