বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১০ পি.এম
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী এলাকায় আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৫৩০ গ্রাম অবৈধ হেরোইন উদ্ধার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৫)।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টায় গোদাগাড়ী থানাধীন আচুয়া তালতলা গ্রামের আচুয়া তালতলা প্রাইমারি স্কুলের সামনে থেকে এই হেরোইনটি উদ্ধার করা হয়।
আজ বুধবার দুপুরে র্যাব-৫ রাজশাহীর মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টায় গোদাগাড়ী থানাধীন আচুয়া তালতলা গ্রামের আচুয়া তালতলা প্রাইমারি স্কুলের সামনে অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় মাদক ব্যবসায়ীরা রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে সিঁড়ির পাশ থেকে ৫টি স্বচ্ছ পলিপ্যাকে রক্ষিত বাদামি রঙের সর্বমোট ৫৩০ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়। এই হেরোইনের আনুমানিক মূল্য ৫০ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোদাগাড়ী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘চেতনায় নারী, বিপ্লবে নারী গণতন্ত্র ফেরাতে আমরাই পারি’- এই মূল স্লোগানকে সামনে রেখে নড়াইলে আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার, বেলা সাড়ে ১১টায় নড়াইল জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর মহিলা দলের যৌথ উদ্যোগে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
নড়াইল জেলা মহিলা দলের সভাপতি শিরিন জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান আলোক, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার এজাজুল হাসান বাবু, অ্যাড. মাহবুব মুর্শেদ (জাপল) এবং নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফশিয়ার রহমান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সালেহা বেগম।
জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান আলোক বলেন, ‘দেশের প্রতিটি গণতন্ত্র পূনরুদ্ধারের আন্দোলন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নারীরা কখনো পিছিয়ে থাকেনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া এই মহিলা দল চিরকাল দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার পাহারাদার হিসেবে কাজ করছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে নারীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভা শেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উত্তরোত্তর উন্নতি, স্থায়িত্ব ও সাফল্য এবং দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ, শান্তি ও সম্মৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুইডেনে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন দেরিতে করায় ৭৮ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ নারীকে দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে ঠিকমতো খেতে ও ঘুমাতে পারছেন না।
অবসরপ্রাপ্ত নার্স জয়েস থমাস ২২ বছর আগে তার স্বামীর সঙ্গে সুইডেনে চলে যান। তিন বছর আগে তার স্বামী ক্যান্সারে মারা যান। এরপর থেকে তিনি সুইডেনেই বসবাস করছেন। তবে যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর সুইডেনে থাকার জন্য যে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হতো, তা সময়মতো করেননি থমাস।
এই কারণে দেশটির কর্তৃপক্ষ তাকে সুইডেন থেকে বহিষ্কারের হুমকি দিয়েছে। এরপর তিনি নিজের বৈধভাবে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে একাধিকবার আবেদন ও আপিল করেছেন। কিন্তু তার সব আবেদন ও আপিল প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। মঙ্গলবার সুইডেন স্বেচ্ছায় ছাড়ার জন্য তার দেওয়া সর্বশেষ সময়সীমা শেষ হচ্ছে।
সুইডেনে নিজের বাড়ি থেকে বিবিসিকে থমাস বলেন, ‘এটা একেবারে অসহ্য পরিস্থিতি। আমি ঘুমাতে পারছি না, খেতে পারছি না। সকালে ঘুম থেকে উঠে বুঝতে পারি না, কী হতে যাচ্ছে।’
২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়। এর ফলে ব্রিটিশ নাগরিকরা আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে গণ্য হননি।
ব্রেক্সিটের আগে ব্রিটিশ নাগরিকদের সুইডেনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বসবাসের বিশেষ অধিকার ছিল। ব্রেক্সিটের পর সেই অধিকার আর আগের মতো থাকেনি। তবে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে করা বিচ্ছেদ চুক্তিতে একটি সুযোগ রাখা হয়েছিল। এর আওতায় আগে থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো দেশে বসবাস করা ব্রিটিশ নাগরিকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজেদের বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারতেন। এই আবেদনের শেষ সময় ছিল ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর।
থমাস জানিয়েছেন, তিনি ও তার স্বামী জানতেনই না যে তাদের এমন আবেদন করতে হবে। ২০২৩ সালে সুইডেনে ফিরে আসার চেষ্টা করার সময় তিনি প্রথম এই নিয়মের কথা জানতে পারেন। এরপর তিনি নিজের অবস্থান বৈধ করার জন্য একের পর এক আবেদন ও আপিল করেন। কিন্তু কোনো আবেদনই গ্রহণ করা হয়নি। বহু বছর ধরে আইনি লড়াইয়ের পর সুইডেনের অভিবাসনবিষয়ক সরকারি সংস্থা মাইগ্রেশনসভেরকেট গত মাসে থমাসকে জানান, তাকে স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়তে হবে। দেশ ছাড়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয় ৮ সেপ্টেম্বর। থমাসের আইনজীবীরা এখনো তার বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করছেন। তবে এই বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন তিনি।
থমাস বলেন, সুইডেন ছাড়তে হলে তাকে তার ছেলে, নাতি-নাতনি, বন্ধু এবং স্বামীর কবর ছেড়ে যেতে হবে। এই চিন্তা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি ক্লান্ত। সত্যিই আমি ক্লান্ত। আর আমি তো আর তরুণ নই। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে এখানে বসবাস করছি। আমার বন্ধু আছে, পরিবার আছে। তাহলে সহানুভূতি কোথায়?’ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সুইডেন ২ হাজার ৪৯০ জন ব্রিটিশ নাগরিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই সংখ্যা ওই সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশ থেকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ পাওয়া ৭ হাজার ৫০০-এর বেশি ব্রিটিশ নাগরিকের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। তবে সুইডেনে বর্তমানে কতজন ব্রিটিশ নাগরিক বহিষ্কারের ঝুঁকিতে রয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি মাইগ্রেশনসভেরকেট।
