০৪:৫৮ পি.এম
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইসিসি) আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দলের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গের মতে, চলমান পঞ্চম চক্র শেষ হওয়ার পর পরবর্তী চক্রে সব টেস্ট খেলুড়ে দেশকে এই প্রতিযোগিতার আওতায় আনা হতে পারে।
বর্তমানে ৯টি দল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করছে। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দলগুলোর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১২-তে। টেস্ট খেলুড়ে প্রতিটি দেশের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করাই এর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন গ্রিনবার্গ।
তবে নতুন তিনটি দল—জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে যুক্ত করার ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান রয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটের অবকাঠামো ও সামগ্রিক সক্ষমতার দিক থেকে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড এখনও পিছিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তান নিজেদের দেশে টেস্ট আয়োজন করতে সক্ষম হয়নি এবং তাদের ভাড়া করা ভেন্যুর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বির্তকে মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
গ্রিনবার্গ মনে করেন, টেস্ট ক্রিকেট পরিচালনার ক্রমবর্ধমান ব্যয় অনেক দেশের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ম্যাচ আয়োজনের পাশাপাশি একজন ক্রিকেটারকে টেস্ট খেলার উপযোগী করে তুলতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে আর্থিক সংকটের কারণে কিছু পূর্ণ সদস্য দেশ হয়ত নিয়মিত টেস্ট খেলতে অক্ষম হতে পারে। বিশেষ করে নিজেদের দেশে টেস্ট সিরিজ আয়োজনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে তাদের বিদেশে বেশি ম্যাচ খেলতে হতে পারে।
গ্রিনবার্গের মতে, পারস্পরিকভাবে সিরিজ আয়োজনের বর্তমান কাঠামো পরিবর্তন করা প্রয়োজন। কারণ এভাবে চলতে থাকলে কিছু দেশের ক্রিকেট বোর্ড আর্থিকভাবে বড় চাপের সম্মুখীন হতে পারে।
নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানের জন্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এক ম্যাচের সিরিজ আয়োজনের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। বর্তমানে দলগুলো সাধারণত প্রতিটি সিরিজে অন্তত দুটি টেস্ট খেলে।
আরও পড়ুন: ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন