ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চরভদ্রাসনে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ


চরভদ্রাসনে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে সেক আব্দুল্লাহ (৫) নামে একটি শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। নিহত আব্দুল্লাহ গাজিরটেক ইউনিয়নের চর অমরাপুর গ্রামের সেক শাহেদের পুত্র। সে দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে ছিল পরিবারের সবার ছোট এবং অত্যন্ত আদরের সন্তান।

পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে আব্দুল্লাহ বাড়ির পেছনে খেলাধুলা করছিল। সে সময় একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে থাকা বিষাক্ত সাপটি তার পায়ে কামড় দেয়। কামড় খাওয়ার পর শিশুটি বাড়িতে এসে মাকে জানায়, তাকে ‘ব্যাঙে কামড় দিয়েছে’। প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে না নিয়ে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যান, যিনি নিজেকে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন বলে পরিচিত করেন। শিশুটির চাচি আখি আক্তার জানান, স্থানীয় শহীদ ফকির নামে এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে কিছু সময় সেখানে কাটিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটতে শুরু করে। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু ঘটে। গাজিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক ফকিরের কাছে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।” আব্দুল্লাহর অকাল মৃত্যুতে পুরো পরিবার জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো চর অমরাপুর গ্রাম। প্রতিবেশীরাও এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দ্বন্দ্ব, সংবাদ সম্মেলন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের দাদির ইন্তেকাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের দাদির ইন্তেকাল

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের দাদি জোবেদা খাতুন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিজ গ্রাম আউলিয়াপুরে, তার নিজ বাড়িতে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে জোবেদা খাতুনের বয়স ছিল ৭৫ বছর।

পারিবারিক সূত্র জানাচ্ছে, তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জোবেদা খাতুন ছিলেন আউলিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মরহুম দানেশ আলী তালুকদারের স্ত্রী।

শনিবার বাদ জোহর আউলিয়াপুর গ্রামের একটি মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দাদির অসুস্থতার খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় দলের ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ তার গ্রামের বাড়িতে আসেন। দাদির মৃত্যুর সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

দাদির মৃত্যুতে মিরাজ ও তার পরিবারের সদস্যরা শোকাহত হয়ে পড়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে মেহেদী হাসান মিরাজ তার গ্রামের বাড়িতেই অবস্থান করছেন। দাদির জন্য দোয়া-মোনাজাত শেষে তিনি ঢাকায় ফিরবেন, এমনটাই জানিয়েছেন পারিবারিক সূত্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বৈরুত ঘিরে বাড়ছে সংঘাত

লেবানন এখন তুরস্ক-ইসরায়েল ভূরাজনৈতিক যুদ্ধের নতুন ময়দান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


লেবানন এখন তুরস্ক-ইসরায়েল ভূরাজনৈতিক যুদ্ধের নতুন ময়দান!

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির সমীকরণ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। গাজা ও সিরিয়ার পর, এবার তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যকার তীব্র উত্তেজনার নতুন কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে লেবানন উত্থিত হয়েছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান সম্প্রতি এক হুঁশিয়ারিতে উল্লেখ করেছেন, তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তা আর কেবল নিজস্ব সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দামেস্ক ও বৈরুত পর্যন্ত প্রবাহিত হয়েছে। এরদোগানের এই মন্তব্যের পর, আঙ্কারা ও তেল আবিবের মধ্যে কূটনৈতিক যুদ্ধ একটি নতুন মোড় নিয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে, নিজস্ব সংসদীয় কমিটির বৈঠকে লেবানন ও সিরিয়ার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং তুরস্কের নিরাপত্তারযে স্বার্থ রয়েছে, তার জন্য আঙ্কারা লেবাননের পরিস্থিতি মনিটর করছে।

ইসরায়েলের ‘ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ’ (আইএনএসএস)-এর গবেষক গালিয়া লিন্ডেনস্ট্রস বলেন: "লেবানন এখন ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিযোগিতার একটি নতুন ক্ষেত্র। এরদোগান যেভাবে সিরিয়া ও লেবাননকে তুরস্কের নিরাপত্তার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তা ইসরায়েলের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি দুই দেশের ইতিমধ্যে বিগড়ে থাকা সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে।"

বিশ্লেষকদের মতে, সিরিয়ায় ইরান-সমর্থিত আসাদ সরকারের পতন এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর ক্রমাগত চাপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের প্রভাব অনেকটাই দুর্বল হয়েছে। এই শূন্যস্থান পূরণের জন্য, তুরস্ক নীরবে এগিয়ে আসছে। গত কয়েক বছরে লেবাননে মানবিক সাহায্য এবং বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে নিজেদের ‘সফট পাওয়ার’ বা পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করেছে আঙ্কারা।

তুরস্কের মিডল ইস্ট টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ওজলেম তুর বলেন, "ইরানের ক্ষমতা হ্রাসের পর লেবাননে যেন ইসরায়েলের একক আধিপত্য সৃষ্টি না হয়, তা নিয়ে আঙ্কারা উদ্বিগ্ন। এই ভূরাজনৈতিক ক্ষমতার শূন্যতা কে পূরণ করবে, সেই প্রতিযোগিতায় তুরস্ক নিজেকে একটি প্রধান শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।"

এই বিরোধের পেছনে কেবল সামরিক আধিপত্য নয়, বরং রয়েছে বিপুল অর্থনৈতিক স্বার্থও। পূর্ব ভূমধ্যসাগরের বিশাল জ্বালানি ও গ্যাস সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তুরস্ক ও ইসরায়েলের দ্বন্দ্ব বহুদিনের।

২০২৫ সালের নভেম্বরে সাইপ্রাসের সঙ্গে লেবাননের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ চুক্তিকে সন্দেহের চোখে দেখছে আঙ্কারা। তুরস্কের দাবি, এই চুক্তি তাদের নিজস্ব স্বার্থ এবং তুর্কি সাইপ্রিয়ট প্রশাসনের অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এদিকে, ইসরায়েলের ইন্ধনে লেবানন এই চুক্তি করেছে বলেও ভাবে আঙ্কারা, যা এই বিরোধে নতুন অর্থনৈতিক মাত্রা যোগ করেছে।

ইসরায়েলের কট্টরপন্থী নীতিনির্ধারকরা দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা করছে ওয়াশিংটনকে বোঝানোর জন্য যেন তারা তুরস্ককে পরবর্তী 'টার্গেট' হিসেবে বিবেচনা করে। তবে তুরস্কের ইস্তাম্বুল কাদির হাস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সেরহাত গুভেঞ্চের মতে, এরদোগানের হাতে রয়েছে একটি বড় 'ট্রাম্প কার্ড'। তা হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এরদোগানের ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক।

সম্প্রতি বৈরুতে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের তীব্র সমালোচনা করেন ট্রাম্প। ওয়াশিংটন বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং মধ্যস্থতার জন্য আঙ্কারাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার মনে করছে।

আগামী মাসে আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফরে আসছেন ট্রাম্প। সেখানে মার্কিন ও তুর্কি শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে লেবাননসহ সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুটি প্রধান্য পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া, মার্কিন-তুর্কি এই ঘনিষ্ঠতা তেল আবিবের কূটনৈতিক অস্বস্তি ও একাকীত্বকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিচুক্তির ইঙ্গিতেও অনিশ্চিত ইরানের বিশ্বকাপ ভাগ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


