সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০০ পি.এম
ভারতের মধ্যপ্রদেশের ঐতিহাসিক শহর উজ্জয়িনীতে ২০২৮ সালের ‘সিংহস্থ কুম্ভ মেলা’ উপলক্ষে রাস্তা প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় ঐতিহ্যবাহী শাহী মসজিদ আংশিক ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্তের ফলে তীব্র উত্তেজনা ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের তীব্র প্রতিরোধ এবং আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান এবং উচ্চ আদালতের হতাশার রায়ের কারণে এলাকাটিতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
রাস্তা ১৫ মিটার চওড়া করার উদ্দেশ্যে পৌর কর্পোরেশন শাহী মসজিদের অংশবিশেষ ভাঙার পরিকল্পনা গ্রহণ করলে রবিবারের রাত থেকেই হাজারো মুসলিম নারী-পুরুষ মসজিদ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন (এআইএমআইএম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এই প্রতিবাদকে ‘গান্ধীবাদী আন্দোলন’ বলে আখ্যা দিয়ে ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করেছেন।
সোমবার সকালে আন্দোলনকারীদের সরাতে গেলে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারী নারীদের নিরাপদ দূরত্বে সরাতে গিয়ে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের টাউন ইন্সপেক্টর পুষ্পা পাঞ্চাল আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেপরোয়া লাঠিচার্জ ও একাধিক কাঁদানে গ্যাসের শেল (টিয়ার গ্যাস) নিক্ষেপ করে। পরে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) সহ আড়াই হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করে পুরো শহরে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়।
যেদিন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে মসজিদ কর্তৃপক্ষের দায়ের করা আপিলের ওপর শুনানি হওয়ার কথা ছিল, ঠিক সেদিনই এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উজ্জয়িনীর কাঁঠাল ক্রসিং থেকে গোপাল মন্দির পর্যন্ত রাস্তাটি ১৫ মিটারে উন্নীত করা হচ্ছে, যা প্রায় ৯০০ মিটার দীর্ঘ। এই রাস্তার সীমানার মধ্যে পড়া বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে ফেলা বা পরিবর্তন করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে মসজিদের একটি অংশ ভাঙার উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
হাইকোর্টের রায়ে হতাশ মুসলিম সম্প্রদায়। মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই শাহী মসজিদটি ১৩৯০ সালে নির্মিত প্রায় ৬৩৬ বছরের প্রাচীন একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তারা মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আপিল দায়ের করেছিলেন। কিন্তু আদালতের আদেশ আসার আগেই সেটি ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু করে প্রশাসন।
তবে সোমবার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালত জানান, পৌর কর্পোরেশন আইনি প্রক্রিয়া মেনেই কাজ করছে এবং একই প্রকল্পের অধীনে রাস্তার উভয় পাশে ১০টি মন্দির ও একটি মসজিদের অংশবিশেষ ইতোমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। পৌর কর্পোরেশন ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির আলোচনার ভিত্তিতে হাইকোর্ট উচ্ছেদের উপর কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে আপিলটি নিষ্পত্তি করে দেন, যা স্থানীয় মুসলিমদের চরমভাবে হতাশ করেছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পের ফলে মসজিদের জামাতখানা (নামাজ ঘর), একটি ১২০ ফুট উঁচু মিনার এবং মাঝার চক শাহীর অংশ প্রভাবিত হবে।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের একক বেঞ্চ অপসারণের বিরুদ্ধে করা আবেদনগুলো খারিজ করে দেন। আদালত সেসময় জানান, পৌর কর্পোরেশন প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মেনেই কাজ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষগুলোকে আপত্তি জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
উজ্জয়িনীর জেলা সংগ্রাহক (কালেক্টর) রৌশন কুমার অবশ্য দাবি করেছেন, সংঘাত সত্ত্বেও মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকেই স্বেচ্ছায় রাস্তার সীমানায় পড়া অংশগুলো সরিয়ে নিতে সহযোগিতা করছেন। তিনি কোনো প্রকার গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তবে স্থানীয় সাধারণ মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষের মতে, শতবর্ষের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারক এই শাহী মসজিদটির পবিত্রতা রক্ষায় জীবন বাজি রেখে তারা প্রতিবাদে নেমেছেন। তাঁদের মূল দাবি— প্রশাসন যেন বিকল্প কোনো নকশার মাধ্যমে মসজিদটিকে রাস্তা সম্প্রসারণের সীমানামুক্ত রাখে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ বিএসটিআই-এর লাইসেন্স ছাড়া চানাচুর ও আচার উৎপাদন, মোড়কজাতকরণ এবং বাজারজাত করার অপরাধে আল মদিনা ফুড প্রোডাক্টস নামক একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযান আজ সোমবার দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার ওয়্যারলেস এলাকায় জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআই-এর আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুদা।
এই অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই আঞ্চলিক কার্যালয়, কুমিল্লার পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মো. লুৎফর রহমান এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) এস.এম. শাকিল ইউসুফ।
বিএসটিআই সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় আল মদিনা ফুড প্রোডাক্টসের বিরুদ্ধে বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স গ্রহণ না করেই স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহার করে চানাচুর উৎপাদন, মোড়কজাতকরণ ও বাজারজাত করার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এছাড়া, চানাচুর ও আচার মোড়কজাতের জন্য প্রয়োজনীয় সনদ ছাড়াই উৎপাদন ও বিক্রয় করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিএসটিআই আইন এবং ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মো. বাহার নামে এক প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক নারীকে দুবাই নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, বর্তমানে সাত মাস বয়সি তার সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়েছে, কিন্তু অভিযুক্ত বাহার মা-ছেলের জন্য কোনো খোঁজখবর নিচ্ছেন না এবং চিকিৎসার ব্যয়ও বহন করছেন না।
