ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কাঁঠালিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্যসংগ্রহকারী সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


কাঁঠালিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্যসংগ্রহকারী সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে 'ফ্যামিলি কার্ড' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কাঁঠালিয়া উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মোঃ মকবুল হোসেন।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত মাঠ পর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক তথ্য সংগ্রহ, নিবিড় যাচাই-বাছাই এবং আধুনিক ডাটাবেজ তৈরির বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও জনাব মোঃ মকবুল হোসেন বলেন, "ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রকৃত সুফলভোগীদের কাছে সরকারি সেবা সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। তাই তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও শতভাগ সঠিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।"
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কাঁঠালিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার দেবনাথ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা মাঠ পর্যায়ে সঠিকভাবে তথ্য সংগ্রহের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থাইল্যান্ডে ভ্রমণের ১০টি নিয়ম ভঙ্গ করলে জেল-জরিমানা হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


থাইল্যান্ডে ভ্রমণের ১০টি নিয়ম ভঙ্গ করলে জেল-জরিমানা হতে পারে

থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। মনোরম সমুদ্রসৈকত, দৃষ্টিনন্দন দ্বীপ, বৌদ্ধ মন্দির, সুস্বাদু খাবার এবং প্রাণবন্ত রাতের জীবনের কারণে প্রতিবছর লাখো পর্যটক দেশটিতে ভিড় করেন। বাংলাদেশিদের মধ্যে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য।

তবে থাইল্যান্ডে ভ্রমণের পূর্বে কিছু আইন ও বিধিনিষেধ সম্পর্কে অবগত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, নিজের দেশে স্বাভাবিক মনে হওয়া কিছু কাজ থাইল্যান্ডে অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ভিসার মেয়াদ অতিক্রম, নিষিদ্ধ ই-সিগারেট বহন কিংবা মন্দিরে অনুপযুক্ত পোশাক পরিধান করার কারণে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

এজন্য থাইল্যান্ড ভ্রমণের আগে পর্যটকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১০টি নিয়ম জানা প্রয়োজন।

১. ভিসা ও অবস্থানের মেয়াদ অতিক্রম করবেন না

থাইল্যান্ডে প্রবেশের ভিসার মেয়াদ এবং দেশটিতে থাকার অনুমোদিত সময় এক নয়। প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার দ্বারা পাসপোর্টে উল্লেখিত শেষ তারিখ মেনে চলা আবশ্যক।

অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে প্রতিদিন ৫০০ বাথ জরিমানা হতে পারে, যার সর্বোচ্চ পরিমাণ ২০ হাজার বাথ। দীর্ঘ সময় অবৈধভাবে অবস্থান করলে জরিমানার পাশাপাশি এক থেকে ১০ বছর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। গ্রেফতার হলে শাস্তি আরও কঠোর হতে পারে।

সুতরাং, পাসপোর্টের প্রবেশ সিল ও থাকার শেষ তারিখ ভালোভাবে দেখে নেওয়া উচিত। মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন হলে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে আবেদন করা প্রয়োজন।

২. কাস্টমসের নিয়ম না জেনে পণ্য বহন করবেন না

থাইল্যান্ডে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট শর্তে সর্বোচ্চ ২০ হাজার বাথ মূল্যমানের পণ্য শুল্কমুক্তভাবে নেওয়া যায়। ২০ বছরের বেশি বয়সি যাত্রীরা সাধারণত সর্বোচ্চ এক লিটার অ্যালকোহল এবং ২০০টি সিগারেট অথবা ২৫০ গ্রাম তামাক বহন করতে পারেন। এই সীমা একাধিক যাত্রীর মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ নেই।

এছাড়া ২০ হাজার মার্কিন ডলার বা তার বেশি সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা বহন করলে কাস্টমসে ঘোষণা দিতে হয়। নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত পণ্য থাকলে গ্রিন চ্যানেলের পরিবর্তে রেড চ্যানেল ব্যবহার করে ঘোষণা করা উচিত। মাদক, ই-সিগারেট, অস্ত্র, নকল পণ্য এবং অনুমতি ছাড়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা বুদ্ধমূর্তি বহনের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

৩. প্রেসক্রিপশনের ওষুধেও থাকতে পারে বিধিনিষেধ

নিজ দেশে বৈধ কোনো ওষুধ থাইল্যান্ডে বৈধ হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। কোডিন, মরফিন, ফেন্টানিল, মেথাডোনসহ কিছু ওষুধ এবং আলপ্রাজোলাম, ডায়াজেপাম ও জোলপিডেমের মতো নির্দিষ্ট ওষুধের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম রয়েছে।

