ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাভাবিপ্রবিতে ৩ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন


মাভাবিপ্রবিতে ৩ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন

টাঙ্গাইল, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ৩ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।

বৃক্ষরোপণ উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। নেপালসহ বিভিন্ন দেশে বন্যা ও পাহাড়ধসের মতো দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতার সতর্কবার্তা।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তিনি বলেন, আজ থেকে মাভাবিপ্রবিতে ৩ হাজার গাছের চার রোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হয়ে সম্মিলিতভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মো. আনিছুর রহমান, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ ও এস্টেট পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু জাফর শিবলী।

এ ছাড়াও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাছে বেঁধে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের গায়ে আগুন, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


গাছে বেঁধে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের গায়ে আগুন, অতঃপর...

ভারতের পাঞ্জাবে এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে জঙ্গলে নিয়ে গাছে বেঁধে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার (২৬ আগস্ট) মনজিৎ কৌর নামে ওই তরুণী মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।  তবে এ ঘটনায় পাঞ্জাব পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 

মামলার বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিতের পরিচিত দুই ব্যক্তি—শুভি ও পিন্ডা—তাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪-এ ডেকে পাঠায়। এরপর তাকে মারধর করে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে পাঞ্জাবের মোরিন্ডার কাছের এক বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। 

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুজন মনজিৎকে একটি গাছে বেঁধে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে অন্য এক পরিচিত ব্যক্তি ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি কম্বল দিয়ে আগুন নেভান। মনজিৎকে প্রথমে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে মোহালির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত তাকে চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।  

তবে অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিৎ যখন সচেতন ছিলেন এবং জবানবন্দি দিতে চেয়েছিলেন, তখন পুলিশ তার বক্তব্য রেকর্ড করতে ব্যর্থ হয়।  

গত ২৬ আগস্ট পিজিআইএমইআরে মনজিৎ মারা যান। তার মৃত্যুর পর পিজিআই পুলিশ পোস্টের পক্ষ থেকে পুনরায় খারার সদর থানায় বার্তা পাঠানো হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা অবশেষে হাসপাতালে যান।  পরবর্তীতে মনজিতের মাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪ থানায় নেওয়া হয়, সেখানে তার জবানবন্দি রেকর্ড করে বুধবার রাতে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার পিজিআইএমইআরে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  

অবশ্য নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাদের দাবি, অপহরণের ঘটনাটি চণ্ডীগড়ে ঘটায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া চণ্ডীগড় পুলিশের দায়িত্ব ছিল। পুলিশ আরও জানিয়েছে, খারার পুলিশ মনজিতের মাকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছে এবং এফআইআর দায়ের করতে সাহায্য করেছে। চণ্ডীগড়ে অপহরণ থেকে শুরু করে মোরিন্ডায় হামলার পুরোটাই পুনঃনির্মাণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার যে সুযোগগুলো হাতছাড়া হয়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েত-ঢাকার বিমানের ফ্লাইট চলাচল ফের শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


কুয়েত-ঢাকার বিমানের ফ্লাইট চলাচল ফের শুরু

কুয়েত-ঢাকা রুটে পুনরায় চালু হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে বন্ধ থাকার পর দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস পর শনিবার (২৯ আগস্ট) থেকে এই রুটে আবারও নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কুয়েত কান্ট্রি ম্যানেজার এ কে এম ফরহাদ ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কুয়েতে বাংলাদেশি সংবাদকর্মীদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, কুয়েত আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।

এদিকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালু হওয়ায় কুয়েত-বাংলাদেশ রুটে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের টিকিটের দামও কমতে শুরু করেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি যাত্রীদের মধ্যে।

দীর্ঘদিন বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ থাকায় কুয়েত থেকে বাংলাদেশগামী যাত্রীদের অনেকেই বাড়তি ভাড়া দিয়ে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছিলেন। বিশেষ করে ছুটির মৌসুম ও জরুরি প্রয়োজনে দেশে যেতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের জন্য টিকিটের উচ্চমূল্য ছিল বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ।

বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ায় এখন প্রবাসীদের সামনে বাড়ছে সরাসরি ভ্রমণের সুযোগ। একই সঙ্গে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ায় টিকিটের ভাড়াও কমে আসছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রবাসীরা আশা করছেন, বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট নিয়মিত ও নির্বিঘ্নভাবে পরিচালিত হলে কুয়েত–বাংলাদেশ রুটে বিমান ভাড়া আরও সহনীয় পর্যায়ে আসবে এবং যাত্রীদের ভোগান্তিও কমবে।

কুয়েত থেকে ঢাকার সরাসরি বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ায় কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াতে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা প্রবাসীদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমরা না পারলে কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না’, কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