অভিযুক্ত মো. বাহার নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ মার্কেট এলাকার বাসিন্দা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে গিয়ে ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।
তিনি জানান, বাহার তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার পর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দুবাই নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে না করেও দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি গোপন রাখতে তাকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। পরে গুরুতর অসুস্থ এক বন্ধুকে দেখতে বাহার তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। দেশে ফেরার পর বাহার তাকে তার বাগেরহাটের বাড়িতে পাঠিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্লক করে দেন।
ভুক্তভোগী জানান, চলতি বছরের মার্চ মাসে তার সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে সন্তানের অসুস্থতার কারণে তিনি চিকিৎসার ব্যয় বহনে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বাহারের আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি মা ও সন্তানের কোনো দায়িত্ব নিচ্ছেন না। এর আগে ২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বাহার ওষুধ খাইয়ে তার গর্ভের আরেকটি সন্তান নষ্ট করে দেন।
ভুক্তভোগী আরও দাবি করেন, সুবর্ণচরে বাহারের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে হত্যার জন্য ৪ লাখ টাকা দিয়ে সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন। এ কারণে নিরাপত্তার আশঙ্কায় বর্তমানে তিনি বাগেরহাটে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
তিনি বলেন, "আমি আমার সন্তানের বাবার স্বীকৃতি চাই। প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। সত্য প্রকাশ পাক। আমার সন্তান যেন ভবিষ্যতে বাবার পরিচয় নিয়ে কোনো সংকটে না পড়ে, সেটিই আমার দাবি। আমি ন্যায়বিচার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনাদের কাছে এসেছি।"
ভুক্তভোগী জানান, বাহার লোক মারফত তাকে ১২ লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সন্তানের দায়িত্ব নিতে তিনি রাজি হননি। এ বিষয়ে কোনো লিখিত সমঝোতা বা অর্থ লেনদেন হয়েছে কিনা- প্রশ্ন করলে তা অস্বীকার করেন ওই নারী।
এদিকে, বাহারের প্রথম স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার না করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার দাবি, তার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের জন্য ওই নারীই দায়ী এবং এসব অভিযোগের কারণে তার সংসারে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
বাহারের প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বললে তারা বিষয়টি সম্পর্কে শুনেছেন বলে জানান। তবে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তাদের জানা নেই বলে দাবি করা হয়। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তারা ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে প্রবাসী বাহারের সঙ্গে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী বর্তমানে সন্তানের ভবিষ্যৎ, পিতৃপরিচয় ও চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, সন্তানের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করা এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগরীর পুবাইলে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় রুজুকা বেগম (৩০) ও তাঁর সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে ইয়ামনি নিহত হয়েছেন।
রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গাজীপুর-গাউছিয়া বাইপাস মহাসড়কের মেঘডুবি এলাকার কালি ফ্যাক্টরির কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত রুজুকা বেগম শেরপুরের শ্রীবরদী থানার বাগহাতা গ্রামের সেকান্দার আলীর কন্যা। তাঁর স্বামী মনির হোসেন। তাঁরা গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার সালনা বাজার এলাকায় মোস্তফা নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাতে ওই মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মা ও মেয়ে গুরুতর আহত হন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুবাইল থানার এসআই মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন।
আহত দুজনকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুজুকা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে মারা যায় শিশু ইয়ামনিও।
পুবাইল থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর গাড়িটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নিহত মা-মেয়ের লাশ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাৎ আজ (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে, হাইকমিশনার ইমরান হায়দার হুমায়ুন কবীরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
বৈঠকের সময় তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতার সার্বিক অগ্রগতি ও গতিধারা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। শিক্ষা, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, পারস্পরিক জনসংযোগ (people-to-people exchanges) এবং কানেক্টিভিটি সহ বিভিন্ন খাতে এই সহযোগিতার বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার ও সুদৃঢ় করার জন্য দুই পক্ষ বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়া, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ও দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোতে তারা নিজ নিজ মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