ওষুধের ধরন ও অবস্থানের সময় অনুযায়ী থাই এফডিএর অনুমতি প্রয়োজন হতে পারে। কিছু নিয়ন্ত্রিত ওষুধ বহনের জন্য আগাম অনুমোদন নিতে হয়।

তাহলে ওষুধ মূল প্যাকেটে রাখুন, চিকিৎসকের ইংরেজি প্রেসক্রিপশন সঙ্গে নিন এবং ভ্রমণের আগে থাই এফডিএর নির্দেশনা যাচাই করুন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত বা অন্যের জন্য ওষুধ বহন করা থেকে বিরত থাকুন।

৪. পাসপোর্টের কপি ও ডিজিটাল ব্যাকআপ রাখুন

থাইল্যান্ডে অবস্থানকালে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য পাসপোর্ট প্রয়োজন হতে পারে। তবে প্রতিদিন ঘোরাঘুরির সময় মূল পাসপোর্ট সঙ্গে রাখলে হারানোর বা চুরির ঝুঁকি থাকে।

তাহলে পাসপোর্টের তথ্যসংবলিত পাতা, ভিসা ও প্রবেশের সিলের ফটোকপি এবং ডিজিটাল কপি রাখুন। হোটেলের ঠিকানা ও জরুরি যোগাযোগের নম্বরও সংরক্ষণ করুন। আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বা সরকারি কাজে অবশ্য মূল পাসপোর্ট প্রয়োজন হতে পারে।

৫. রাজপরিবার নিয়ে মন্তব্যে সতর্ক থাকুন

থাইল্যান্ডের রাজপরিবারের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। দেশটির ফৌজদারি আইনের ১১২ ধারায় রাজা, রানি, উত্তরাধিকারী বা রাজপ্রতিনিধিকে অপমান, মানহানি কিংবা হুমকি দেওয়ার অপরাধে ৩ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট, ছবি বা মন্তব্য করলেও আইনি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই রাজপরিবার নিয়ে বিতর্ক, কটূক্তি বা অসম্মানজনক কনটেন্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। থাই মুদ্রা পায়ে মাড়ানোও অসম্মানজনক আচরণ হিসেবে গণ্য হয়।

৬. মন্দিরে পোশাক ও আচরণে শালীনতা বজায় রাখুন

থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ মন্দিরগুলো পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হলেও স্থানীয়দের জন্য অত্যন্ত পবিত্র স্থান। তাই মন্দিরে প্রবেশের সময় কাঁধ ও হাঁটু ঢাকা পোশাক পরা উচিত। অতিরিক্ত খোলামেলা বা আঁটসাঁট পোশাক পরিধান থেকে বিরত থাকুন।

মন্দিরে জুতা খোলার নিয়ম থাকলে তা মেনে চলুন। উচ্চস্বরে কথা বলা, বুদ্ধমূর্তির সঙ্গে অসম্মানজনক ভঙ্গিতে ছবি তোলা কিংবা মূর্তির ওপর ওঠা থেকে বিরত থাকুন। বসার সময় পায়ের তলা বুদ্ধমূর্তি বা ভিক্ষুদের দিকে রাখবেন না। বিশেষ করে গ্র্যান্ড প্যালেস ও ওয়াট ফ্রা কায়েওতে পোশাকের নিয়ম বেশ কঠোর।

৭. অ্যালকোহল কেনা ও পান করার নিয়ম জানুন

২০২৬ সালের ২৯ মে থেকে কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে সাধারণভাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত দোকান ও সুপারমার্কেটে সকাল ১১টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অ্যালকোহল কেনা যায়। তবে হোটেল, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্দিষ্ট এলাকা ও অনুমোদিত বিনোদনকেন্দ্রে আলাদা বিধান থাকতে পারে।

মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, পেট্রল পাম্প ও নির্দিষ্ট গণপরিবহন এলাকায় অ্যালকোহল পান নিষিদ্ধ। বৌদ্ধ ধর্মীয় দিবস ও নির্বাচনের সময়ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানো থেকেও বিরত থাকতে হবে।

