সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৯ পি.এম
আজ সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩, ২ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ রয়েছে—
জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫৭ মিনিটে।
আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ২০ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ৬টা ৭ মিনিটে।
এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ২১ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৩২ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্তের সময় ৬টা ৬ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয়ের সময় ৫টা ৪৪ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনিতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় পাঁচ নারী আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আহতদের উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে আহত তানিয়া বেগমের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কালকিনি পৌর এলাকার চরঠেঙ্গামারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পরিবারটি।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, চরঠেঙ্গামারা গ্রামের মৃত লালমিয়া সরদারের বাড়ির কিছু জমি প্রবাসী আব্দুল আলিম হাওলাদার ক্রয় করে সেখানে একটি ঘর নির্মাণ করছেন। রোববার সন্ধ্যায় ওই নির্মাণাধীন ঘরে বিদ্যুতের মিটার লাগাতে যান আলিমের স্ত্রীসহ পরিবারের কয়েকজন। এ সময় বিপ্লব, সাইদুল কবীর ও সাইফুল কবীরসহ ১০-১২ জন তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে তানিয়া (৩৬), সাথী (৩৬), ফাতেমা (৪২), নিপা (৩২) ও শিখা (২৪) আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তানিয়া বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
প্রবাসী আব্দুল আলিম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, “আমার ক্রয় করা জমিতে নির্মাণাধীন ঘরে বিদ্যুতের মিটার লাগাতে গেলে আমার স্ত্রীসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচ নারী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিপ্লবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম বলেন, “হামলার ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং সংশ্লিষ্ট আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য গঠিত বিশেষ বেঞ্চ, এখন পর্যন্ত ২২টি ডেথ রেফারেন্স মামলা নিষ্পত্তি করেছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগে নিয়মিত ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য থাকা বেঞ্চের পাশাপাশি, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী চলতি বছরের জুন মাসে এই বেঞ্চটি প্রতিষ্ঠা করেন।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা এই বিশেষ বেঞ্চের সদস্য। তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি করেছেন। এর মধ্যে স্ত্রী হত্যার কয়েকটি মামলা, শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী রিমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, পিরোজপুরের ঝর্ণা হত্যা মামলা এবং ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলাসহ মোট ২২টি ডেথ রেফারেন্স মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশেষ বেঞ্চ গঠনের পর থেকে ২২টি ডেথ রেফারেন্স মামলা নিষ্পত্তি, দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন গুরুতর ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করার জন্য হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায় এই বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদনের জন্য বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ডেথ রেফারেন্সের সঙ্গে দণ্ডিত আসামির আপিল বা জেল আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের চারটি শহরে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ। এই শহরগুলো হলো নাজরান, খামিস মুশাইত, জাজান ও আবহা।
পরে আবারও খামিস মুশাইত ও আবহা শহরের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়। তবে কিছু সময় পর এই সতর্কতাগুলো তুলে নেওয়া হয়।
এদিকে, ইয়েমেনের জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং দেশের উত্তরাঞ্চলের একটি বড় অংশ হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গত জুলাই মাসে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে হুতিরা।
এরপর থেকে তারা সৌদি আরবের দিকে হামলা চালিয়ে আসছে। হুতিদের হামলার লক্ষ্য ছিল লোহিত সাগরে চলাচলকারী সৌদি জাহাজ।
হামলার ফলে ওই অঞ্চলে সৌদি জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুইডেনের সাধারণ নির্বাচনে এখনও কোনো পক্ষের বিজয় নিশ্চিত হয়নি। ভোট গণনা প্রায় শেষের দিকে পৌঁছালেও, বামপন্থী জোট সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। ফলে দেশটির পরবর্তী সরকার গঠনকারী পক্ষ সম্পর্কে এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না।