শান্তিচুক্তির ইঙ্গিতেও অনিশ্চিত ইরানের বিশ্বকাপ ভাগ্য

ইরান বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার ছায়ায়। শুরু থেকেই, কঠোর ভিসা নিয়ম, ভ্রমণ জটিলতা এবং সীমিত চলাচলের কারণে দলটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই পরিবর্তন বিশ্বকাপে ইরান দলের পরিস্থিতি কতটা বদলাতে পারে, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে আয়োজক দেশ ও অংশগ্রহণকারী দেশের মধ্যে এমন সরাসরি রাজনৈতিক সংঘাত খুবই বিরল। অতীতে যদিও যুদ্ধ বা অভ্যন্তরীণ সংকটের মধ্যেও দল অংশ নিয়েছে, তবুও আয়োজক দেশের সঙ্গে অংশগ্রহণকারী দলের এমন উত্তেজনা আগে খুব একটা দেখা যায়নি।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কঠোর ভিসা শর্ত আরোপ করে। খেলোয়াড়দের ম্যাচের কিছুদিন আগে ভিসা দেওয়া হয় এবং প্রতিটি ম্যাচ শেষে দ্রুত দেশ ছাড়ার নির্দেশ ছিল। এতে দলের প্রস্তুতি ও বিশ্রামে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।

ইরান ফুটবল ফেডারেশন এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে অভিযোগ করেছে। তাদের দাবি, প্রস্তুতির পরিকল্পনা অনুযায়ী দল পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং এটি প্রতিযোগিতার পরিপন্থী।

এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, দর্শকদের জন্য নির্ধারিত টিকিট বরাদ্দও কমানো হয়েছে। দলের কিছু সহকারী স্টাফকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি, যদিও খেলোয়াড়দের প্রবেশ অনুমোদিত ছিল।

নতুন শান্তিচুক্তির ইঙ্গিত আসার পর ক্রীড়া বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরিস্থিতিতে কিছুটা শিথিলতা আসতে পারে। তবে কেউ কেউ সতর্ক করে বলেছেন, রাজনৈতিক চাপের কারণে এই চুক্তি পুরোপুরি কার্যকর নাও হতে পারে এবং সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসতে পারে।

একজন বিশ্লেষক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু খেলোয়াড়ের ভিসা পুনরায় ইস্যু করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নমনীয়তার ইঙ্গিত হতে পারে। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদে কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

অন্যদিকে, আরেকজন গবেষক মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ এবং আন্তর্জাতিক অবস্থান এই চুক্তির বাস্তব প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

সব মিলিয়ে, শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা ইরান দলের জন্য কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিলেও বিশ্বকাপে তাদের চলাচল ও প্রস্তুতির ওপর রাজনৈতিক প্রভাব পুরোপুরি শেষ হয়েছে—এমনটা এখনই বলা যাচ্ছে না।

সূত্র : আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনৈতিক সংকটে বিহ্বল বলিভিয়া, জরুরি অবস্থা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


অর্থনৈতিক সংকটে বিহ্বল বলিভিয়া, জরুরি অবস্থা জারি

লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়া বর্তমানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। তীব্র জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে অত্যন্ত উত্তাল। এই অবস্থার মধ্যে জনবিক্ষোভ এবং সড়ক অবরোধ মোকাবিলা করতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) জাতির উদ্দেশে দেওয়া বিশেষ ভাষণে বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ জরুরি অবস্থা জারির কথা জানান।

তিনি তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেন যে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ ও বিক্ষোভের কারণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সচল রাখার জন্য এবং জরুরি পরিষেবা স্বাভাবিক করার প্রয়োজনেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সরকার আইনশৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনের পদক্ষেপ নিতে পারবে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বলিভিয়ায় গত প্রায় ৫০ দিন ধরে বিক্ষোভকারীরা দেশের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে রেখেছেন। এই অবস্থার কারণে খাদ্য, জ্বালানি এবং জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও গণপরিবহন ব্যবস্থা থমকে গেছে, যা দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এই সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে দেশজুড়ে শ্রমিক সংগঠন, কৃষক গোষ্ঠী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আন্দোলনের পরিমাণ বাড়তে শুরু করেছে। তীব্র ক্ষোভ থেকে আন্দোলনকারীদের একটি বড় অংশ এখন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজের পদত্যাগের দাবি তুলছে।

এই চরম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মাঝে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক বামপন্থী প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা এবং অবস্থান নিয়ে দেশে নানা জল্পনা-কল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকদের বক্তব্য, অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্বের পাশাপাশি রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বলিভিয়ার পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও সংঘাতময় করে তুলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%