৮. ই-সিগারেট ও ভ্যাপিং ডিভাইস সঙ্গে নেবেন না

থাইল্যান্ডে ই-সিগারেট ও ভ্যাপিং পণ্য আমদানি এবং বহনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ভ্যাপ পেন, ডিসপোজেবল ই-সিগারেট, ই-লিকুইড, পড ও হিটেড টোব্যাকো ডিভাইসও এর আওতায় পড়তে পারে। নিষিদ্ধ পণ্য বহন বা আমদানির ক্ষেত্রে জব্দ, জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ঝুঁকি রয়েছে। তাই ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য হলেও এসব পণ্য থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া উচিত নয়।

৯. গাঁজা ব্যবহারে রয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ

২০২২ সালে গাঁজার ওপর বিধিনিষেধ শিথিলের পর থাইল্যান্ডকে অনেকে অবাধে গাঁজা ব্যবহারের দেশ মনে করেছিলেন। তবে ২০২৫ সালে নীতিতে পরিবর্তন এনে চিকিৎসাভিত্তিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, চিকিৎসার প্রয়োজনে গাঁজা ব্যবহার করতে থাইল্যান্ডের অনুমোদিত চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন প্রয়োজন। অনুমতি ছাড়া গাঁজা কেনা, বহন বা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। জনসমক্ষে গাঁজা সেবনের জন্য জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। নিজের দেশ থেকে গাঁজা বা গাঁজাজাত পণ্য নিয়ে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করাও ঝুঁকিপূর্ণ।

১০. নির্দিষ্ট সমুদ্রসৈকতে ধূমপান নিষিদ্ধ

থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় অনেক সমুদ্রসৈকতে পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ধূমপানের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফুকেটের পাটং, কাটা ও কারন; পাতায়ার বিচ ও জোমতিয়েন; কোহ সামুইয়ের চাওয়েং ও বোফুটসহ বিভিন্ন সৈকতে নির্দিষ্ট এলাকায় ধূমপান করা যায় না।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে সর্বোচ্চ এক লাখ বাথ জরিমানা, এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা উভয় শাস্তি হতে পারে। কিছু সৈকতে আলাদা ধূমপান অঞ্চল থাকলেও সেখানে যাওয়ার আগে স্থানীয় সাইনবোর্ড ও নির্দেশনা দেখে নেওয়া উচিত। বালুতে সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ফেলবেন না।

থাইল্যান্ড ভ্রমণের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

ভ্রমণ নির্বিঘ্ন রাখতে পাসপোর্ট ও ভিসার মেয়াদ যাচাই করুন। থাকার শেষ অনুমোদিত তারিখ জেনে নিন। প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রেসক্রিপশন ও অনুমতি সঙ্গে রাখুন। কাস্টমসের নিয়ম মেনে পণ্য ও নগদ অর্থ বহন করুন। পাশাপাশি পাসপোর্টের কপি, মন্দিরে পরার উপযোগী পোশাক এবং স্থানীয় আইন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত রাখুন।

থাইল্যান্ড ভ্রমণ হতে পারে দারুণ অভিজ্ঞতা। তবে বিদেশে গেলে নিজের দেশের নিয়ম নয়, গন্তব্য দেশের আইন ও সংস্কৃতিকে সম্মান করাই সবচেয়ে জরুরি। ভ্রমণের আগে বিধিনিষেধ সম্পর্কে জেনে নিলে অপ্রত্যাশিত জরিমানা ও আইনি জটিলতা এড়িয়ে নিশ্চিন্তে উপভোগ করা যাবে ছুটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি সীমান্তে হুথিদের একাধিক স্থল অভিযান, নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


সৌদি সীমান্তে হুথিদের একাধিক স্থল অভিযান, নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি

ইয়েমেনের বাইরে সংঘাতের পরিধি বৃদ্ধি করে সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তে একাধিক স্থল অভিযান পরিচালনা করেছে হুথিরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিভিন্ন চৌকিতে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই পশ্চিমা ও আরব বিশ্বের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দুর্গম ও পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় ছোট আকারে এসব অভিযান চালাচ্ছে হুথিরা। গত অক্টোবরের শেষের দিকে অন্তত একটি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এক পশ্চিমা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই অভিযান নজরদারি সরঞ্জামের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছিল।

ওই কর্মকর্তার মতে, হুথিরা অভিযান চালিয়ে সৌদি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ব্যবহৃত কিছু হালকা আগ্নেয়াস্ত্র নিজেদের দখলে নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব অস্ত্র সাধারণত সৌদি সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করে।

কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অভিযান এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। তবে যদি তথ্যগুলো সত্য হয়, তাহলে ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সৌদি ভূখণ্ডে হুথিদের স্থলপথে অনুপ্রবেশ ও হামলার এটি হবে প্রথম ঘটনা।

