ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম জাতির জন্য একটি ব্যর্থতা: সেতুমন্ত্রী


নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম জাতির জন্য একটি ব্যর্থতা: সেতুমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন, সেতু, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘একটি নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা এখনো চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা। নিষিদ্ধ দল নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না।’

আজ মঙ্গলবার সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নিচে বাংলাদেশ রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘জনআকাঙ্ক্ষা ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে একটি রাজনৈতিক দল আজ জনগণের কাছে পরিত্যক্ত, বর্জিত এবং সর্বশেষ নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধই।’

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের দুই যুবকের সউদী আরব ও লিবিয়ায় মৃত্যু

তিনি বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি জাতি কীভাবে দেখে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ নিষিদ্ধ চেয়েছে বলেই দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে এবং দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে। রাজনৈতিক দলের বৈধতা জনগণই দেয়। এখন জনগণও তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে, আইনও তাদের নিষিদ্ধ করেছে। তাই নিষিদ্ধ কোনো বিষয় নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়।’

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার আওতাধীন অব্যবহৃত জমি চিহ্নিত করা হচ্ছে। জমির পরিমাণ অনুযায়ী সেগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে তিন একরের বেশি আয়তনের জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তিন একরের বেশি জায়গায় প্রায় এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এসব জমিতে সোলার প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হবে এবং জাতীয় গ্রিডেও সরবরাহ করা হবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী ও পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: উত্তাল তিউনিসিয়া, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) পাকিস্তানে রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে পাকিস্তানে এই সফর করছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এ সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, জ্বালানি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।

সফরের শুরুতেই প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। এ ছাড়াও, তিনি সিনেটের চেয়ারম্যান ইউসুফ রাজা গিলানি, জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাকিস্তানে এটি তাঁর দ্বিতীয় সফর। এ সফরে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয় এবং গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা, জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সংযোগ উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়াও, গত ১৮ জুন স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতার অগ্রগতি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচনায় স্থান পাবে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সফর এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও অংশ নেন।

১৮ জুনের সমঝোতার আওতায় সংঘাত নিরসন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত রাখা এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর নিয়ে আলোচনার একটি কাঠামো তৈরিতে তেহরান ও ওয়াশিংটন নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুইজারল্যান্ডের বৈঠককে পরবর্তী পর্যায়ের কারিগরি আলোচনার ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। মধ্যস্থতাকারীদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে একটি সার্বক্ষণিক যোগাযোগব্যবস্থা চালুর বিষয়ে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।

এ ছাড়া, লেবাননের চলমান সংঘাত প্রশমনে একটি বিশেষ সমন্বয় কাঠামো গঠনের বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন।

পাকিস্তান সফরে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বৈঠকগুলো দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে দুইটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার কাউখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৫ পি.এম


কাউখালীতে দুইটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন

পিরোজপুরের কাউখালীতে অবস্থিত দুইটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের গুরুতর শিক্ষক সংকটের সমাধান এবং জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় ছাত্র, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিকদের উদ্যোগে উপজেলার সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিটি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, কাউখালী কেজি ইউনিয়ন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৮০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন, কিন্তু তাদের জন্য শিক্ষক মাত্র ৪ জন। অপরদিকে, কাউখালী এস বি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ ছাত্রী রয়েছে, কিন্তু তাদের জন্য শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৭ জন। এছাড়া, দুইটি বিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

বক্তারা জানান, ইংরেজি, গণিত, ব্যবসায় শিক্ষা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সীমিত সংখ্যক শিক্ষকের দ্বারা কোনো রকমে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যা শিক্ষার গুণগতমানকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

মানববন্ধনে বক্তৃতা করতে আসেন, অভিভাবক মোঃ আল আমিন খান, এনামুল হক, সচেতন নাগরিক রফিকুল ইসলাম, রাকিব তালুকদার, জাহিদুর রহমান ফিরোজ, প্রাক্তন শিক্ষার্থী নাঈম হোসেন এবং শিক্ষার্থী সুমন কর্মকারসহ আরও অনেকেই। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

কাউখালী কেজি ইউনিয়ন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিজন হালদার জানান, দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

কাউখালী এস বি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আখতার হোসেন বলেন, বর্তমান জনবল নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বরিশাল অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, কাউখালীর দুইটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের বিষয়টি তাদের জানা আছে। শূন্য পদের তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং শিক্ষক পদায়ন ও বদলির মাধ্যমে সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে।

সচেতন অভিভাবক রফিকুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষক ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা সম্ভব নয়। আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে অবিলম্বে দুইটি বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।”

অভিভাবক এনামুল হক সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সংকটমুক্ত রাখতে অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগের দাবি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার সেনাবাহিনী ছয় মাসে ৭০০ নাগরিককে হত্যা করেছে: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