বিবিসির তথ্যমতে, সোমবার ভোরে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট গণনা সম্পন্ন হয়। তখন বামপন্থী জোট প্রায় ২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। সুইডেনের নির্বাচন কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, সামাজিক গণতন্ত্রী দলের নেত্রী ম্যাগদালেনা আন্দেরসনের নেতৃত্বাধীন জোট সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, জোটটি বর্তমান রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টেরসনের নেতৃত্বাধীন চার দলের জোটের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। ৯৪ শতাংশ ভোটের হিসাব অনুযায়ী, আন্দেরসনের নেতৃত্বাধীন বামপন্থী জোট ১৭৬টি আসনে এগিয়ে ছিল, অপরদিকে ক্রিস্টেরসনের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট ১৭৩টি আসন পেয়েছিল। এই ব্যবধান মাত্র তিনটি আসনের। তবে ভোট গণনা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল পরিবর্তিত হতে পারে। এ কারণে সুইডেনের প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলো এখনো কোনো পক্ষকে বিজয়ী ঘোষণা করেনি।
আরো পড়ুন
আসিফ নজরুলের গ্রেপ্তার চাইলেন নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী।
সুইডেনে দুটি বড় রাজনৈতিক জোট বিদ্যমান। প্রতিটি জোটে চারটি করে দল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নির্বাচনে যদি কোনো জোট স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায়, তবে অন্য দলের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করতে হয়। এ কারণে দেশটিতে জোট সরকার ও সংখ্যালঘু সরকার গঠন একটি পরিচিত বিষয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টেরসনের সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে কট্টর ডানপন্থী সুইডেন ডেমোক্র্যাটস দল, যার রাজনৈতিক শিকড় নব্য নাৎসিবাদে।
ক্রিস্টেরসন ক্ষমতায় থাকলে সুইডেন ডেমোক্র্যাটস দলের সদস্যদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে এই বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে।
সোমবার ভোরে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ক্রিস্টেরসন বলেন, পরবর্তী সরকার কে গঠন করবে, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ভোটাররা তাদের মতামত দিয়েছেন, কিন্তু এখনো চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যায়নি। আগামী বছরগুলোতে সুইডেনের নেতৃত্বে কোন সরকার থাকবে, সেটি এখনও অজানা। অন্যদিকে, রবিবার রাতে আন্দেরসনও সমর্থকদের চূড়ান্ত ফলের জন্য অপেক্ষা করতে বলেন। তবে তিনি জানান, বর্তমান ফলাফল একই থাকলে সুইডেনে নতুন সরকার গঠিত হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সামাজিক গণতন্ত্রী দল সুইডেনের রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে, তবে এবারের নির্বাচনে দলটির ভোট কমেছে।
আরো পড়ুন
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসনসহ ইউরোপীয় নেতারা।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, সোমবার সকাল পর্যন্ত সামাজিক গণতন্ত্রী দল প্রায় ২৮ শতাংশ ভোট পাওয়ার পথে ছিল। এই ফল চূড়ান্ত হলে এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি দলটির সবচেয়ে খারাপ নির্বাচনী ফল হতে পারে। তবে বামপন্থী জোটের অন্য কয়েকটি দলের সমর্থন বেড়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাম দল, গ্রিনস এবং সেন্টার পার্টি। কট্টর ডানপন্থী সুইডেন ডেমোক্র্যাটস দলও এবারের নির্বাচনে সমর্থন হারিয়েছে বলে প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে। ১৯৮০-এর দশকে নাৎসি সমর্থকদের হাতে প্রতিষ্ঠিত দলটি বহু বছর সুইডেনের মূলধারার রাজনীতির বাইরে ছিল, তবে ২০২২ সালের নির্বাচনে দলটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। সে সময় দলটি মূলত অভিবাসন এবং সহিংস অপরাধের মতো বিষয়গুলোকে সামনে রেখে প্রচার চালায়।
আরো পড়ুন
জন্মদিনেই মারা গেলেন কিংবদন্তি বক্সার।
এবারের নির্বাচনে সেই দলটির ভোটও কমেছে। ২০১০ সালে রিক্সদাগে প্রবেশের পর এই প্রথম দলটির সমর্থন কমার চিত্র দেখা গেল। এবারের সুইডেনের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিও কমেছে। প্রায় ৮০ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোট পড়ার হার প্রায় ৪ শতাংশ কম। রবিবার ভোট দেওয়ার পর আন্দেরসন নির্বাচনের মূল রাজনৈতিক প্রশ্নটি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুইডেন কি এমন একটি সরকার চায়, যেটি পুরোপুরি সুইডেন ডেমোক্র্যাটস দলের নিয়ন্ত্রণে থাকবে? নাকি এমন একটি সরকার চায়, যার নেতৃত্বে থাকবেন তিনি এবং নতুন রাজনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করবেন? অন্যদিকে, ক্রিস্টেরসন বলেন, তার জোট যাতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চালিয়ে যেতে পারে, সেটি মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
আরো পড়ুন
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বরিস জনসনসহ ইউরোপীয় নেতারা।
নিজের ভোটকেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, মানুষ চায় তার সরকার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চালিয়ে যাক। এবারের নির্বাচনী প্রচারে কয়েকটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা, গ্যাং অপরাধ এবং সামাজিক কল্যাণ খাতে সরকারি ব্যয়। ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর কোন জোট সরকার গঠন করবে, তা নির্ধারণ হবে। তবে কোনো পক্ষ স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে সরকার গঠনে ছোট দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সুইডেনে আসন বণ্টন হয় আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে। দেশটির পার্লামেন্ট রিক্সদাগে কোনো দলকে আসন পেতে হলে সাধারণত অন্তত ৪ শতাংশ ভোট পেতে হয়। ফলে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ছোট দলগুলোর অবস্থানও সরকার গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