২০২২ সালে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের আগে সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী শহর ও সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা নিয়মিত ঘটত। সে সময় ইয়েমেনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠী বিভিন্ন স্থানে স্থল অভিযানও চালিয়েছিল।

ধাপে ধাপে বাড়ছে হামলার পরিধি

ইয়েমেনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং বাশা রিপোর্ট রিস্ক অ্যাডভাইজরির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আল-বাশা জানিয়েছেন, তিনি সৌদি সীমান্তে হুতিদের সামরিক তৎপরতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তার মতে, হামলার পরিধি ও তীব্রতা ধীরে ধীরে বাড়াচ্ছে গোষ্ঠীটি।

আল-বাশা বলেন, প্রথম পর্যায়ে দূরপাল্লার ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে যুক্ত হয়েছে মর্টার নিক্ষেপে সক্ষম ছোট কোয়াডকপ্টার ড্রোন এবং স্নাইপারদের অভিযান।

তার ধারণা, স্থলপথে হামলায় ফিরে আসা হুথিদের জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। প্রাথমিক অভিযানগুলো ইয়েমেন যুদ্ধের শুরুর দিকের কৌশলের মতো হতে পারে। সে সময় হুতিযোদ্ধারা আকস্মিক হামলা চালিয়ে জোটের সদস্যদের আটক, অস্ত্র দখল এবং সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস করে দ্রুত সরে পড়ত। আল-বাশা যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের সহযোগী ফেলো হিসেবেও কাজ করছেন।

সৌদি সীমান্তে সামরিক সহায়তা বাড়াতে পারে মিত্ররা।

হুতিদের নতুন করে সীমান্ত অভিযান সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে মিসর, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক সহায়তা সৌদি আরবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন এক আরব কর্মকর্তা।

সৌদি আরবের সঙ্গে মক্কা চুক্তির মিত্র তুরস্ক ও পাকিস্তান ইতিমধ্যে দেশটিতে সামরিক সদস্য এবং আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। গত সপ্তাহে মিসরের পার্লামেন্টও সৌদি আরবে প্রতিরক্ষামূলক বাহিনী পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে।

এদিকে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি শনিবার জানিয়েছেন, দামেস্কও এই চুক্তিতে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। পশ্চিমা ওই কর্মকর্তার দাবি, সৌদি সমর্থিত বাহিনীকে সহায়তা করতে সিরিয়ার কয়েকজন ড্রোন বিশেষজ্ঞ ইতিমধ্যে ইয়েমেনে পৌঁছেছেন।

ইয়েমেনের ভেতরেও অগ্রসর হচ্ছে হুথিরা

সৌদি সীমান্তে অভিযান চালানোর পাশাপাশি ইয়েমেনের অভ্যন্তরে সামরিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে হুথিরা। দেশটিতে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী তাদের অভিযান ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে।

সোমবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুথিরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের রাজধানী হিসেবে পরিচিত এডেন বন্দরের ৫০ মাইলের মধ্যে পৌঁছে গেছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ শহর তাইজও ঘিরে রেখেছে তারা।

এর আগে সৌদি আরবের বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে শত শত বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে হুথিরা। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাও রয়েছে। হামলায় অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে রিয়াদকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ সম্মেলনও বাতিল করতে হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি সীমান্তে সাম্প্রতিক স্থল অভিযান দেশটির প্রত্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা সামনে এনেছে। বিস্তীর্ণ ও দুর্গম সীমান্ত এলাকায় নজরদারি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যে কতটা কঠিন, এসব ঘটনা তা আবারো স্পষ্ট করেছে।

সৌদি ভূখণ্ড নিয়ে হুতিদের পুরোনো দাবি

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে হুতিদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে বলেও দেশটির মধ্যে উদ্বেগ আছে। ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে পরিচালিত হুতি প্রশাসন মূলত দেশটির অভ্যন্তরেই সামরিক কার্যক্রম চালালেও সৌদি আরবের কয়েকটি ভূখণ্ড নিয়ে তাদের ঐতিহাসিক দাবি রয়েছে।

বিশেষ করে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের আসির, জাজান ও নাজরান প্রদেশ নিয়ে ইয়েমেনের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ অবস্থান রয়েছে। ১৯৩৪ সালের তায়েফ চুক্তির মাধ্যমে এসব অঞ্চল সৌদি আরবের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।