সংস্থাটি বলেছে, থমাসের অনুমতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করতে পারে না। তবে গত সপ্তাহে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ানকে মাইগ্রেশনসভেরকেট জানিয়েছে, ব্রেক্সিটের পর থেকে ৪৫৮ জন ব্রিটিশ নাগরিককে সুইডেন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বা জোর করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। থমাসের ঘটনা একক নয়। গত মাসে আরেকটি পরিবার বিবিসিকে জানিয়েছিল, তাদের বাবাকেও সুইডেন থেকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তি স্মৃতিভ্রংশ এবং রক্তনালিজনিত পারকিনসনিজমে আক্রান্ত। তিনি সুইডেনের একটি পরিচর্যা কেন্দ্রে থেকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও সেবা নিচ্ছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সুইডেনে বসবাস করার পরও তাকে দেশটি ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় ব্রেক্সিটের পর ইউরোপে বসবাসরত ব্রিটিশ নাগরিকদের অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
সুইডেনের অভিবাসনমন্ত্রী ইয়োহান ফোরসেল জানিয়েছেন, ব্রেক্সিটের পর যেসব ব্রিটিশ নাগরিক জটিলতায় পড়েছেন, তাদের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ করার সুযোগ আছে কি না, তা সরকার খতিয়ে দেখছে। বিবিসিকে তিনি বলেন, বর্তমান নিয়মগুলো আগের সরকার চালু করেছিল। তাই বিষয়টি সরকার ‘খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখবে’। তিনি বলেন, যারা এই নিয়মের কারণে সমস্যায় পড়েছেন, তাদের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ করতে কী করা যায়, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে। থমাসের ঘটনা নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেননি ফোরসেল। তবে তিনি বলেন, সরকারের অবস্থান হলো, নিয়মগুলো উদারভাবে প্রয়োগ করা উচিত। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য সুইডেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশীদার। সুইডেনে বসবাস ও কাজ করা ব্রিটিশ নাগরিকরা যেন দেশটিতে থাকতে পারেন, সেটিই সুইডেন চায়। কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, তা পরিষ্কার করতে সংশ্লিষ্ট সুইডিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
থমাসের পক্ষে কথা বলেছেন সুইডেনের বিরোধী দল ভ্যানস্টারপারিয়েত বা বাম দলের আইনপ্রণেতা হোকান সভেনেলিং। তিনি সরকারের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেছেন। তার মতে, বর্তমান নীতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে সুইডেনে বসবাস করা অনেক ব্রিটিশ নাগরিক সমস্যায় পড়ছেন। সভেনেলিং আশা করছেন, সুইডেনের নির্বাচন সরকারের পরিবর্তন আনতে পারে। তার মতে, বিরোধীরা সরকার গঠন করতে পারলে অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, এর ফলে জয়েস থমাসের মতো সুইডেনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা ব্রিটিশ নাগরিকদের দেশটিতে থাকার সুযোগ তৈরি হতে পারে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তরও বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, সুইডিশ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পর্যালোচনা করবে বলে যে বক্তব্য দিয়েছে, যুক্তরাজ্য তা স্বাগত জানায়। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সুইডেনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে যুক্তরাজ্য প্রস্তুত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নে সাপের কামড়ে উজ্জল মিয়া (৩২) নামে এক যুবক মারা গেছেন। গত মঙ্গলবার ভোররাত ৩টার দিকে ভৈরব এলাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
নিহত উজ্জল মিয়া শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার দিকে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় উজ্জল মিয়াকে একটি বিষধর সাপ কামড় দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাঠানো হয়। রাত ৯টার দিকে উজ্জল মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর তার স্বজনরা তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় ভৈরব এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী জাকি উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "সাপের কামড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।" পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরীও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল মাধ্যম। মানুষের কথা, মানুষের অধিকার, অন্যায়-অনিয়ম ও অসঙ্গতির খবর তুলে ধরে সমাজের সামনে সত্য প্রকাশ করাই একজন সাংবাদিকের অন্যতম দায়িত্ব।
একজন সাংবাদিককে প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়। কখনো ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে হয়, কখনো তথ্য যাচাই করতে হয়, আবার কখনো সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরতে হয়। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সাহস, সততা, ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতা একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় শক্তি।
বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। তাই একজন পেশাদার সাংবাদিকের দায়িত্ব আরও বেড়েছে। কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত—কারও পক্ষ নেওয়া নয়, বরং সত্যের পক্ষ নেওয়া। মানুষের অধিকার ও ন্যায়ের কথা তুলে ধরে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখাই একজন সাংবাদিকের প্রকৃত সাফল্য।
সাংবাদিক মোঃ তুহিনের ভাবনা
“কলম হোক সত্যের পক্ষে, সংবাদ হোক মানুষের জন্য। অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে সত্য তুলে ধরাই একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