‘আমরা না পারলে কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না’, কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান যে অঞ্চলে তেল বিক্রি করতে পারবে না, সেখানে অন্য দেশও তেল বিক্রি করতে পারবে না।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে গত ২২ জুলাইয়ের একটি পুরোনো বার্তা পুনরায় প্রকাশ করে এ মন্তব্য করেন তিনি। হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ ও ইরানের তেল রফতানি বন্ধের দাবির জবাবেই গালিবাফ এমন হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, ‘হয় সবাই, নয়তো কেউ নয়।’ একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে মার্কিন সেনার উপস্থিতি না থাকার ওপর জোর দেন তিনি।

গালিবাফের বক্তব্যের মাধ্যমে আঞ্চলিক তেল বাণিজ্য ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিল ইরান।-পার্সটুডে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় ভাঙ্গাচোরা, জরাজীর্ণ ভাসমান সেতু দিয়ে চলাচল করছে জনগন ও পাঁচ শতাধিক সবজি চাষি, দুই যৃগেও হয়নি কোন স্থায়ী সেতু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


কলাপাড়ায় ভাঙ্গাচোরা, জরাজীর্ণ ভাসমান সেতু দিয়ে চলাচল করছে জনগন ও পাঁচ শতাধিক সবজি চাষি, দুই যৃগেও হয়নি কোন স্থায়ী সেতু

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাখিমারা খালের ওপর স্থায়ী সেতু না থাকার কারণে পাঁচ শতাধিক সবজি ও কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী কৃষক চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। প্রায় ৩০ বছর ধরে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা, নেয়ামতপুর ও এলেমপুর গ্রামের কৃষকদের প্রতিদিন কাদা, নৌকা ও ঝুঁকিপূর্ণ ভাসমান সেতু পার হয়ে পাখিমারার পাইকারি বাজারে কৃষিপণ্য নিয়ে যেতে হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব গ্রাম থেকে প্রতিবছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। এ অঞ্চলে কলাপাড়া উপজেলার প্রায় ৭০ শতাংশ সবজির চাহিদা পূরণ হয়। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সবজি প্রতিদিন বাস, ট্রাক ও পিকআপে দেশের বিভিন্ন এলাকার আড়তে পাঠানো হয়।

শনিবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে চাকামইয়া এলাকার আরপাঙ্গাশিয়া নদীর ওপর ভেঙে পড়া একটি আয়রন ব্রিজের মালামাল এনে পাখিমারা খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু নির্মাণের দুই বছরের মধ্যেই সেটি নষ্ট হয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই সেতু নির্মাণে ভালো মানের খুঁটি ও স্লিপার সরিয়ে নিম্নমানের বা অকেজো মালামাল ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই ভাসমান ড্রাম সেতুই কৃষকদের একমাত্র ভরসা। বছরের পর বছর ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা দ্রুত স্থায়ী করা প্রয়োজন। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন পক্ষ সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিলেও পরে তা বাস্তবায়ন হয় না বলেও অভিযোগ তাদের।

কৃষকদের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। গ্রামগুলোর অভ্যন্তরীণ মাটির রাস্তাগুলো কাদায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তখন দূরের কৃষকদের নৌকায় করে পাখিমারার বাজারে আসতে হয়। অথচ কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পথে দীর্ঘ তিন দশকেও একটি স্থায়ী গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি। স্থানীয় কৃষকদের প্রত্যাশা, আর আশ্বাস নয়-দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন করে পাখিমারা খালের ওপর স্থায়ী গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। এতে কৃষকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং এলাকার কৃষি অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।

স্থানীয় কৃষক জলিল প্যাদা জানান, পাখিমারার প্রায় ৩০০ ফুট প্রশস্ত খাল পারাপারে বর্তমানে কৃষকরা নিজেদের অর্থায়নে ড্রামের ওপর নির্মিত ভাসমান কাঠের পাটাতনের সেতুর ওপর নির্ভরশীল। নিজেদের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন এনজিওর সহায়তায় কয়েক দফা এটি মেরামত করা হলেও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হয়নি।

কুমিরমারার কৃষক মজিদ মিয়া বলেন, ‘৪০-৪৫ বছর ধরে সবজি চাষ করছি। কুমিরমারাসহ তিনটি গ্রামের অন্তত সাড়ে পাঁচশ কৃষক প্রতিবছর ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদন করেন। এসব পণ্য পাখিমারার আড়তে নিতে হয়। বর্ষায় কাদা ও নৌকার কারণে দুর্ভোগ আরও বাড়ে। এত বছরেও এখানে একটি পাকা ব্রিজ হয়নি।’

এবিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান জানান, পাখিমারা খালের ওপর একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এটি বাস্তবায়ন করবে। নীলগঞ্জের সবজি চাষিদের দুর্ভোগ কমানো এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের সুবিধার জন্যই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কুমিরমারার সবজি চাষিসহ এলাকার কৃষকদের কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া ও যোগাযোগ সুবিধার জন্য পাখিমারা খালের ওপর ৪৯০ মিটার দীর্ঘ একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ডিজাইন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পথে। নেভিগেশন ছাড়পত্রও নেওয়া হয়েছে। এখন একনেকের অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%