সৌদি সীমান্তের দক্ষিণে ইয়েমেনের সাদা প্রদেশের পার্বত্য এলাকায় হুতি আন্দোলনের উৎপত্তি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন বদরুদ্দিন আল-হুতির নাম অনুসারেই এর নামকরণ করা হয়েছে। আন্দোলনটি শিয়া ইসলামের জায়েদি মতাদর্শ অনুসরণ করে। ইয়েমেনের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজেদের দলে যুক্ত করলেও সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব নিজেদের হাশেমি বংশোদ্ভূত বলে দাবি করে। এর মাধ্যমে তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বংশের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্কের দাবি তুলে ধরে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামইরহাটে বিদ্যুৎ তারে ট্রাকের আগুন নেভাতে বিজিবির তৎপরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


ধামইরহাটে বিদ্যুৎ তারে ট্রাকের আগুন নেভাতে বিজিবির তৎপরতা

নওগাঁর ধামইরহাটে উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে একটি খড়বোঝাই ট্রাকে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) আগ্রাদ্বিগুণ বিওপির সদস্য এবং স্থানীয় জনগণের তাৎক্ষণিক ও সাহসী তৎপরতার কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে পুরো ট্রাকটি রক্ষা পায়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে উপজেলার আগ্রাদ্বিগুণ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার তালান্দার মোড় নামক স্থানে (বিওপি থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে) এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, খড়বোঝাই ট্রাকটি আগ্রাদ্বিগুণ থেকে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে তালান্দার মোড় এলাকায় পৌঁছালে ওপরের উচ্চ ভোল্টেজের ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক তারের সাথে ট্রাকের খড়ের সংস্পর্শ ঘটে। মুহূর্তেই ট্রাকে বোঝাইকৃত খড়ে আগুন ধরে যায়।

ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করার সাথে সাথেই আগ্রাদ্বিগুণ বিওপির বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। একই সাথে বিওপি কমান্ডার বিষয়টি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ককে অবহিত করলে, তিনি বিওপিতে সংরক্ষিত অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামাদি সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে বিজিবি সদস্য ও স্থানীয় জনতা পরম সাহসিকতার সাথে বিওপির ফায়ার এক্সটিংগুইশার, পানি ও স্থানীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিজিবির সময়োপযোগী ও ত্বরিত পদক্ষেপের কারণে কিছু খড় পুড়ে গেলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং কোটি টাকার পুরো ট্রাকটি ভস্মীভূত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।

সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা ও যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা প্রদানে বিজিবি সবসময় তৎপর ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধÑএমনটাই জানিয়েছে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঠালিয়ায় ৬টি ইউনিয়নে ৫ দিনব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ সিজন-২ বাছাই সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​নিজস্ব প্রতিবেদক, কাঠালিয়া

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


কাঠালিয়ায় ৬টি ইউনিয়নে ৫ দিনব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ সিজন-২ বাছাই সম্পন্ন

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় ক্রীড়া ক্ষেত্রে নতুন প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ (সিজন-২)’-এর ইউনিয়ন পর্যায়ের খেলোয়াড় বাছাই ও দল গঠন প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন নির্ধারিত স্থানে এই বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ১ মার্চ থেকে ৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন, আমুয়া ইউনিয়ন, আওরাবুনিয়া ইউনিয়নসহ অন্যান্য ইউনিয়নগুলোতে তরুণ ও উদীয়মান খেলোয়াড়দের ব্যাপক অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন ইভেন্টের খেলোয়াড় বাছাই করা হয়।
“ক্রীড়া বল সেপে, স্বপ্নের পথে, বিজয়ের রথে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে চূড়ান্তভাবে বাছাইকৃত মেধাবী ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়ে পরবর্তীতে উপজেলা পর্যায়ে মূল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজিত প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্বের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন ও বক্তব্য প্রদান করেন কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মকবুল হোসেন।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ। এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, তরুণ ক্রীড়াবিদ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের সময়োপযোগী আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে লুকিয়ে থাকা তরুণ খেলোয়াড়রা নিজেদের প্রতিভা বিকাশের উপযুক্ত সুযোগ পাবে। তারা বিশ্বাস করেন, এই প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আগামী দিনে জাতীয় পর্যায়ে কাঠালিয়া উপজেলাকে সফলভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম হবে নতুন প্রজন্মের উদীয়মান ক্রীড়াবিদরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%