শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৩ পি.এম
খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টায় রাজধানীর মধ্যবাড্ডার নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন।
শনিবার খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে এক শোক বার্তায় তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়। মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাকের মরদেহ বরিশালের চরমোনাইয়ে নেওয়া হবে। সেখানে তাঁকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক চরমোনাই দরবারের প্রতিষ্ঠাতা পীর সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাকের তৃতীয় সন্তান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিংবদন্তি রকস্টার আইয়ুব বাচ্চুর গান নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠে নতুন সংগীতায়োজনে তুলে ধরার উদ্যোগ ছিল ‘উত্তরাধিকার’। তবে, এই খবর প্রকাশের পরপরই সমালোচনার ঢেউ উঠে। ভক্তদের একাংশের অসন্তোষ এতটাই বেড়ে গেছে যে, আয়োজকেরা প্রকল্পটির কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন উপলক্ষে গত ১৬ আগস্ট শুরু হয়েছিল ২০টি গান নিয়ে সাজানো এই ট্রিবিউট অ্যালবামের যাত্রা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তার জনপ্রিয় গানগুলো নতুন শিল্পীদের কণ্ঠে ও নতুন সংগীতায়োজনে প্রকাশ করার কথা ছিল। ইতোমধ্যে কয়েকটি গান প্রকাশের পর নতুন সংগীতায়োজন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাচ্চুর ভক্তদের একাংশ। এর পর সম্প্রতি রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘উত্তরাধিকার’ প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পী ও কলাকুশলীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ আলোচনা শেষে প্রকল্পটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ইতোমধ্যে প্রকাশিত চারটি গান সরিয়ে নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রকাশের অপেক্ষায় থাকা ১৩টি গানও আপাতত শ্রোতাদের সামনে আনা হবে না। এলআরবির সদস্য শামীম আহমেদ জানান, সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আবেগের জায়গা আইয়ুব বাচ্চু। তার কালজয়ী সৃষ্টির যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন- এ বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। তিনি বলেন, শিগগিরই আইয়ুব বাচ্চুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে একটি প্যানেল গঠন করা হবে। এরপর গানগুলো প্রকাশের উপযোগী মনে হলে সেগুলো শ্রোতাদের কাছে তুলে দেওয়া হবে।
প্রকল্পটি স্থগিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তারও। তবে, এই সিদ্ধান্তে ‘উত্তরাধিকার’-এর সঙ্গে যুক্ত শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তাদের বক্তব্য, আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই তারা তার গান নতুনভাবে পরিবেশন করেছেন। তারা দাবি করেছেন, এর পেছনে ব্যক্তিগত আর্থিক লাভের কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।
শিল্পীদের ভাষ্য, কোনো গান শ্রোতাদের ভালো না লাগলে সমালোচনা করার অধিকার অবশ্যই রয়েছে। তবে, অন্য কেউ আইয়ুব বাচ্চুর গান গাইতে পারবেন না- এমন মানসিকতাকে তারা সমর্থন করছেন না।
‘উত্তরাধিকার’ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে সাতটি গান প্রকাশ পেয়েছিল। এর মধ্যে বাপ্পা মজুমদারের কণ্ঠে নতুন সংগীতায়োজনে প্রকাশিত হয় আইয়ুব বাচ্চুর বহুল জনপ্রিয় গান ‘রুপালি গিটার’। এছাড়া সোনার বাংলা সার্কাসের পরিবেশনায় ‘গতকাল রাতে’, কানিজ সুবর্ণার কণ্ঠে ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, জয় শাহরিয়ারের গাওয়া ‘কষ্ট কাকে বলে’, পলাশের কণ্ঠে ‘আপন কেহ নাই’, অটামনাল মুনের গাওয়া ‘হকার’ এবং অদিত রহমানের কণ্ঠে ‘ঘুমন্ত শহরে’ প্রকাশিত হয়েছিল।
তবে ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ও সংশ্লিষ্টদের মতামতের পর আপাতত থেমে গেছে ‘উত্তরাধিকার’-এর পথচলা। এখন আইয়ুব বাচ্চুর পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর প্রকল্পটি নতুন করে কীভাবে এগোয়, সেটিই দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার পেছনে ফ্রান্সের মূল ইন্ধনদাতা হিসেবে উল্লেখ করে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে নাইজারের সামরিক সরকার। শুক্রবার দেশটির জাতীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক সরকারি বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৯ আগস্ট রাজধানী নিয়ামেতে বিমানবন্দর এবং প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস লক্ষ্য করে বিদ্রোহী সেনাসদস্যরা হামলা চালায়। ২০২৩ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা আব্দুর রহমান তিয়ানির সরকারের জন্য এটি ছিল নতুন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। হামলার সময় সামরিক ঘাঁটিতে বিকট বিস্ফোরণ ও দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, তবে পরের দিন রুশ প্যারামিলিটারি বাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে নাইজারের সেনাবাহিনী।
শুক্রবার দেশটির মন্ত্রিসভা এক বৈঠকে বসে নিশ্চিত করে যে, এই হামলার পেছনে ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন একটি বিশাল চক্রান্তকারী নেটওয়ার্ক ছিল।
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এই হামলার পেছনে ফ্রান্সের জড়িত থাকার পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও দলিল জড়ো করা হয়েছে। নাইজার সরকার আন্তর্জাতিক আদালতে এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্ণ অধিকার রাখে।’
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্রোহীদের দমন করতে গিয়ে সেনাবাহিনী চাপের মুখে রয়েছে। এ কারণে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষও তৈরি হয়েছে।
এর আগে রাজধানীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিশৃঙ্খলার জন্য ফ্রান্স এবং আশপাশের কয়েকটি দেশকে দায়ী করেছিলেন তিয়ানি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) বহরে নতুন করে ১৬৭টি গাড়ি যুক্ত হতে যাচ্ছে। এসব গাড়ি কেনার জন্য ব্যয় হবে প্রায় ১২০ কোটি টাকা।
র্যাবের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ থেকে গাড়িগুলো কেনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে।
প্রস্তাবিত গাড়িগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ৫০টি প্যাট্রল পিকআপ, ৪৪টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাস, ৫০টি প্যাট্রল কার, তিনটি ডগ ভ্যান, ১০টি ট্রাক, তিনটি জিপ, দুটি রিকভারি ভেহিকল, একটি মোবাইল ওয়ার্কশপ ভেহিকল এবং চারটি রায়ট ভ্যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই র্যাব ফোর্সেসের ‘আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জাহিদুল করিমের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ১৬৭টি গাড়ি কেনার বিস্তারিত চাহিদাপত্র পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২ আগস্ট পুলিশ সদর দপ্তর গাড়িগুলো কেনার সুপারিশসহ প্রস্তাবটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। পরে ১৯ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অর্থ বিভাগের কাছে গাড়ি কেনার জন্য অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন চায়।
এদিকে সরকার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখনও সম্পন্ন হয়নি, তাই সরকারি নথিতে এলিট ফোর্সটির নাম র্যাব হিসেবেই উল্লেখ করা হচ্ছে।
এর আগে গত মে মাসে র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