মিয়ানমার সেনাবাহিনী ছয় মাসে ৭০০ নাগরিককে হত্যা করেছে: জাতিসংঘ

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী গত বছরের নির্বাচনী সময়কালজুড়ে ৭০০-এরও বেশি বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জন্য দায়ী বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতরের নতুন একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ছয় মাসে অন্তত ৭০২ জন নিহত হওয়ার তথ্য বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২২৪ জন নারী এবং ১৫৩ জন শিশু রয়েছে।

প্রতিবেদনটি এমন এক সময়কালকে ঘিরে প্রকাশ করা হয়েছে, যখন সামরিক সরকার নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দেয়। তবে প্রধান বিরোধী দলগুলোকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেয়ার কারণে অনেকের মতে এ নির্বাচনটিকে ব্যাপকভাবে প্রহসন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় দেশটির লাখো মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকে মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এখনও দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক বাহিনীর বিমান হামলাই ছিল ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবিক দুর্ভোগের সবচেয়ে বড় কারণ। দেশটির সাগাইং অঞ্চলকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে অন্তত ১৯১ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬০ জন নারী এবং ৩০ জন শিশু রয়েছে।

গত অক্টোবরে সাগাইংয়ের চাউং-ইউ এলাকায় একটি স্কুলের সামনে জড়ো হওয়া মানুষের ওপর গোলাবর্ষণের ঘটনায় ২৩ জন নিহত হয়েছে এবং ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে চার শিশু ছিল। এছাড়া ডিসেম্বর মাসে সাগাইংয়ের তাবায়িন এলাকায় একটি চায়ের দোকানে বিমান হামলায় অন্তত ১৯ জন নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হন। হামলার সময় সেখানে লোকজন ফুটবল ম্যাচ দেখার জন্য জড়ো হয়েছিলেন।

প্রতিবেদনটিতে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তারা আরাকান আর্মির জোরপূর্বক নিয়োগ, হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার গ্রেফতার এবং যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক বলেন, ‘মিয়ানমারের জনগণ সামরিক বাহিনীর হাতে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার। এখন মনে হচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও তাদের ভুলে যেতে বসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় পর্যায়ের সুরক্ষা কার্যক্রমে অর্থায়ন অনেক মানুষের জন্য একমাত্র ভরসা ছিল। কিন্তু সেই সহায়তা কমে যাওয়ায় তাদের দুর্দশা আরও গভীর হচ্ছে।’

২০২১ সালে সামরিক বাহিনী গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে এবং দেশটির তৎকালীন নেত্রী অং সান সু চি’কে কারাবন্দি করে। পরবর্তীতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো কিছু এলাকায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেলেও সাম্প্রতিক বাধ্যতামূলক নিয়োগ এবং ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে সামরিক বাহিনী আবারও বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে সামরিক অভ্যুত্থানের নেতা জেনারেল মিন অং হ্লাইং দেশটির প্রেসিডেন্ট হন। তবে বিরোধী দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং গৃহযুদ্ধের কারণে দেশের বড় অংশ নির্বাচনের বাইরে থাকায় নির্বাচনটি আগে থেকেই একতরফা বলে বিবেচিত হচ্ছিল। সংসদে সামরিকপন্থি সদস্যদের প্রাধান্য রয়েছে এবং সংবিধান অনুযায়ী এক-চতুর্থাংশ আসন সরাসরি সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। বাকি আসনের মধ্যে সামরিক সমর্থিত ইউএসডিপি প্রায় ৮০ শতাংশ আসন জয় করেছে। সমালোচকদের মতে, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াই সামরিক সরকারের পক্ষে ঝুঁকে ছিল।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানি প্রেসিডেন্ট পূর্ণ প্রতিশ্রুতি চাইলেন সমঝোতা বাস্তবায়নে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


ইরানি প্রেসিডেন্ট পূর্ণ প্রতিশ্রুতি চাইলেন সমঝোতা বাস্তবায়নে

 

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয় সম্পর্কে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আলোচনা সফল হওয়ার জন্য উভয়পক্ষের সম্মত বাধ্যবাধকতার প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিতে হবে এবং সেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পেজেশকিয়ান জানান, ‘আলোচনার কার্যকারিতা নির্ভর করে সম্মত দায়িত্বগুলোর প্রতি পূর্ণ অঙ্গীকার এবং সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর।’

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে গৃহীত দায়িত্বগুলো বাস্তবে কতটা পালন করা হচ্ছে সেই অনুযায়ী। সম্মত পাঠ্যের বাইরে দেওয়া বক্তব্য আলোচনা এগিয়ে নিতে সহায়ক নয়।’

পেজেশকিয়ানের এই মন্তব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কয়েকটি বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে। এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের মাধ্যমে তার পারমাণবিক কর্মসূচি পর্যবেক্ষণের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে।

একই সঙ্গে অবমুক্ত হওয়া ইরানি তহবিলের একটি অংশ মার্কিন কৃষিপণ্য কেনার জন্য ব্যবহার করা হবে।

তবে ইরানি কর্মকর্তারা এসব দাবির কিছু অংশ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তারা বলেন, আলোচনা সম্পর্কে প্রকৃত বিষয়বস্তু নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য থেকে বিরত থাকা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%